কলারোয়ায় ভাষাসৈনিক শেখ আমানুল্লাহর ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
কলারোয়া প্রতিনিধি: বিএনপির প্রকাশনা সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেছেন, ভাষাসৈনিক শেখ আমানুল্লাহ ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার মুক্তচিন্তার মানুষ। ভাষা আন্দোলন ও শিক্ষা বিস্তারে তাঁর অবদান দেশের মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির আন্দোলনে তিনি ছিলেন অগ্রসৈনিক এবং কলারোয়া জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল ছিল সেই আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্র।
৩১ আগস্ট বেলা ১২টায় কলারোয়া সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল মিলনায়তনে আলহাজ শেখ আমানুল্লাহর ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মারক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুদীপ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মরহুমের জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ আমানুল্লাহ ডিগ্রি কলেজের পরিচালনা পর্ষদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য অধ্যাপক শেখ সাইয়েদুল ইসলাম বাবু। এ ছাড়া স্মরণসভায় বক্তব্য দেন শেখ আমানুল্লাহ ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রইছ উদ্দিন, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গোলাম রব্বানী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমানুল্লাহ, পাইলট হাইস্কুলের সিনিয়র শিক্ষক শেখ তামিম আজাদ মেরিন, বেত্রবতী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ রাশেদুল হাসান কামরুল, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাকিবিল্লাহ শাহীসহ মরহুমের পরিবারবর্গ।
সভা শেষে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সকাল ৯টায় কলারোয়ার ঝাঁপাঘাট গ্রামে তাঁর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। ২০১৩ সালের ৩১ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বরেণ্য এই শিক্ষক নেতা।









