শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩

জনগণের ভাষা বুঝতে ব্যর্থ হলে জনগণই আবার রাস্তায় নেমে আসবে: এমপি ইজ্জত উল্লাহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
জনগণের ভাষা বুঝতে ব্যর্থ হলে জনগণই আবার রাস্তায় নেমে আসবে: এমপি ইজ্জত উল্লাহ

সংবাদদাতা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা পৌর শাখার উদ্যোগে অগ্রসর কর্মী শিক্ষা শিবির-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ৮টায় মুন্সিপাড়াস্থ আল আমিন ট্রাস্টের কাজী শামসুর রহমান মিলনায়তনে এ শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সাতক্ষীরা ১ আসনের সংসদ সদস্য মুহা: ইজ্জত উল্লাহ।

পৌর জামায়াতের আমীর জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী খোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় শিক্ষা শিবিরের জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, সেক্রেটারী মাওলানা আজিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারী মো:ওমর ফারুক, সহকারী সেক্রেটারী অধ্যাপক গাজী সুজায়েত আলী, কর্মপরিষদ সদস্য এড আজিজুল ইসলাম, শহর জামায়াতের নায়েবে আমীর ফখরুল হাসান লাভলু, কর্মপরিষদ সদস্য এড আবু তালেব, মাওলানা আব্দুর রহিম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সাতক্ষীরা ১ আসনের সংসদ সদস্য মুহা: ইজ্জত উল্লাহ প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, কর্তৃত্ববাদী ফ্যাসিবাদী শাসনের ভূতে ধরেছে এই সরকারকে। যে কারণে সরকার চাইলেও সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারছে না। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্খা পূরণে সরকার এখন ছলচাতুরি শুরু করেছে।

তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্রদলকে হায়নার মতো শিক্ষার্থীদের উপর লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সরকার সেই পুরনো কর্তৃত্ববাদী শাসনের পথে ফিরতে চাচ্ছে। কিন্তু দেশের জনগণ সরকারের সেই আশা পূরণ করতে দেবে না।

সরকারকে হুঁশিয়ারি করে তিনি বলেন, আমরা বহু রক্ত দিয়েছি, দেশের মানুষ বারবার জীবন দিয়েছে। আমরা আর রক্তের বিনিময়ে পরিবর্তনের পথে হাঁটতে চাই না। সরকার জনগণের গণভোটের ম্যান্ডেট যদি মূল্যায়ন না করে, জনগণই আবার রাস্তায় নেমে আসবে।

আমাদেরকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। রাজপথে কীভাবে আন্দোলন করতে হয় আমরা জানি। দেশের মানুষ জানে। আমাদের রাজপথে নামতে বাধ্য করবেন না।

Ads small one

আশাশুনিতে ইঞ্জিনভ্যান থেকে পড়ে গৃহবধূ নিহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ইঞ্জিনভ্যান থেকে পড়ে গৃহবধূ নিহত

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ইঞ্জিনভ্যান থেকে পড়ে গিয়ে ফরিদা খাতুন (৫৬) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় আশাশুনি উপজেলাধীন কাদাকাটি-গাবতলা সড়কের বশিরাবাদ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত গৃহবধূ ফরিদা খাতুন সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের কাটাখালি গ্রামের আব্দুল হামিদের স্ত্রী।

নিহতের ননদ রিনা আক্তার জানান, ফরিদা খাতুন শুক্রবার বিকালে সাতক্ষীরা শহরে জামাইয়ের বাসা থেকে গ্রামের বাড়ি কাটাখালিতে ফিরছিলেন। কুল্ল্যার মোড়ে বাস থেকে নেমে একটি ইঞ্জিন ভ্যানে চড়ে তিনি বাড়ির পথে রওনা দেন। পথিমধ্যে সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে আশাশুনি উপজেলাধীন কাদাকাটি-গাবতলা সড়কের বসিরাবাদ এলাকায় পৌঁছালে তাকে বহনকারি ইঞ্জিন ভ্যানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়।

 

এ সময়ে রাস্তায় পড়ে গেলে চলন্ত ভ্যানটি ফরিদা খাতুনের গায়ের উপর দিয়ে চলে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি মারা যান। আশাশুনি থানার উপপরিদর্শক মোঃ রশিদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

শুক্রবারে ফার্মেসি বন্ধ, চিকিৎসা নিতে এসে বিপাকে রোগীরা-সাতক্ষীরায় বাড়ছে ভোগান্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ
শুক্রবারে ফার্মেসি বন্ধ, চিকিৎসা নিতে এসে বিপাকে রোগীরা-সাতক্ষীরায় বাড়ছে ভোগান্তি

oplus_0

মিলন বিশ্বাস: প্রতি শুক্রবার দূর-দূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে সাতক্ষীরায় ভিড় করেন হাজারো রোগী। অথচ প্রয়োজনের সময় ফার্মেসি বন্ধ থাকায় ঔষধ সংগ্রহে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা, সঙ্গে বৈষম্যমূলক সেবার অভিযোগ-সব মিলিয়ে জেলার স্বাস্থ্যসেবায় নতুন করে সংকট তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, প্রতি শুক্রবার বিভিন্ন ক্লিনিক ও চিকিৎসকদের চেম্বারে রোগী দেখার জন্য ঢাকা, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শতাধিক চিকিৎসক সাতক্ষীরায় আসেন। একই দিনে জেলার সাতটি উপজেলা থেকে প্রায় দুই হাজারেরও বেশি রোগী শহরে ভিড় জমান চিকিৎসা নিতে।
কিন্তু এই দিনেই সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে রোগীদের। বিসিডিএস (ইঈউঝ) সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এক শুক্রবার পপুলার ফার্মেসি, সাতক্ষীরা ড্রাগ ও জিন্না ফার্মেসি বন্ধ থাকে, আর পরের শুক্রবার বন্ধ থাকে সাতক্ষীরা ফার্মেসি, নাহিদ মেডিকেল ও আলী মেডিকেল। ফলে সীমিত সংখ্যক ফার্মেসিতে কয়েকগুণ বেড়ে যায় রোগীদের চাপ।
এর ফলে সিরিয়াল ধরে ঔষধ কিনতে রোগীদের এক থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, অভিযোগ রয়েছে-যেসব রোগী অল্প পরিমাণ ঔষধ কিনতে চান, তাদের প্রেসক্রিপশন নিতে অনীহা দেখায় কিছু ফার্মেসি। বিপরীতে যারা এক সপ্তাহ, পনেরো দিন বা এক মাসের বেশি সময়ের ঔষধ নেন, তাদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
এ অবস্থায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী রোগী ও সচেতন মহল। তাদের দাবি, জনস্বার্থে প্রতি শুক্রবার সব ফার্মেসি খোলা রাখা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর থেকে আসা রোগী সাধন বিশ্বাস বলেন, ভোরে রওনা হয়ে ডাক্তার দেখানো ও বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করতে করতে সন্ধ্যা হয়ে গেছে। এখন ঔষধ কিনতে এসে দেখছি বিশাল ভিড়-কখন ঔষধ পাব, আর কখন বাড়ি ফিরব, সেটাই চিন্তা।
শ্যামনগর উপজেলার গড়কুমারপুর গ্রামের আফজাল শরীফ বলেন, আমার মা দীর্ঘদিন অসুস্থ। চিকিৎসার জন্য প্রায়ই সাতক্ষীরায় আনতে হয়। ভোরে বের হয়ে তিন ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়ে আসি। তারপর ডাক্তার দেখানো, রিপোর্ট—সব মিলিয়ে দিন শেষ। এরপর ঔষধের দোকানে এসে আবার দীর্ঘ অপেক্ষা। অসুস্থ মা কষ্টে ছটফট করছে, কিন্তু কিছু করার নেই।
এ বিষয়ে বিসিডিএস সাতক্ষীরার ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, কর্মচারীদের নির্দিষ্ট শিফট না থাকায় সারাদিন কাজ করতে গিয়ে তারা ক্লান্ত হয়ে পড়েন। তাদের বিশ্রামের সুযোগ দিতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যসেবায় কোনো অনৈতিকতা বা বৈষম্যের অভিযোগ উঠলে আমরা গুরুত্বসহকারে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে এমন ভোগান্তি দ্রুত নিরসনের দাবি এখন সর্বমহলের।

নতুন করে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
নতুন করে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শিগগিরই স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে নতুন করে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ-চীন জয়েন্ট সার্জিক্যাল ক্লিনিক চালুর লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নতুনভাবে নিয়োগ করতে যাচ্ছি। প্রক্রিয়া চলছে, ইনশাআল্লাহ কিছুদিনের মধ্যে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এছাড়াও স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। আমরা সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ৫শ’ হাসপাতালে ১০ জন করে সশস্ত্র আনসার নিয়োগ করতে যাচ্ছি। চিকিৎসকদের নিরাপত্তার স্বার্থে কিছুদিনের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া শুরু হবে।

তিনি বলেন, দেশে টিকার কোনো সংকট নেই। আগামী ৬ মাস পর্যন্ত আমরা টিকা দিয়ে যেতে পারব। তারপরও মজুদের জন্য আমরা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। এছাড়া সারাদেশে প্রতিদিন আমরা টিকা দিয়ে যাচ্ছি। যেখানে আগে প্রতি ৪ বছর পরপর ক্যাম্পেইন করা হতো। যেটি ২০২০ সালের পর সরকার আর দেয়নি। কিন্তু আমরা সারাদেশে প্রতিদিন টিকাদান ক্যাম্পেইন চালিয়ে যাচ্ছি।