রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

নেপালে মরদেহ শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষা শুরু, নিখোঁজ এখনও ৫ হাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
নেপালে মরদেহ শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষা শুরু, নিখোঁজ এখনও ৫ হাজার

নেপালে ভয়াবহ বন্যার ১১ দিন পরও প্রায় ৫ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার হওয়া মরদেহের অনেকগুলো শনাক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় নিখোঁজদের স্বজনদের কাছ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শুরু করেছে নেপাল পুলিশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এ খবর জানিয়েছে।

নেপাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ পর্যন্ত ১৩ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবারও নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত ছিল।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত মাত্র ৯৮টি মরদেহ শনাক্ত করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কর্মকর্তারা জানান, অনেক মরদেহ পানির স্রোতে দূরে ভেসে গেছে। অন্যগুলো পানি ও কাদায় আটকে থাকায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, পচে গেছে অথবা খণ্ডিত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে।

নেপালের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটির তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া মরদেহের মধ্যে অন্তত ৮৫টি শিশুর। প্রায় ৫০০ মরদেহের বিভিন্ন অংশ অনুপস্থিত থাকায় শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সবচেয়ে বেশি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে চিতওয়ান জেলায় ৩৬২টি। এরপর রয়েছে নাওয়ালপরাসি ইস্ট, নাওয়ালপরাসি ওয়েস্ট, নুওয়াকোট, রাসুওয়া, গোরখা, ধাদিং ও তানাহুন জেলা।

বন্যার পর উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত মরদেহ ও মানবদেহের অংশ শনাক্ত করতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করছে নেপাল পুলিশ। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের পর এক হাজারের বেশি অজ্ঞাত মরদেহ দাফন করা হয়েছে, যাতে পরবর্তীতে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

এদিকে রবিবার সকালে গোরখা জেলায় নতুন করে বন্যায় চারটি বাড়ি ও একটি ঝুলন্ত সেতু ভেসে গেছে। তবে এতে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ জানিয়েছে, চুমনুব্রি রুরাল মিউনিসিপ্যালিটির ৪ নম্বর ওয়ার্ডে নামরুং খোলা নদীর পানি উপচে এই বন্যার সৃষ্টি হয়।

নেপালের তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী বিক্রম তিমসিলিনা জানিয়েছেন, রাসুওয়ায় বন্যাকবলিতদের জন্য ত্রাণসামগ্রীর কোনও ঘাটতি হতে দেওয়া হবে না এবং ত্রাণ বিতরণেও অব্যবস্থাপনা ঠেকানো হবে।

 

Ads small one

বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন বিএনপির ৩১সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন বিএনপির ৩১সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার ৯ নম্বর বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৩১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আশেক এলাহী মুন্নার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত কমিটিতে গাজী আবিদ হাসানকে আহ্বায়ক এবং জি এম রুস্তম আলীকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নতুন কমিটির নেতাদের আগামী দিনে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দলীয় কার্যক্রম জোরদার, নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা এবং দলের সাংগঠনিক কর্মকা- আরও বেগবান করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে নতুন আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। নবগঠিত কমিটির নেতারা দলকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
৩১ সদস্যের অনুমোদিত কমিটিতে আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব ছাড়াও বিভিন্ন পদে ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কমিটির পূর্ণাঙ্গ সদস্যদের নামসহ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও দৃশ্যমান হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলায় বাড়ছে মাদক ও অনলাইন জুয়ার আসক্তি, সামাজিক অপরাধ নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকেরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ণ
জেলায় বাড়ছে মাদক ও অনলাইন জুয়ার আসক্তি, সামাজিক অপরাধ নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকেরা

জিএম আমিনুল হক: সাতক্ষীরার শহরাঞ্চল থেকে শুরু করে গ্রামপর্যায়ে যুবসমাজসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ মাদক ও অনলাইন জুয়ার আসক্তিতে জড়িয়ে পড়ছে। এর প্রভাবে জেলায় চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো সামাজিক অপরাধ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি গভীর উদ্বেগে রয়েছেন অভিভাবকেরা। স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, মাদক ও জুয়ার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে অনেকেই অপরাধমূলক কর্মকা-ে যুক্ত হচ্ছে। এতে রাতে চুরির আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
আশাশুনি উপজেলার প্রতাপ নগর গ্রামের বাসিন্দা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোনাওয়ার হুসাইন জানান, প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে কিশোর ও যুবকেরা সহজেই জুয়ার ফাঁদে পা দিচ্ছে। দ্রুত এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, তরুণদের মেধা ও সম্ভাবনাকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। সন্তান কার সঙ্গে মিশছে এবং কীভাবে সময় কাটাচ্ছে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের নজরদারি বাড়ানো জরুরি।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের ইসলামিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান এবং ইসলামি সমাজকল্যাণ পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শেখ আবদুল ওয়াদুদ বলেন, তরুণদের মেধা ও শক্তিকে শিক্ষা, খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকা-ে কাজে লাগাতে হবে। বর্তমানে সব বয়সের মানুষের মধ্যে মাদক ও জুয়ার আসক্তি দেখা যাচ্ছে, যা সামাজিক অপরাধ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি এলাকায় শিক্ষক, পুলিশ, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। মাদক কেনাবেচা বন্ধ করতে পারলে অপরাধ অনেকটাই কমে আসবে।

শ্যামনগর হাসপাতালে ৩৬ দিনে ১৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর হাসপাতালে ৩৬ দিনে ১৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিগত ৩৬ দিনে ১৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, আগস্ট মাসে ১২ জন এবং সেপ্টেম্বর মাসের ৫ তারিখ পর্যন্ত ৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া জুলাই মাসে ১ জন রোগী ভর্তি হয়েছিলেন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত ২০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ১৪ জন পুরুষ ও ৬ জন নারী। তাঁরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে হাসপাতালে অনেকেই চিকিৎসাধীন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জিয়াউর রহমান জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ শয্যার একটি ডেঙ্গু কর্নার খোলা হয়েছে। তবে শয্যাসংখ্যা কম হওয়ায় রোগীদের সাধারণ শয্যা ও কক্ষে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা বিনামূল্যে করা হচ্ছে এবং তাঁদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশা ধ্বংসের পাশাপাশি জনসচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। বসতবাড়ির আশপাশে যাতে পানি জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখা এবং চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দেন তিনি।