মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩

সাতক্ষীরা শহরের যানজট নিরসনে উপ-কমিটির সভা, গুরুত্ব পেল দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা শহরের যানজট নিরসনে উপ-কমিটির সভা, গুরুত্ব পেল দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা জেলা শহরের যানজট নিরসনকল্পে গঠিত উপ-কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় যানজটের তাৎক্ষণিক সমাধানের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা এবং শহরের বাইরে বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের বিষয়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় শহরের যানজটের কারণ, বর্তমান পরিস্থিতি এবং তা নিরসনে করণীয় নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। প্রশাসন, পুলিশ, পৌরসভা, বিআরটিএ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতারা এতে অংশ নেন।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, অবৈধ ভ্যান ও ইজিবাইকের চলাচল নিয়ন্ত্রণে অভিযান জোরদার করা হবে। বড় বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। যেখানে-সেখানে যানবাহন পার্কিং ও যাত্রী ওঠানামা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করা হবে। চলমান সড়ক সংস্কারকাজ দ্রুত শেষ করার জন্যও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সভায় সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, শহরের বিভিন্ন স্থানে বাস থামানো ও যাত্রী ওঠানামার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলেও অনেক পরিবহন তা মানছে না। নির্ধারিত স্থানের পরিবর্তে সড়কের ওপর বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো এবং দীর্ঘ সময় বাস রেখে দেওয়ার কারণে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এসব নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে যানজট অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে বলে তিনি মত দেন।

সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস বলেন, সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করতে পারলে সাতক্ষীরা শহরের যানজট অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, কিছু সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলেও বাস টার্মিনাল স্থানান্তর, সড়ক সম্প্রসারণ, গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে গোলচত্বর উন্নয়ন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের মতো বিষয়গুলো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, পার্সেল ও কুরিয়ার সার্ভিসের বড় যানবাহনের শহরে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, রুট পারমিটবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, শহরের প্রবেশপথে চেকপোস্ট আরও কার্যকর করা এবং অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। তবে জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিও অনুসরণ করা হবে।

রিপন বিশ্বাস বলেন, যানজট নিরসনে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। প্রশাসন, পুলিশ, পৌরসভা, বিআরটিএ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই এ সমস্যার টেকসই সমাধান সম্ভব। তাই সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আমিনুর রহমান, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, বিআরটিএ সাতক্ষীরা অফিসের মোটরযান পরিদর্শক মো. ওমর ফারুক, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমতউল্লাহ পলাশ, বিএনপি নেতা আলহাজ্ব মো. আব্দুর রউফ, জেলা জামায়াতের আমির শহিদুল ইসলাম মুকুল ও শহর জামায়াতের সেক্রেটারী খোরশেদ আলম, সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ মাসুম বিল্লাহ শাহীন, সাতক্ষীরা জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাধুসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও উপ-কমিটির সদস্যরা।

Ads small one

শ্যামনগরে বিএনপি’র গাড়ি বহরে হামলার অভিযোগে মামলায় আ. লীগের ১০ নেতা কর্মী কারাগারে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে বিএনপি’র গাড়ি বহরে হামলার অভিযোগে মামলায় আ. লীগের ১০ নেতা কর্মী কারাগারে

পত্রদূত রিপোর্ট: ২০২০ সালে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্তদের দেখাশোনা, খোঁজখবর নেওয়া ও ত্রাণ দিতে যাওয়ার সময় বিএনপি নেতা কর্মীদের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগে সম্প্রতি দায়েরকৃত মামলায় দ্ইুজন ইউপি চেয়ারম্যানসহ আওয়ামী লীগের ১০জন নেতা কর্মীর জামিন আবেদন না’মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। সোমবার সাতক্ষীরার মুখ্য বিচারিক হাকিম মোঃ সাঈদুর রহমান উভয়পক্ষের শুনানী শেষে এ আদেশ দেন।

জামিন না’মঞ্জুর হওয়া আসামীরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর গ্রামের সৈয়দ আলী গাজীর ছেলে ও নূরনগর ইউপি চেয়ারম্যান বখতিয়ার আহম্মেদ, তার ভাই হাবিবুর রহমান হবি, একই উপজেলার বংশীপুর গ্রামের মহসিন গাজীর ছেলে জাহিদ হোসেন, সোলায়মান গাজীর ছেলে রায়হান কবীর, আজাদ গাজীর ছেলে সোলায়মান গাজী, সুরমান গাজীর ছেলে শহীদুল গাজী ,তার ভাই শফিউল্লাহ, বংশীপুর গ্রামের আজাদ গাজীর ছেলে ও ঈশ^রীপুর ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাড. শোকর আলী, তার ভাই আব্দুল কাদের ও কাশেম গাজীর ছেলে মোজাম গাজী।

গত ১৯ মার্চ শ্যামনগর উপজেলার বংশীপুর গ্রামের আবুল হোসেন সরদারের ছেলে আজিজুল ইসলামের দায়েরকৃত মামলা থেকে জানা যায়, ২০২০ সালে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আম্ফানে শ্যামনগর থানা এলাকার জনসাধারণের ঘরবাড়ি, ফসল, গবাদিপশু ও গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হয়। উক্ত ক্ষতিগ্রস্তদের দেখাশুনা, খোঁজখবর নেওয়া ও ত্রাণ দেওয়ার জন্য ২০২০ সালের ২১ জুন সকাল ১০টার দিকে বিএনপির নেতা কর্মীরা প্রাইভেট কার, মোটর সাইকেল ও মাইক্রোবাসযোগে শ্যামনগর থেকে কাশিমাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। গাড়িবহরটি কাশিমাড়ি ইউনিয়নের কাতখালি ব্রীজের উপর পৌঁছালে থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম জগলুল হায়দার, সাধারণ সম্পাদক আতাউল হক দোলন, নূরনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান বখতিয়ার আহম্মেদ, ঈশ^রীপুর ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাড. শোকর আলী, অ্যাড. জহুরুল হায়দারসহ বেশ কিছু লোকজন লোহার রড, দা, লাঠি ও ককটেল নিয়ে হামলা চালায়। হামলায় বাদি, বিএনপি নেতা বাধঘাটার শেখ শাহারিয়ার মাসুদ, যাদবপুরের রাসেল, ইসমাইলপুরের মোক্তার হোসেন, শ্রীফলকাটির আনিসুর রহমানসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়। ৫ লাখ টাকার ত্রাণ সামগ্রী ও ঔষধ নষ্ট করা হয়। এশটি প্রাইভেট কার, ১০ টি মটর সাইকেল ও একটি মাইক্রোবাস ভাংচুর করে ২০ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করা হয়। এ ঘটনায় জিএম জগলুল হায়দারসহ ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৪০ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা (জিআর-১৫/২৬ শ্যামঃ) দায়ের করা হয়।

এজাহারে উল্লেখিত বখতিয়ার আহম্মেদ, তার ভাই হাবিবুর রহমান হবি, জাহিদ হোসেন, রায়হান কবীর, সোলায়মান গাজী, শহীদুল গাজী ,তার ভাই শফিউল্লাহ, ঈশ^রীপুর ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাড, শোকর আলী, তার ভাই আব্দুল কাদের ও মোজাম গাজী ক্রিমিনাল মিস কেস ২২৩৫৭/২৬ ও ২২৩৫৯/২৬ মূলে মহামান্য হাইকোর্টে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন।

 

বিচারপতিদ্বয় যথাক্রমে কেএম জাহিদ সরোয়ার ও শেখ আবু তাহের গত ১১ মে তাদের আট সপ্তাহের জন্য অন্তবর্তীকালিন জামিন দিয়ে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে সাতক্ষীরার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করার নির্দেশনা দেন। সে অনুযায়ি তারা সোমবার সাতক্ষীরার মুখ্য বিচারিক হাকিম মোঃ সাঈদুর রহমানের আদালতে প্রবীন আইনজীবী অ্যাড. আবু বক্কর ছিদ্দিক এর মাধ্যমে হাজির হন। বিচারক আসামীপক্ষের জামিন আবেদন ও রাষ্ট্রপক্ষের আপত্তি শোনার একপর্যায়ে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মঈনুদ্দিন ১০জন আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীর জামিন না’মঞ্জুর হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

 

বেনাপোল ইনসপেকসন অব হেল্পওয়ে হোম শীর্ষক কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
বেনাপোল ইনসপেকসন অব হেল্পওয়ে হোম শীর্ষক কর্মশালা

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: মানব পাচার প্রতিরোধ পুনঃবাসনসহ জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে মঙ্গলবার দুপুরে বেনাপোল একটি হোটেলে ইনসপেকসন অব হেল্পওয়ে হোম শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্টিত হয়েছে।

সভায় শেল্টার হোমসহ পাচার প্রতিরোধের উপর বিভিন্ন ধরনের আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় আরো উল্লেখ করা হয়, শেল্টার হোমে পৃথকভবে নারী শিশু পুরুষদের নিরাপত্তা খাদ্য চিকিৎসাসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা করা হয়। আইনি সহায়তা দেওয়া হয় পাচারের শিকার নাগরিকদের। প্রশিক্ষণ পরামর্শ বা আর্থিক সহায়তার কথা উল্লেখ করেন মানবধিকার কর্মার্তারা।

কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ। ইউনাইটেড নেশনের ঢাকা কো অডিনেটর তাসনিম বিনতে করিম, রাইট যশোরের নির্বাহী পরিচালক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক, সাংবাদিক মহাসিন মিলন ও বকুল মাহবুব ছাড়াও বিজিবি পুলিশ ও পৌর প্রশাসনের কর্মকর্তারাসহ গণমাধ্যম কর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

কেশবপুর থানা পুলিশের অভিযানে নারীসহ ওয়ারেন্টভুক্ত ১১ আসামি গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
কেশবপুর থানা পুলিশের অভিযানে নারীসহ ওয়ারেন্টভুক্ত ১১ আসামি গ্রেপ্তার

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে আদালতের ওয়ারেন্টভূক্ত ২ নারীসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গত সোমবার (৬ জুলাই) রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

থানা সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুনের দিক-নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ উপ-পরিদর্শক মোকলেছুর রহমান এর নেতৃত্বে একদল চৌকস অফিসার নিয়ে ৬ জুলাই সোমবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।

 

অভিযানকালে আদালতের ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি মজিদপুর গ্রামের মৃত আয়ন উদ্দিন শেখ এর ছেলে আদিল উদ্দিন (২৭), মুলগ্রামের মৃত কেরামত সানার ছেলে লিটন হোসেন (২৫), রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত আরশাদ আলীর ছেলে মজিবর রহমান (৩০), কন্দর্পপুর গ্রামের কওসার গাজীর ছেলে জাহিদুল ইসলাম মিন্টু (৩৫), মাদারডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল কাদের মোড়লের ছেলে আমিনুর রহমান (৩১), সাগরদত্তকাঠি গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে আজহারুল ইসলাম (২৫), একই গ্রামের জাহা মোড়লের ছেলে নুর ইসলাম (৩৫), জাহানপুর গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলী খার ছেলে আব্দুল হান্নান খা (৪৫), খোপদহি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক মোড়লের ছেলে মিন্টু রহমান (৩০), বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের হযরত আলীর স্ত্রী প্রিয়া আক্তার তমা (২২), পরচক্রা গ্রামের শাহাদাৎ হোসেনের স্ত্রী রুপা খাতুন (২৪) কে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ।

এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোছা: রোকসানা খাতুন বলেন, বিজ্ঞ আদালতের ওয়ারেন্টভূক্ত ২ নারীসহ ১১ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের যশোর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।