শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে দশ জেলায় ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ণ
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে দশ জেলায় ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ন্যূনতম পাঁচ বছর বা তার বেশি শাস্তিযোগ্য অপরাধের মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তিতে ঢাকাসহ দেশের ১০ জেলায় ২২টি মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছে সরকার।বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আইন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৪৪ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এসব ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।

ঢাকা ও মহানগরে পাঁচ ট্রাইব্যুনাল

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা জেলায় একটি এবং ঢাকা মহানগরে চারটি ট্রাইব্যুনাল নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর-১-এর অধিক্ষেত্রে পল্লবী, কাফরুল, মিরপুর, শাহআলী, দারুসসালাম, রূপনগর, ভাসানটেক, তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, হাতিরঝিল, শেরে বাংলা নগর, রমনা ও শাহবাগ থানা এলাকা রাখা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর-২-এর অধিক্ষেত্রে কলাবাগান, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, নিউমার্কেট, আদাবর, কোতোয়ালি, বঙ্গাল, চকবাজার, লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর ও মোহাম্মদপুর থানা এলাকা রয়েছে। ঢাকা মহানগর-৩-এর অধিক্ষেত্রে মতিঝিল, শাহজাহানপুর, পল্টন, সবুজবাগ, খিলগাঁও, মুগদা, রামপুরা, ডেমরা, শ্যামপুর, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী এবং ওয়ারী থানা এলাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর-৪-এর অধিক্ষেত্রে উত্তরা পূর্ব, উত্তরা পশ্চিম, উত্তরা পশ্চিমাঞ্চল, দক্ষিণ খান, বিমানবন্দর, তুরাগ, বাড্ডা, গুলশান, বনানী, ভাটারা, ক্যান্টনমেন্ট ও খিলক্ষেত থানা এলাকা রাখা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে একাধিক ট্রাইব্যুনাল

নারায়ণগঞ্জে দুটি মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ-১-এর অধিক্ষেত্রে ফতুল্লা, সোনারগাঁও ও নারায়ণগঞ্জ সদর থানা এলাকা এবং নারায়ণগঞ্জ-২-এর অধিক্ষেত্রে সিদ্ধিরগঞ্জ, রূপগঞ্জ, আড়াইহাজার ও বন্দর থানা এলাকা রয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা এলাকার জন্য একটি ট্রাইব্যুনাল এবং চট্টগ্রাম মহানগরে তিনটি ট্রাইব্যুনাল নির্ধারণ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগর-১-এর অধিক্ষেত্রে চাঁদগাঁও, খুলশী, পাঁচলাইশ, বায়েজিদ বোস্তামী ও কর্ণফুলী থানা এলাকা; মহানগর-২-এর অধিক্ষেত্রে কোতোয়ালি, আকবর শাহ, চকবাজার, সদরঘাট ও পতেঙ্গা থানা এলাকা এবং মহানগর-৩-এর অধিক্ষেত্রে বাকলিয়া, পাহাড়তলী, হালিশহর, ডবলমুরিং বন্দর ও ইপিজেড থানা এলাকা রাখা হয়েছে।

কক্সবাজার ও কুমিল্লায় পাঁচ ট্রাইব্যুনাল

কক্সবাজারে তিনটি ট্রাইব্যুনাল নির্ধারণ করা হয়েছে। কক্সবাজার-১-এর অধিক্ষেত্রে টেকনাফ, কুতুবদিয়া ও মহেশখালী থানা এলাকা এবং কক্সবাজার-২-এর অধিক্ষেত্রে উখিয়া, সদর ও ঈদগাঁও থানা এলাকা রয়েছে। কক্সবাজার-৩-এর অধিক্ষেত্রে রামু, চকোরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী থানা এলাকা রাখা হয়েছে।

কুমিল্লায় দুটি ট্রাইব্যুনাল নির্ধারণ করা হয়েছে। কুমিল্লা-১-এর অধিক্ষেত্রে কোতোয়ালি, সদর দক্ষিণ, হোমনা, তিতাস, মেঘনা, লালমাই, বরুড়া, চান্দিনা ও দেবিদ্বার থানা এলাকা এবং কুমিল্লা-২-এর অধিক্ষেত্রে বুড়িচং, ব্রাহ্মণপাড়া, মুরাদনগর, বাঙ্গরা বাজার, দাউদকান্দি, চৌদ্দগ্রাম, লাকসাম, মনোহরগঞ্জ ও নাঙ্গলকোট থানা এলাকা রাখা হয়েছে।

আরও ছয় জেলায় ট্রাইব্যুনাল

প্রজ্ঞাপনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী, বগুড়া, দিনাজপুর ও যশোর জেলা এলাকার জন্যও পৃথক মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল নির্ধারণ করা হয়েছে। রাজশাহী মহানগর এলাকার জন্য রয়েছে পৃথক একটি ট্রাইব্যুনাল। ফলে ঢাকার বাইরে জেলা ও মহানগর মিলিয়ে এসব এলাকাতেও মাদকসংক্রান্ত মামলার বিচার নির্ধারিত ট্রাইব্যুনালের অধিক্ষেত্রে পরিচালিত হবে।

৬০ দিনের মধ্যে মামলা স্থানান্তর

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এটি জারির তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর অধীন পাঁচ বছর বা ততোধিক শাস্তিযোগ্য অপরাধের চলমান মামলাগুলো বর্তমান আদালত থেকে নবগঠিত মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালসমূহে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি মোতাবেক স্থানান্তর করা হবে। কোনও মামলা যে পর্যায়ে স্থানান্তরিত হবে, সেই পর্যায় থেকেই মামলাটির বিচারকার্য পরিচালিত হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ আলেকুর রহমান প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।

Ads small one

সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে খুবশিঘ্রই ভিসি নিয়োগ: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে খুবশিঘ্রই ভিসি নিয়োগ: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

পত্রদূত ডেস্ক: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সাতক্ষীরায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে আইনও প্রণয়ন করা হয়েছে। এখন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চলমান তৃতীয় অধিবেশনে সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মাদ আব্দুল খালেকের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। এখন ভিসি নিয়োগ দেওয়া হলে বিশ্ববিদ্যালয়টির একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হবে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জনশুমারী ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী সাতক্ষীরা জেলার জনসংখ্যা ২১ দশমিক ৯৭ লাখ এবং খানার সংখ্যা ৫ দশমিক ৬৭ লাখ। এই বিপুল জনসংখ্যান জন্য স্থানীয় পর্যায়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্ত ভিত্তিক উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্ঠি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সাতক্ষীরা একটি জলবায়ু ঝুকিপূর্ণ উপকূলীয় জেলা। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টি পূর্ণঙ্গভাবে চালু হলে বিজ্ঞান ও প্রকৌশলী, তথ্য প্রযুক্তি ও জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ, কৃষি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণা উদ্ভাবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠার সুযোগ রয়েছে। ব্যানবেইস এর তথ্যানুযায়ী সাতক্ষীরার তালা, কলারোয়া, শ্যামনগর ও আশাশুনি চারটি উপজেরায় আইসিটি ট্রেনিং এন্ড রিসোর্স সেন্টার ফর এডুকেশন স্থাপনের উদ্যোগ রয়েছে।

 

এছাড়াও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সাতক্ষীরা সাব রিজিউনাল সেন্টার এর অধীনে স্টাডি সেন্টার তালিভুক্ত রয়েছে। এসব তথ্য জেলার উচ্চ শিক্ষা, প্রযুক্ত নির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণে একটি বিদ্যমান ভিত্তি স্থাপন করেছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইনী ভিত্তি ইতোমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগ এখনো সম্পন্ন হয়নি। খুবশিঘ্রই ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করা যাবে।

্উল্লেখ্য, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগকবলিত সাতক্ষীরা জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি দীর্ঘদিনের। এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর জাতীয় সংসদে ‘সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৩’ পাস হয়।

শ্যামনগরের চকবার-গাইনবাড়ী সড়ক ভেঙে গেছে, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫০ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরের চকবার-গাইনবাড়ী সড়ক ভেঙে গেছে, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চকবার থেকে গাইনবাড়ী যাওয়ার একমাত্র সড়কটি ভেঙে চরম জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। ভারি বর্ষণের চাপে রাস্তাটি বর্তমানে পার্শ্ববর্তী ঘের ও খালের সঙ্গে প্রায় একাকার হয়ে গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবছরই বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটির বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে চলতি বছর পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে এই রাস্তাটি তিনবার ভেঙে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থী, বয়স্ক মানুষ, নারী এবং জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিবছর বর্ষার পর দায়সারা গোছের সাময়িক মেরামত করা হলেও কোনো টেকসই সমাধান করা হয় না। যে কারণে সামান্য বৃষ্টি বা পানির চাপে বারবার একই চিত্র ফিরে আসে। এই পরিস্থিতিতে যাতায়াতের বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন স্থানীয়রা। জরুরি ভিত্তিতে কেবল জোড়াতালি দিয়ে সংস্কার নয়, বরং স্থায়ীভাবে রাস্তাটি উঁচুকরণ ও সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

দ্রুত সরেজমিন পরিদর্শন করে চকবার–গাইনবাড়ী সড়কটি টেকসইভাবে সংস্কার এবং জনগণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

পাইকগাছায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী অনুষ্ঠান ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী অনুষ্ঠান ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পাইকগাছায় ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী অনুষ্ঠান উদযাপিত হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা কেন্দ্রীয় পূজা মন্দির সরল কালীবাড়িতে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ পাইকগাছা উপজেলা শাখার উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, খুলনা জেলা পরিষদ প্রশাসক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ পাইকগাছা শাখার আহবায়ক শ্রী প্রাণকৃষ্ণ দাশের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব শ্রী হিমাদ্রী শেখর দে ও সন্তোষ সরদার এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, বিএনপি সবসময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মের অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করার নীতিতে বিশ্বাসী। অতীতের মতো বিএনপি বর্তমানেও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবে। তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের কথা স্মরণ করে বলেন, সকল ধর্মের লোক ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একসাথে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে। দেশকে গড়তে হলে সকল সম্প্রদায়ের মানুষের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

 

সেজন্য সকল ধর্মের মানুষের সাথে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে। তিনি তাঁর নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ বহুগোত্রের অনেক বর্ণের, নানান সম্প্রদায় ও গোষ্ঠীর জনসাধারণের সমন্বয়ে গঠিত দেশ, এখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নামে কোন গোষ্ঠী নাই, আমরা সবাই বাংলাদেশী। তাই সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ খুলনা জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রী সাধন কুমার ভদ্র। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডাঃ মোঃ আব্দুল মজিদ, থানা অফিসার-ইন-চার্জ মোঃ আব্দুল আউয়াল, উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি শ্রী সমীরণ কুমার সাধু, জেলা শাখার সদস্য শ্রী অলোক মজুমদার।

অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুল আলম নান্নু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম এনামুল হক, পৌর বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব ইমদাদুল হক, পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ, আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. আব্দুস সত্তার, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল, বিএনপি নেতা সেলিম রেজা লাকি, মোস্তফা মোড়ল, রুহুল কুদ্দুস, শ্রী মৃত্যুঞ্জয় সরদার, জগদীশ দে, কৃষ্ণেন্দু দত্ত, মানবেন্দ্র মন্ডল, সুরঞ্জন চক্রবর্তী, রবীন্দ্র নাথ রায়, সন্তোষ কুমার সরকার, সুজিত কুমার মন্ডল, বাবুরাম মন্ডল, মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জিএম রাসেল ইসলাম, মমিনুর রহমান সাগর, ইয়ারুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

 

আলোচনা অনুষ্ঠানের শুরুতে শ্রীমতী রমা পাল গীতা পাঠ করেন। আলোচনা সভা শেষে পাইকগাছা সদরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।