শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে প্রশান্তির ঠিকানা দেবহাটার রূপসী ম্যানগ্রোভ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে প্রশান্তির ঠিকানা দেবহাটার রূপসী ম্যানগ্রোভ

Oplus_131072

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা: সবুজের গভীরতা, নদীর নির্মল বাতাস, পাখির কলকাকলি আর চোখজুড়ানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যÑসব মিলিয়ে যেন প্রকৃতির নিজ হাতে আঁকা এক ছবি। একদিকে বাংলাদেশ, অন্যদিকে ভারত; মাঝখানে সীমান্ত নদী ইছামতি। তারই কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা ‘রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র’ এখন সাতক্ষীরার অন্যতম আকর্ষণীয় বিনোদনকেন্দ্র। ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে মনের প্রশান্তি পেতে প্রতিদিনই এখানে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ।

দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ পর্যটন কেন্দ্রটি বর্তমানে নতুন সাজে সেজেছে। শীতের ছুটি, বিভিন্ন উৎসব ও সরকারি ছুটিকে কেন্দ্র করে দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠছে ‘মিনি সুন্দরবন’খ্যাত রূপসী ম্যানগ্রোভ।

সবুজের রাজ্যে বিনোদনের নানা আয়োজন: উপজেলা সদর থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে সদর ইউনিয়নের শিবনগর এলাকায় তিন নদীর মোহনায় প্রায় ১৫০ বিঘা জমিতে গড়ে উঠেছে ম্যানগ্রোভ বনটি। এর বুক চিরে প্রায় ৩০ বিঘা জমিতে রয়েছে অনামিকা লেক। পাশাপাশি রয়েছে পিকনিক স্পট, শিশুপার্ক, কনফারেন্স রুম, পাকা ট্রেইল, সেলফি পয়েন্ট ও প্যাডেল বোট।
কেওড়া, গোল, বাইন, কাঁকড়া, নিম, সুন্দরীসহ নানা প্রজাতির গাছ-গাছালিতে ভরে উঠেছে বনটি। সঙ্গে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও প্রাণী। লাভ বার্ড, কোকাটেল, বাজরিগার, টিয়া, কালিম, তোতামুখি ও ইমুসহ নানা পাখির উপস্থিতি শিশুদের আনন্দ বাড়িয়ে দিয়েছে। রয়েছে হাঁস, মুরগি, খরগোশ ও বানরও।

নদী ভ্রমণের জন্য নৌকা, স্থলে ঘোরার জন্য ঘোড়া এবং শিশুদের জন্য বিভিন্ন বিনোদন ব্যবস্থা রয়েছে। ফুলের বাগান, নানা সাজসজ্জা, কার্টুন ও ফেস্টুন পুরো এলাকাকে দিয়েছে উৎসবের আমেজ।

ইছামতির পাড়ে সূর্যাস্তের মুগ্ধতা: রূপসী ম্যানগ্রোভের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ইছামতি নদী। নদীর একপাশে বাংলাদেশ, অপরপাশে ভারত। বিকেলের মিষ্টি আলোয় নদীর পাড়ে বসে সূর্যাস্ত দেখার দৃশ্য মন কেড়ে নেয় দর্শনার্থীদের।

দর্শনার্থীরা জানান, দূরে কোথাও না গিয়েও দেবহাটায় এসে সুন্দরবনের আবহ পাওয়া যায়। নিরিবিলি পরিবেশ, নদীর বাতাস ও সবুজ প্রকৃতি সব বয়সী মানুষের জন্যই আকর্ষণীয়। নারী ও শিশুদের জন্যও স্থানটি নিরাপদ বলে জানান তারা।

পর্যটনকে ঘিরে তৈরি হচ্ছে কর্মসংস্থান: পর্যটন কেন্দ্রটিকে ঘিরে স্থানীয় অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য রয়েছে গেস্ট হাউস, সুপেয় পানির ব্যবস্থা ও নামাজের স্থান। নারীদের নামাজ আদায়ের জন্য রয়েছে পৃথক ব্যবস্থা। রাত্রিযাপনের সুবিধার্থে নতুন করে কটেজ নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, ছুটির দিন ও উৎসবের সময় এখানে প্রতিদিন কয়েক হাজার দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে। শীতের মৌসুমে সেই সংখ্যা আরও বেড়ে যায়।

যেভাবে গড়ে উঠল রূপসী ম্যানগ্রোভ: ২০১২ সালের পর তৎকালীন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনম তরিকুল ইসলামের উদ্যোগে সরকারি খাস জমিতে সুন্দরবনের আদলে গড়ে তোলা হয় এ ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র।

তবে শুধু ম্যানগ্রোভ নয়, পাশের ঐতিহাসিক টাউনশ্রীপুর এলাকাও বহন করছে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা। একসময় এ এলাকায় জমিদার ও খ্যাতিমান ব্যক্তিদের বসবাস ছিল। তাদের বসতবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনার ঐতিহাসিক নিদর্শন এখনো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।

আরও আকর্ষণীয় করার উদ্যোগ: দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা বলেন, রূপসী ম্যানগ্রোভ জেলার মধ্যে সকল শ্রেণির মানুষের কাছে আকর্ষণীয় একটি বিনোদনকেন্দ্র। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় পর্যটন কেন্দ্রটিকে আরও সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, সীমান্তসংলগ্ন হওয়ায় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এখানে এসে মুগ্ধ হন। সাধারণ মানুষও এসে প্রশান্তি অনুভব করেন। সবদিক বিবেচনায় ভ্রমণপিপাসুদের কাছে রূপসী ম্যানগ্রোভের আকর্ষণ দিন দিন বাড়ছে।

পর্যটন কেন্দ্রের ম্যানেজার সোহেল বলেন, দর্শনার্থীরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে স্টাফরা সতর্ক রয়েছেন। তাদের বিনোদনের জন্য নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

শহরের কোলাহল থেকে একটু দূরে, ইছামতির পাড়ে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের মাঝে কয়েক ঘণ্টা হারিয়ে যেতে চাইলে দেবহাটার রূপসী ম্যানগ্রোভ হতে পারে আপনার পরবর্তী গন্তব্য।

 

Ads small one

সম্পাদকীয়/ নদী ও জলাশয় রক্ষায় চাই কঠোর পদক্ষেপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ নদী ও জলাশয় রক্ষায় চাই কঠোর পদক্ষেপ

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় নদী ও প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষা নিয়ে গভীর উদ্বেগের চিত্র ফুটে উঠেছে দুটি সাম্প্রতিক ঘটনায়। একদিকে সদর উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত বেতনা নদীতে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে খননকাজ চালানোর পর পলি জমে নাব্যতা হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বেআইনি আড় জালের জন্য। অন্যদিকে শ্যামনগরের অন্তাখালী খালে অভিযান চালিয়ে জব্দ করা হয়েছে ক্ষতিকর চায়না দুয়ারী ও বুলেট নেট জাল, যা পরে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ফেলা হয়। ঘটনা দুটি ভিন্ন উপজেলার হলেও তাদের মূল সংকট অভিন্নÑআইন অমান্য করে ক্ষতিকর জালের অবাধ ব্যবহার এবং জলজ জীববৈচিত্র্যের ধ্বংস সাধন।

বেতনা নদী সাতক্ষীরা অঞ্চলের নিষ্কাশন ব্যবস্থার অন্যতম মূল ধমনি। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নদীটি খনন করার মূল উদ্দেশ্য ছিল জোয়ার-ভাটা স্বাভাবিক রাখা এবং এলাকাকে দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা করা। কিন্তু সদর উপজেলার বিনেরপোতা, শাল্যে, মাছখোলা ও কামারডাঙ্গা এলাকায় নদীর এক তীর থেকে অন্য তীর পর্যন্ত আড়াআড়িভাবে আড় জাল পেতে রাখা হচ্ছে। এর ফলে পানির গতিপথ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং দ্রুত পলি জমে তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ার চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এই প্রবণতা রোধ করা না গেলে স্লুইসগেট দিয়ে বিলের পানি নদীতে নিষ্কাশিত হতে পারবে না, যার খেসারত দিতে হবে পুরো সাতক্ষীরা অঞ্চলের সাধারণ মানুষকে।

অন্যদিকে, ক্ষুদ্র ফাঁসের চায়না দুয়ারী কিংবা বুলেট জালের মতো প্রাণঘাতী জালের সয়লাব দেশের মৎস্য সম্পদের জন্য এক নীরব মহামারি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে কেবল বড় মাছই ধরা পড়ে না, রেনু পোনা থেকে শুরু করে জলজ সব কীটপতঙ্গ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যায়। শ্যামনগরে মৎস্য বিভাগের অভিযানে এই ক্ষতিকর জাল জব্দ ও ধ্বংস করার ঘটনা ইতিবাচক ও প্রশংসনীয়। কিন্তু সাময়িক অভিযান চালিয়ে এমন ভয়াবহ প্রবণতা স্থায়ীভাবে থামানো কঠিন।

নদী বা খাল পুনঃখননে যে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ব্যয় হয়, অসচেতনতা ও গুটিকয়েক সুযোগসন্ধানী লোকের প্রভাবে যদি তার সুফল নষ্ট হয়, তবে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে কেবল প্রথাগত অভিযানে সীমাবদ্ধ না থেকে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে। সেগুলো হলোÑ বেতনা নদীসহ স্পর্শকাতর নদ-নদীগুলোতে নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের টহল জোরদার করতে হবে। নদীতে অবৈধভাবে জাল স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। ক্ষতিকর চায়না দুয়ারী বা অন্যান্য নিষিদ্ধ জাল বাজারে বেচাকেনা ও প্রস্তুত বন্ধে এর উৎসমুখ ও কারখানাগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করতে হবে। নদী রক্ষা ও মাছের প্রজনন সুরক্ষায় ইউপি সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পৃক্ত করে সামাজিক সচেতনতা বাড়িয়ে পাহারাদার কমিটি গঠন করা যেতে পারে।

নদ-নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং দেশীয় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ আমাদের অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িত। আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা নিশ্চিত করে নদী ও জলাশয়গুলোকে দখল ও ক্ষতিকর ফাঁদের হাত থেকে মুক্ত রাখা এখনই সময়ের বড় দাবি।

 

সাতক্ষীরায় ‘জনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনা’বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ‘জনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনা’বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের আয়োজনে এক সপ্তাহ মেয়াদি ‘জনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে। ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ৯টায় ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও ভারপ্রাপ্ত কমান্ড্যান্ট এ এস এম হাফিজুর রহমান কর্মসূচির সূচনা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ সদস্যদের জনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় জ্ঞান, দক্ষতা ও কৌশল বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এ আয়োজন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি যেকোনো পরিস্থিতিতে আইনানুগভাবে দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। অর্জিত জ্ঞান কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

খুলনায় ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি রক্ষায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
খুলনায় ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি রক্ষায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা, পারস্পরিক সম্প্রীতি, মানবাধিকার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে খুলনায় দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের আয়োজনে এবং ‘এজেন্ট অব চেঞ্জ’ প্রকল্পের সহযোগিতায় ৪ ও ৫ সেপ্টেম্বর খুলনার সিএসএস আভা সেন্টারে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

সাতক্ষীরা জেলার জন্য আয়োজিত এ কর্মশালায় পবিত্র মোহন দাসের নেতৃত্বে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও সম্প্রদায়ের ২০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।

সাতক্ষীরা থেকে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, ফরিদা আক্তার বিউটি, সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল, লেখক শেখ সিদ্দিকুর রহমান, অধ্যাপক ভারতেশ্বরী বিশ্বাস, জেলা নাগরিক কমিটির নেতা আলী নূর খান বাবুল, ধর্মীয় নেতা শেখ মাহবুব রহমান, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হেনরী সরদার, অ্যাডভোকেট সেলিনা আক্তার প্রমুখ। হাঙ্গার প্রজেক্টের জ্যেষ্ঠ কর্মসূচি কর্মকর্তা রুবিনা আক্তার, সুশান্ত রায় ও রাজু জোবেদ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি