বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কপিলমুনিতে এনজিও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঋণ প্রদানের প্রলোভনে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
কপিলমুনিতে এনজিও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঋণ প্রদানের প্রলোভনে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ

কপিলমুনি (পাইকগাছা) প্রতিনিধি: কপিলমুনিতে ব্র্যাক ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচি প্রগতির এলাকা ব্যবস্থাপক বিউটি খাতুন এর বিরুদ্ধে মোটা অংকের ঋণ প্রদানের প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগে এক ভুক্তভোগী সদস্য লিগ্যাল নোটিশ প্রদান ও প্রতিষ্ঠানটির আরএমও এর দপ্তরে অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে প্রকাশ, পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনির কাশিমনগর গ্রামের মোঃ ইবাদুল মোড়লের ছেলে সেলিম মোড়ল (সদস্য নং ৭১৫৪) ‘২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের ১৪ তারিখে ব্র্যাক ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি (প্রগতি) এর কপিলমুনি শাখা থেকে ১০ লাখ টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। ১২ মাসে ১২ কিস্তিতে ঋণকৃত টাকা শোধ করার শর্ত দেয় এনজিও সংস্থাটি। কিন্তু ৮ কিস্তিতে ৭ লাখ ৫২ হাজার টাকা পরিশোধ করেন ঋণ গ্রহীতা সেলিম, বাকি চার কিস্তি পরিশোধের চার মাসের সময় থাকলেও পুনঃ ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এলাকা ব্যবস্থাপক বিউটি খাতুন উক্ত চার কিস্তির সমুদয় টাকা সেলিম মোড়লকে অগ্রিম এককালীন পরিশোধ করতে বলেন। তার কথা অনুযায়ী ঋণ পাওয়ার আশায় সদস্য সেলিম মোড়ল এককালীণ বাকি ৪ কিস্তির মোট ৩ লক্ষ ৫৯ হাজার ৭৮৭ টাকা গত ১৭ সেপ্টেম্বর ‘২৬ তারিখে পরিশোধ করেন।

সেলিম মোড়লের অভিযোগে আরো জানা যায়, ১০ লক্ষ টাকার পুনরায় লোন দেওয়ার জন্য ব্যবস্থাপক বিউটি খাতুন তার নিকট ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন, সেলিম ঋণ পাওয়ার প্রত্যাশায় উক্ত টাকা দিতে রাজি হন। সে অনুযায়ী ঋণ পরিশোধের আগে ১৬ সেপ্টেম্বর সেলিম মোড়ল তার গোডাউনে ২০ হাজার টাকা বিউটিকে গোপনে প্রদান করেন এবং বাকি ২০ হাজার টাকা ঋণ প্রাপ্তির দিন দেওয়ার কথা থাকে। এদিকে ঋণের সমুদয় টাকা পরিশোধসহ ঘুষের ২০ হাজার টাকা নেওয়ার পর বিউটি খাতুন প্রতারণার আশ্রয় নেন, এক পর্যায়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আরএম সাজিয়ে সেলিমের অফিস ও গোডাউনে পরিদর্শন করান।

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও ঋণ প্রদানে নানা তালবাহানা শুরু করেন ব্যবস্থাপক বিউটি খাতুন। শুধু তাই নয়, কালক্ষেপণ করে পরিশেষে তিনি সাফ জানিয়ে দেন সেলিম মোড়লকে ঋণ দেওয়া হবে না। এদিকে ঋণ না পেয়ে প্রতারিত হওয়ার পর ঘুষ দেওয়া ২০ হাজার টাকা ফেরত চাইলে তিনি দিতে অস্বীকার করেন।

এ ঘটনায় সেলিম মোড়ল নিরুপায় হয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর এনজিও সংস্থাটির আর এম বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। শুধু তাই নয়, তিনি আইনী ব্যবস্থার জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর অভিযুক্তকে লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করেন।

অভিযুক্ত এলাকা ব্যবস্থাপক বিউটি খাতুন বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আণীত অভিযোগ সঠিক নয়, সেলিম মোড়ল আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করেছেন, তাকে ঋণ না দেওয়ার কারণে তিনি ঘুষের মিথ্যা অভিযোগ তুলেছেন।”

এব বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানটির আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (আর এম) আবির আজাদ এর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে বারবার কল দিলেও তিনি ফোন ধরনেনি, ববং কোন কোন সময় ফোন কেটে দেন।

Ads small one

কলারোয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা
কলারোয়া প্রতিনিধি: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে কলারোয়ায় প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা অডিটোরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম।
সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন, কলারোয়া থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর-রশিদ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরশাফ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রকিব মোল্ল্যা, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর কামারুজ্জামান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান তুহিন, পৌর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক ইউনুস আলী বাবু, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিজিবি সদস্যরা।
এছাড়া এ সময় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন  উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি হরেন্দ্রনাথ রায়,  বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, কলারোয়া উপজেলা শাখার সভাপতি প্রকাশ চন্দ্র হালদার, সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ দাস (দেবু), স্বপন কুমার পাল, নিশীত রায় চৌধুরী, প্রদীপ পাল (ঝুনি), চয়ন কুমার কুন্ডু, সরজিত, জয়ন্ত, শম্ভু, রঞ্জিত, দীপক ঘোষ ও অমিত চৌধুরীসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বিভিন্ন পূজামণ্ডপের কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা সভায় অংশ নেন।
সভায় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব সম্পন্ন করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একই সঙ্গে পূজামণ্ডপগুলোতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, জনপ্রতিনিধি ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, কলারোয়া উপজেলায় এ বছর মোট ৪৬টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করা হবে। সবগুলো পূজামণ্ডপ সিসি ক্যামেরায় আওতায় থাকছে বলে জানা যায়।

মেসির বিদায়ে পূর্ণিমা-পরীমণির আবেগঘন বার্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৬ অপরাহ্ণ
মেসির বিদায়ে পূর্ণিমা-পরীমণির আবেগঘন বার্তা

বুধবার (৭ অক্টোবর) আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সিতে শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসি। বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে এক গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করে জাতীয় দলের হয়ে নিজের শেষ ম্যাচটিকেও স্মরণীয় করে রেখেছেন তিনি।

প্রিয় তারকার বিদায়ের মুহূর্তে বিশ্বের কোটি ভক্তের মতো আবেগে ভেসেছেন বাংলাদেশের শোবিজ তারকারাও।

মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা ও পরীমণি। তাদের পোস্টে ফুটে উঠেছে মেসিকে ঘিরে দীর্ঘদিনের ভালোবাসা, অসংখ্য স্মৃতি আর বিদায়ের আবেগ।

মেসিকে নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে পূর্ণিমা লিখেছেন, ‘জীবনের সব দুঃখ এক পাশে, আর অন্য পাশে মেসিকে হয়তো শেষবারের মতো আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে দেখতে পাওয়ার বেদনা!’

মেসির বিদায়কে একটি যুগের সমাপ্তি হিসেবে দেখেছেন পরীমনি। দীর্ঘ এক আবেগঘন বার্তায় তিনি লেখেন, ‘আজকের এই ম্যাচ শুধু একটা ম্যাচ নয়… আজ একটা যুগের শেষ অধ্যায়।’

মেসিকে ঘিরে নিজের দীর্ঘদিনের স্মৃতিও তুলে ধরেছেন পরীমনি। তিনি বলেন, ‘কত রাত জেগে তার খেলা দেখেছি, কত গোলের পর চিৎকার করেছি, কত হারের পর কেঁদেছি—সবকিছু আজ চোখের সামনে ভেসে উঠছে।’

বিশেষ করে ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ের মুহূর্তটি স্মরণ করেছেন পরীমনি। মেসির হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি দেখার সেই আনন্দ কখনও ভুলে যাওয়ার নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সবশেষে পরীমনি লেখেন, ‘বিদায় নয়, লিও, তুমি তো ফুটবলের ইতিহাসে থেকে যাবে। আর্জেন্টিনার জার্সি বদলাবে, প্রজন্ম বদলাবে, কিন্তু ১০ নম্বরের গল্পটা কখনও শেষ হবে না।’

একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ
একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১০ হাজার ৮০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ ৪ হাজার ৮১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ১০টি নতুন, দুটি সংশোধিত এবং একটি মেয়াদ বৃদ্ধির প্রকল্প। এর মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সাতটি, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দুটি এবং নৌপরিবহন, রেলপথ, পররাষ্ট্র এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি করে প্রকল্প রয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সাতটি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নতুন পাঁচটি অঞ্চলের ১৮টি ওয়ার্ডের সড়ক অবকাঠামো ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পুনর্বাসন। এ ছাড়া গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ৮ নম্বর জোনে রাস্তা, নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণের প্রকল্প রয়েছে।

একই মন্ত্রণালয়ের অধীনে সমবায়ের মাধ্যমে নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা সৃষ্টির একটি প্রকল্পও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও নওগাঁ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধন এবং গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধন অনুমোদন পেয়েছে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) জন্য ৩৫টি বাণিজ্যিক ও আটটি সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং দুটি নতুন স্লিপওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন অনুমোদন করা হয়েছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ‘রেলওয়ের সক্ষমতা সম্প্রসারণ প্রকল্প’-এর আওতায় বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহের প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ফ্রান্সের প্যারিসে ক্রয় করা চ্যান্সারি ভবন ব্যবহার উপযোগী করতে সংস্কার ও আধুনিকায়ন। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ভজনপুর (নিজবাড়ী)-আটোয়ারী-ময়নাগুড়ি-আমতলী-মিরগড়-পঞ্চগড় সড়কের ১৫তম কিলোমিটারে দ্বিতীয় করতোয়া সেতু নির্মাণ এবং থানচি-রিমাকরি-মদক-লিকরি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধন।

এ ছাড়া বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পও একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের একটি প্রকল্প সম্পর্কে একনেককে অবহিত করা হয়েছে।