শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কেন্দ্রীয় যুবদলকে স্বাগত জানিয়ে সাতক্ষীরায় জেলা যুবদলের র‌্যালি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
কেন্দ্রীয় যুবদলকে স্বাগত জানিয়ে সাতক্ষীরায় জেলা যুবদলের র‌্যালি

Screenshot

নিজস্ব প্রতিনিধি: কেন্দ্রীয় যুবদলের নেতৃবৃন্দকে স্বাগত ও শুভেচ্ছা জানিয়ে সাতক্ষীরায় জেলা যুবদলের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টায় সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের প্রধান সমন্বয়ক আইনাল ইসলাম নান্টার নেতৃত্বে র‌্যালিটি শহরের সংগীতা মোড় থেকে শুরু হয়। পরে র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চায়না বাংলা শপিং মলের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
র‌্যালিতে জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিটের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। এ সময় দলীয় বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে শহরের প্রধান সড়কগুলো।

র‌্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নেতারা বলেন, যুবদল দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে যেতে হবে।

তাঁরা আরও বলেন, আগামী দিনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সংগঠনের আদর্শ ও কর্মসূচি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা।

র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সমন্বয়ক মো. ফরিদ উদ্দিন, সাবেক সহ-সমন্বয়ক আলিমুজ্জামান আলিম, সাবেক সহ-সভাপতি খালিদ আহমেদ, তালা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মির্জা আতিয়ার, সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক খোরশেদ আলম, সদর উপজেলা যুবদলের সভাপতি জিয়ারুল ইসলাম, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক উজ্জ্বল কুমার সাধু এবং জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেনসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

আয়োজকরা জানান, কেন্দ্রীয় যুবদলের নেতৃবৃন্দের আগমন উপলক্ষে এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

Ads small one

সাতক্ষীরায় সীমানা পিলারসহ আটক ৪

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সীমানা পিলারসহ আটক ৪

খেশরা (তালা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় তালার কলাগাছি গ্রামের ভোলানাথ সানার (৫০) বসতবাড়ি থেকে সীমানা পিলারসহ এক্সপার্ট চক্রের ৩ সদস্যকে আটক করেছে থানা পুলিশ। শুক্রবার (৫ জুন) রাত ১০ টার পরে তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের কলাগাছি গ্রামের ভোলানাথ সানার বাড়ি থেকে এই পিলার উদ্ধার করা হয়।
আটক ভোলানাথ সানা কলাগাছি গ্রামের মৃত চতুর চন্দ্র সানার ছেলে এবং অন্য তিন জনের একজন খুলনার বটিয়াঘাটার বাসিন্দা ও অন্য ২ জন পাইকগাছা গ্রামের বাসিন্দা তুষার ও ভোলানাথ সানার কুটুম সুশান্ত বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোলানাথ সানার বসতবাড়ির পাশে একটি মাটির ঘরে এই পিলার মাটির নিচে বসানো ছিলো। আজকে এক্সপার্টরা এই পিলার সঠিক কি-না যাচাইয়ের জন্য আসবে বলে মাঠি খুড়ে বের করে ঘরের ভিতর রাখা হয়। তখনই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের টিম সেখানে অভিযান চালায়। রাত সাড়ে ১০ টায় পিলারসহ তাদের বসতবাড়ি থেকে আটক করে পুলিশের চৌকস টিম।

 


তালা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, রাত সাড়ে ১০ টায় আমরা খবর পাই কলাগাছিতে সীমানা পিলার বেচাকেনা চলছে। এই খবর পেয়ে আমারা অভিযান চালাই। অভিযান চালিয়ে আমরা তাদের পিলারসহ আটক করি। তবে আমরা তাদের থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাচ্ছি। যারা এর সাথে জড়িত রয়েছে তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। যারা জড়িত না তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে।

 

 

সম্পাদকীয়/ নির্বিচারে বৃক্ষনিধন রোধে চাই কার্যকর জাতীয় পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১:০৬ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ নির্বিচারে বৃক্ষনিধন রোধে চাই কার্যকর জাতীয় পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা

উন্নয়ন প্রকল্প, নগরায়ণ, শিল্পায়ন ও জ্বালানির ক্রমবর্ধমান চাহিদার অজুহাতে দেশে আশঙ্কাজনক হারে গাছ কাটা ও বন উজাড়ের যে চিত্র উঠে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সম্প্রতি পরিবেশ অধিদপ্তর মিলনায়তনে পরিবেশবাদী বিভিন্ন সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পরিবেশবিদেরা দেশের সবুজ আচ্ছাদন ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পাওয়ার যে তথ্য প্রকাশ করেছেন, তা আমাদের পরিবেশ ও প্রতিবেশ ব্যবস্থার ওপর এক মারাত্মক নেতিবাচক বার্তা দেয়। এই বাস্তবতায় দেশে নির্বিচারে গাছ কাটা রোধে একটি ‘জাতীয় বন ও বৃক্ষনিধন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা’ গড়ে তোলার যে দাবি তাঁরা জানিয়েছেন, তা অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং এর দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি।
উত্থাপিত গবেষণা প্রবন্ধ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মে থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র এক বছরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৫২ হাজার ৩৭৫টি বৃক্ষনিধনের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। যদিও এই সংখ্যাটি আগের বছরের তুলনায় ৭১ দশমিক ২ শতাংশ কম এবং এটি সচেতনতা বৃদ্ধির ইতিবাচক দিক নির্দেশ করে, তবুও প্রতিবছর হাজার হাজার পরিপক্ব গাছ এভাবে কেটে ফেলা কোনোভাবেই হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। বিশেষ করে জেলাভিত্তিক হিসাবে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ ২৩ হাজার এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় জেলা কক্সবাজারে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১১ হাজার বৃক্ষনিধনের তথ্য পরিবেশগত সুরক্ষাকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়। কক্সবাজারের মতো সংবেদনশীল ও পর্যটন এলাকায় এত বিপুলসংখ্যক গাছ কাটার খেসারত আগামী দিনে ওই অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য ও পাহাড় সুরক্ষায় মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
আমরা প্রায়ই দেখি, রাস্তা সম্প্রসারণ কিংবা অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণের জন্য কোনো বিকল্প ভাবনা ছাড়াই শতবর্ষী ও ছায়াসুনিবিড় গাছগুলো সবার আগে কেটে ফেলা হয়। আইন ও নীতিমালা থাকলেও তার যথাযথ প্রয়োগ এবং জবাবদিহিতার অভাবে এই অপরাধ পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না। পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন যে, মাঠপর্যায়ে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। বৃক্ষনিধনের এই ধারা অব্যাহত থাকলে মাটিক্ষয়, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস এবং সামগ্রিকভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাবে, যা ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তীব্র তাপপ্রবাহের মাধ্যমে আমরা টের পাচ্ছি।
সরকার পরিবেশ সুরক্ষায় ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তবে নতুন গাছ লাগানোর চেয়ে বিদ্যমান বড় ও পরিণত গাছগুলোকে বাঁচিয়ে রাখা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অনেক বেশি কার্যকর। বন আইনের কঠোর বাস্তবায়ন, টেকসই কৃষিবনায়ন সম্প্রসারণ এবং নগর পরিকল্পনায় সবুজ অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত করার কোনো বিকল্প নেই। একই সঙ্গে পরিবেশগত অপরাধ দমনে ইউনিয়ন বা স্থানীয় পর্যায়ে শক্তিশালী তদারকি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন।
জলবায়ু সংকটের এই বর্তমান বাস্তবতায় শুধু উৎসব করে গাছ লাগালেই চলবে না, বরং দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সবুজ আচ্ছাদন ও বনাঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। আমরা আশা করি, পরিবেশবাদীদের দীর্ঘদিনের দাবি আমলে নিয়ে সরকার অনতিবিলম্বে একটি কার্যকর জাতীয় পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তুলবে এবং বনের ওপর স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার ও তদারকি নিশ্চিত করে পরিবেশ রক্ষায় কঠোর ভূমিকা পালন করবে।

বুধহাটা বাজারে জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন পরিষ্কারের উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ণ
বুধহাটা বাজারে জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন পরিষ্কারের উদ্যোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা বাজার এলাকায় ড্রেনেজ সমস্যার কারণে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ লাঘবে ড্রেন পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগের বিষয়টি নজরে আসার পর সাতক্ষীরা জজকোর্টের এপিপি ও আশাশুনি উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম নিজস্ব লোকবল নিয়ে ভেঙে পড়া ড্রেন পরিষ্কারের কাজ শুরু করেন। তাৎক্ষণিকভাবে পানি চলাচলের সাময়িক ব্যবস্থা করায় বাজারের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও ভোগান্তি কিছুটা কমেছে।

স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম জানান, বুধহাটা বাজারের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে নতুন ড্রেন নির্মাণ ও রাস্তা সংস্কার করা প্রয়োজন। এই বিষয়ে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্যের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। হঠাৎ করে নেওয়া এই কার্যকর উদ্যোগের জন্য স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।