রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পাইকগাছায় তালের রস আহরণের মৌসুম পুরাদমে শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় তালের রস আহরণের মৌসুম পুরাদমে শুরু

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): খুলনার পাইকগাছায় তাল গাছের রস আহরণের মৌসুম পুরাদমে শুরু হয়েছে। গাছিরা রস আহরণে তালগাছে ব্যস্ত দিন পার করছে। তালের রস একটি জনপ্রিয় পানীয়। এছাড়াও, এই রস থেকে সুস্বাদু গুড়, পাটালি এবং তালমিছরি তৈরি করা হয়। তালের রস সুমিষ্ট ও পাটালি গুড় সবার কাছে মুখরোচক। এ কারণে তালের রস ও গুড়ে কদর রয়েছে সবার কাছে।

চৈত্র মাসের শুরু থেকে আষাঢ় মাসের শেষ পর্যন্ত, অর্থাৎ প্রচন্ড গরমের সময় রস আহরণের উপযুক্ত সময়। গাছিরা বাঁশের ডগা বা শক্ত বাঁশের সাহায্যে গাছে উঠে পুরুষ তালের মঞ্জরি কেটে তার মুখে মাটির ভাঁড় বেধে দিয়ে আসেন। প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে এই ভাড় থেকে রস সংগ্রহ করা হয়।

উপকূলের পাইকগাছা উপজেলায় গদাইপুর, গোপালপুর, তোকিয়া, হিতামপুর, বাঁকা, কপিলমুনি, সলুয়া, শ্যামনগর গ্রামে তাল গাছের রস আহরণে গাছিরা সারাদিন ব্যস্ত সময় পার করছেন। ফাল্গুনের শেষ ও চৈত্র মাসের প্রথম থেকে তালের রস আহরণের জন্য গাছিরা তাল গাছ পরিচর্যা শুরু করে। চৈত্র মাস থেকে আষাড় মাষের শেষ পর্যন্ত তালের রস আহরণ চলবে। বর্ষাকাল আসলে আর রস আহরণ করা যায় না।

তালগাছে উঠার জন্য সোজা শক্ত বাঁশের প্রয়োজন হয়। বাঁশের গিরার এই কুঞ্চি সিঁড়ি হিসাবে বেয়ে ওঠা নামা করতে হয়। তালগাছ ২ প্রকারের ফল ও জটা থেকে রস আহরণ করা যায়। তালের জট ও ফলের কাধির মুজ্ঞরি ৬ ইঞ্চি মতো বের হলে রস আহরণের জন্য কাঁটা আহরণ শুরু করতে হয়। প্রতিটি গাছে ৬টি কাধি বা মুচা রেখে বাকি গুলো কেঁটে রাখা হয়। জটা তাল গাছের জটার মুচার সারিগুলো শক্তভাবে বেঁধে রাখা হয়। জট বা কাঁধির শেষ প্রান্ত থেকে ধারালো দা দিয়ে পাতলা করে কাঁটা শুরু করা হয়।

 

কয়েকদিন কাঁটার পর রসের পরিমাণ বাড়লে রস আহরণ শুরু হয়। রস আহরণের জন্য প্রতিটি গাছে ১২টি ঘট প্রয়োজন হয়। প্রতিদিন ৩ বার গাছের মুচা বা কাধি পাতলা করে কেঁটে রস আহরণ করা হয়। সকালে ও বিকালের রস গাছ থেকে নামানো হয়। আর দুপুর বেলায় শুধু মুচা বা কাধি পাতলা করে কাঁটা হয়। প্রতিদিন একটি গাছে থেকে ১৩ থেকে ১৫ লিটার রস পাওয়া যায়। সকালে ৮-৯ লিটার ও বিকালে ৫-৬ লিটার রস হয়।

উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়ানের তকিয়া গ্রামের মোঃ আনোয়ার গাজী জানান, তিনি প্রায় ২০ বছর যাবৎ তালগাছের রস আহরণ করছেন এবং তার পিতা মোঃ নজরুল গাজী প্রায় ৪৫ বছর যাবত কৃষি কাজের পাশাপাশি প্রতিবছর খেঁজুর ও তালের রস আহরণ করেন। তিনি জানান, তাল গাছের মালিকের কাছ থেকে ১২ থেকে ১৫ শত টাকা হারি হিসাবে ৬টি গাছ এ মৌসুমে লীজ নিয়ে তালের রস সংগ্রহ করছেন।

 

এক ভাড় রস পাইকারী ১৫০ টাকা ও খুচরা গ্লাস প্রতি ১০ টাকা দরে বিক্রি হয়। প্রতি কেজি তালের পাটালি ২শত ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে তিনি জানান, তালের রস আহরণে প্রায় সারা দিন তালগাছের জন্য ব্যয় করতে হয়। বাঁশ বেয়ে গাছে ওঠা নামা ও মাজায় বেঁধে ঘট ও রস নামানো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এ কষ্টের কাজে গাছির কাজ করতে কেউ এগিয়ে আসছে না। নতুন করে গাছি তৈরি না হলে আগামীতে হয়তো এ এলাকায় তালের রস সংগ্রহ করা সম্ভব হবে না।

বৃদ্ধ গাছি মোঃ নজরুল গাজী (৭৬) জানান, এ এলাকায় তাল গাছের যত গাছি রয়েছে অধিকাংশ তার শিস্য। তবে তালগাছ কমে যাওয়া এবং শ্রমসাধ্য হওয়ায় এই পেশাটি ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। নতুন করে গাছির কাজে কেউ না আসায় তিনি কিছুটা হতাশ, হয়তো এক সময় তালের রস বের করার এই শিল্প এলাকা থেকে হারিয়ে যাবে।

পরিবেশের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে তালগাছ সহায়তা করে। পাইকগাছায় তালগাছ রোপণের মাধ্যমে এর ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টাও করা হচ্ছে। অনেকেই পেশাদার গাছি হিসেবে এই কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। গ্রামীণ ঐতিহ্য বজায় রেখে পাইকগাছায় এই মৌসুমি ব্যবসা স্থানীয় অর্থনীতির অন্যতম উৎস হিসেবে টিকে আছে, যা স্থানীয় অর্থনীতি ও সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

 

 

Ads small one

নিজের উপার্জনে প্রথম কোরবানি: তরুণদের চোখে অন্যরকম ঈদের আনন্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ণ
নিজের উপার্জনে প্রথম কোরবানি: তরুণদের চোখে অন্যরকম ঈদের আনন্দ

আসাদুজ্জামান সরদার: ঈদুল আজহার আনন্দ সবার জন্যই স্পেশাল, কিন্তু এবার সাতক্ষীরার বেশ কয়েকজন তরুণের কাছে এই আনন্দের মাত্রা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এতকাল যারা বাবার দেওয়া বা পারিবারিক কোরবানির অংশীদার ছিলেন, তারা এবার নিজেই কোরবানিদাতা। নিজের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপার্জিত প্রথম বেতনের টাকা, উৎসব বোনাস কিংবা প্রথম ব্যবসার লভ্যাংশ দিয়ে এবার আল্লাহর নামে পশু উৎসর্গ করছেন তারা। এই প্রথম কোরবানির” অনুভূতিতে জড়িয়ে আছে এক অদ্ভুত আত্মতৃপ্তি, দায়িত্ববোধ এবং পরিবারের জন্য সীমাহীন গর্ব।

স্বপ্ন পূরণ: সাতক্ষীরা শহরের রাজার বাগান এলাকার রায়হানুল বাশার। গত ৮ মাস হলো লেখাপড়া শেষ করে নর্দাণ ইউনিভার্সিটি খুলনার ক্যাম্পাসে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেছেন। এবার ঈদে তার মা গরুর ভাগে শরিক থাকলেও, রায়হানুল নিজের উপার্জনের টাকায় প্রথমবার এককভাবে একটি ছাগল কোরবানি দিচ্ছেন।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে প্রভাষক রায়হানুল বাশার বলেন, ছোটবেলা থেকে আব্বাকে দেখতাম হাটে গিয়ে গরু কিনতে। এবার যখন নিজের টাকায় হাটে গিয়ে দরদাম করে একটা খাসি কিনলাম, তখন বুকটা এক অদ্ভুত গর্বে ভরে উঠেছিল। মায়ের হাতে যখন হাটের রসিদটা এনে দিলাম, মায়ের চোখে আনন্দাশ্রু দেখেছি। নিজের উপার্জনে প্রথম কোরবানি দেওয়ার এই আনন্দ কোটি টাকা দিয়েও কেনা সম্ভব না।

২৮ বছর পর ত্যাগের আসল আনন্দ পেলেন আয়াত উল্লাহ: সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের তরুণ আয়াত উল্লাহ। তিনি বর্তমানে মোবাইল অপারেটর কোম্পানি ‘রবি’র ‘সেলস ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন। জীবনের ২৮টি বছর পেরিয়ে এবারই প্রথম নিজের উপার্জনের টাকায় এককভাবে একটি ছাগল কোরবানি দিয়েছেন তিনি। এর আগে প্রতিবছর তার বাবা কিংবা পরিবার থেকে কোরবানি দেওয়া হতো।

নিজের অনন্য এই অনুভূতি প্রকাশ করে আয়াত উল্লাহ বলেন, যদি ফ্র্যাঙ্কলি বলি, কোরবানির অনুভূতি সবসময়ই ভালো। তবে সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে-যখন নিজের উপার্জনের টাকায় নিজে কোরবানি দেওয়া যায় এবং সেই মাংস সবাইকে খাওয়ানো যায়, সেই অনুভূতিটা একদমই ডিফরেন্ট। ছোটবেলা থেকে শুধু ঈদের আনন্দের ব্যাপারটা দেখে আসছি। কিন্তু নিজের টাকায় কোরবানি দেওয়ার পর সেই মাংস যখন সবাইকে ভাগ-বাটোয়ারা করে দিচ্ছিলাম, তখন ত্যাগ করার যে আসল ভালো লাগা, সেটা এবারই প্রথম পেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, এক কথায় ছোট করে বললে, এই ২৮ বছর শুধুমাত্র ঈদের আনন্দটুকুই উপভোগ করেছি। কিন্তু কোরবানির ঈদের যে ত্যাগ করার আনন্দটা, ত্যাগ করতে পারার যে মহিমাটা এবং মানুষকে বিলিয়ে দেওয়ার মধ্যেও যে আনন্দ-এইটা এবারই প্রথম উপভোগ করছি।

নতুন উদ্যোক্তার প্রথম সাফল্য: সাতক্ষীরার রাজার বাগান এলাকার আরেক তরুণ উদ্যোক্তা রায়হান কবির। গত দুই বছর ধরে পুকুরে মাছ চাষ ও ছাগল পালন করে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছেন তিনি। কঠোর পরিশ্রমের পর গত দুই বছরে তার ব্যবসা বেশ ভালো অবস্থানে এসেছে। এবার তিনি নিজের আয়ে পরিবারের সবার সাথে মিলে বড় কোরবানি দিচ্ছেন।

হাটের অভিজ্ঞতা ও স্বাবলম্বী হওয়ার আনন্দ জানিয়ে রায়হান কবির বলেন, নিজের খামারের পশু দেখভালের পাশাপাশি এবার হাটে গিয়ে যখন নিজের টাকায় পছন্দের পশুটি কিনলাম, সেই অভিজ্ঞতা দারুণ! প্রথমবার নিজের উপার্জনের টাকায় কেনা পশুকে ঘরে আনার পর পাড়ার সবাই যখন দেখতে আসছিল, তখন অন্যরকম এক তৃপ্তি পাচ্ছিলাম। মনে হচ্ছে সত্যি সত্যি জীবনে স্বাবলম্বী হতে পেরেছি।

এই তরুণদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রথম কোরবানিদাতার এই আনন্দ কেবল হাটের কেনাকাটা বা কোরবানি দেওয়াতেই সীমাবদ্ধ নেই। পশুটি বাড়িতে আনার পর তার যতœ নেওয়া, ঘাস-খড় খাওয়ানো এবং পশুর সাথে ছবি বা ছোট ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করার মধ্যেও তারা এক ধরণের অনাবিল আনন্দ খুঁজে পাচ্ছেন।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরার রাজার বাগান এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ বলেন, তরুণ প্রজন্ম যখন পড়াশোনা বা ক্যারিয়ারের শুরুতেই অপচয় না করে নিজের আয়ে কোরবানি দেওয়ার মানসিকতা তৈরি করে, তখন সমাজ ও পরিবার দুটোই উপকৃত হয়। এটি তাদের যেমন দায়িত্বশীল করে তোলে, তেমনি ত্যাগের মহিমাকেও হৃদয়ে ধারণ করতে শেখায়।

 

 

 

অনলাইন জুয়ার বকেয়া টাকার জন্য মোটরসাইকেল ছিনতাই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ
অনলাইন জুয়ার বকেয়া টাকার জন্য মোটরসাইকেল ছিনতাই

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে অনলাইন জুয়ার বকেয়া টাকা পরিশোধ না করায় আব্দুল হাকিম নামে এক ব্যক্তির মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার কাছারী ব্রিজ এলাকা থেকে ছেলে নাহিদের নিকট হতে ঐ মটর সাইকেল ছিনতাই করা হয় বলে অভিযোগ তার। এঘটনায় রোববার দুপুরে আব্দুল হাকিম শ্যামনগর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। তিনি উপজেলার উত্তর আটুলিয়া গ্রামের মৃত বেলায়েত হোসেনের ছেলে। প্রধান অভিযুক্ত মিলন শেখ একই এলাকার খোকন শেখের ছেলে।

আব্দুল হাকিমের ভাষ্য মিলনসহ তার এলাকায় অনলাইন জুয়া (ওয়ানএক্সবেট) এর কয়েকজন মাষ্টার এজেন্ট রয়েছে। মিলনের ফাঁদে পড়ে ছেলে নাহিদ অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হওয়ার জেরে প্রায় ২৪ লাখ টাকা দেনা পরিশোধ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন সমুদয় পাওনা পরিশোধ করার পরও মাষ্টার এজেন্ট মিলন আরও ৬০ হাজার টাকার জন্য কয়েকদিন ধরে চাপ দিচ্ছিল। একপর্যায়ে শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে কাছারি ব্রিজ এলাকায় পৌছালে ১২/১৪ জন সঙ্গীকে নিয়ে মিলন নাহিদেও নিকট থেকে তার ব্যবহৃত মোটর সাইকেল ছিনিয়ে নেয়। নানাভাবে টালবাহানার পরও রোববার দুপুর পর্যন্ত মোটর সাইকেল ফিরিয়ে না দেয়ায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযুক্ত মিলনের দাবি অনলাইন জুয়ার বকেয়া না, বরং ধান বিক্রির টাকা পাওনা তার। অনাদায়ী থাকা টাকা দিতে না পেরে রোববার নাহিদ নিজে তার বাবার মটর সাইকেল রেখে চলে যায়।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ খালেদুর রহমান জানান লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

 

ভয়াবহ লোডশেডিং ও ভোল্টেজ সমস্যায় শ্যামনগর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
ভয়াবহ লোডশেডিং ও ভোল্টেজ সমস্যায় শ্যামনগর

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে বিদ্যুতের লোডশেডিং ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। উপজেলার পৌরসদরে লোডশেডিং তুলনামুলক কম হলেও গ্রামাঞ্চলে তা তীব্র।

 

গত চারদিনের তথ্য বিশ্লেেেষন দেখা যায় উপজেলার পৌরসদরে দৈনিক পাঁচ থেকে আট ঘন্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। তবে উপজেলার অপর ১১টি ইউনিয়নের গ্রামগুলোতে তা বৃদ্ধি পেয়ে ১২ থেকে ১৮ ঘন্টা পর্যন্ত থাকছে। উপজেলার প্রায় ৯০ হাজার গ্রাহকের জন্য মোট বিদ্যুৎ চাহিদা ২৪ মেগাওয়াট। সেখানে বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে ১৪ থেকে ১৬ মেগাওয়াট।

এদিকে লোডশেডিং এর পাশাপাশি গত কয়েকদিন ধরে ভোল্টেজ সমস্যা মারাত্বক পর্যায়ে পৌছে। কয়েক মিনিট পরপর ভোল্টেজ উঠানামার দরুন মুল্যবান ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী নষ্ট হচ্ছে। আবার যথেষ্ট ভোল্টেজ না থাকায় প্রয়োজনীয় কাজ ঠিকমত হচ্ছে না।

এমন অবস্থার প্রেক্ষিতে গত শনিবার বিকালে শ্যামনগর মাইক্রোস্ট্যান্ডে এলাকাবাসীর ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল করে স্থানীয়রা। পরবর্তীতে একই এলাকায় পথসভা করে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতি করতে সাতদিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে আন্দোলনকারীরা।