মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

মুক্তমত: সাতক্ষীরার দৃষ্টিসীমা আটকে দিচ্ছে অবৈধ ব্যানার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩৯ অপরাহ্ণ
মুক্তমত: সাতক্ষীরার দৃষ্টিসীমা আটকে দিচ্ছে অবৈধ ব্যানার

প্রতীকী ছবি

গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎একটি জেলার সড়ক-মহাসড়কগুলোতে যাতায়াতকারী মানুষের সুবিধার্থে সরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা ও মাইলেজ বোর্ড স্থাপন করা হয়। কোন দিকে কোন উপজেলা, কোন সড়ক দিয়ে কোথায় যাওয়া যাবে কিংবা কোন স্থান কত কিলোমিটার দূরে, তা চালক ও পথচারীদের সহজে জানানোর জন্যই এই বোর্ডগুলো তৈরি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই সরকারি নির্দেশনাবোর্ডগুলোকে ঢেকে দিয়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের প্রচারণার ব্যানার বা বিজ্ঞাপন ঝুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

‎সম্প্রতি সাতক্ষীরার বেশ কিছু সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, মূল সরকারি মাইলেজ বোর্ডের ঠিক নিচেই বড় বড় ব্যানার ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে দূর থেকে আসা যানবাহন চালকদের মূল নির্দেশনা দেখতে চরম বেগ পেতে হচ্ছে। অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ মোড় বা দূরত্বের হিসাব দেখতে না পেয়ে চালকেরা বিভ্রান্ত হচ্ছেন, যা বড় ধরনের সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

 

সরকারি একটি স্থাপনা বা নির্দেশনামূলক বোর্ডের গায়ে বা ঠিক নিচে এভাবে বাণিজ্যিক বা ব্যক্তিগত ব্যানার লাগানো সম্পূর্ণ বেআইনি এবং চরম অসচেতনতার বহিঃপ্রকাশ। এটি কেবল সড়কের সৌন্দর্যই নষ্ট করছে না, বরং সরকারি সম্পত্তিরও অবমাননা করছে। নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের প্রচারণার জন্য নির্দিষ্ট বিলবোর্ড বা অনুমোদিত জায়গা ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও, সস্তা প্রচারের আশায় এই পন্থায় জনদুর্ভোগ তৈরি করা হচ্ছে। সাতক্ষীরার সাধারণ মানুষ মনে করছে, অতিসত্বর এই জেলাজুড়ে সড়কের নির্দেশনাবোর্ডগুলো থেকে সমস্ত অবৈধ ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন অপসারণ করা প্রয়োজন।

 

একই সাথে যারা সরকারি নির্দেশনাবোর্ড ঢেকে নিজেদের অ্যাড বা বিজ্ঞাপন প্রচার করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সড়ক যোগাযোগ নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ রাখতে জেলা প্রশাসন এবং সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের দ্রুত ও কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। লেখক: গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

Ads small one

কেশবপুর জবাই করা ছাগলের পেটে দুই বাচ্চা, কসাই উধাও

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
কেশবপুর জবাই করা ছাগলের পেটে দুই বাচ্চা, কসাই উধাও

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে জবাই করা ধাড়ী ছাগলের পেটে দুইটা বাচ্চা পাওয়া গেছে। কেউ দেখার আগে কসাই মতিয়ার রহমান বাচ্চা দুটো বালতির ভিতরে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করে। বাজারের লোকজন দেখতে পেয়ে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে।

 

অবস্থা বেগতিক দেখে কসাই মতিয়ার কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটেছে, কেশবপুর পৌরসভার গরু-ছাগল জবাই করার বাজারে মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোহাম্মদ আব্দুর রহমান শেখ, সাংবাদিক, পুলিশ, পৌরসভার সেনেটারি অফিসার, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা উপস্থিত হন।

 

তারা কসাই মতিয়ারকে না পেয়ে জবাই করা ছাগল ও বাচ্চা দুটি জব্দ করে মাটির তলে পুতে রাখার আদেশ দেন। সহকারী কমিশনার ভূমি কসাই মতিয়ারের লাইসেন্স বাতিল করার ঘোষণা দেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কেশবপুর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

শ্যামনগরে ৭১টি মন্ডপে শারদীয়া দুর্গোৎসব, রং দেওয়ার প্রস্ততি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে ৭১টি মন্ডপে শারদীয়া দুর্গোৎসব, রং দেওয়ার প্রস্ততি

রনজিৎ বর্মন, সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর): শ্যামনগর উপজেলায় ৭১টি মন্ডপে শারদীয়া দুর্গোৎসবের প্রস্ততি চলছে। মন্ডপে মন্ডপে চলছে প্রতিমা তৈরী শিল্পীদের ব্যস্ততা। বর্তমানে প্রতিমার গায়ে তুলির মাধ্যমে খড়ি মাটির কাজ চলমান রয়েছে। শিল্পীদের ভাষ্য অনুযায়ী আরও দু’একদিন পরই রং দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে।

বাংলাদেশ পুজা উদ্যাপন পরিষদ শ্যামনগর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এড.কৃষ্ণ পদ মন্ডল জানান, চলতি বছরে উপজেলার বারটি ইউনিয়নে ৭১টি মন্ডপে শারদীয়া দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছরের চেয়ে এবার দুর্গা পুজার মন্ডপ সংখ্যা বেড়েছে। গতবার মন্ডপ সংখ্যা ছিল ৭০টি। এবার নতুনভাবে পূজা হচ্ছে ৪টি মন্ডপে। আর গতবারে অনুষ্টিত পূজা মন্ডপ থেকে ৩টি কমে গেছে বলে জানান সাধারণ সম্পাদক ।

শারদীয়া দুর্গোৎসব উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন মন্ডপে আকর্ষণীয় করার লক্ষে বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে মন্ডপ গুলোতে। যেমন উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া রাস মন্দির প্রাঙ্গনে কর্নফুলী ট্যানেলের অনুরুপ ট্যানেলের মধ্য দিয়ে শিবদূতী মহামায়া দেবী দুর্গা প্রতিমা দর্শন, হরিনগর বাজার সার্বজনীন দুর্গা মন্ডপে আকর্ষণ ডিজিটাল লাইটিং ও ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তি দ্বারা সমৃদ্ধ সজ্জা, সোনাখালী ভৈরবনগর সার্বজনীন দুর্গাপূজা মন্ডপে থাকছে আধুনিক আলোকসজ্জা সহ চলন্ত প্রতিমা। এছাড়া বিভিন্ন মন্ডপে ধর্মীয় আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সম্পাদক আরও বলেন, উপজেলার বৃহৎ মন্ডপগুলি হল নকিপুর হরিতলা সার্বজনীন দুর্গা পূজা মন্ডপ, আড়পাঙ্গাশিয়া রাস মন্দির দুর্গা পূজা মন্ডপ, হরিনগর বাজার দুর্গা পূজা মন্ডপ, মধ্য কুলতলী দুর্গা পূজা মন্ডপ, নওয়াবেঁকী দুর্গা পূজা মন্ডপ, কুপট বৈদ্য বাড়ী ও মন্দিরঘাট দুর্গা পূজা মন্ডপ, ধূমঘাট শীলতলা দুর্গা পূজা মন্ডপ, ভেটখালী দক্ষিণপাড়া দুর্গা পূজা মন্ডপ।

এদিকে দুর্গা পূজা মন্ডপগুলোতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার কথা বলা হয়েছে এখন থেকেই। প্রত্যেক মন্ডপ গুলিতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, বিকল্প বিদ্যুৎ জেনারেটর ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক রাখাসহ অন্যান্য ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে।
জানা যায় এবার দুর্গা পূজার সময়সূচী অনুযায়ী আগামী ১৬ অক্টোবর শুক্রবার দুর্গা দেবীর বোধন, পূজা আরম্ভ এবং ২১ অক্টোবর বুধবার দশমী পূজা ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয়া দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বিশেষ করে হিন্দুধর্মালম্বীদের পরিবারে সাজ সাজ রব পড়ে গেছে। বাজারে পোষাকের দোকানগুলোতে নতুন পোষাক ক্রয় বিক্রয়ের ভীড়ও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে চলছে দুর্গোৎসবের প্রস্ততি।

 

দক্ষিণ কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম ও খাতা বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
দক্ষিণ কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম ও খাতা বিতরণ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার দক্ষিণ কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর মধ্যে নতুন স্কুল ইউনিফর্ম ও হাতের লেখার খাতা বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানজিদা শাহনাজের উদ্যোগে এবং অধ্যাপক ডা. মো. মেহেদী নেওয়াজের অর্থায়নে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইউনিফর্ম ও হাতের লেখার খাতা বিতরণ করা হয়। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের হাতে ইউনিফর্ম ও খাতা তুলে দেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. রুহুল আমীন বলেন, বিদ্যালয় শুধু পাঠ গ্রহণের জায়গা নয়, শিশুদের সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠারও জায়গা।

 

শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলতে বিদ্যালয়ের পরিবেশের পাশাপাশি শিক্ষক, অভিভাবক ও সমাজের মানুষের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলে তারা বিদ্যালয়ে আসা ও পড়াশোনার প্রতি আরও উৎসাহিত হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসা, মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করা, শিক্ষকদের কথা মেনে চলা এবং ভালো মানুষ হওয়ার জন্য চেষ্টা করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, মফিজুল ইসলাম ও প্রবীর ম-ল এবং এসএমসি সহসভাপতি আকবর হোসেন লস্কর।

 

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের সহায়তায় অধ্যাপক ডা. মো. মেহেদী নেওয়াজ এর আগেও বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ইউনিফর্ম, পড়ার টেবিল, মিড ডে মিল ও খাদ্যসামগ্রী দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিবেশ উন্নত করা এবং দৈনন্দিন প্রয়োজনের ক্ষেত্রে সহায়তা করাই এসব উদ্যোগের উদ্দেশ্য বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শামসুন্নাহার, হাফিজা খাতুন, ফারজানা বানু, জামিলা খাতুন ও সাবিরা আক্তারসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।