সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

তেলের লাইনেই সেই বাঘ বিধবা মাহফুজার শেষ ‘ভরসা’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
তেলের লাইনেই সেই বাঘ বিধবা মাহফুজার শেষ ‘ভরসা’

পীযূষ বাউলিয়া পিন্টু, মুন্সিগঞ্জ (শ্যামনগর): শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জ ডেলমা ফিলিং স্টেশনের সামনে এখন দীর্ঘ সারি। কেউ এসেছেন গাবুরা থেকে, কেউ বুড়িগোয়ালিনী। জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে মোটরসাইকেল চালকদের অপেক্ষা চলে দিনের পর দিন। প্রখর রোদে তৃষ্ণার্ত মানুষ আর রাতভর অপেক্ষায় থাকা ক্লান্ত চালকদের কাছে এখন একমাত্র আশ্রয়ের নাম মাহফুজা খাতুন। এক হাতে চায়ের কাপ আর অন্য হাতে জীবনযুদ্ধের লড়াই নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই ‘বাঘ বিধবা’ এখন শত শত মানুষের ভরসা।
২০০২ সালের এক বিষাদময় দিনে সুন্দরবনে মাছ ধরতে গিয়ে বাঘের আক্রমণে প্রাণ হারান মাহফুজার স্বামী সাত্তার। দুই সন্তানকে নিয়ে অকূল পাথারে পড়েন তিনি। এক সময় লোকলজ্জা আর পর্দার আড়ালে থাকা মানুষটি সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিতে নেমে পড়েন সুন্দরবনের নদীতে। তপ্ত রোদে জাল টেনে, দিনমজুর খেটে কোনোমতে পার করেছেন দীর্ঘ দুই দশক। সম্প্রতি মুন্সিগঞ্জ বাজারে স্বামীর ভিটায় ঠাঁই মিললেও অভাব তার পিছু ছাড়েনি।
জ্বালানি সংকটের এই সময়ে প্রশাসন ও সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সিদ্ধান্তে নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট ইউনিয়নের জন্য তেল বরাদ্দ করা হচ্ছে। সিরিয়াল ধরতে চালকরা আগের রাত থেকেই ভিড় করেন ফিলিং স্টেশনের সামনে। নির্জন এই এলাকায় রাত বিরেতে ক্ষুধা আর তৃষ্ণা মেটানোর কোনো জায়গা ছিল না। সেই সুযোগ ও প্রয়োজনকেই নিজের বেঁচে থাকার অবলম্বন করে নিয়েছেন মাহফুজা।
ছেলে মাহফুজুর রহমানকে সাথে নিয়ে ফিলিং স্টেশনের সামনে পলিথিনের একটি অস্থায়ী ছাউনি দিয়েছেন তিনি। গভীর রাত থেকে শুরু করে পরের দিন রাত ১০টা পর্যন্ত চলে তার বেচাকেনা। চা, বিস্কুট, কলা, কেক আর সিদ্ধ ডিম বিক্রি করে প্রতিদিন তার ২ থেকে ৩ হাজার টাকা আয় হচ্ছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে এভাবেই চলছে তার নতুন সংসার।
মাঠে ঘাটে লড়াই করা মাহফুজা আজ তৃষ্ণার্ত মানুষের সেবা দিচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু পুঁজির অভাবে চাহিদা মেটাতে পারছেন না। মাহফুজা বলেন,
“এই প্রচ- গরমে মানুষের সবচেয়ে বেশি চাহিদা পানি আর স্যালাইনের। পাশের বাড়িতে গেলেও কেউ পানি দিতে চায় না। কিন্তু আমার দোকানে পর্যাপ্ত মালামাল তোলার মতো টাকা নেই। মানুষের কাছে ধার নিয়ে কোনোমতে কিছু রসদ জোগাড় করেছি।”
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘সিডিও’র নির্বাহী পরিচালক গাজী আল ইমরান মনে করেন, বাঘ বিধবা মাহফুজার এই লড়াই অত্যন্ত সাহসের এবং মানবিক। তিনি বলেন, “এই দুসময়ে একজন সংগ্রামী নারী যেভাবে শত শত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তার কর্মসংস্থানের স্থায়ী সুযোগ করে দেওয়া সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর দায়িত্ব।”
গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক-এর কর্মকর্তা মফিজুর রহমানও একই মত পোষণ করেন। তার মতে, পাম্পের আশেপাশে অন্য দোকান না থাকায় মাহফুজার দোকানটি এখন চালকদের জন্য অপরিহার্য। সামান্য সরকারি বা বেসরকারি সহায়তা পেলে তিনি দোকানটি আরও গুছিয়ে নিতে পারতেন।
মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম পল্টু বলেন, “মাহফুজা আমার ওয়ার্ডেরই মানুষ। বাঘ বিধবাদের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় আনতে আমরা চেষ্টা করছি। মাহফুজা যাতে আরও ভালোভাবে দোকানটি চালাতে পারেন, সে বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে আমি সহযোগিতা করব।”
স্বামীকে হারানোর পর নদী আর জালের সাথে লড়াই করে মাহফুজা আজ জনসম্মুখে এসে দাঁড়িয়েছেন। তেলের লাইনে অপেক্ষমাণ মানুষের ক্লান্তি দূর করার পাশাপাশি তিনি এখন নিজের ভাগ্য বদলানোর স্বপ্ন দেখছেন। সামান্য একটু সহযোগিতাই পারে এই লড়াকু নারীর জীবনের গল্পটি বদলে দিতে।

Ads small one

১৬ বছরের প্রতীক্ষা শেষে চ্যানেল ওয়ানের নবযাত্রা উদযাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৯ পূর্বাহ্ণ
১৬ বছরের প্রতীক্ষা শেষে চ্যানেল ওয়ানের নবযাত্রা উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৬ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ‘সম্ভাবনার কথা বলে’ স্লোগানকে সামনে রেখে নবউদ্যমে যাত্রা করলো চ্যানেল ওয়ান। সোমবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরায় এক আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নবযাত্রার এই শুভক্ষণ উদযাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানের এক বিশেষ মুহূর্তে চ্যানেল ওয়ানের পক্ষ থেকে আমন্ত্রিত অতিথিদের ১৬টি রক্তিম গোলাপ দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। ১৬ বছরের দীর্ঘ বিরতি এবং সেই অপেক্ষার প্রতিটি বছরের প্রতিচ্ছবি হিসেবে এই ১৬টি গোলাপের মাধ্যমে এক অনন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
শহরের কামালনগরে চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আমিনা বিলকিস ময়নার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চ্যানেল ওয়ানের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি নাজমুল শাহাদাৎ জাকির।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অংশ নেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক পত্রদূতের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম এবং দেশ টিভির স্টাফ রিপোর্টার শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলানিউজের তানজির আহমেদ কচি, সমকালের কিশোর কুমার, বাংলাদেশ বুলেটিনের মিলন বিশ্বাস রুদ্র, রায়হান হোসেন ও রাকিব হোসেনসহ আরো অনেকে।
সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর পর চ্যানেল ওয়ান আবারও ফিরে আসায় সাংবাদিক মহলে নতুন প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ১৬টি গোলাপের যে স্নিগ্ধতা দিয়ে এই যাত্রা শুরু হলো, চ্যানেল ওয়ান তার বস্তুনিষ্ঠতা দিয়ে দ্রুততম সময়ে জনআস্থা ফেরাতে সক্ষম হবে বলে তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। আলোচনা শেষে অতিথিরা কেক কেটে চ্যানেলটির সমৃদ্ধি কামনা করেন।

মুক্তমত: জনভোগান্তি কমাতে এবং অবৈধ তেলের মজুদ ও ব্যবসা বন্ধে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
মুক্তমত: জনভোগান্তি কমাতে এবং অবৈধ তেলের মজুদ ও ব্যবসা বন্ধে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ

এএসএম মেহেদী হাসান
দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার। সাম্প্রতিক সময়ে তেলের চাহিদা বৃদ্ধি ও বাজার অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে তেল মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। তাছাড়া একশ্রেণীর লোকেরা প্রতিনিয়ত লাইনে দাঁড়িয়ে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করছে এবং দ্বিগুণ দামে বাইরে বিক্রি করছে। ৫০০ টাকার তেল নিয়ে তারা ৫০০ টাকার বেশি লাভ করছে। এটিই এ শ্রেণীর লোকেরা আয়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে। যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়ছে সাধারণ জনগণ।
এ ধরনের কর্মকান্ড রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে সরকারের চালু করা ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ।
সংশি¬ষ্ট সূত্র জানায়, প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন যানবাহনে নির্ধারিত নিয়মে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অ্যাপসের মাধ্যমে একজন গ্রাহক নির্দিষ্ট সময়-সীমার মধ্যে একাধিকবার জ্বালানি নিতে পারবেন না। ফলে লাইনে দাঁড়িয়ে বারবার তেল সংগ্রহ করে পরে তা অবৈধভাবে বিক্রির সুযোগ কমে যাবে। পরীক্ষামূলক ভাবে ঢাকার বেশকিছু তেল পাম্পে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ-এর মাধ্যমে তেল প্রদান করলে এর সুফল পাওয়া গেছে।
এছাড়া প্রতিটি যানবাহনের মাইলেজ ও ব্যবহার বিবেচনায় নিয়ে জ্বালানি সরবরাহের পরিমাণ নির্ধারণ করা হলে প্রকৃত ব্যবহারকারীরা সুবিধা পাবেন এবং অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করে মজুদ করার প্রবণতা কমবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যানবাহনের সর্বনি¤œ গড় মাইলেজ হিসাব করে তেল বিতরণ করা হলে পুনরায় দ্রুত জ্বালানি নেওয়ার সুযোগ সীমিত হবে।
সাতক্ষীরার বিভিন্ন পাম্প মালিক ও সাধারণ গ্রাহকরা জানান, ডিজিটাল পদ্ধতিতে জ্বালানি বিতরণ চালু হলে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং কালোবাজারি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে। একই সঙ্গে দীর্ঘ লাইন, অযথা ভোগান্তি ও সরবরাহে বিশৃঙ্খলাও কমবে।
সচেতন মহল মনে করছে, দেশের বর্তমান বাস্তবতায় জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সময়োপযোগী পদক্ষেপ। ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে সাতক্ষীরাসহ সারাদেশে তেল নিয়ে অনিয়ম, মজুদদারি ও কালোবাজারি উল্ল্যেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

 

সম্পাদকীয়: প্রসঙ্গ: ফসলি জমিতে লোনাপানির দুর্বৃত্তায়ন রুখবে কে?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়: প্রসঙ্গ: ফসলি জমিতে লোনাপানির দুর্বৃত্তায়ন রুখবে কে?

 

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আটটি গ্রামের কৃষকদের ওপর যে বিপর্যয় নেমে এসেছে, তা কেবল মর্মান্তিক নয়, বরং এটি একটি পরিকল্পিত অপরাধ। রাতের আঁধারে স্লুইসগেটের কপাট তুলে প্রায় ১০ হাজার বিঘা ফসলি জমিতে লোনাপানি ঢুকিয়ে দেওয়ার ঘটনা কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়। এটি স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের চরম স্বার্থপরতা এবং আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর নিকৃষ্ট উদাহরণ। এই ঘটনায় কেবল হাজার হাজার বিঘা জমির ধান নষ্ট হয়নি, বরং ওই অঞ্চলের পরিবেশ ও দীর্ঘমেয়াদি খাদ্যনিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
খাজরা ও বড়দল ইউনিয়নের যে গ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছে, সেখানে গত তিন বছর পর এবারই প্রথম বোরো ধানের ভালো ফলনের আশা করেছিলেন কৃষকেরা। কিন্তু একদল দুর্বৃত্তের মাছ ধরার লালসায় সেই স্বপ্ন এখন নোনাজলে ভাসছে। লোনাপানির প্রভাবে শুধু ধান নয়, মারা যাচ্ছে গাছপালা, দেখা দিয়েছে গো-খাদ্য ও সুপেয় পানির তীব্র সংকট। বিশেষ করে ধর্মীয় সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় এমন ঘটনা ঘটানো এবং ভয়ভীতির কারণে স্থানীয়দের প্রতিবাদ করতে না পারাÑদেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য এক অশনিসংকেত।
খালের সামান্য মাছ ধরার জন্য ১০ হাজার বিঘা জমির ফসলকে বিসর্জন দেওয়া কোনো সাধারণ অপরাধ হতে পারে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী চক্রটি স্কেভেটর মেশিন ব্যবহার করে গেটের কপাট তুলেছে। প্রশ্ন জাগে, একটি স্লুইসগেটের কপাট খোলার মতো বড় কর্মযজ্ঞ প্রশাসনের অগোচরে কীভাবে সম্ভব হলো? স্লুইসগেট সংস্কারের পর কোনো তদারকি কমিটি না থাকা কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতারই বহিঃপ্রকাশ। এই সুযোগটিই নিয়েছে স্বার্থান্বেষী মহল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পানি উন্নয়ন বোর্ড দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু কেবল লোনাপানি প্রবেশ বন্ধ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। যারা এই পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের নেপথ্যে কারিগর, তাঁদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের জবরদস্তি রুখতে জনসম্পৃক্ত তদারকি কমিটি গঠন করতে হবে।
সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি এমনিতেই জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকির মুখে। সেখানে মানুষের তৈরি এমন কৃত্রিম বিপর্যয় মেনে নেওয়া যায় না। আমরা আশা করি, প্রশাসন কঠোর তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করবে এবং কৃষকের হাহাকার থামাতে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেবে। ফসলি জমিতে লোনাপানির এই বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলা এখন সময়ের দাবি।