বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

গ্রামীণ নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করি, বৈষম্যহীন ও জলবায়ু-সহনশীল সমাজ গড়ি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
গ্রামীণ নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করি, বৈষম্যহীন ও জলবায়ু-সহনশীল সমাজ গড়ি

বাটকেখালী দাশপাড়ায় ‘গ্রামীণ নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করি, বৈষম্যহীন ও জলবায়ু-সহনশীল সমাজ গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গ্রামীণ নারী দিবস পালিত হয়েছে। স্থানীয় সংগঠন স্বদেশ, আশা লোককেন্দ্র, সৃজনী মহিলা লোককেন্দ্র, অনগ্রসর দলিত পরিষদ, স্টেপস ও বারসিকের আয়োজনে এবং গৌরপদ দাসের সভাপতিত্বে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

স্বদেশ সংস্থার পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন শেখ শরিফুল ইসলাম ও প্রোগ্রাম অফিসার দেবজ্যোতি ঘোষ। এ ছাড়া অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন টুম্পা দাস, মৌসুমী দাস ও ঝরনা দাস। বক্তারা বলেন, গ্রামীণ নারীর অধিকার, কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তা, ভূমির মালিকানা, নিরাপদ পানি, জলবায়ু পরিবর্তন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর অংশগ্রহণ প্রয়োজন। গ্রামীণ নারী শুধু পরিবারের সদস্য বা উন্নয়ন কর্মসূচির সুবিধাভোগী নন; তাঁরা কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা, পরিবেশ সংরক্ষণ, জীবিকা, দুর্যোগ মোকাবিলা ও সামাজিক উন্নয়নের সক্রিয় অংশীদার। তাঁদের শ্রম, জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বকে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া একটি ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই সমাজ প্রতিষ্ঠার অপরিহার্য শর্ত। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

Ads small one

শ্যামনগরে গ্রামীণ নারী কৃষি মেলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে গ্রামীণ নারী কৃষি মেলা

‘জলবায়ু অভিঘাত পেরিয়ে গ্রামীণ নারী ক্ষমতায়ন ও সমৃদ্ধির পথে’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বুড়িগোয়ালিনী ও গাবুরা ইউনিয়নের নারী দলের সদস্যদের আয়োজনে শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনীর দাতিনাখালি বালুর মাঠে গ্রামীণ নারী কৃষি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। লিডার্স, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও অ্যাম্বাসি অব সুইডেনের সহযোগিতায় কমিউনিটি ভিত্তিক জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন কর্মসূচি–সিআরইএ প্রকল্পের আওতায় আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উপলক্ষে এ মেলার আয়োজন করা হয়। ৯ নম্বর বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জিএম আব্দুর রউফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার ওয়ালিউল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জামাল হোসেন, উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সম্পাদক ও সাংবাদিক হুদা মালী, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের সমাজসেবক জি এম রুস্তম আলী, ফেইথ ইন অ্যাকশনের জেন্ডার অফিসার নয়মী বিশ্বাস, পিসিআরসিবি প্রকল্প সিসিডিবির সহসভাপতি মিনতি রানী মল্লিক, মেঘনা নারী দলের সভাপতি নার্গিস সুলতানা, দোলন চাঁপা নারী দলের সহসভাপতি জেবুন্নেছা খাতুন এবং লিডার্সের সিআরইএ প্রকল্প সমন্বয়কারী সুব্রত অধিকারীসহ প্রকল্পের অন্যান্য কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রকল্প কর্মকর্তা সুলতা রানী সাহা। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

আলো ঝলমলে রাতের গুড়পুকুর মেলা, বাড়ছে দর্শনার্থীদের আনাগোনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
আলো ঝলমলে রাতের গুড়পুকুর মেলা, বাড়ছে দর্শনার্থীদের আনাগোনা

0-0x0-0-0#

মিলন বিশ্বাস: সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলায় দুপুরের পর থেকেই বাড়তে শুরু করে দর্শনার্থীদের ভিড়। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই আলো ঝলমলে মেলা প্রাঙ্গণ পরিণত হয় মানুষের মিলনমেলায়। কেনাকাটা, ঘোরাঘুরি ও বিনোদনের আনন্দে মেতে ওঠেন নানা বয়সী মানুষ। মেলা শেষের দিকে চলে আসায় ব্যবসায়ীদের বেচাকেনাও জমে উঠেছে। অন্যদিকে, মেলার সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শন করেছেন পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মেলার ১৫তম দিনে সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এমন উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা যায়। গত ১ অক্টোবর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া ঐতিহ্যবাহী এ মেলা ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও দর্শনার্থীরা আসছেন। মেলায় রয়েছে প্রসাধনী, পোশাক, শিশুদের খেলনা, গৃহস্থালির সামগ্রী ও খাবারের নানা দোকান। রঙিন আলোকসজ্জা আর মানুষের পদচারণায় সন্ধ্যার পর মেলা প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত।

মেলার শেষ পর্যায়ে এসে বেচাকেনা ভালো হওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যবসায়ীরা। তাঁদের প্রত্যাশা, মেলার বাকি দিনগুলোতে ক্রেতা-দর্শনার্থীর উপস্থিতি আরও বাড়বে এবং বিক্রিও ভালো হবে।

ঢাকা থেকে আসা কসমেটিকস ব্যবসায়ী মাসুদ বলেন, “মেলার শেষ দিকে এসে বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। দুপুরের পর থেকেই ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। এভাবে ক্রেতা আসতে থাকলে সামনের দিনগুলোতে বেচাকেনা আরও ভালো হবে বলে আশা করছি।”

বরিশাল থেকে শিশুদের খেলনা নিয়ে আসা ব্যবসায়ী আকবর বলেন, “মেলার শেষ সপ্তাহে এসে ক্রেতাদের আনাগোনা ভালো। শিশুদের খেলনার প্রতি ছোটদের আগ্রহ রয়েছে। এখন বেচাকেনা ভালো হওয়ায় আমরা আশাবাদী। মেলার শেষ দিনগুলোতে আরও ভালো বিক্রির প্রত্যাশা করছি।”
মাদারীপুর থেকে আসা ব্যবসায়ী নাজমুল হোসেন বলেন, “মেলা শেষের দিকে হওয়ায় এখন বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। বিভিন্ন বয়সী মানুষ মেলায় আসছেন, পছন্দের জিনিস কিনছেন। সামনে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি আরও বাড়লে আমাদের ব্যবসাও ভালো হবে বলে আশা করছি।”

এদিকে, বৃহস্পতিবার গুড়পুকুর মেলার সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শন করেন পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম। মেলায় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পুলিশের দায়িত্ব পালন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি। সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মেলায় নিরাপত্তাব্যবস্থা সন্তোষজনক রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

শতাব্দীর ঐতিহ্য বহনকারী গুড়পুকুর মেলা সাতক্ষীরার মানুষের কাছে শুধু কেনাকাটার জায়গা নয়, বরং সামাজিক মিলন ও বিনোদনেরও অন্যতম উপলক্ষ। মেলা শেষের দিকে এসে দর্শনার্থীদের আনাগোনা এবং ব্যবসায়ীদের বেচাকেনায় প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসায় আয়োজক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসের উদ্যোগে মাসব্যাপী সাঁতার প্রশিক্ষণের শুভ সূচনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসের উদ্যোগে মাসব্যাপী সাঁতার প্রশিক্ষণের শুভ সূচনা

 

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিদপ্তর অনুমোদিত ২০২৬-২৭ সালের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচির আওতায় মাসব্যাপী সাঁতার প্রশিক্ষণ (অনূর্ধ্ব-১৪) শুরু হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা ক্রীড়া অফিসার মাহবুবুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবু জাহিদ ডাবলু বলেন, সব খেলাধুলাই শারীরিক ফিটনেস ঠিক রাখে এবং শরীর সুস্থ রাখে। এর মধ্যে সাঁতার একটি জীবন রক্ষাকারী খেলা। সাঁতার শিখলে জীবন রক্ষা করা সম্ভব, তাই প্রত্যেকের জন্যই সাঁতার শেখা জরুরি।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল প্রশিক্ষক ইকবাল কবির খান বাপ্পি, ক্রীড়া সংগঠক কাজী কামরুজ্জামান, ইকরামুল ইসলাম লালু, মো. আলতাফ হোসেন এবং সাঁতার প্রশিক্ষক ও ক্রীড়া শিক্ষক জাহিদ হাসান। মাসব্যাপী এ সাঁতার প্রশিক্ষণে আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৪০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।