শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৩০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ণ
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৩০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিশুদের শিখন ঘাটতি পূরণে বাংলাদেশকে ৩০ কোটি (৩০০ মিলিয়ন) ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এ অর্থ দিয়ে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ২ কোটি ৬০ লাখ শিশুর পড়াশোনার মান উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। বিশেষ করে শিশুদের পড়া, লেখা ও গণিতের মৌলিক দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তা দেওয়া হবে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ‘দ্য লার্নিং এনহ্যান্সমেন্ট অ্যান্ড অ্যাকসেলারেশন ইন প্রাইমারি এডুকেশন প্রোগ্রাম’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় এ অর্থায়নের অনুমোদন দিয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে এই অর্থ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং বিদ্যালয় পরিচালনায় দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষায় প্রায় সর্বজনীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হলেও শিক্ষার মান এখনও বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১০ বছর বয়সী শিশুদের প্রায় ৫০ শতাংশই বয়স ও শ্রেণি অনুযায়ী উপযোগী একটি সাধারণ লেখা পড়ে তার অর্থ বুঝতে পারে না। তুলনায় উচ্চমধ্যম আয়ের দেশ মালয়েশিয়ায় এ হার ৪২ শতাংশ এবং ব্রাজিলে ৪৭ শতাংশ।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের বিভাগীয় পরিচালক জ্যঁ পেসমে বলেন, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম কর্মশক্তি গড়ে তোলার অন্যতম ভিত্তি হলো মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা। গত দুই দশকে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে প্রায় সব শিশুর বিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরিতে সহায়তা করেছে। নতুন অর্থায়নের মাধ্যমে শিশুরা যাতে আরও ভালোভাবে শিখতে পারে এবং বিদ্যালয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যায়, তা নিশ্চিত করা হবে। এর ফলে ভবিষ্যতে তাদের ভালো কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

বিশ্বব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেসরকারি ও এনজিও পরিচালিত বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন এবং মাদ্রাসা মিলিয়ে এ পর্যায়ে ২ কোটির বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

নতুন কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের মৌলিক সাক্ষরতা ও গণিতের দক্ষতা বাড়াতে বিশেষ শিক্ষা প্যাকেজ চালু করা হবে। এতে পাঠদানের উপকরণ, নির্ধারিত পাঠ পরিকল্পনা এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি দেশের ৯০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নেতৃত্ব ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বিদ্যালয় পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী করা হবে।

যেসব শিশু পড়াশোনায় পিছিয়ে রয়েছে, তাদের জন্য বিশেষ প্রতিকারমূলক শিক্ষা বা অতিরিক্ত পাঠদানের ব্যবস্থা রাখা হবে। বিশেষ করে যেসব জেলার শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি পিছিয়ে রয়েছে, সেসব এলাকায় এ কর্মসূচির ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও কর্মসূচির দলনেতা তাসমিনা রহমান বলেন, ভালো কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের প্রথম ধাপ হলো শিক্ষার মৌলিক ভিত্তি শক্তিশালী করা। কোনও শিশু যাতে পিছিয়ে না থাকে, সে লক্ষ্যেই এ কর্মসূচিতে বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের নেতৃত্বের মান উন্নয়ন, বরাদ্দ করা অর্থের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে তথ্যের ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ কর্মসূচির আওতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে, যাতে তারা শ্রেণিকক্ষে আরও কার্যকরভাবে পড়া, লেখা ও গণিত শেখাতে পারেন। একইসঙ্গে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নের মাধ্যমে শিশুদের বিদ্যালয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি ও শেখার সক্ষমতা বাড়ানো হবে।

বিশ্বব্যাংকের প্রত্যাশা, এ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮ লাখ ৪৩ হাজার নতুন ও তুলনামূলক ভালো বেতনের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) এ অর্থায়ন দিচ্ছে। সংস্থাটি স্বল্প আয়ের দেশগুলোকে সহজ শর্তে ঋণ ও অনুদান দিয়ে থাকে। এ ঋণের মেয়াদ ২৫ বছর। এর মধ্যে প্রথম পাঁচ বছর ঋণ পরিশোধে ছাড় থাকবে।

Ads small one

লবণাক্ততার সঙ্গে লড়াই: সাতক্ষীরার নারীদের হাতে বদলাচ্ছে উপকূলের কৃষি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ণ
লবণাক্ততার সঙ্গে লড়াই: সাতক্ষীরার নারীদের হাতে বদলাচ্ছে উপকূলের কৃষি

তারিক ইসলাম

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে সাতক্ষীরার উপকূলীয় জীবনযাত্রা দিন দিন আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙনের পাশাপাশি মাটির অতিরিক্ত লবণাক্ততা এ অঞ্চলের প্রচলিত কৃষিকে একসময় প্রায় অনিশ্চিত করে তুলেছিল। বছরের পর বছর লোনাপানির প্রভাবে উর্বর জমিগুলো হারিয়েছে উৎপাদনক্ষমতা। তবে জীবিকার তাগিদ এবং প্রকৃতির প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার অদম্য প্রচেষ্টা অনেক পরিবর্তন এনেছে। এই পরিবর্তনের অগ্রভাগে রয়েছেন সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকার প্রান্তিক নারীরা।

একসময় উপকূলীয় এলাকার বসতভিটার চারপাশে লবণাক্ততার কারণে চারাগাছ বাঁচিয়ে রাখাই ছিল কঠিন। শাকসবজি তো দূরের কথা, লোনাপানির প্রভাবে অনেক গাছপালাও টিকতে পারত না। তবে সময়ের সঙ্গে সেই চিত্র বদলাতে শুরু করেছে। কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থার প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকে কাজে লাগিয়ে নারীরা এখন বাড়ির আঙিনায় বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করছেন।

এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে জলবায়ুসহিষ্ণু কৃষিপদ্ধতির প্রয়োগ। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, উঁচু বেড তৈরি করে চাষাবাদ, মাচা পদ্ধতি ও মালচিং প্রযুক্তির ব্যবহার লবণাক্ততার প্রভাব মোকাবিলায় সহায়ক হচ্ছে। এসব পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে উৎপাদিত হচ্ছে বেগুন, ঢ্যাঁড়স, লাউ, মিষ্টিকুমড়াসহ বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর সবজি।

এই উদ্যোগের সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ। যে নারীরা একসময় পরিবারের খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগতেন, তাঁদের অনেকেই এখন বসতভিটার সামান্য জায়গায় সবজি উৎপাদন করে পরিবারের চাহিদা মেটাচ্ছেন। কোনো কোনো পরিবার উদ্বৃত্ত সবজি স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয়ও করছে। এতে একদিকে পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণ হচ্ছে, অন্যদিকে নারীদের অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও আত্মনির্ভরশীলতার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তাঁদের এই উদ্যোগ প্রমাণ করছে, সঠিক জ্ঞান, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পেলে প্রতিকূল পরিবেশেও কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করা সম্ভব।

সাতক্ষীরার উপকূলীয় নারীদের এই উদ্যোগ শুধু ব্যক্তিগত বা পারিবারিক স্বাবলম্বিতার উদাহরণ নয়; এটি জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার (অভিযোজন) একটি কার্যকর দৃষ্টান্ত। উপকূলীয় কৃষিকে টেকসই করতে হলে তাঁদের এ উদ্যোগের পরিধি আরও বাড়াতে হবে। এ জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সহজ শর্তে ঋণ, মানসম্মত কৃষি উপকরণ, বীজ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা এবং হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। পাশাপাশি উৎপাদিত সবজি বাজারজাতকরণেও সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রকৃতির বৈরিতা ও লবণাক্ত মাটির সঙ্গে লড়াই করে সাতক্ষীরার নারীরা যে সবুজ সম্ভাবনার সূচনা করেছেন, তা উপকূলীয় কৃষির জন্য আশাব্যঞ্জক। যথাযথ নীতিগত সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তাঁদের এই উদ্যোগ উপকূলীয় অর্থনীতি, পারিবারিক পুষ্টি ও খাদ্যনিরাপত্তায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

লেখক: তারিক ইসলাম, সভাপতি, সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি।

সাতক্ষীরায় ১৭ বিজিবির অভিযানে হেরোইন ও কাঁচামাল জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ১৭ বিজিবির অভিযানে হেরোইন ও কাঁচামাল জব্দ

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরায় ১৭ বিজিবির পৃথক দুটি অভিযানে ১ কোটি ৩৮ লাখ ৮২ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় হেরোইন ও হেরোইন তৈরির রাসায়নিক কাঁচামাল জব্দ করা হয়েছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মাধ্যমে জব্দ করা পদার্থগুলোর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত ৩ নভেম্বর সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাখরা বিওপির একটি টহল দল সীমান্ত এলাকার শাখরা ব্রিজসংলগ্ন বাঁশবাগানে অভিযান চালায়। এ সময় হেরোইন তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত ভারতীয় ‘মার্টিনি ড্রাগস’ লেখা ২০০ মিলিলিটারের পাঁচটি বোতল জব্দ করা হয়। এসব কাঁচামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

এর দুই দিন পর, ৫ নভেম্বর শাখরা বিওপির কুলিয়া রোডের ঋষিপাড়া বড় বাগান এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ২ কেজি ৬৬ গ্রাম ভারতীয় হেরোইন জব্দ করা হয়। জব্দ করা হেরোইনের আনুমানিক বাজারমূল্য ৪১ লাখ ৩২ হাজার টাকা।

নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার আবু সহল আব্দুল্লাহ জানান, পৃথক দুটি অভিযানে সর্বমোট ১ কোটি ৩৮ লাখ ৮২ হাজার টাকা মূল্যের হেরোইন ও মাদক তৈরির কাঁচামাল জব্দ করা হয়েছে। পরে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মাধ্যমে জব্দ করা পদার্থগুলো মাদক ও মাদক তৈরির নিষিদ্ধ উপাদান হিসেবে শনাক্ত করা হয়।

জেমসসহ সাত ব্যান্ডের ৭ ঘণ্টার কনসার্ট, কখন ও কোথায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ণ
জেমসসহ সাত ব্যান্ডের ৭ ঘণ্টার কনসার্ট, কখন ও কোথায়

শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে সংগীতানুষ্ঠান ‘কনসার্ট ফর সলিডারিটি’।

এখানে নগরবাউল জেমসসহ দেশের সাতটি ব্যান্ড ৭ ঘণ্টা সংগীত পরিবেশন করবেন।

দর্শকদের জন্য কনসার্টে প্রবেশ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ গান শুনতে কোনো টিকিট লাগবে না।

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে এই কনসার্ট। এতে জেমসের ‘ছাড়াও অংশ নেবে ‘মাইলস’, ‘ওয়ারফেজ’, ‘শিরোনামহীন’, ‘আর্টসেল’, ‘মেকানিক্স’, ও ‘ফিডব্যাক’।

আয়োজকদের সূচি অনুযায়ী, বিকাল ৩টায় দর্শকদের জন্য ভেন্যুর গেট খুলে দেওয়া হবে। সংগীত পরিবেশনা শুরু হবে বিকেল ৪টায়।

একই মঞ্চে দেশের সাতটি জনপ্রিয় ব্যান্ডের পরিবেশনা ঘিরে সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে ইতিমধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে জেমস, ওয়ারফেজ, মাইলস ও আর্টসেলের পরিবেশনা দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন তাদের ভক্তরা।

কনসার্টে অংশ নেওয়ার খবর জানিয়ে শ্রোতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে ব্যান্ড ওয়ারফেজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যান্ডটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘একটি শহর, একটি মঞ্চ, সাতটি আইকনিক সংগীত পরিবেশনা। ঐক্য ও সংহতির এক অনন্য চেতনা। প্রস্তুত হোন এক অবিস্মরণীয় সংগীত আয়োজনের জন্য।’