শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

ইরান যুদ্ধ ‘শেষ’, দাবি ট্রাম্প প্রশাসনের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
ইরান যুদ্ধ ‘শেষ’, দাবি ট্রাম্প প্রশাসনের

এপ্রিলের শুরুতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির কারণে ইরান যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে বলে দাবি করছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। হোয়াইট হাউস বলছে, এপ্রিলের শুরুতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির মধ্য দিয়ে যুদ্ধের অবসান ঘটেছে, ফলে কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন নেই। মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি এ খবর জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সিনেটে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও একই যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, ‘যুদ্ধবিরতির কারণে সংঘাত কার্যত থমকে গেছে’। এই ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, ১৯৭৩ সালের আইনের অধীনে ৬০ দিনের মধ্যে কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়ার যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তা এখনও কার্যকর হয়নি।

প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখে শুরু হওয়া শত্রুতার সমাপ্তি ঘটেছে। তার দাবি, ৭ এপ্রিল শুরু হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আর কোনও সরাসরি সংঘর্ষ হয়নি।

তবে বাস্তবতা ভিন্ন চিত্রও তুলে ধরছে। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হলেও হরমুজ প্রণালিতে তেহরানের নিয়ন্ত্রণ এখনও বহাল রয়েছে, অন্যদিকে মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের তেলবাহী ট্যাংকারগুলোকে সমুদ্রে যাওয়া থেকে আটকাতে অবরোধ বজায় রেখেছে।

‘ওয়ার পাওয়ারস রেজোলিউশন’ অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শুক্রবারের মধ্যে কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়া বা সামরিক কার্যক্রম বন্ধ করার কথা ছিল। যদিও আইন অনুযায়ী, প্রশাসন এই সময়সীমা আরও ৩০ দিন বাড়ানোর সুযোগ পায়।

এদিকে ইরান যুদ্ধ নিয়ে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের দাবি জোরালো করছে ডেমোক্র্যাটরা। এমনকি কিছু রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাও অস্থায়ী পদক্ষেপ সমর্থন করলেও দীর্ঘমেয়াদি অভিযানে কংগ্রেসের ভূমিকা নিশ্চিত করতে চান।

রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স বলেন, এই সময়সীমা কোনো পরামর্শ নয়, এটি বাধ্যতামূলক। তিনি বৃহস্পতিবার সামরিক পদক্ষেপ বন্ধের পক্ষে একটি বিলের পক্ষে ভোট দিয়ে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনও সামরিক পদক্ষেপের অবশ্যই একটি স্পষ্ট লক্ষ্য, বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা এবং সংঘাত শেষ করার নির্ধারিত কৌশল থাকতে হবে।

Ads small one

নয়াপল্টনে শ্রমিক দলের সমাবেশে নেতাকর্মীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৩:৩৫ অপরাহ্ণ
নয়াপল্টনে শ্রমিক দলের সমাবেশে নেতাকর্মীদের ঢল

মহান মে দিবসের সমাবেশে রাজাধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সমাবেশ শ্রমিক দলের নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (১ মে) পূর্বনির্ধারিত দুপুর আড়াইটায় সমাবেশ শুরুর কথা থাকলেও সকাল থেকেই ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলার শিল্প-কলকারখানার শ্রমিকরা এই সমাবেশে আসতে শুরু করেন। ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নানা স্লোগান দেন তারা। এছাড়া বিপ্লবী গান পরিবেশন করছেন জাসাসের শিল্পীরা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও শ্রমিক নেতা নজরুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের বলেন, দুযোর্গপূর্ণ আবহাওয়ার পরও সব আয়োজন শেষ হয়েছে। মঞ্চ প্রস্তুত, সমাবেশস্থলে পর্যাপ্ত মাইক লাগানো হয়েছে।

 

তিনি বলেন, এই সমাবেশে আমাদের দেশের সবচাইতে জনপ্রিয় নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। সে জন্যই এই সমাবেশের গুরুত্ব আমাদের কাছে অনেক বেশি। আমরা প্রত্যাশা করছি, মহান মে দিবসের এই শ্রমিক সমাবেশে স্মরণকালের মানুষের সমাগম ঘটবে।

জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন সংগঠনটির সভাপতি আনোয়ার হোসেইন। আরও বক্তব্য রাখবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

বেলা দেড়টায় সরেজমিনে দেখা গেছে, নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও তার আশপাশের এলাকায় সকাল থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছে। বিএনপির কার্যালয়ের সামনে তৈরি করা হয়েছে বিশাল মঞ্চ। বিছানো হয়েছে লাল কার্পেট।

 

উত্তরমুখী এই মঞ্চের দুই দিকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতিকৃতি রয়েছে। আয়োজকরা জানান, ফকিরাপুল, পল্টন, কাকরাইলসহ আশপাশে লাগানো হয়েছে দেড় শতাধিক মাইক।

দীর্ঘ দেড় যুগ লন্ডনে নির্বাসিত জীবন শেষে গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পরে এই প্রথম শ্রমিক সমাবেশে তারেক রহমান অংশ নিচ্ছেন। গত বছর লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান বক্তব্য রেখেছিলেন।

শ্রমিক সমাবেশ ঘিরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। অনেকেই লাল ক্যাপ, টি-শার্ট, ব্যানার ও ঢোল নিয়ে উপস্থিত হন। সকাল থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা নয়া পল্টনে বিএনপির সমাবেশস্থলে আসছেন। লাল টুপি মাথায় হাজারো নেতা-কর্মী করতালি আর স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তুলেছেন পুরা এলাকা।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিযানে ৬ জন গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৩:২৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিযানে ৬ জন গ্রেপ্তার

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিযানে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার নিয়মিত মর্ণিং রিপোর্টে এ তথ্য জানানো হয়।

 

মর্নিং রিপোর্ট অনুযায়ী সাতক্ষীরা সদর থানায় ৩ জন, কলারোয়া থানায় ২ জন এবং পাটকেলঘাটা থানায় ১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

খুলনায় মহান মে দিবস পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ
খুলনায় মহান মে দিবস পালিত

‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত আসবে এবার নব প্রভাত’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ (শুক্রবার) খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস পালিত হয়। এ উপলক্ষ্যে সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে শ্রমিকদের অবদান অপরিসীম। তাদের ন্যায্য মজুরি, স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা জরুরি। শ্রমিক কোন যন্ত্র নয়, তারা মানুষ, ফলে তাদের সাথে মানবিক আচরণ করতে হবে। তারা আরও বলেন, ধর্মীয় অনুশাসন মেনে  শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায় করা প্রয়োজন। তাদের স্বার্থ রক্ষা না হলে কোন উন্নয়নই টেকসই হবে না। মালিক-শ্রমিক এক পরিবারের মতো সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহবান জানিয়ে তারা বলেন,  উভয়ে একে অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ সব দিক থেকে সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত না হলে মালিক-শ্রমিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন, মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা ও সিভিল সার্জন ডা. মোছাঃ মাহফুজা খাতুন। খুলনা জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে  স্বাগত বক্তৃতা করেন শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ হাফেজ আহাম্মদ মজুমদার। মালিক প্রতিনিধির পক্ষে বক্তৃতা করেন বিজেএ’র চেয়ারম্যান খন্দকার আলমগীর কবির ও বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টারর্স এ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ তরিকুল ইসলাম জহির। শ্রমিক প্রতিনিধির পক্ষে বক্তৃতা করেন মহানগর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আহবায়ক মোঃ মজিবর রহমান ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের খালিশপুর আঞ্চলিক কমিটির আহবায়ক আবু দাউদ দ্বীন মোহাম্মদ। জেলা প্রশাসন, বিভাগীয় শ্রম দপ্তর এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন দপ্তর যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আলোচনা সভা শেষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন থেকে খুলনা জেলার খালিশপুর, দৌলতপুর, খানজাহান আলী এবং আড়ংঘাটা থানার বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে মোট ১৪০ জনকে ৪১ লাখ ৩৫ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়।
এর আগে দিবসটি উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুনের নেতৃত্বে খুলনা রেলওয়ে স্টেশন চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শ্রমিক-মালিক-কর্মচারী, ট্রেড ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন। তথ্যবিবরণী