বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

দুটি মামলায় দেবহাটা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান কারাগারে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
দুটি মামলায় দেবহাটা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান কারাগারে

পত্রদূত ডেস্ক: ২০১৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভোরে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ পারুলিয়ার বিএনপি কর্মী আব্দুর রউফকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে সখীপুর কলেজ মাঠে পায়ে গুলি করে পঙ্গু করে দেওয়া ও ২০১৪ সালের ১৪ জানুয়ারি সকালে একই উপজেলার দক্ষিণ নাংলা গ্রামের আনারুল ইসলামকে ঘের থেকে তুলে নিয়ে গুলি করে হত্যার অভিযোগে দায়েরকৃত পৃথক দুটি মামলায় দেবহাটা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মুজিবর রহমানের জামিন আবেদন না’মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার সাতক্ষীরার ভারপ্রাপ্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম বিলাস ম-ল এ আদেশ দেন।
মোঃ মুজিবর রহমান(৭৫) দেবহাটা উপজেলার সাংবাড়িয়া গ্রামের মাদার আলীর ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রামের আব্দুল মাজেদ মোল্লার ছেলে বিএনপি কর্মী আব্দুর রউফকে ২০১৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভোর সাড়ে তিনটার দিকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হাতে হ্যা-কাপ পরিয়ে চোঁখ বেঁধে মারপিট করে পুলিশ ভ্যানে করে সখীপুর কলেজ মাঠে নিয়ে ডান পায়ে দুটি গুলি করে। পরে তার হাঁটু ও হাঁটুর নীচ থেকে কেটে বাদ দিতে হয়। এ ঘটনায় ভিকটিম আব্দুর রউফ ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় দেবহাটা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবর রহমানকে প্রধান আসামী করে ৪৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৩০জনকে আসামী করা হয়। আদালতের নির্দেশে ওই সালের পহেলা নভেম্বর মামলাটি(জিআর ৮৮/২৪ দেবঃ) রেকর্ড করে দেবহাটা থানা।
অপরদিকে দক্ষিণ নাংলা গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে আনারুল ইসলামকে ২০১৪ সালের ১৪ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা ঘের থেকে ধাওয়া করে ৪০০ গজ দূরে আটকের পর দুই হাতে হাতকড়া পরিয়ে বাম পায়ের হাঁটুতে গুলি করে পুলিশ ভ্যানে করে তুলে নিয়ে যায়। স্বজনরা পরদিন সকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আনারুলের লাশ খুঁজে পায়। এ ঘটনায় রাতেই পুলিশ বাদি হয়ে থানায় ১২ নং মামলা করে। ২৭ জানুয়ারি পুলিশ হত্যা ও বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনে পৃথক দুটি চুড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে। তবে ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট নিহতের ভাই রবিউল ইসলাম বাদি হয়ে সাতক্ষীরা আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে মামলাটি(জিআর-৭২/২৪) দেবহাটা থানায় রেকর্ড করা হয়। দেবহাটা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. মুজিবর রহমানসহ ৫৪ জনের নামে উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ১৬ জনকে আসামী করা হয়।
সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মঈনউদ্দিন জানান, উপরোক্ত মামলা দুটিতে আসামী মুজিবর রহমান হাইকোর্টের বিচারপতি কেএম জাহিদ সরোয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের বেঞ্চ থেকে গত ৮ জুলাই আট সপ্তাহের পৃথক অন্তবর্তীকালিন জামিন পান। একই আদেশে তাকে সোমবারের মধ্যেই সাতক্ষীরার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করতে বলা হয়। সে অনুযায়ি মুজিবর রহমান তার আইনজীবীদের মাধ্যমে সোমবার সাতক্ষীরার ভারপ্রাপ্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। বিচারক বিলাস ম-ল শুনানী শেষে তার জামিন আবেদন না’মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আসামীপক্ষের আইনজীবী হিসেবে শুনানীতে অংশ নেন অ্যাড. মিজানুর রহমান পিন্টু, অ্যাড. অজয় সরকার, অ্যাড. ওসমান গণি প্রমুখ।

Ads small one

খুলনায় বিভাগীয় বইমেলা শুরু ১০ নভেম্বর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
খুলনায় বিভাগীয় বইমেলা শুরু ১০ নভেম্বর

আগামী ১০ নভেম্বর থেকে খুলনায় শুরু হচ্ছে নয় দিনব্যাপী বিভাগীয় বইমেলা। এ উপলক্ষে বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুনের সভাপতিত্বে সভায় তিনি বলেন, বই মানুষের ভালো বন্ধু। সবার অংশগ্রহণে এবারের বইমেলা সফল হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। মেলা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

সভায় জানানো হয়, ১০ থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে বইমেলা। প্রতিদিন আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কুইজ প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন আয়োজন থাকবে। ছুটির দিনে সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা এবং অন্যান্য দিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

প্রস্তুতি সভায় সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মু. বিল্লাল হোসেন খান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মো. মনজুর আলমসহ বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তা, জাসাস মহানগর কমিটি ও জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তথ্যবিবরণী

দেবহাটায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে দেবহাটা উপজেলা যুবদলের আয়োজনে বহেরা এ.টি. মাধ্যমিক বিদ্যালয় চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান কামরুল। সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব মেহেদী হাসান সবুজ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আলী রেজা, যুগ্ম আহ্বায়ক ওমর ফারুক রাজিব, কুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম মনি, সদস্যসচিব হিরোন কুমার মণ্ডল ও যুগ্ম আহ্বায়ক হোসেন আলী; পারুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আলম; সখিপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম ও সদস্যসচিব সোহাগ হোসেন; দেবহাটা সদর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক নাজমুল হুদা বাপ্পী ও সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন; নওয়াপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক বাদশা, সদস্যসচিব কবির হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক আনারুল ইসলামসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা।

সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর স্মরণে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জেলা শাখা। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে সাতক্ষীরা শহীদ আবদুর রাজ্জাক পার্কে জেলা জামায়াত আয়োজিত উক্ত বিক্ষোভ মিছিল-পূর্ব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে হত্যাকাণ্ড, ষড়যন্ত্র, লুটপাট, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করেছে। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঢাকার পল্টনে লগি-বৈঠা নিয়ে হামলা চালানো হয় এবং এতে জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বহু নেতাকর্মী নিহত হন। নিহতদের লাশের ওপর নৃত্য করার ঘটনাও ঘটেছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।

সমাবেশে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মো. ওমর ফারুক, অফিস সেক্রেটারি রুহুল আমিন, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোশাররফ হোসেন, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি খোরশেদ আলম ও সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি হাবিবুর রহমানসহ জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।

সমাবেশ শেষে শহীদ আবদুর রাজ্জাক পার্ক থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি পাকাপুলের মোড়, নিউমার্কেট মোড়, তুফান মোড় ও বড়বাজার সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।