সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩

তালায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
তালায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

তালা প্রতিনিধি: “রুপালী মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন উপলক্ষে তালায় র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তালা উপজেলা প্রশাসন ও সিনিয়র মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে রবিবার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টায় একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে তালা উপজেলার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে তালা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। পরে একাডেমির হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. তারিক ইমামের সভাপতিত্বে ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রভাষ কুমার দাশের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মোঃ ইজ্জত উল্লাহ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ডাঃ মাহমুদুল হক।

বক্তব্য রাখেন উপজেলা সিনিয়র কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহ, পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের শূরা সদস্য মাওলানা আফতাব উদ্দীন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ বলেন, দেশের আমিষের চাহিদা পূরণে মাছ উৎপাদনের কোনো বিকল্প নেই। সকলকে মাছ চাষে এগিয়ে আসা উচিত। সরকারও মৎস্যচাষি ও মৎস্যজীবীদের প্রতি আন্তরিক। তালা উপজেলায় আগামী শুষ্ক মৌসুমে ১১টি খাল খনন করা হবে। আগামীতে মৎস্যজীবীদের সহযোগিতায় যা যা করা দরকার, সবই করার চেষ্টা করা হবে।

অনুষ্ঠানে মৎস্য চাষে বিশেষ অবদানের জন্য খলিলুর রহমান, রাসেল সরদার, নাসির নিকারী, রাজিন হোসেন ও বোরহান উদ্দিনকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

আলোচনা সভা শেষে উপজেলা পরিষদ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

Ads small one

তালায় ‎দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
তালায় ‎দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

‎তালা প্রতিনিধি: ‎সাতক্ষীরার তালায় দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি, আগাম সতর্কবার্তা এবং কার্যকর সাড়াদান বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেসরকারি সংস্থা ওয়ার্ল্ড কনসার্ন (বাংলাদেশ) এর ওভিটি প্রকল্পের আয়োজনে সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে তালা উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসের সভা কক্ষে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

‎প্রশিক্ষণে তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এজাহার আলী এবং ইউপি সদস্যা রেবেকা মকবুল, ফারহানা ইয়াসমিন, ওয়ার্ল্ড কনর্সান’র প্রজেক্ট অফিসার রনজিৎ দাশ, সুদীপ রায়, সল্ট সুপারভাইজার লিসা হালদার, সুভাষ সরদার ও মনি শংকর দাসসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কমিউনিটি প্রতিনিধি ও দূর্যোগ প্রবণ সংশ্লিষ্ট এলাকার নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

‎প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করেন মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন অফিসার বিধান বিশ্বাস। তিনি দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয় সহজ ও ব্যবহারিকভাবে তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, অতিবৃষ্টি, জলাবদ্ধতা, বজ্রপাত, নদীভাঙনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি রয়েছে। এসব দুর্যোগে নারী, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই দুর্যোগের আগে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী চিহ্নিত করে তাদের জন্য বিশেষ প্রস্তুতি ও সহায়তার ব্যবস্থা করা জরুরি।

‎এজন্য তিনি স্থানীয় পর্যায়ে দুর্যোগের ঝুঁকি ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী চিহ্নিতকরণ, দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি, আগাম সতর্কবার্তা প্রচার, উদ্ধার ও নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর এবং দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের বিস্তারিত ধারণা প্রদান করেন।

কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল আটক

পত্রদূত ডেস্ক: রবিবার ও সোমবার (১৬ ও ১৭ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর ব্যাটালিয়ন সদর এবং অধীনস্থ কাকডাঙ্গা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় শাড়ি, বিস্কুট, চকলেট, দুধ, ফুসকা, সোনপাপড়ি, চা পাতা, কিসমিস, হরলিক্স, জুস, পলিথিন এবং কসমেটিকস সামগ্রী আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ৮৭ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় শাড়ি আটক করে।

এছাড়াও, ব্যাটালিয়ন সদর এর আভিযানে সোনাবাড়িয়া বেলেপাড়া প্রাইমারি স্কুল নামক স্থান হতে ৫০ হাজার ৫৬০ টাকার ভারতীয় বিস্কুট, চকলেট, দুধ, ফুসকা, সোনপাপড়ি, চা পাতা, কিসমিস, হরলিক্স, জুস, পলিথিন এবং কসমেটিকস সামগ্রী আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

মণিরামপুরে নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
মণিরামপুরে নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ভোজগাতী ইউনিয়নের ছোট দোনারে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া একটি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কার করেছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. শামীম হোসেন। তাঁর উদ্যোগে রাস্তাটি সংস্কার হওয়ায় এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কিছুটা কমেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ৩ নম্বর ভোজগাতী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট দোনারের রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে বেহাল অবস্থায় ছিল। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় পানি ও কাদা জমে যেত। এতে বয়স্ক মানুষ, শিশু এবং স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হতো। জরুরি প্রয়োজনে রোগী ও যানবাহন চলাচলেও সমস্যার সৃষ্টি হতো।
স্থানীয় কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি রাস্তার দুরবস্থার বিষয়টি শামীম হোসেনকে জানালে তিনি এলাকাবাসীর দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বরাদ্দের অপেক্ষা না করে নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কারের উদ্যোগ নেন।
সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল। শামীম হোসেনের উদ্যোগে সংস্কার হওয়ায় এখন চলাচলে আগের তুলনায় অনেক সুবিধা হচ্ছে।
শামীম হোসেন বলেন, “মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করা আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে মনে করি। মানুষের ছোট্ট একটি উপকার করতেও আমি আনন্দ পাই। এলাকার মানুষের সমস্যা জানতে পারলে সাধ্য অনুযায়ী তা সমাধানে এগিয়ে আসব।”
তিনি আরও বলেন, জনপ্রতিনিধিত্বের মূল উদ্দেশ্য মানুষের সেবা করা। তাই এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত রাখার চেষ্টা করবেন তিনি।