সোমবার, ৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সোমবার, ৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পেট্রোল পাম্প গুলিতে জ্বালানি তেলের সংকট প্রসঙ্গে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ
পেট্রোল পাম্প গুলিতে জ্বালানি তেলের সংকট প্রসঙ্গে

আজহারুল ইসলাম সাদী
২০২৬ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট ও পাম্পে দীর্ঘ সারির খবর লক্ষণীয়। যা জনজীবনে অচলাবস্থা তৈরি করেছে, সরকার সংকট না থাকার দাবি করলেও আতঙ্কিত মানুষের চাহিদার কারণে কৃত্রিম সংকট তীব্রতর হচ্ছে, এছাড়া, আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় ১৯৭০-এর দশকের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
কৃত্রিম সংকট: অভিযোগ উঠেছে যে একটি চক্র কৃত্রিমভাবে তেল সংকট তৈরি করছে, যা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
গণপরিবহনে ভোগান্তি: তেল না পেয়ে অনেকে লোকাল বাসে চড়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন।
আন্তর্জাতিক প্রভাব: বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কেবল দেশের ভেতরের সমস্যা নয়, বরং বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহ হ্রাসের একটি অংশ।
উত্তরণের প্রচেষ্টা: সরকার কৃত্রিম সংকট তৈরি কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলছে, জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে স্বাভাবিক ব্যবহারের আহ্বান জানানো হচ্ছে। তেল সংকটের প্রেক্ষাপট ও কয়েকজন সাংবাদিক এর ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট কৃত সমালোচনা এখানে তুলে ধরা হলো:
সাংবাদিক মিলন রুদ্র লেখেন, পেট্রোল পাম্প থেকে লাইভ সম্প্রচার করতে করতে তেল নিতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত আমি নিজেও তেল বঞ্চিত হ ই।
সাংবাদিক সাইদুল বাসার তার পোস্টে লেখেন বাজার হতে আমার মোটরসাইকেল থেকে তিনটি তেল চুরি হয়ে গেছে। ১৫ দিন আগেও ৩ টি তেল চুরি হয়ে গিয়েছিল। গত ২ দিন আগে কপোতাক্ষ পাম্প থেকে ৭ ঘন্টা অপেক্ষা পরে ৫ শত টাকার তেল পেলাম তার থেকে ৩ লিটার তেল চুরি!
পেট্রোল পাম্প থেকে কয়েকদিন পেট্রোল নিতে গিয়ে সাংবাদিক তৌহিদ এর সাথে ঘটে যাওয়া তীক্ত অভিজ্ঞতা কথা তার ফেসবুক পোস্টে যা লিখেছেন….
গত কয়েকদিন আমার সাথে ঘটেছে যে কথা বলতে পারিনি কাউকে।
ঘটনা সুত্রপাত, তেল দিচ্ছে এই খবর শুনে তেল নিতে গিয়েছিলাম আলিপুর সোনালী পেট্রোল পাম্পে। সেখানে প্রায় হাফ কিলোমিটার সিরিয়াল ঠেলে ৪ ঘন্টা পর যখন নজেল ম্যানের কাছে পৌঁছালাম আমার সামনে তখন মাত্র একটা গাড়ি ছিল, হঠাৎ হ্যান্ড মাইকে ঘোষণা এলো তেল শেষ, তেল দেওয়া হবে না? আপনারা জায়গা খালি করেন!
হ্যান্ড মাইকে ঘোষণা শুনে পাম্প কতৃপক্ষ এক পূর্ব পরিচিত বড় ভাইয়ের কাছে গিয়ে অনেক অনুনয় বিনয় করলাম, ফিরে যাওয়ার মতো তেল বাইকে ছিল না, সেটিও জানালাম, শান্তনা দিলো, বললো বাইক রাখার জায়গা দিচ্ছি, বাইক রেখে যান। অনুরোধ করলাম অল্প একটু তেলের জন্য। কিন্তু কোন কথাতেই কাজ হলো না। উনারা এক কথার মানুষ!
তবে আমার কথা শুনে একজন করুনা করে একটা স্পিডের বোতলে একটু তেল দিতে চাইলো! নিরুপায় হয়ে ঐ তেল নিয়ে কোন রকমে ফিরে এলাম বাসায়!
রাতে ঘুম হচ্ছে না, তেল তো লাগবেই, এই চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে, ভাবতে ভাবতে রাত ভোর হলো। সকালে জানতে পারলাম কপোতাক্ষ পেট্রোল পাম্পে তেল দিচ্ছে, আবারো ঝুঁকি নিলাম, পাম্পে সেই লম্বা সিরিয়াল!
তার ফাঁকে ফাঁকে পাম্প কতৃপক্ষ দুই ভাই এবং তাদের কিছু শুভাকাঙ্খি তাদের পছন্দের লোকদের সিরিয়ালের বাইরে নিয়ম ভেঙ্গে ট্যাংকি ফুল করে তেল দিচ্ছে!
দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বাইকারদের মধ্য থেকে কেউ কেউ তীব্র প্রতিবাদ করছে– আমি দর্শক সারিতে দাঁড়িয়ে দেখছি, নিয়ম ভেঙ্গে তেল দেওয়া দেখে নিজের পেশার পরিচয় দিয়ে প্রাণপণ চেষ্টা করলাম আমিও!
কোন কথায় কোন কর্ণপাত করছে না, ঘন্টা তিন পরে বললো এভাবে না দাঁড়িয়ে এতোক্ষণ লাইনে দাড়ালে তো তেল পেতেন, আমিও সেটি ভেবে গেলাম লাইনে আবারো সাড়ে তিন ঘণ্টা লম্বা লাইন ঠেলে যেই নজেল ম্যানের কাছাকাছি পৌছালাম সেই ঘোষণা ছাড়াই তেল বন্ধ!!
প্রথমে বললো জেনারেটর গরম হয়ে গেছে, তারপর সবাই যখন হৈচৈ করছে তখন বললো তেল নেই, আবার আসবে তারপর তেল দিবো। একজন বাইক চালক খুব উত্তেজিত হয়ে চিল্লাচিল্লি করছে দেখে পাম্প মালিক এসে তাকে মারধর শুরু করলো! সাথে সাথে তার বাহিনী ও হামলে পড়লো ঐ বাইক চালকের উপর। এই দৃশ্য দেখার পর আর সাহস হলো না ঐখানে দাঁড়িয়ে তেল চাইবো! খুব ক্লান্ত শরীরে বাসায় ফিরলাম, ঘুম আসছে না, নির্ঘুম রাত কাটলো।
পরের দিন প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম ভাই গ্রুপে জানালেন কপোতাক্ষ পেট্রোল পাম্পে সাংবাদিকদের তেল দিবে, আলাদা লাইনে, ডিসি অফিস থেকে জানানো হয়েছে! গেলাম দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে দাঁড়ালাম সাংবাদিক সহকর্মীরা মিলে সুশৃঙ্খল ভাবে আলাদা লাইনে। কিন্তু বিপত্তিটা সেখানে বাঁধলো! স্থানীয় চোরাই তেল সিন্ডিকেটরা সাংবাদিকদের দেখে তাদের গাত্রদাহ শুরু হয়েছে।
তারা উস্কানি দিয়ে জনগণকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বাজে স্লোগান দেওয়াচ্ছে, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকলো, সাংবাদিকদের লাইন দীর্ঘ হতে লাগলো। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করা হলে উনি ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ পাঠালেন, ততক্ষণে পাম্প কর্তৃপক্ষের কারসাজি শুরু হয়ে গেছে,তারা তাদের তেলের লরি দিয়ে সাংবাদিকদের লাইন টি ব্লক করে দিলো।
ম্যাজিস্ট্রেট এসে আপ্রাণ চেষ্টা করলো লাইনে দাঁড়ানো ৫ জন কে এবং ১ জন সাংবাদিক কে তেল দিবে, এভাবে শুরু হলো, তখন সময় সন্ধ্যা হবে হবে, এভাবে ৪/৫ জন সাংবাদিক তেল পেলো আমি ধৈর্য হারা হয়ে সন্ধ্যা ৭ টায় চলে আসলাম বাসায়!
পরে রাত ১২ টায় সহকর্মীরা ফোন দিয়ে হতাশা প্রকাশ করে বললো তারা তেল না পেয়ে এসেছেন! এমনকি তাদের উপর হামলার চক্রান্ত হয়েছিল!
আমার তবুও ৫ঘন্টা সময় বেঁচে গেছে এই শান্তনায় ঘুমিয়ে পড়লাম। সম্প্রতি চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সদরের সকল ফিলিং স্টেশন এবং ডিলার পয়েন্ট থেকে প্রতিদিন দুই শিফটে একযোগে সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত এবং বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রয় করতে নির্দেশ দিয়েছেন। সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সরকারের জরুরি পরিষেবা সংশ্লিষ্ট অফিস ও ব্যক্তিগত জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে। বোতল ও কন্টেনারে পেট্রোল বিক্রয় নিষিদ্ধ পাশাপাশি হাটে বাজারে জ্বালানি তেল বিক্রির উপর ও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এখন দেখার বিষয় প্রশাসনের নির্দেশনায় পেট্রোল পাম্প গুলিতে কতটা সুশৃঙ্খলভাবে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়। সুষ্ঠু ভাবে হয়রানি যুক্ত তেল সরবরাহ করা হোক এটাই সকলের কাম্য। লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

গাবুরা-বুড়িগোয়ালিনী সংযোগ খেয়াঘাট ভাঙনের মুখে, উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
গাবুরা-বুড়িগোয়ালিনী সংযোগ খেয়াঘাট ভাঙনের মুখে, উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম ডুমুরিয়া খেয়াঘাট বর্তমানে ভাঙনের কবলে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘাটের বিভিন্ন অংশে ভাঙন দেখা দেওয়ায় প্রতিদিন যাতায়াতকারী হাজারো মানুষ চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, ২০০৯ সালে বুড়িগোয়ালিনী অংশের খেয়াঘাট নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

 

দীর্ঘদিন পার হলেও সেই ঘাটটি এখনো স্থায়ীভাবে পুননির্মাণ করা হয়নি। ফলে দুই ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াতে নানা ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বর্তমানে ডুমুরিয়া ঘাটেও একই ধরনের ভাঙন শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গাবুরা ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত বলেন, “ডুমুরিয়া খেয়াঘাটটি গাবুরা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৯ সালে বুড়িগোয়ালিনী পাশের ঘাট ভেঙে যাওয়ার পরও সেটির স্থায়ী সমাধান হয়নি।

এখন ডুমুরিয়া ঘাটটিতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে দুই পাড়ের মানুষের যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।” স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইয়ুথ প্লান বাংলাদেশ এর বিভাগীয় সমন্বয়কারী ইমাম হোসেন বলেন, “প্রতিদিন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই ঘাট ব্যবহার করেন। ভাঙনের কারণে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত সংস্কার ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”

এলাকাবাসীর দাবি, ঘাটটি দ্রুত সংস্কার ও নদীভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। তাই জনদুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

 

 

শ্যামনগরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত

মুন্সিগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: “জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা” প্রতিপাদ্য বিশেষ সামনে রেখে নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৮ জুন সকাল ১০ টা থেকে দিনব্যাপী বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রেখে মানুষসহ সকল প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপিত হয়। এ উপলক্ষে নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে পরিবেশ ও জলবায়ু সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান শিক্ষক গোবিন্দ প্রসাদ দেবনাথ।
বিশেষ অতিথি ও উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের মধ্যে ছিলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবং সিএরআরএন-বিফোআরএল প্রকল্পের সরোয়ার হোসেন। এছাড়াও বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 

বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে শিক্ষার্থীদের পরিবেশ আন্দোলনের সহায়ক হিসেবে ১৩ জন ছাত্রী ও ১২ জন ছাত্রের সমন্বয়ে ২৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিবেশ ক্লাব গঠন করা হয়। শিক্ষার্থীরা দলভিত্তিকভাবে বনজ, ফলজ ও ঔষধি গাছের বৈশিষ্ট্য, উপকারিতা এবং লবণাক্ত মাটিতে এসব গাছের অভিযোজন কৌশল নিয়ে আলোচনা ও উপস্থাপনা করে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। রোপিত গাছ ও বিদ্যালয়ের নার্সারির নিয়মিত পরিচর্যার দায়িত্ব পরিবেশ ক্লাবের সদস্যদের প্রদান করা হয়।

 

 

 

তালায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনব্যাপী সফট স্কিল প্রশিক্ষণ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
তালায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনব্যাপী সফট স্কিল প্রশিক্ষণ শুরু

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১০ দিনব্যাপী পেশাভিত্তিক সফট স্কিল প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে ও অর্থায়নে সমাজসেবা অধিদপ্তরের “বাংলাদেশের প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন (২য় ফেইজ)” প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক এস এম রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন খুলনা বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক রতন কুমার হালদার।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আরিফুজ্জামানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাহাত খান।

প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান, জয়পুরহাট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক হারুন উর রশিদ, খুলনা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের মাসুদুর রহমান, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. মফিদুল হক লিটু এবং ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক গোলাম ফারুক।

এ সময় বক্তব্য দেন তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেলিম হায়দার, সাংবাদিক বি.এম. জুলফিকার রায়হান, কামরুজ্জামান মিঠু, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সমন্বয়কারী তৌফিক ইমরান, সহকারী অসিত রায় ও ইমদাদুল ইসলামসহ অন্যান্যরা।

প্রশিক্ষণে তালা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রান্তিক পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করছেন। দক্ষতা বৃদ্ধি ও জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য বলে আয়োজকরা জানান।