বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

বজ্রপাত ঝুঁকিতে মাঠের কৃষক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৯:৫৬ অপরাহ্ণ
বজ্রপাত ঝুঁকিতে মাঠের কৃষক

প্রকাশ ঘোষ বিধান

বজ্রপাত এখন বাংলাদেশে অন্যতম বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে দেখা দিয়েছে। খোলা মাঠে কাজ করার সময় কৃষকরাই সবচেয়ে বেশি প্রাণ হারাচ্ছেন। বোরো ধান কাটার মৌসুমে কৃষকরা দীর্ঘ সময় খোলা মাঠে কাটান, যা তাদের বজ্রপাতের সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে। হাওর বা বড় মাঠগুলোতে উঁচু গাছ বা নিরাপদ কোনো স্থাপনা না থাকায় বজ্রপাতের সময় কৃষকরা দ্রুত নিরাপদ স্থানে যেতে পারেন না।

বৈশাখী ঝড়-বৃষ্টির সময় খোলা মাঠে কাজ করার কারণে কৃষকরা বজ্রপাতের মারাত্মক ঝুঁকিতে থাকেন। মার্চ মাস থেকে প্রচ- গরমে হাঁসফাঁস শুরু হয় জনজীবনে। স্বস্তির বার্তা নিয়ে আসে বৃষ্টি। তবে এখন সেই বৃষ্টি যেন উল্টো আতঙ্কের নাম হয়ে উঠেছে। তাপদাহের পর ঝড়-বৃষ্টির শুরুর সঙ্গে দেশজুড়ে বাড়ছে বজ্রপাতের তীব্রতা। হাওরাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে নিয়মিত মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

বাংলাদেশে সাধারণত মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বজ্রপাত হয়। তবে এপ্রিল ও মে মাসকে বজ্রপাতের প্রধান মৌসুম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, বছরের মোট বজ্রপাতের একটি বিশাল অংশ এই দুই মাসেই ঘটে, যার মধ্যে মে মাসে সবচেয়ে বেশি (২৯.৬২%) বজ্রপাত রেকর্ড করা হয়েছে। দেশে বছরে গড়ে ৮০-১২০ দিন বজ্রপাত হয়। এপ্রিল ও মে মাস হলো বজ্রপাতের প্রধান মৌসুম বা প্রাক-বর্ষাকালীন সময়। এই দুই মাসে দেশের সর্বোচ্চ সংখ্যক বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে, বিশেষ করে এপ্রিল ও মে মাসে গড়ে ৯ থেকে ১৩ দিন পর্যন্ত বজ্রঝড় হতে পারে। বজ্রপাতের ভয়াবহতার দিক বিবেচনায় এবং আশঙ্কাজনকহারে মৃত্যু বেড়ে যাওয়ায় সরকার ২০১৬ সালের ১৭ মে বাংলাদেশের জাতীয় দুর্যোগের তালিকায় বজ্রপাতকে অন্তর্ভুক্ত করে।

প্রাক-বর্ষার এই সময়ে উত্তরে হিমালয় থেকে আসা ঠান্ডা বাতাস এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর থেকে আসা গরম ও আর্দ্র বাতাসের সংমিশ্রণে বজ্র-মেঘের সৃষ্টি হয়, যা থেকে প্রবল বজ্রপাত ঘটে। বজ্রপাতের সময় প্রায় ২৭ হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ৩০ কোটি ভোল্ট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় বজ্রপাতের সংখ্যাও বেড়ে গেছে। হাওর অঞ্চল এবং খোলা মাঠে কাজ করা কৃষক ও জেলেরা এই সময়ে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।

বাংলাদেশে বজ্রপাতের মূল কারণ আমাদের ভৌগলিক অবস্থান। বাংলাদেশের একদিকে বঙ্গোপসাগর, এরপরই ভারত মহাসাগর। সেখান থেকে গরম আর আর্দ্র বাতাস আসছে। আবার উত্তরে রয়েছে পাহাড়ি এলাকা, কিছু দূরেই হিমালয় রয়েছে, যেখান থেকে ঠা-া বাতাস ঢুকছে। এই দুই বাতাসের সংমিশ্রণ বজ্রপাতের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে। শীত পরবর্তী সময়ে একদিকে যেমন বঙ্গোপসাগর থেকে উষ্ণ বাতাস আসতে শুরু করে, অন্যদিকে হিমালয় থেকে আসে ঠা-া বাতাস। দক্ষিণের গরম আর উত্তরের ঠা-া বাতাসে অস্থিতিশীল বাতাস বজ্র মেঘের সৃষ্টি করে। এরকম একটি মেঘের সঙ্গে আরেকটি মেঘের ঘর্ষণে বজ্রের তৈরি হয়।

সাধারণত গ্রীষ্মের দিনগুলোয় এপ্রিল-মে মাসে বাংলাদেশে বজ্রপাতের ঘটনা বেশি ঘটে। তবে সাম্প্রতিককালে জুন-জুলাইয়েও বেড়েছে বজ্রপাতের হার। আবহাওয়াবিদগণ বলছেন, বাংলাদেশে উত্তরাঞ্চল এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল বজ্রপাত-প্রবণ এলাকাগুলোর অন্যতম। গ্রীষ্মকালে এ অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি থাকায় অনাকাক্সিক্ষত এই দুর্যোগ বেশি ঘটছে।

এক জরিপ বলছে, সাধারণত সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যার আগপর্যন্ত অর্থাৎ দিনের বেলায় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটছে বেশি। আরেক গবেষণা থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, প্রায় ৪৩ শতাংশ বজ্রপাতই হয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে। সকালে সূর্যের প্রচন্ড তাপমাত্রা জলীয়বাষ্প সৃষ্টি করে, যেটি বজ্রপাতের প্রধান শক্তি। তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে তখন জলীয় বাষ্প বা এ ধরনের শক্তিও তত বেড়ে গিয়ে বজ্রপাত ঘটায়।

একসময় দেশের বেশিরভাগ গ্রাম এলাকায় বড় গাছ, যেমনÑ তাল, নারিকেল, বটসহ নানা ধরনের উঁচু গাছ দেখা যেত। এসব গাছ বজ্রপাতের আঘাত নিজের শরীরে নিয়ে নিত। ফলে মানুষের আঘাত পাওয়ার আশঙ্কা কমত।
বজ্রপাত-বিষয়ক গবেষকরা বলছেন, দেশের বেশিরভাগ মানুষের কাছে এখন মুঠোফোন আছে। দেশের অধিকাংশ এলাকায় মুঠোফোনের বৈদ্যুতিক টাওয়ার রয়েছে। দেশের কৃষিতেও যন্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে। আকাশে সৃষ্টি হওয়া বজ্র মাটিতে কোনো ধাতব বস্তু পেলে তার দিকে আকৃষ্ট হচ্ছে। এটি কৃষিকাজে নিয়োজিত মানুষদের বজ্রপাতে মৃত্যুর বড় কারণ। গাছবিহীন খোলামাঠের গ্রামে বজ্রপাতে মৃত্যু হচ্ছে বেশি। শহরে গাছ না থাকলেও উঁচু উঁচু ভবন আছে। ফলে শহরের মানুষ এই মৃত্যু থেকে রেহাই পাচ্ছে।

বজ্রপাতের ক্ষয়ক্ষতি ঠেকানোর লক্ষ্যে দেশবাসীকে আগাম সতর্কবার্তা দিতে দেশের ৮টি স্থানে পরীক্ষামূলক ভাবে বজ্রপাত চিহ্নিতকরণ যন্ত্র বা লাইটনিং ডিটেকটিভ সেন্সর বসিয়েছিল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। ঢাকায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় ছাড়াও ময়মনসিংহ, সিলেট, পঞ্চগড়, নওগাঁ, খুলনা, পটুয়াখালী এবং চট্টগ্রামে এই সেন্সর বসানো হয়েছে। যদিও এসব সেন্সরের কার্যক্রম এখন পর্যন্ত পর্যবেক্ষণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

প্রান্তিক জনগণকে বাঁচাতে সরকারিভাবে তাল গাছ লাগানোর উপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। তাল গাছ ৩০-৪৫ সে.মি. ব্যাসের গোলাকার গুঁড়িবিশিষ্ট প্রায় ৮০-৯০ ফুট উচ্চতার শাখাবিহীন একটি বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। সরকারিভাবে ২০১৮ সালেই ৩১ লাখ তালের আঁটি লাগানো হয়েছে দেশের ৬১ জেলায়। তবে বজ্রপাতের ঝুঁকিহ্রাসের উপযোগী হতে এই গাছের কমপক্ষে ১৪-১৬ বছর বা তারও বেশি সময় প্রয়োজন।

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে করণীয়; বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা এড়িয়ে দালানের নিচে অবস্থান করতে হবে। বড় গাছ, বৈদ্যুতিক খুঁটি বা টাওয়ারের নিচে দাঁড়ানো যাবে না। ঘরের ভেতর থাকলেও জানালার কাছ থেকে দূরে থাকতে হবে। ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং বা ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি স্পর্শ করা যাবে না। টিভি, ফ্রিজ বা কম্পিউটারের প্লাগ খুলে রাখতে হবে।বজ্রপাতের সময় পুকুর বা জলাশয়ে থাকা অত্যন্ত বিপজ্জনক। বাইরে থাকলে রবারের জুতা ব্যবহার করা কিছুটা নিরাপত্তা দিতে পারে। গাড়ির ভেতর থাকলে ধাতব বডি স্পর্শ না করে ভেতরে স্থির থাকতে হবে। খোলা মাঠে থাকলে কোথাও আশ্রয় না পেলে নিচু হয়ে বসে পড়তে হবে, তবে মাটিতে শুয়ে পড়া যাবে না। এসব নির্দেশনা মেনে চললে বজ্রপাতে প্রাণহানির ঘটনা কমে আসবে আশা করা যায়।

বাংলাদেশে বৈশাখী ঝড়-বৃষ্টির সময়ে, বিশেষ করে বোরো ধান কাটার মৌসুমে খোলা মাঠে কর্মরত কৃষকরা বজ্রপাতের মারাত্মক ঝুঁকিতে থাকেন। হাওর বা বড় বিল অঞ্চলে ধান কাটার সময় বজ্রপাতের ঝুঁকি বেশি হওয়ায় অতিরিক্ত সতর্কতা জরুরি। কৃষকদের সুরক্ষায় মাঠ পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ প্রয়োজন। লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

 

 

 

Ads small one

হাম-রুবেলাসহ ১০ ধরনের টিকার নতুন চালান দেশে পৌঁছেছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৩:১৮ অপরাহ্ণ
হাম-রুবেলাসহ ১০ ধরনের টিকার নতুন চালান দেশে পৌঁছেছে

হাম-রুবেলা ও ওরাল পোলিওসহ ১০ ধরনের টিকার নতুন চালান দেশে পৌঁছেছে।
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নিজে উপস্থিত থেকে টিকার এই চালান গ্রহণ করেন।

বুধবার বেলা পৌনে ১২টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টিকার এই নতুন চালান পৌঁছায়।

হাম-রুবেলা-ওরাল পোলিও ছাড়াও এই চালানে বিসিজি, পেন্টাভ্যালেন্ট, পিসিভি ও টাইফয়েড টিকাও রয়েছে।

চালান গ্রহণ শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ১৫ লাখ ডোজ হামের টিকা দেশে পৌঁছেছে। আগামীতে টিকার আর কোনো সংকট তৈরি হবে না।

তিনি আরো বলেন, মাত্র ২৪ দিনের মধ্যে এসব টিকা দেশে এনে ইতিহাস গড়েছে সরকার। আগামী ১০ মে’র মধ্যে হামসহ আরো ১০ ধরনের ১ কোটি ৮ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে আসবে।

টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ
টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি

পুরুষদের আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে অষ্টম স্থানে উঠল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
আজ পুরুষদের টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ের বার্ষিক হালনাগাদ প্রকাশ করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। হালনাগাদে ২০২৫ সালের মে মাস থেকে দলগুলোর শতভাগ পারফরমেন্স এবং আগের দুই বছরের পারফরমেন্স শতকরা ৫০ ভাগ করে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে নবম থেকে অষ্টম স্থানে উঠেছে বাংলাদেশ। ২২৫ রেটিং আছে টাইগারদের। এক রেটিং বেড়েছে বাংলাদেশের।

ছয় রেটিং হারিয়ে নবম স্থানে নেমে গেছে শ্রীলংকা। তাদের সর্বমোট রেটিং ২২১। মূলত লংকানরা রেটিং হারানোয় অষ্টম স্থানে উঠেছে বাংলাদেশ।

টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ সাতটি স্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি। শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারত। ২৭৫ রেটিং নিয়ে শীর্ষে আছে টিম ইন্ডিয়া।

এরপর দ্বিতীয় থেকে সপ্তম স্থানে আছে যথাক্রমে- ইংল্যান্ড (২৬২ রেটিং), অস্ট্রেলিয়া (২৫৮ রেটিং), নিউজিল্যান্ড (২৪৭ রেটিং), দক্ষিণ আফ্রিকা (২৪৪ রেটিং), পাকিস্তান (২৪০ রেটিং) এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২৩৩ রেটিং)।

২২০ রেটিং নিয়ে আফগানিস্তান দশম, ২০২ রেটিং নিয়ে জিম্বাবুয়ে এগারতম ও ১৯৯ রেটিং পাওয়া আয়ারল্যান্ড আছে ১২তম স্থানে।

ছয় রেটিং বেড়ে যাওয়ায় দুই ধাপ এগিয়ে ১৩তম স্থানে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র।

গোপনে বিয়ে করলেন নায়িকা সুবাহ, পাত্র কে?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
গোপনে বিয়ে করলেন নায়িকা সুবাহ, পাত্র কে?

আলোচিত মডেল ও চিত্রনায়িকা হুমাইরা সুবাহ জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। সম্প্রতি তিনি চুপিসারে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ বিয়ের বিষয়টি এতদিন গোপন থাকলেও অবশেষে নিজেই তা প্রকাশ করলেন এই অভিনেত্রী।

সুবাহ জানান, বেশ কিছুদিন আগেই তাদের বিবাহ নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। ব্যক্তিগত ব্যস্ততা এবং নির্বাচনি কার্যক্রমে যুক্ত থাকার কারণে বিষয়টি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।

জানা গেছে, সুবাহর স্বামী পেশায় একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। পাশাপাশি তার পারিবারিক শিকড় ঢাকাতেই।

বিয়ে নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে অভিনেত্রী বলেন, শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে আয়োজন করে ধুমধাম করে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

ইতোমধ্যে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি শেয়ার করেছেন সুবাহ। সেই পোস্ট ঘিরে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের শুভেচ্ছায় ভরে উঠেছে মন্তব্যের ঘর।

নতুন এই পথচলায় তাদের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন বিনোদন অঙ্গনের সহকর্মীসহ ভক্তরা।