শ্যামনগরে ভাতিজাকে ফাঁসাতে হাসপাতালে চাচা!
শ্যামনগর প্রতিনিধি: জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে আপন ভাতিজাকে ফাঁসানোর প্রস্তুতি হিসেবে নুরুজ্জামান মোল্যা নামে এক ব্যক্তি শ্যামনগরে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার দুপুরের পর শামনগর উপজেলার ঘোলা এলাকায় চাচা-ভাতিজার মধ্যে বাদানুবাদের পর বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন বলে অভিযোগ।
খবর পেয়ে তার ভাতিজাসহ প্রতিপক্ষের কয়েকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে স্বজনরা। এসময় শ্যামনগর থানার উপ-পরিদর্শক জাহিদ হোসেনসহ শতাধিক গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। পরবতীতে নুরুজ্জামান মোল্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে সকলে বিস্মিত হয়।
জানা গেছে ঘোলা গ্রামের আমিনুর রহমান ও তার চাচার মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। রোববার সকালে আমিনুর ও তার পরিবারের সদস্যরা নিজেদের স্বত্ত্ব দখলীয় জমিতে বসতঘর নির্মাণ শুরু করে। খবর পেয়ে নুরুজ্জামান লোকজন নিয়ে ঘটনাস্থলে যেয়ে কাজে বাঁধা দেয়্ একপর্যায়ে নুরুজ্জামানের আবেদনের প্রেক্ষিতে শ্যামনগর থানার উপ-পরিদর্শক জাহিদ হোসেন ঘটনাস্থলে যেয়ে বিবাদমান পক্ষদ্বয়ের বক্তব্য জানার চেষ্টা করেন। এসময় আকস্মিকভাবে চাচা ও ভাতিজা বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়লে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা তাদের সরিয়ে দেন।
এবিষয়ে নুরুজ্জামান মোল্যা বলেন, তার উপর হামলা করায় তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। তবে ঘটনাস্থল থেকে বাড়িতে যেয়ে সাংবাদিকদের আপ্যায়ন করার পর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
আমিনুর রহমান জানান, তাকে ধাক্কা দিয়ে মোটরসাইকেলের উপর ফেলে দেয় তার চাচা। এখন উল্টো মামলা দেয়ার চেষ্টা করছেন তিনি।
এদিকে ঘোলা গ্রামের বাবু ও আব্দুস সালামসহ স্থানীয়রা জানান নুরুজ্জামান মুলত একজন মামলাবাঁজ ব্যক্তি। জাতীয় পার্টির সভাপতি নুরুজ্জামান কাশিমাড়ী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা গোলাম বারীর ভগ্নিপতি। তিনি এখন জামায়াতের সাথে আত্বীয়তার সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষকে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।











