বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

পেট্রোল পাম্প গুলিতে জ্বালানি তেলের সংকট প্রসঙ্গে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ
পেট্রোল পাম্প গুলিতে জ্বালানি তেলের সংকট প্রসঙ্গে

আজহারুল ইসলাম সাদী
২০২৬ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট ও পাম্পে দীর্ঘ সারির খবর লক্ষণীয়। যা জনজীবনে অচলাবস্থা তৈরি করেছে, সরকার সংকট না থাকার দাবি করলেও আতঙ্কিত মানুষের চাহিদার কারণে কৃত্রিম সংকট তীব্রতর হচ্ছে, এছাড়া, আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় ১৯৭০-এর দশকের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
কৃত্রিম সংকট: অভিযোগ উঠেছে যে একটি চক্র কৃত্রিমভাবে তেল সংকট তৈরি করছে, যা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
গণপরিবহনে ভোগান্তি: তেল না পেয়ে অনেকে লোকাল বাসে চড়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন।
আন্তর্জাতিক প্রভাব: বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কেবল দেশের ভেতরের সমস্যা নয়, বরং বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহ হ্রাসের একটি অংশ।
উত্তরণের প্রচেষ্টা: সরকার কৃত্রিম সংকট তৈরি কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলছে, জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে স্বাভাবিক ব্যবহারের আহ্বান জানানো হচ্ছে। তেল সংকটের প্রেক্ষাপট ও কয়েকজন সাংবাদিক এর ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট কৃত সমালোচনা এখানে তুলে ধরা হলো:
সাংবাদিক মিলন রুদ্র লেখেন, পেট্রোল পাম্প থেকে লাইভ সম্প্রচার করতে করতে তেল নিতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত আমি নিজেও তেল বঞ্চিত হ ই।
সাংবাদিক সাইদুল বাসার তার পোস্টে লেখেন বাজার হতে আমার মোটরসাইকেল থেকে তিনটি তেল চুরি হয়ে গেছে। ১৫ দিন আগেও ৩ টি তেল চুরি হয়ে গিয়েছিল। গত ২ দিন আগে কপোতাক্ষ পাম্প থেকে ৭ ঘন্টা অপেক্ষা পরে ৫ শত টাকার তেল পেলাম তার থেকে ৩ লিটার তেল চুরি!
পেট্রোল পাম্প থেকে কয়েকদিন পেট্রোল নিতে গিয়ে সাংবাদিক তৌহিদ এর সাথে ঘটে যাওয়া তীক্ত অভিজ্ঞতা কথা তার ফেসবুক পোস্টে যা লিখেছেন….
গত কয়েকদিন আমার সাথে ঘটেছে যে কথা বলতে পারিনি কাউকে।
ঘটনা সুত্রপাত, তেল দিচ্ছে এই খবর শুনে তেল নিতে গিয়েছিলাম আলিপুর সোনালী পেট্রোল পাম্পে। সেখানে প্রায় হাফ কিলোমিটার সিরিয়াল ঠেলে ৪ ঘন্টা পর যখন নজেল ম্যানের কাছে পৌঁছালাম আমার সামনে তখন মাত্র একটা গাড়ি ছিল, হঠাৎ হ্যান্ড মাইকে ঘোষণা এলো তেল শেষ, তেল দেওয়া হবে না? আপনারা জায়গা খালি করেন!
হ্যান্ড মাইকে ঘোষণা শুনে পাম্প কতৃপক্ষ এক পূর্ব পরিচিত বড় ভাইয়ের কাছে গিয়ে অনেক অনুনয় বিনয় করলাম, ফিরে যাওয়ার মতো তেল বাইকে ছিল না, সেটিও জানালাম, শান্তনা দিলো, বললো বাইক রাখার জায়গা দিচ্ছি, বাইক রেখে যান। অনুরোধ করলাম অল্প একটু তেলের জন্য। কিন্তু কোন কথাতেই কাজ হলো না। উনারা এক কথার মানুষ!
তবে আমার কথা শুনে একজন করুনা করে একটা স্পিডের বোতলে একটু তেল দিতে চাইলো! নিরুপায় হয়ে ঐ তেল নিয়ে কোন রকমে ফিরে এলাম বাসায়!
রাতে ঘুম হচ্ছে না, তেল তো লাগবেই, এই চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে, ভাবতে ভাবতে রাত ভোর হলো। সকালে জানতে পারলাম কপোতাক্ষ পেট্রোল পাম্পে তেল দিচ্ছে, আবারো ঝুঁকি নিলাম, পাম্পে সেই লম্বা সিরিয়াল!
তার ফাঁকে ফাঁকে পাম্প কতৃপক্ষ দুই ভাই এবং তাদের কিছু শুভাকাঙ্খি তাদের পছন্দের লোকদের সিরিয়ালের বাইরে নিয়ম ভেঙ্গে ট্যাংকি ফুল করে তেল দিচ্ছে!
দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বাইকারদের মধ্য থেকে কেউ কেউ তীব্র প্রতিবাদ করছে– আমি দর্শক সারিতে দাঁড়িয়ে দেখছি, নিয়ম ভেঙ্গে তেল দেওয়া দেখে নিজের পেশার পরিচয় দিয়ে প্রাণপণ চেষ্টা করলাম আমিও!
কোন কথায় কোন কর্ণপাত করছে না, ঘন্টা তিন পরে বললো এভাবে না দাঁড়িয়ে এতোক্ষণ লাইনে দাড়ালে তো তেল পেতেন, আমিও সেটি ভেবে গেলাম লাইনে আবারো সাড়ে তিন ঘণ্টা লম্বা লাইন ঠেলে যেই নজেল ম্যানের কাছাকাছি পৌছালাম সেই ঘোষণা ছাড়াই তেল বন্ধ!!
প্রথমে বললো জেনারেটর গরম হয়ে গেছে, তারপর সবাই যখন হৈচৈ করছে তখন বললো তেল নেই, আবার আসবে তারপর তেল দিবো। একজন বাইক চালক খুব উত্তেজিত হয়ে চিল্লাচিল্লি করছে দেখে পাম্প মালিক এসে তাকে মারধর শুরু করলো! সাথে সাথে তার বাহিনী ও হামলে পড়লো ঐ বাইক চালকের উপর। এই দৃশ্য দেখার পর আর সাহস হলো না ঐখানে দাঁড়িয়ে তেল চাইবো! খুব ক্লান্ত শরীরে বাসায় ফিরলাম, ঘুম আসছে না, নির্ঘুম রাত কাটলো।
পরের দিন প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম ভাই গ্রুপে জানালেন কপোতাক্ষ পেট্রোল পাম্পে সাংবাদিকদের তেল দিবে, আলাদা লাইনে, ডিসি অফিস থেকে জানানো হয়েছে! গেলাম দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে দাঁড়ালাম সাংবাদিক সহকর্মীরা মিলে সুশৃঙ্খল ভাবে আলাদা লাইনে। কিন্তু বিপত্তিটা সেখানে বাঁধলো! স্থানীয় চোরাই তেল সিন্ডিকেটরা সাংবাদিকদের দেখে তাদের গাত্রদাহ শুরু হয়েছে।
তারা উস্কানি দিয়ে জনগণকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বাজে স্লোগান দেওয়াচ্ছে, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকলো, সাংবাদিকদের লাইন দীর্ঘ হতে লাগলো। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করা হলে উনি ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ পাঠালেন, ততক্ষণে পাম্প কর্তৃপক্ষের কারসাজি শুরু হয়ে গেছে,তারা তাদের তেলের লরি দিয়ে সাংবাদিকদের লাইন টি ব্লক করে দিলো।
ম্যাজিস্ট্রেট এসে আপ্রাণ চেষ্টা করলো লাইনে দাঁড়ানো ৫ জন কে এবং ১ জন সাংবাদিক কে তেল দিবে, এভাবে শুরু হলো, তখন সময় সন্ধ্যা হবে হবে, এভাবে ৪/৫ জন সাংবাদিক তেল পেলো আমি ধৈর্য হারা হয়ে সন্ধ্যা ৭ টায় চলে আসলাম বাসায়!
পরে রাত ১২ টায় সহকর্মীরা ফোন দিয়ে হতাশা প্রকাশ করে বললো তারা তেল না পেয়ে এসেছেন! এমনকি তাদের উপর হামলার চক্রান্ত হয়েছিল!
আমার তবুও ৫ঘন্টা সময় বেঁচে গেছে এই শান্তনায় ঘুমিয়ে পড়লাম। সম্প্রতি চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সদরের সকল ফিলিং স্টেশন এবং ডিলার পয়েন্ট থেকে প্রতিদিন দুই শিফটে একযোগে সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত এবং বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রয় করতে নির্দেশ দিয়েছেন। সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সরকারের জরুরি পরিষেবা সংশ্লিষ্ট অফিস ও ব্যক্তিগত জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে। বোতল ও কন্টেনারে পেট্রোল বিক্রয় নিষিদ্ধ পাশাপাশি হাটে বাজারে জ্বালানি তেল বিক্রির উপর ও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এখন দেখার বিষয় প্রশাসনের নির্দেশনায় পেট্রোল পাম্প গুলিতে কতটা সুশৃঙ্খলভাবে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়। সুষ্ঠু ভাবে হয়রানি যুক্ত তেল সরবরাহ করা হোক এটাই সকলের কাম্য। লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

সুন্দরবন রক্ষায় বাঘ সংরক্ষণের বিকল্প নেই: আলোচনা সভার বক্তারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
সুন্দরবন রক্ষায় বাঘ সংরক্ষণের বিকল্প নেই: আলোচনা সভার বক্তারা

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিশ্ব বাঘ দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সকাল ১১টায় উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী সিপিজি কার্যালয়ে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে সাতক্ষীরা সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি (সিএমসি) ও সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ।

সিএমসি সভাপতি মাহামুদা বেগমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বনভিবাগের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) এরফান উদ্দিন। সিএমসি সদস্য আবু ফরিদের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ফরেস্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আয়ুব আলী, কলাগাছিয়া বনবিভাগ কেন্দ্রের ইনচার্জ সুলজ কুমার দ্বীপ, ফরেস্ট জামে মসজিদের ইমাম রেজাউল করিম, সিপিজি সদস্য পঞ্চি রানী ও রুহুল আমিন, সিএমসি সদস্য আব্দুর রশিদ এবং উপকূল প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হালিম।

বক্তারা বলেছেন, রয়েল বেঙ্গল টাইগার শুধু বাংলাদেশের জাতীয় গর্ব নয়, সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার অন্যতম প্রধান উপাদান। তাই সুন্দরবন ও বাঘ রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

দেবহাটায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫২ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী

সংবাদদাতা: দুর্নীতি বিরোধী শপথের প্রদীপ্ত স্বাক্ষরে নতুন সূর্য শিখা জ্বলবেই এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণসচেতনতা সৃষ্টি ও সততা চর্চায় শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বুধবার (২৯ জুলাই) দেবহাটা সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয় খুলনার আয়োজনে ও দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন ও দেবহাটা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির ব্যবস্থাপনায় উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি চন্দ্রকান্ত মল্লিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং পুরস্কার বিতরণ করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা, দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল আলিম,
সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মুহা: মুনিরুদ্দীন, দেবহাটা সরকারি বি. বি. এম.পি ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন দেবহাটা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ আকবর আলী, দেবহাটা উপজেলা শিক্ষা অফিসার ভারপ্রাপ্ত মোঃ শাহজাহান আলী, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জয়দেব কুমার পাল, দেবহাটা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মির্জা মুহসিন আলী, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, দেবহাটা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ আল আজাদ প্রমুখ।

 

ফাইনালে বিতর্কের বিষয় ছিল- দুর্নীতি দমনের জন্য আইন ব্যবস্থার পাশাপাশি সামাজিক দেবহাটা সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন এবং বিতর্কের বিপক্ষ দল হিসাবে অংশ নেয় পারুলিয়া এসএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দেবহাটা সরকারি বি.বি.এম.পি ইনস্টিটিউশন উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বিতর্কে শ্রেষ্ঠ বক্তার পুরস্কার লাভ করেন আফরিনা আলম পাপড়ি

রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দেবহাটা উপজেলার ১৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এ সময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, দেবহাটা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান।

 

 

 

দেবহাটায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা

মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা।

সভায় বক্তব্য রাখেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আলিম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আব্দুল বারী মোল্লা, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিফুল ইসলাম, পল্লী বিদ্যুতের প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেন, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর. কে. বাপ্পা, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কাজল, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ বোস্তামি উজ্জ্বল, দেবহাটা বিজিবির নায়েব সুবেদার সোলাইমান হোসেন, উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি হাফেজ আব্দুস সাত্তার, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইমরান ফরহাদ, জুলাই যোদ্ধা মুজাহিদ বিন ফিরোজসহ বিজিবি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সীমান্ত দিয়ে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবিকে আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাদক, সন্ত্রাস, চুরি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রাখার বিষয়ে জানানো হয়। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আইন-শৃঙ্খলার অবনতি যেন না ঘটে, সে লক্ষ্যে সবাইকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও মিলন সাহা বলেন, উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।