রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কেশবপুর থানায় এই প্রথম নারী ওসি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রোকসানা খাতুন’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
কেশবপুর থানায় এই প্রথম নারী ওসি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রোকসানা খাতুন’

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুর থানায় এই সর্বপ্রথম নারী অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রোকসানা খাতুন। গত মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শহিদুল ইসলামের কাছ থেকে তিনি দায়িত্ব বুঝে নেন। এর আগে তিনি যশোর জেলা কোর্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।

স্বাধীনতার পর এই প্রথম কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে একজন নারী পুলিশ কর্মকর্তা দায়িত্ব গ্রহণ করলেও এলাকাবাসীর ধারণা করছেন, তাঁর অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের মধ্যে দিয়ে এ উপজেলায় সার্বিক আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করবেন।

এছাড়াও চাকরি জীবনের কর্মদক্ষতা, সততা, ন্যায়-নীতি ও আদর্শের সহিত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে উপজেলাবাসীকে নিরাপদ, শান্তিময় এবং আদর্শ জনপদে পরিণত করতে পারবেন বলে অনেকেই আশাবাদী। ইতিমধ্যে ওই নারী পুলিশ কর্মাকর্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা ও ভালোবাসা কুড়িয়েছেন।

 

উল্লেখ্য, নবাগত ওসি রোকসানা খাতুন কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার কয়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি এক ছেলে এবং এক কন্যা সন্তানের জননী। লেখাপড়া শেষ করে ২০০৩ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে সাব-ইন্সপেক্টর পদে যোগদান করে কর্মজীবন শুরু করেন। চাকুরী জীবনে বাংলাদেশের বিভিন্ন থানায় চাকরি করে তিনি বেশ সুনাম অর্জন করেছেন। এছাড়াও খুলনা বিভাগে প্রথম নারী পুলিশ কর্মকর্তা হয়ে নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে সুনামের সহিত চাকরি করেছেন।

 

সর্বশেষ কেশবপুর থানায় যোগদানের পর অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য এলাকায় বেশ সাড়া ফেলেছেন।

মাদক, জুয়া, ইভটিজিং, সন্ত্রাস নির্মূলে জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা ও সকল অপরাধীদের সতর্ক বার্তা দিয়ে থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোছাঃ রোকসানা খাতুন বলেন, এ উপজেলায় মাদক, জুয়া, সুদখোর ও চোরাকারবারি, অস্ত্রধারী এবং চাঁদাবাজদের তথ্য দিয়ে আপনারা পুলিশকে সহযোগিতা করবেন। অপরাধী যেই হোক-না কেন, তাদের কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। গোটা উপজেলার আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে থানা পুলিশের বদ্ধপরিকর।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে নারী কর্মকর্তারা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে শীর্ষ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। নারী কর্মকর্তারা অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ পরিচয় দিয়ে কাজের ধরন এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমি কথাই নয়, কাজে বেশি বিশ্বাসী। তাই পুলিশ বাহিনীর সুনাম অক্ষুণœ রেখে এ উপজেলায় সকল অপরাধমূলক কর্মকান্ড কঠোর হস্তে দমন এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি

 

 

 

 

 

 

 

 

Ads small one

ঐতিহ্য ও বিনোদনের প্রাণকেন্দ্র সাতক্ষীরার ‘শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
ঐতিহ্য ও বিনোদনের প্রাণকেন্দ্র সাতক্ষীরার ‘শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক’

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা শহরের কোলাহল আর ব্যস্ততার মাঝে বুক ভরে নিঃশ্বাস নেওয়ার এক টুকরো সবুজ চত্বর ‘শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক’। শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই ঐতিহাসিক পার্কটি কেবল একটি বিনোদন কেন্দ্রই নয়, এটি সাতক্ষীরার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এক নীরব সাক্ষী।

প্রতিদিনই শহরের হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখরিত থাকে এই পার্ক প্রাঙ্গণ। বিশেষ করে সকাল এবং বিকেলে সব বয়সী মানুষের জন্য এটি এক অন্যতম মিলনমেলায় পরিণত হয়।

ইতিহাস ও নামকরণ: মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে আছে এই পার্কের নাম। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে মার্চের গণআন্দোলনের সময় ৩ মার্চ নিহত দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গকারী বীর শহীদ আব্দুর রাজ্জাকের স্মরণে এই পার্কটির নামকরণ করা হয়। পার্কের ভেতরে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে এক কোণে দাঁড়িয়ে থাকা দৃষ্টিনন্দন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, যা আগত দর্শনার্থী ও তরুণ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেমের চেতনাকে জাগ্রত করে।

নাগরিক জীবনের ফুসফুস: যান্ত্রিক শহরের ব্যস্ত জীবন থেকে ক্লান্তি দূর করতে এই পার্কটি স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে এক বড় আশ্রয়স্থল।

প্রাতঃভ্রমণ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা: প্রতিদিন ভোরে শহরের শত শত সচেতন নাগরিক এখানে আসেন প্রাতঃভ্রমণ ও ব্যায়াম করতে। পার্কের বিশাল গাছপালার ছায়া ঘেরা পরিবেশ ভোরের বাতাসকে রাখে সতেজ।

বিকেলের আড্ডা ও শিশু বিনোদন: বিকেলে পার্কটি মুখরিত হয়ে ওঠে শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরুণীদের আড্ডায়। পরিবারের সবাইকে নিয়ে একটু খোলামেলা পরিবেশে সময় কাটানোর জন্য এটি শহরের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্থান।
সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কেন্দ্রবিন্দু: সাতক্ষীরার যেকোনো বড় উৎসব, মেলা, রাজনৈতিক সমাবেশ কিংবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মূল ভেন্যু হিসেবে বছরের পর বছর ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এই শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক। বিজয় মেলা, বইমেলা কিংবা স্বাধীনতা দিবসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এই মাঠ উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়।

সংস্কার ও আধুনিকায়নের প্রত্যাশা: স্থানীয় দর্শনার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পার্কের পরিবেশ রক্ষায় এবং সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করতে কিছু সংস্কার প্রয়োজন। পার্কের ভেতর বসার পর্যাপ্ত আধুনিক বেঞ্চের ব্যবস্থা করা, ওয়াকওয়ে (হাঁটার পথ) আরও উন্নত করা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার দাবি জানান তারা।

নাগরিকদের অভিমত: “শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কটি আমাদের সাতক্ষীরা শহরের প্রাণ। পৌর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসন যদি পার্কটির সৌন্দর্য বর্ধনে এবং পরিবেশ রক্ষায় আরও একটু নজর দেয়, তবে এটি দেশের অন্যতম সেরা একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।”

সব মিলিয়ে, সাতক্ষীরার ঐতিহ্য ও নাগরিক জীবনের স্পন্দন হয়ে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক। শহরের সৌন্দর্য ধরে রাখতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্থ বিনোদনের স্বার্থে এই পার্কের যতœ নেওয়া আমাদের সবার দায়িত্ব। সংবাদদাতা জুলফিকার আলী

 

 

 

 

 

 

কলারোয়ার জালালাবাদে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার: ভিজিএফ’র চাল বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
কলারোয়ার জালালাবাদে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার: ভিজিএফ’র চাল বিতরণ

সংবাদদাতা: পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরার কলারোয়ার জালালাবাদ ইউনিয়নে গরিব ও অসহায় মানুষের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ করা হয়েছে। রোববার (২৪ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

 

জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান নিশান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, জালালাবাদ ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের মোট ৬৪১টি কার্ডধারী পরিবারের মাঝে পরিবারপ্রতি ১০ কেজি করে এই চাল বিতরণ করা হয়।

 

চাল বিতরণকালে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন-ইউপি সচিব আমিনুর রহমান, ইউপি সদস্য মোকলেছুর রহমান, মোজব্বার আলী, মাহবুবর রহমান ও মনিরুল ইসলাম, ইউপি সদস্য আলী মাহমুদ, মশিয়ার রহমান, শফিউল আজম ও সাইফুল ইসলাম, মহিলা ইউপি সদস্য কাঞ্জন বিবি, নুর জাহান ও সালমা খাতুন, ডিএম আফতাবুজ্জামান প্রমুখ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ব্রহ্মরাজপুরে ভিজিএফের চাল বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
ব্রহ্মরাজপুরে ভিজিএফের চাল বিতরণ

সংবাদদাতা: আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে সরকারি ভিজিএফ (ভার্নারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির চাল বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। সরকারের এই মানবিক সহায়তার আওতায় ইউনিয়নের মোট ১ হাজার ০৪৬টি সুবিধাভোগী পরিবারের মাঝে এই চাল বিতরণ করা হয়।

শনিবার (২৩ মে) ও রবিবার (২৪ মে) দুই দিনব্যাপী উৎসবমুখর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ইউনিয়নের পৃথক দুটি স্থানে এ চাল বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই চাল বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহিনুল ইসলাম।

 

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সেরাজুর রহমান, যুবদল নেতা জিয়ারুল ইসলাম, ট্যাগ অফিসার সুমন সাহা, ইউপি সদস্য সুভাষ চন্দ্র, হাকিম, লুৎফর, এবং কুরমান ও ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা রজব আলীসহ স্থানীয় গ্রাম পুলিশের সদস্যবৃন্দ।