বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

কালিগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে মা-ছেলেকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
কালিগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে মা-ছেলেকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার চম্পাফুল গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক নারী ও তাঁর ছেলেকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। বুধবার বিকেলে চম্পাফুল কালীবাড়ি বাজার এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত মাধবী রানী ম-ল ও তাঁর ছেলে শংকর ম-লকে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত মাধবী ম-লের অভিযোগ, স্থানীয় সামাদ গাজী ও তাঁর ছেলে আলমগীর কবীরের সঙ্গে তাঁদের দীর্ঘদিনের জমিজমা সংক্রান্ত মামলা চলছে। সম্প্রতি একটি মামলার রায় তাঁদের বিপক্ষে যাওয়ায় এবং আগের মামলা প্রত্যাহারে রাজি না হওয়ায় এই হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা তাঁদের বাড়িঘর ও তুলসী মন্দির ভাঙচুর করে এবং লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে তাঁদের আহত করে। এমনকি তাঁদের চলাচলের রাস্তাও বাঁশ দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সামাদ গাজী দাবি করেছেন, তাঁর জমিতে জোর করে ঘর নির্মাণে বাধা দেওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল হোসেন জানান, সামাদ গাজীর পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে, যা তদন্তের জন্য উপপরিদর্শক আব্দুর রহিমকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী মাধবী ও শংকরকে চিকিৎসা শেষে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।

Ads small one

শ্যামনগরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের কর্মপরিকল্পনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের কর্মপরিকল্পনা সভা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘ভিটামিন-এ খাওয়ান, মৃত্যুর ঝুঁকি কমান’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গত ২৪ জুন সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জামান কনক।
সভায় চিকিৎসকেরা জানান, মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন ‘এ’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাপ্তবয়স্করা বিভিন্ন ফলমূলের মাধ্যমে এই উপাদানটি পেলেও শিশুরা তা থেকে বঞ্চিত হয়। এর ফলে তারা অপুষ্টি ও হামসহ নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। এই ঘাটতি পূরণে সরকারি উদ্যোগে আগামী ২৮ জুন (রবিবার) উপজেলার ১৮৯টি কেন্দ্রে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
শ্যামনগর হাসপাতাল সূত্র জানায়, এবার উপজেলায় মোট ৩৯ হাজার ২৯৮ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৪ হাজার ২৯৮ জন শিশুকে একটি করে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩৫ হাজার শিশুকে একটি করে লাল রঙের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
সভায় প্রতিটি শিশুর কাছে ক্যাপসুল পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। তিনি বলেন, সরকারি এই কর্মসূচির আওতা থেকে যেন কোনো শিশু বাদ না পড়ে, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল হক, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. তরিকুল ইসলাম ও উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি এস কে সিরাজ উপস্থিত ছিলেন।

হারানো নস্টালজিয়া: প্রযুক্তির জোয়ারে স্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে রেডিও

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
হারানো নস্টালজিয়া: প্রযুক্তির জোয়ারে স্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে রেডিও

আশাশুনি সংবাদদাতা: এক সময় যা ছিল দেশ-বিদেশের খবর জানার প্রধান বাতায়ন, বিনোদনের একচ্ছত্র সঙ্গী—সময়ের আবর্তে সেই রেডিও আজ বিলুপ্তির পথে। সাতক্ষীরার আশাশুনিসহ উপকূলীয় অঞ্চলের গ্রামগুলোতে এখন আর আগের মতো দলবেঁধে রেডিও শোনার চিরচেনা দৃশ্য চোখে পড়ে না। প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির কাছে হার মেনে বাঙালির বৈঠকখানা থেকে এই ঐতিহ্যবাহী বেতার যন্ত্রটি যেন একপ্রকার বিদায় নিয়েছে।
মাত্র তিন দশক আগেও গ্রামীণ জনপদে বিয়ের উপহার হিসেবে নামী-দামী ব্র্যান্ডের রেডিও দেওয়া ছিল আভিজাত্য ও গর্বের প্রতীক। যার ঘরে রেডিও ছিল, প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা কিংবা রাতের খবরের সময়ে সেখানে জমত পাড়ার মানুষের আসর। রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত, গানের ডালি, সুখী সংসার কিংবা ছায়াছবির গানের অনুষ্ঠান শুনে কাটত তরুণদের অবসর। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে এই রেডিওই ছিল স্বাধীনতাকামী মানুষের আশার আলো। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান ও খবর শুনে উদ্বুদ্ধ হয়ে বহু মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মুক্তিসংগ্রামে।
সময়ের বদলে রেডিওর জায়গা প্রথমে নিয়েছিল টেপ রেকর্ডার, এরপর সিডি প্লেয়ার এবং সবশেষে স্মার্টফোন। বর্তমানের ডিজিটাল ও ইন্টারনেটের যুগে আলাদা করে রেডিও কেনার চল প্রায় উঠে গেছে। মোবাইল ফোনের এফএম বা ইন্টারনেটের মাধ্যমেই এখন অনায়াসে সব শোনা যায়। তবে এই আধুনিকতার আড়ালে হারিয়ে গেছে দলবেঁধে অনুষ্ঠান শোনার সেই সামাজিক আবহ।
এই পরিবর্তনের বড় ধাক্কা লেগেছে রেডিওর কারিগর বা মিস্ত্রিদের জীবনে। জীবিকার তাগিদে অনেকেই এখন পেশা বদলে টেলিভিশন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক সামগ্রী মেরামতের কাজ করছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, রেডিও শুধু একটি যন্ত্র নয়, এটি আমাদের ইতিহাসের অংশ। আধুনিক যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন প্রজন্মের উপযোগী ডিজিটাল অনুষ্ঠান নির্মাণ করা গেলে ঐতিহ্যবাহী এই গণমাধ্যমটিকে হয়তো আবারও নতুন রূপে টিকিয়ে রাখা সম্ভব।

শ্যামনগরে ভেটেরিনারি স্বেচ্ছাসেবককে ৫দিনের প্রশিক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে ভেটেরিনারি স্বেচ্ছাসেবককে ৫দিনের প্রশিক্ষণ

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ফেইথ ইন এ্যাকশন গাবুরা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড এর ১৫টি গ্রামে কানাডিয়ান দাতা সংস্থা ওয়ার্ল্ড রিনিউ-এর আর্থিক সহযোগিতায় জলবায়ু সহনশীল জনগোষ্ঠী তৈরি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
উক্ত প্রকল্প কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ফেইথ ইন এ্যাকশনের আয়োজনে এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের কারিগরি সহযোগিতায় শ্যামনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের প্রশিক্ষণ কক্ষে ২০ জুন থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত ১৫জন ভেটেরিনারি স্বেচ্ছাসেবককে ৫ দিনের গবাদি প্রাণীর প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা ও টিকাদান কর্মসূচি নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
প্রশিক্ষণে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. সুব্রত কুমার বিশ্বাস, উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা পরিতোষ কুমার মন্ডল, ভিএফএ সুদীপ্ত বিশ্বাস।
প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান ফেইথ ইন এ্যাকশনের মুন্সিগঞ্জে সিআরসি প্রকল্প অফিসে আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে অনলাইনে সভাপতিত্ব করেন ফেইথ ইন এ্যাকশনের নির্বাহী পরিচালক নৃপেন বৈদ্য, আরও উপস্থিত ছিলেন প্রোগ্রাম সমন্বয়কারী তীমন বাড়ৈ, প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মিল্টন বাড়ৈ, প্রকল্প হিসাব রক্ষক লরেন্স ঢালী, মিল অফিসার প্রিন্স মার্ক বিশ্বাস, জেন্ডার অফিসার নওমী বিশ্বাস প্রমূখ। ৫দিনের প্রশিক্ষণ শেষে ১৫ জন অংশগ্রহণকারীর হাতে প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি