মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে সেরা দশে সাতক্ষীরার সাইমুল ইসলাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০৫ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে সেরা দশে সাতক্ষীরার সাইমুল ইসলাম

সংবাদদাতা: তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬ গত ১২ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর শেষ হয়েছে। প্রযুক্তি, ব্যবসা, শিক্ষা, ব্যবস্থাপনা, কৃষি, পরিবেশসহ বিভিন্ন খাতে দেশীয় উদ্ভাবন তুলে ধরার এ আয়োজনে এক হাজারেরও বেশি উদ্ভাবন প্রদর্শিত হয়।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৭৩টি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও উদ্ভাবক এ মেলায় অংশগ্রহণ করেন। স্থানীয় উদ্ভাবনকে নীতি-সহায়তা, শিল্প, বিনিয়োগ ও বাজারের সুযোগের সঙ্গে সংযুক্ত করার লক্ষ্যেই এ মেলার আয়োজন করা হয়।

সারা দেশ থেকে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্পের মধ্য থেকে সেরা ১০টি প্রকল্প নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচিত প্রতিটি প্রকল্পকে যাতায়াত খরচ বাবদ ১০ হাজার টাকা এবং পুরস্কার হিসেবে এক লাখ টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে।

এই সেরা দশের তালিকায় পঞ্চম স্থান অর্জন করেছে সাতক্ষীরার কৃতী সন্তান মো. সাইমুল ইসলামের উদ্ভাবনী প্রকল্প। সাইমুল ইসলাম সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া সরকারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি লাবসা ইমাদুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলামের জ্যেষ্ঠ সন্তান। বর্তমানে সাইমুল ঢাকার একটি ইংলিশ মিডিয়ামে এ-লেভেলে অধ্যয়নরত।

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের উদ্ভাবকদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে সেরা দশে জায়গা করে নেওয়া এবং পঞ্চম স্থান অর্জন করায় সাইমুলের পরিবার ও সাতক্ষীরার মানুষের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে।

সাইমুল ইসলামের এই সাফল্যে তার অভিভাবকবৃন্দ সাতক্ষীরাবাসীর কাছে তার জন্য দোয়া ও শুভকামনা চেয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, সাইমুল ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে উদ্ভাবনী কাজের মাধ্যমে দেশ ও সাতক্ষীরার জন্য সম্মান বয়ে আনবে।

Ads small one

ডোরাকাটা মাল্টা ছাদ বাগান বা টবে চাষ করার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
ডোরাকাটা মাল্টা ছাদ বাগান বা টবে চাষ করার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): ডোরাকাটা মাল্টা হলো থাইল্যান্ডের একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং চমৎকার লেবুজাতীয় ফল। যা মূলত ভেরিগেটেড মাল্টা বা রঙিন মাল্টা নামে পরিচিত। এর বাহ্যিক রূপ এবং চমৎকার স্বাদের কারণে এটি বর্তমানে সৌখিন বাগানীদের ছাদবাগান এবং বাণিজ্যিক চাষে ব্যাপক সাড়া ফেলছে।

ডোরাকাটা মালটা হলো মালটার একটি আকর্ষণীয় ও নতুন জাত। এর কাঁচা অবস্থায় গায়ে সবুজ ও সাদার ডোরাকাটা দাগ থাকে এবং পাকা অবস্থায় হলুদ ও হালকা হলুদ ডোরা দেখা যায়। এর পাতা ও ফল উভয়ই দেখতে খুব সুন্দর হওয়ায় এটি শৌখিন ও ছাদবাগানে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

 

ডোরাকাটা মাল্টা ফলের ত্বকে সবুজ এবং হলুদের চমৎকার ডোরাকাটা বা জেব্রা প্রিন্টের মতো দাগ থাকে। শুধু ফলই নয়, এই গাছের পাতাও সাধারণ মাল্টা গাছের মতো পুরো সবুজ হয় না, পাতাতেও সাদা-সবুজ বা হলুদ-সবুজের মিশ্রণ (ভেরিগেটেড) থাকে। এটি অত্যন্ত রসালো এবং মিষ্টি স্বাদের হয়ে থাকে। গাছটিতে ঝোপালো অবস্থায় প্রচুর পরিমাণে ফল ধরে।

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার হিতামপুর গ্রামে অবস্থিত রজনীগন্ধা নার্সারীর মালিক সুকনাথ পাল জানান, তার নার্সারীতে ডোরাকাটা মাল্টা, বারোমাসি আম, আমড়া, থাই পেয়ারা, জাম্বুরা, দার্জিলিং কমলা, মিষ্টি জলপাই, মিয়াজাকি আম, ব্যানানা ম্যাংগো, আপেল কুল, ছবেদা, কাঁঠাল, থাই ডালিম, ত্বিন, লাল পেয়ারা, কামরাঙা, মালবেরিসহ কয়েক ডজন দেশ-বিদেশি ফলের চাষ হচ্ছে।

ডোরাকাটা মাল্টা ড্রাম বা টবে ঘরের ছাদবাগানে যেমন সহজে চাষ করা যায়, তেমনি জমিতেও এর বাণিজ্যিক ফলন সম্ভব। চাষাবাদের সুবিধাএই জাতটি ছাদের সৌন্দর্য বর্ধনের পাশাপাশি পুষ্টির চাহিদা মেটাতে দারুণ ভূমিকা রাখে। সাধারণ মাল্টা গাছের মতোই এর পরিচর্যা করতে হয় এবং অল্প দিনের মধ্যেই গাছ থেকে ফল পাওয়া শুরু হয়।

থাইল্যান্ডের জাতটি দেখতে খুবই আকর্ষণীয় এবং ফলনও অনেক বেশি। বাজারে আমদানি করা সাধারণ মাল্টার চেয়ে ডোরাকাটা মাল্টা পাঁচ থেকে ছয় গুণ বড় হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মাল্টাটির ওজন এক কেজি ছাড়িয়ে যায়। সুস্বাদু ফলটি এ দেশে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা শুরু হয়েছে।
ছাদবাগানের জন্য হাফ ড্রাম বা বড় টবে এই গাছ খুব সহজে চাষ করা যায়। কলমের চারা হওয়ায় রোপণের প্রথম বছরের মধ্যেই গাছে ফুল ও ফল চলে আসে। গাছে ফল না থাকলেও এর সুন্দর পাতার ভ্যারিয়েশনের কারণে এটি ছাদবাগান বা বাড়ির আঙিনার সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

কয়রায় জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
কয়রায় জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: কয়রা উপজেলা জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের দলের ৩১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এক প্রস্তুতি সভা মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্টিত হয়।

 

কয়রা উপজেলা তরুণ দলের আহবায়ক হাসান গাজীর সভাপতিত্বে প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন বাবুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মুক্তিযোদ্ধা জিএম মাওলা বকস, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এমএ হাসান।

 

প্রধান বক্তা ছিলেন খুলনা জেলা তরুণ দলের সভাপতি এমএম আজিজুল হাকিম। বিশেষ বক্তা ছিলেন জেলা তরুণ দলের সাধারণ সম্পাদক মামুন গাজী। যুবনেতা আনোয়ার সাদাত কাজলের সঞ্চালনায় অনুষ্টানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা নাজমুল হুদা, এফএম মহরম হোসেন, যুবদলের সদস্য সচিব মোহতাসিম বিল্লাহ, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম, কয়রা উপজেলা কৃষকদলের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মোঃ ইব্রাহিম সান, কয়রা উপজেলা মৎস্যজীবি দলের সভাপতি আছির উদ্দিন, তরুণদলের সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জিএম তারেক আরাবী, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিছুর রহমান বকুল, রুপসা উপজেলা তরুণদলের সভাপতি খালিদ হোসেন লস্কর প্রমুখ।

 

সভাশেষ আব্দুল্যাহ সরদারকে আহবায়ক ও মোঃ আবু মুছা গাজীকে সদস্য সচিব করে মহারাজপুর ইউনিয়ন তরুণ দলের আহবায়ক কমিমিটি ঘোষনা করেন জেলা সভাপতি এমএম আজিজুল হাকিম।

সাতক্ষীরা কমিউনিটির নতুন কমিটি, সভাপতি উম্মে ফুয়ারা ও সম্পাদক জাহিদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা কমিউনিটির নতুন কমিটি, সভাপতি উম্মে ফুয়ারা ও সম্পাদক জাহিদ

সাতক্ষীরা কমিউনিটির ২০২৬-২৭ বর্ষের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে নতুন এই কমিটি গঠন করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে সাতক্ষীরা কমিউনিটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পরিচালক উম্মে ফুয়ারা রানি সভাপতি এবং মো. জাহিদ হাসান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

কমিটির সহসভাপতি (পরিকল্পনা ও কৌশল) হয়েছেন সালাউদ্দীন সাবাদ এবং সহসভাপতি (কার্যক্রম ও মাঠপরিচালনা) তাসকিন আহমেদ রিপন। সহসাধারণ সম্পাদক ফারহিয়া ইয়াসমিন কেয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাকিব মল্লিক এবং সহযুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান।

সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হুরাইরা, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. আসাদুর রহমান, সমাজকল্যাণ ও মানবিক কার্যক্রম সম্পাদক মো. জাকির হোসেন এবং সহসমাজকল্যাণ ও মানবিক কার্যক্রম সম্পাদক এস এম ফয়সাল রুহানী দায়িত্ব পেয়েছেন।

এ ছাড়া পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা সম্পাদক শেখ অন্তর হোসাইন, সহপরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা সম্পাদক অলিউল্লাহ রাহমান, প্রচার ও যোগাযোগ সম্পাদক রাকিবুল হাসান, সহপ্রচার ও যোগাযোগ সম্পাদক এজাজ আহম্মাদ, মিডিয়া ও ডকুমেন্টেশন সম্পাদক রাতিম আহম্মেদ এবং কোষাধ্যক্ষ শাহিন ফরহাদ নির্বাচিত হয়েছেন।

সাতক্ষীরা কমিউনিটি গ্রুপে বর্তমানে ১ লাখ ৮০ হাজারের বেশি সদস্য রয়েছেন। ২০১৯ সাল থেকে প্ল্যাটফর্মটির সঙ্গে যুক্ত স্বেচ্ছাসেবকেরা সামাজিক সচেতনতা, মানবিক সহায়তা, পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগসহ ৫০টির বেশি কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।

সাতক্ষীরা কমিউনিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসব কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যেই নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটির মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবীদের সম্পৃক্ত করে সামাজিক সমস্যা, জনসচেতনতা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও মানবিক কার্যক্রমে পরিকল্পিতভাবে কাজ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি