শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

রাত পোহালেই ঈদুল আজহা: কোরবানি উপলক্ষে সাতক্ষীরায় চুইঝালের কদর বেড়েছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
রাত পোহালেই ঈদুল আজহা: কোরবানি উপলক্ষে সাতক্ষীরায় চুইঝালের কদর বেড়েছে

আসাদুজ্জামান সরদার: রাত পোহালেই মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। আর কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে সাতক্ষীরাসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে মাংসের স্বাদ বাড়াতে অপরিহার্য উপাদান ‘চুইঝাল’ কেনার ধুম পড়েছে।

ঈদুল আজহার পশু কোরবানির পর চুইঝাল ছাড়া মাংসের রান্নাই যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায় এ অঞ্চলের ভোজনরসিকদের কাছে। ফলে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরার বাজারগুলোতে এই বিশেষ মসলাজাতীয় উদ্ভিদের কদর ও চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। চাহিদা বাড়ার এই সুযোগে খুচরা ও পাইকারি বাজারে চুইঝালের দামও বেশ চড়া।

খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট অঞ্চলে চুইঝালের ঐতিহাসিক জনপ্রিয়তা থাকলেও বর্তমানে দেশের অন্যান্য জেলাতেও ঝাল ও সুগন্ধি হিসেবে এর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।

ঈদের আগে সাতক্ষীরা শহরের ঐতিহ্যবাহী বড় বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ছোট-বড় ও মাঝারি বিভিন্ন আকারের চুইঝালের পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। কোরবানির মাংসের স্বাদ ও সুঘ্রাণ দ্বিগুণ করতে দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। সাধারণ সময়ে বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি চুইঝাল ৪০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হলেও, এখন আকার ও মান অনুযায়ী তা ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

শহরের রাজার বাগান এলাকা থেকে বড় বাজারে আসা মেহেরুন্নেসা নামে এক ক্রেতা বলেন, আমার পরিবারের সবাই চুইঝাল খুবই পছন্দ করে। শুধু গরুর মাংসই না-সব ধরনের মাংস, বড় মাছ ও অন্যান্য মুখরোচক খাবারে আমরা চুইঝাল খাই। তবে কোরবানির ঈদে গরুর মাংসের সাথে চুইঝাল না হলে একদমই চলে না। আগামীকাল ঈদ, তাই চুইঝাল কিনতে এসেছি। ঈদ উপলক্ষে দাম কিছুটা বেশি হলেও মাংসের স্বাদ পেতে চুইঝাল আমাদের লাগবেই। কারণ ঈদের দিন অতিথিদের চুইঝাল দিয়ে রান্না করা মাংস পরিবেশন করা এ অঞ্চলের একটি রেওয়াজ।”

 

বাজার করতে আসা শহরের মুনজিতপুর এলাকার চাকরিজীবী শরিফুল ইসলাম বলেন, “বছরের অন্য সময়ের তুলনায় ঈদের আগে চুইঝালের দাম কেজিতে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন পাইকারি বাজারে দাম বেশি, তাই আমাদেরও বাধ্য হয়ে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। দাম যতই বাড়ুক, কোরবানি ঈদের মাংসে চুইঝালের স্বাদ না থাকলে ঈদের রান্নার তৃপ্তিই আসে না।

বড় বাজার মসজিদের সামনের চুইঝাল বিক্রেতা সাইদুল ইসলাম বলেন, মাংসে চুইঝাল দিলে রান্নায় অন্যরকম একটা অতুলনীয় স্বাদ ও সুঘ্রাণ আসে। এ কারণে ঈদের আগের এই কয়েকদিন বেচা-বিক্রি অনেক ভালো হচ্ছে। আমরা সাতক্ষীরা সদর, তালা, দেবহাটা, কালিগঞ্জসহ জেলার বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকা থেকে গাছ ও চুইঝাল সংগ্রহ করি। আবার অনেক সময় পাইকারি ব্যবসায়ীরাও বাজারে আমাদের দিয়ে যান। শহরের বেশ কয়েকটি হোটেল চুইঝালের মাংসের জন্য বিখ্যাত হওয়ায় সারা বছরই এর ভালো চাহিদা থাকে, তবে কোরবানির উৎসবে বিক্রি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এবার পাইকারি বাজারে চড়া দাম হওয়ায় আমাদেরও কিছুটা বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

আসাদুল ইসলাম নামে অন্য এক চুইঝাল বিক্রেতা বলেন, কোরবানি উপলক্ষে বাজারে আকস্মিক চাহিদা বাড়ায় পাইকারি ব্যবসায়ীরা চুইঝালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। যে চিকন চুইঝাল আগে আমরা ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায় এবং কিছুটা মোটা ও ভালো মানের চুইঝাল ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করতাম, তা এখন পাইকারি দরেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। ফলে বর্তমানে চুইঝালের সাইজ ও পরিপক্বতা অনুযায়ী কেজি প্রতি ৮০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে হচ্ছে।”

সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছর কোরবানির ঈদ এলেই এ অঞ্চলে চুইঝালের কদর ও বাণিজ্যিক চাহিদা ব্যাপক হারে বেড়ে যায়। চলতি মৌসুমে জেলায় মোট ২৩ হেক্টর জমিতে চুইঝালের আবাদ হয়েছে। বর্তমানে সাতক্ষীরা সদর, তালা এবং কলারোয়া উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে এর চাষ হচ্ছে। এছাড়া জেলার বাকি উপজেলাগুলোতে গ্রামীণ পর্যায়ে বাড়ির আনাচে-কানাচে ও বিভিন্ন গাছে গাছে চুইঝাল লাগানো হয়। এটি চাষে আলাদা কোনো জমির প্রয়োজন হয় না; যেকোনো বড় আম, মেহগনি বা জিওল গাছে এটি আরোহী লতা হিসেবে বেড়ে ওঠে। অনেকেই এখন বাণিজ্যিকভাবে ও শখের বশে চুইঝাল চাষ করে সংসারে বাড়তি আয় করছেন।

Ads small one

বর্ণান্ধতা সচেতনতা দিবস: রঙিন পৃথিবীÑসবার চোখে রঙ এক নয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
বর্ণান্ধতা সচেতনতা দিবস: রঙিন পৃথিবীÑসবার চোখে রঙ এক নয়

সাকিবুর রহমান বাবলা

প্রতি বছর ৬ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বর্ণান্ধতা সচেতনতা দিবস। রঙ দেখার সক্ষমতার ভিন্নতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, আক্রান্ত ব্যক্তিদের দৈনন্দিন জীবনের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা এবং শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিতে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই দিবসটি পালিত হয়। দিনটি বেছে নেওয়ার পেছনে রয়েছে একটি বিশেষ ঐতিহাসিক তাৎপর্য। ১৭৬৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন বিখ্যাত ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জন ডাল্টন, যিনি নিজেও বর্ণান্ধ ছিলেন এবং এ বিষয়ে প্রথম পদ্ধতিগত বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালনা করেন। তাঁর নামানুসারেই একসময় বর্ণান্ধতাকে ‘ডাল্টনিজম’ বলা হতো।

বিশ্বজুড়ে প্রায় ৩৫ কোটি মানুষ কোনো না কোনো ধরনের বর্ণদৃষ্টি সমস্যায় ভুগছেন। অথচ এখনও অনেকের কাছে বর্ণান্ধতা সম্পর্কে ভুল ধারণা বিদ্যমান। অনেকে মনে করেন, বর্ণান্ধ ব্যক্তি পৃথিবীকে সাদা-কালো রঙে দেখেন। বাস্তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা নির্দিষ্ট কিছু রঙের পার্থক্য নির্ণয়ে সমস্যার সম্মুখীন হন। বিশেষ করে লাল ও সবুজ রঙের মধ্যে পার্থক্য করতে না পারা সবচেয়ে সাধারণ ধরনের বর্ণান্ধতা।

মানুষের চোখের রেটিনায় অবস্থিত বিশেষ আলোকসংবেদনশীল কোষ, যাকে ‘কোন কোষ’ বলা হয়, বিভিন্ন রঙ শনাক্ত করতে সাহায্য করে। সাধারণত লাল, সবুজ ও নীল রঙ শনাক্ত করার জন্য তিন ধরনের কোন কোষ থাকে। এসব কোষের কোনো একটি বা একাধিকের ত্রুটি কিংবা অনুপস্থিতির কারণে বর্ণদৃষ্টি সমস্যার সৃষ্টি হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি বংশগত কারণে ঘটে এবং এক্স ক্রোমোজোমের মাধ্যমে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণেই নারীদের তুলনায় পুরুষদের মধ্যে বর্ণান্ধতার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

বর্ণান্ধতার বিভিন্ন ধরন রয়েছে। সবচেয়ে বেশি দেখা যায় লাল-সবুজ বর্ণান্ধতা, যেখানে আক্রান্ত ব্যক্তি লাল ও সবুজের বিভিন্ন শেড সহজে আলাদা করতে পারেন না। অপেক্ষাকৃত কম দেখা যায় নীল-হলুদ বর্ণান্ধতা, যেখানে নীল ও হলুদ রঙের পার্থক্য বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। আর অত্যন্ত বিরল ক্ষেত্রে দেখা যায় সম্পূর্ণ বর্ণান্ধতা, যেখানে ব্যক্তি প্রায় সব রঙকেই ধূসর বা রঙহীনভাবে দেখতে পারেন।

এই সমস্যা অনেক সময় শৈশবেই শুরু হলেও দীর্ঘদিন অচিহ্নিত থেকে যায়। অনেক শিশু স্কুলে গিয়ে প্রথম সমস্যার মুখোমুখি হয়। রঙিন চার্ট, মানচিত্র, শিক্ষাসামগ্রী কিংবা বোর্ডে ব্যবহৃত রঙভিত্তিক নির্দেশনা বুঝতে তাদের অসুবিধা হয়। ফলে তাদের শেখার প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। অনেক সময় শিক্ষক বা অভিভাবকরা এটিকে মনোযোগের অভাব বা দুর্বলতা বলে ভুল বোঝেন। অথচ সময়মতো শনাক্ত করা গেলে শিশুর শিক্ষাজীবনকে অনেক বেশি সহজ ও কার্যকর করা সম্ভব।

আধুনিক সমাজে রঙের ব্যবহার এতটাই ব্যাপক যে বর্ণান্ধ ব্যক্তিরা নানা ক্ষেত্রে অদৃশ্য প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হন। ট্রাফিক সিগন্যাল, মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট, চিকিৎসা নির্দেশিকা, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, মানচিত্র কিংবা তথ্যচিত্রÑসবখানেই রঙ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শুধুমাত্র রঙের ওপর নির্ভরশীল তথ্য উপস্থাপন বর্ণান্ধ ব্যক্তিদের জন্য বিভ্রান্তিকর হতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা রঙের পাশাপাশি প্রতীক, লেখা, প্যাটার্ন বা চিহ্ন ব্যবহারের পরামর্শ দেন, যাতে সবাই সমানভাবে তথ্য বুঝতে পারেন।

বর্ণান্ধতা শনাক্ত করার জন্য বর্তমানে বিভিন্ন কার্যকর পরীক্ষা রয়েছে। এর মধ্যে ইশিহারা টেস্ট সবচেয়ে পরিচিত ও বহুল ব্যবহৃত। রঙিন বিন্দুর সমন্বয়ে তৈরি বিশেষ প্লেটের মাধ্যমে একজন ব্যক্তির রঙ পার্থক্য করার সক্ষমতা মূল্যায়ন করা হয়। এছাড়া অ্যানোমালোস্কোপ ও বিভিন্ন রঙ-সাজানোর পরীক্ষাও ব্যবহৃত হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ ব্যক্তি ও পরিবারকে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে।

জন্মগত বর্ণান্ধতার স্থায়ী চিকিৎসা এখনও আবিষ্কৃত না হলেও প্রযুক্তিগত সহায়তা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এনেছে। বিশেষ ধরনের কালার-করেক্টিং চশমা, কন্টাক্ট লেন্স এবং স্মার্টফোন অ্যাপ রঙের পার্থক্য শনাক্ত করতে সহায়তা করছে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রযুক্তি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নকশা ব্যবস্থার উন্নয়ন বর্ণান্ধ ব্যক্তিদের জীবনকে আরও সহজ করে তুলছে।

কর্মজীবনেও বর্ণান্ধতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিমান চালনা, রেল পরিচালনা, সামরিক বাহিনী কিংবা কিছু নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট পেশায় নির্ভুল রঙ শনাক্ত করার সক্ষমতা প্রয়োজন হয়। ফলে অনেক ক্ষেত্রে পেশা নির্বাচনের সময় বর্ণদৃষ্টি পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়। তবে এটি মনে রাখা জরুরি যে বর্ণান্ধতা কোনো অক্ষমতা নয়; বরং এটি দৃষ্টির একটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্য। সঠিক দিকনির্দেশনা, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি থাকলে বর্ণান্ধ ব্যক্তিরাও সমাজের সব ক্ষেত্রে সফলভাবে অবদান রাখতে পারেন।

বর্ণান্ধতা সচেতনতা দিবস আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়Ñসব মানুষ পৃথিবীকে একইভাবে দেখে না। রঙ দেখার ভিন্নতাকে সীমাবদ্ধতা হিসেবে নয়, বরং মানব বৈচিত্র্যের অংশ হিসেবে গ্রহণ করাই একটি আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের পরিচয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র, প্রযুক্তি উন্নয়নকারী প্রতিষ্ঠান এবং নীতিনির্ধারকদের সম্মিলিত উদ্যোগই পারে এমন একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে, যেখানে কোনো মানুষ কেবল রঙ দেখার ভিন্নতার কারণে পিছিয়ে থাকবে না। সচেতনতা, সহমর্মিতা এবং অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমেই গড়ে উঠতে পারে সবার জন্য সমান সুযোগের একটি রঙিন পৃথিবী।

শ্যামনগর প্রেসক্লাবে সভাপতি সামিউল মনির ও সম্পাদক লিটন নির্বাচিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর প্রেসক্লাবে সভাপতি সামিউল মনির ও সম্পাদক লিটন নির্বাচিত

সংবাদদাতা: শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের ২০২৬ এর দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টা হতে দুপুর ২ টা পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ভোটাররা ভোটাধিকার প্রয়োগ করে।

 

প্রেসক্লাবের ৪৬ জন ভোটার স্বচ্ছভাবে ভোট প্রদান করেছেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এ দুটি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অন্যান্য পদগুলিতে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। সভাপতি পদে সামিউল আযম মনির ও মোস্তফা কামাল এবং সাধারণ সম্পাদক পদে আনিছুজ্জামান সুমন ও আসাদুজ্জামান লিটন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

 

সামিউল আযম মনির ৩৩ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মোস্তফা কামাল পেয়েছেন ১২ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে আসাদুজ্জামান লিটন ২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আনিছুজ্জামান সুমান পেয়েছেন ১৮ ভোট।

দেবহাটায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৪ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

দীপঙ্কর বিশ্বাস: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দেবহাটায় উপজেলা বিএনপির আয়োজনে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪ টায় পারুলিয়া বাসস্টান্ড থেকে নেতা কর্মীর উপস্থিতিতে বিশাল র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পারুলিয়া বাসস্টান্ডে এসে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সমাবেশে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে ও পারুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসান সরাফি ও সখিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন বকুলের সঞ্চলনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব আব্দুর রউফ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোখলেছুর রহমান মুকুল।

 

উপস্থিত ছিলেন পারুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম সানা, সখিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এবাদুল ইসলাম, দেবহাটা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুম বিল্লাহ, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুম বিল্লাহ, কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলওয়ার হোসেন বাবলু, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রাজিব হোসেন রাজু, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা রেজাউল ইসলাম, দেবহাটা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মন্টু, পারুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু, কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তুহিন হোসেন, সখিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিল হোসেন, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ, দেবহাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আব্দুল মতিন বকুল, দেবহাটা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামরুজ্জামান কামরুল, সদস্য সচিব মেহেদী হাসান সবুজ, দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ফিরোজ হোসেন তুহিন, উপজেলা তাঁতিদলের আহবায়ক হিরন কুমার মন্ডল, সদস্য সচিব লিয়ন হোসেন আবির, শ্রমিক দলের সাবেক আহবায়ক বিকাশ চন্দ্র দাশ, সদস্য সচিব আসাদুল ইসলাম, কৃষক দলের আহবায়ক শফিকুল ইসলাম, দলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা মৎস্যজীবি দলের সভাপতি মোনাজাত আলী, সাধারণ সম্পাদক সফায়েত হোসেন বাচ্চু, দেবহাটা উপজেলা জাসাসের আহবায়ক মনিরুজ্জামান মনি, উপজেলা জিয়া পরিষদের আহবায়ক ইয়াছিন আলী, উপজেলা মহিলা দলের নেত্রী বিউটি পারভীন, সরকারি খান বাহদুর আহছানউল্লা কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেন, দেবহাটা কলেজ ছাত্র দলের সভাপতি হযরত আলী টিপু প্রমুখ।