শূন্য থেকে সূচনা
জহুরুল হক
শূন্য ভেসে আসে ঝড়ের আগে
নীরবতার ভেতর শক্তি জমে,
পাথরের তলে ফাটে অদৃশ্য রেখা।
মাটি কাঁপে, কিন্তু কিছু ভাঙে না।
পদচিহ্ন আঁকা হয় একাকী হাতে,
দিগন্ত অপেক্ষা করে না, শুধু ছায়া থাকে।
রাত জানে নিঃশ্বাসের গভীরতা,
দিন মনে রাখে অচেনা চিহ্ন।
একাকীত্ব গড়ে তোলে অদৃশ্য পথ,
ভয় নেই, হাল এখন ছাড়ার সময় নয়।
অস্থিরতা জ্বলে, নতুন রেখা তৈরি করে,
শূন্য থেকে শুরু পথচিহ্ন গড়ে ওঠে।
প্রতিটি লাইন ভবিষ্যতের মানচিত্র,
শুরু অদৃশ্য, শেষ অজানা।
ঝড় আসে, চলে যায়, তবু তুমি থাক,
অঙ্গারের ভেতর সূর্য জন্মে।
ভেঙে পড়া মানেই নতুন গঠনের ডাক,
শূন্য হাতে দিগন্ত আঁকা হয়।
বাতাসে ভেসে ওঠে অচেনা সুর,
চোখের কোণে জমে অদৃশ্য আলো।
মেঘ ছেড়ে চলে যায়, তবু রেখা থাকে,
প্রতিটি ধ্বংস নতুন সৃষ্টি ডাকে।
শূন্যে জন্ম নেয় অদেখা পথ,
পৃথিবী আবার হেসে ওঠে, চুপচাপ।
নীরবতার ভেতর আবার শব্দ জাগে,
অন্ধকারে আলো নিজের ছায়া আঁকে।
প্রতিটি ফাটল সুরের নীল আকার,
ভাঙা হৃদয়েও জন্ম নেয় এক নতুন গান।
রাত কাঁপে, তবু সূর্য পেছনে থাকে,
ছায়ার আড়ালে সময় গঠিত হয়।
পৃথিবী শূন্যে নতুন রেখা আঁকে,
শূন্যে জমে আশা, ফেটে ওঠে স্বপ্ন।
শূন্যের মধ্যে ভোরের আলো নেমে আসে,
প্রতিটি ছায়া নিজেকে খুঁজে পায়।
অচেনা বাতাসে গান ভেসে যায়,
অদৃশ্য হাত স্পর্শ করে নতুন সূচনা।
ঝড় থেমে যায়, তবু কণার শব্দ থাকে,
প্রতিটি অস্থিরতা গঠন করে নতুন রূপ।
শূন্যে জন্ম নেয় অদেখা মানচিত্র,
পৃথিবী আবার নিজের গল্পে হাসে।
ছায়া ভাঙে, আলো জ্বলে,
ভাঙা পথে নতুন আশা গড়ে ওঠে।
শূন্য হাতে আঁকা অদৃশ্য রেখাগুলো
ভবিষ্যতের অজানা দ্বার খুলে দেয়।











