বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

মুক্তমত: সাতক্ষীরার সার্বিক উন্নয়ন ও সম্ভাবনা: দরকার সমন্বিত অবকাঠামোগত পরিকল্পনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ণ
মুক্তমত: সাতক্ষীরার সার্বিক উন্নয়ন ও সম্ভাবনা: দরকার সমন্বিত অবকাঠামোগত পরিকল্পনা

মো. মাসুদ রানা

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় উপকূলীয় সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরা জাতীয় অর্থনীতিতে অনন্য অবদান রেখে চলেছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, পর্যটন ও মৎস্য সম্পদের বড় কেন্দ্র হওয়া সত্ত্বেও সমন্বিত ও টেকসই অবকাঠামোর অভাবে জেলাটির পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক সম্ভাবনা উন্মোচিত হতে পারছে না। টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির স্বার্থেই দ্রুত যোগাযোগের আধুনিকায়ন, শিল্প-বাণিজ্যের প্রসার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্য খাতের মানোন্নয়ন এখন সময়ের দাবি।

ভোমরা স্থলবন্দরের আধুনিকায়ন: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সঙ্গে বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ ভোমরা স্থলবন্দর। বাণিজ্য সহজ করতে এখানে অটোমেটেড ক্লিয়ারেন্স সিস্টেম ও ডিজিটালাইজড ট্র্যাকিং চালুর পাশাপাশি পর্যাপ্ত শেড ও গুদাম নির্মাণ জরুরি। এতে খোলা আকাশের নিচে পচনশীল পণ্য নষ্ট হওয়া রোধ করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক যাত্রীদের জন্য আধুনিক টার্মিনাল ভবন এবং ভারী যানবাহন শহরের বাইরে চলাচলের সুবিধার্থে একটি ডেডিকেটেড ‘বাইপাস সড়ক’ নির্মাণ করা প্রয়োজন।

রেললাইন ও চার লেন মহাসড়ক: জেলাটির বড় সীমাবদ্ধতা হলো আধুনিক রেল সংযোগ না থাকা। যশোর বা খুলনা থেকে সাতক্ষীরা হয়ে ভোমরা স্থলবন্দর পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারিত হলে ভারতীয় কাঁচামাল ও স্থানীয় চিংড়িসহ বিভিন্ন পণ্য কম খরচে সারা দেশে পরিবহন করা যাবে। পাশাপাশি আঞ্চলিক যাতায়াত নির্বিঘœ করতে যশোর-সাতক্ষীরা ও খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করা আবশ্যক।

সুন্দরবন সুরক্ষা ও টেকসই টেকসই বেড়িবাঁধ: সাতক্ষীরা সুন্দরবনের অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও নদীভাঙন থেকে উপকূলবাসীকে বাঁচাতে স্থায়ী ও টেকসই সি-ওয়াল (ঝবধ-ধিষষ) বা দুর্যোগ-সহনশীল বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা দরকার। একই সঙ্গে প্লাস্টিক দূষণ রোধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিয়ে শ্যামনগরকেন্দ্রিক পরিবেশবান্ধব ইকো-ট্যুরিজম গড়ে তোলা যেতে পারে।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের সংকট নিরসন: উপকূলীয় অঞ্চলের জরাজীর্ণ বিদ্যালয় ভবনগুলো সংস্কার করে সেগুলোকে সাইক্লোন শেল্টার হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী নকশায় নির্মাণ করা প্রয়োজন। তরুণদের দক্ষ করে তুলতে টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের প্রসার জরুরি। স্বাস্থ্য খাতে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ ও জরুরি বিভাগে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বৃদ্ধির পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকায় মেগা রিভার্স অসমোসিস ওয়াটার প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে সুপেয় পানির সংকট নিরসনে দ্রুত মেগা প্রকল্প নেওয়া প্রয়োজন।

ভৌগোলিক ও কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় এসব অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পে জরুরি বাজেট বরাদ্দ দেওয়া গেলে সাতক্ষীরা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তিতে পরিণত হবে। লেখক: শিক্ষার্থী এমএসসি (পদার্থবিজ্ঞান), সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ

 

Ads small one

শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী ও বিশ্ব শিশু সপ্তাহের নানান কর্মসূচি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী ও বিশ্ব শিশু সপ্তাহের নানান কর্মসূচি

‘শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি (সুবর্ণজয়ন্তী), শিশু অধিকার দিবস এবং বিশ্ব শিশু সপ্তাহ ২০২৬ পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে আগামী ৬ থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত খুলনা জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি যৌথভাবে জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ৬ অক্টোবর সকাল ৯টায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ঢাকা থেকে একযোগে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে দেশব্যাপী এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষ থেকে সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও শিশুরা এতে অংশ নেবে।

পরদিন ৭ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে খুলনা শিশু একাডেমিতে শিশুতোষ সাধারণ নৃত্য, দেশাত্মবোধকসংগীত ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এতে পথশিশু, শ্রমজীবী শিশু, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুসহ প্রথম থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ক ও খ গ্রুপে সরাসরি অংশ নিতে পারবে। ৮ অক্টোবর সকাল ১১টায় আলোচনা সভা, বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটবে। তথ্যবিবরণী

খুলনায় পরিবেশ সুরক্ষায় ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
খুলনায় পরিবেশ সুরক্ষায় ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আলোচনা সভা

পরিবেশ ও প্রকৃতি সুরক্ষা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের ভূমিকা শীর্ষক এক আলোচনা সভা খুলনা পাবলিক কলেজের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুন।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সমাজের প্রতিটি স্তরে মাদকের বিস্তার রোধে জোরালো সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। বিশেষ করে পরিবার থেকে সচেতনতা শুরু করা এবং সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া, খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদনের সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা সামলাতে সরকারের পরিবেশ রক্ষাবিষয়ক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সবাইকে অংশ নেওয়ার তাগিদ দেন।
খুলনা পাবলিক কলেজের অধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীর আব্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ মহীউদ্দিন মজুমদার, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো: আহসানুর রহমান ও কেএমপির উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর) সুদর্শন কুমার রায়। অনুষ্ঠানে মূল আলোচক ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ এবং সঞ্চালনা করেন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক আইনজীবী শেখ অলিউল ইসলাম। তথ্যবিবরণী

সাতক্ষীরায় নতুন কর্মজীবনের পথে ১৯০ সহকারী শিক্ষক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নতুন কর্মজীবনের পথে ১৯০ সহকারী শিক্ষক

 

সংবাদদাতা: হাতে নিয়োগপত্র, চোখে নতুন স্বপ্ন-শিশুদের আলোকিত ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সাতক্ষীরায় কর্মজীবন শুরু করলেন ১৯০ জন নবনিযুক্ত সহকারী শিক্ষক। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে যোগদানপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন তাঁরা। নতুন কর্মজীবনে প্রবেশের দিনটি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে ছিল আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের। যোগদান শেষে বিভিন্ন উপজেলার নবনিযুক্ত শিক্ষকরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী, নবনিযুক্ত শিক্ষকদের উপজেলা পর্যায়ে ৪ থেকে ৮ অক্টোবর ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হবে। ১১ অক্টোবর তাঁদের বিদ্যালয়ে পদায়নের আদেশ দেওয়া হবে। পরদিন ১২ অক্টোবর তাঁরা নিজ নিজ বিদ্যালয়ে যোগদান করবেন। নতুন শিক্ষকদের যোগদানের মধ্য দিয়ে জেলার প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্ত হলো ১৯০ জন নতুন শিক্ষক। তাঁদের হাত ধরেই বিদ্যালয়গুলোতে শিশুদের পাঠদান ও ভবিষ্যৎ গড়ার নতুন অধ্যায় শুরু হবে।