রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

সৌন্দর্যের আড়ালেই বিষ! পৃথিবীর ভয়ংকর বিষাক্ত যত ফুল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
সৌন্দর্যের আড়ালেই বিষ! পৃথিবীর ভয়ংকর বিষাক্ত যত ফুল

ফুল মানেই সৌন্দর্য, সুবাস আর মুগ্ধতা। রংবেরঙের পাপড়ি দেখে মন ভালো হয়ে যায়, ঘর সাজাতেও ফুলের জুড়ি নেই। কিন্তু সব সুন্দর ফুলই যে নিরীহ, তা নয়। এমন অনেক ফুল রয়েছে, যাদের সামান্য অংশ শরীরে প্রবেশ করলেও দেখা দিতে পারে গুরুতর বিষক্রিয়া। কিছু ফুলের বিষ স্নায়ুতন্ত্র ও হৃদযন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে, এমনকি প্রাণঘাতীও হতে পারে। দেখে নেওয়া যাক, সৌন্দর্যের আড়ালে বিপদ লুকিয়ে রাখা এমন কয়েকটি ফুলের কথা।

 

মিসলটো: পাশ্চাত্যে মিসলটোকে ভালোবাসা ও রোম্যান্সের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। বড়দিনের সময় এই গাছের ডালের নিচে দাঁড়িয়ে চুম্বনের রীতিও বেশ পরিচিত। কিন্তু এই গাছের কিছু অংশ বিষাক্ত। ভুল করে খেয়ে ফেললে বমি, ডায়রিয়া, পেটের অস্বস্তি ও ঝাপসা দৃষ্টির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই ভালোবাসার প্রতীক হলেও মিসলটোর ফল বা পাতা মুখে দেওয়া একেবারেই নিরাপদ নয়।

 

করবী: রাস্তার ধারে কিংবা বাগানে প্রায়ই দেখা যায় এই পরিচিত ফুল। গোলাপি, সাদা বা লাল করবী দেখতে যতই সুন্দর হোক, গাছটির প্রায় সব অংশই বিষাক্ত। এর বিষাক্ত উপাদান হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক ছন্দে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ভুল করে খেয়ে ফেললে বমি, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া এবং হৃদস্পন্দন অনিয়মিত হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। মানুষ ছাড়াও পোষ্য প্রাণীর জন্যও করবী বিপজ্জনক।

 

উইস্টেরিয়া: ঝুলন্ত থোকায় থোকায় গোলাপি, বেগুনি, সাদা কিংবা নীল ফুলে গাছটি দেখতে অপূর্ব। কিন্তু এর বীজ ও শুঁটি বিষাক্ত। ভুল করে শরীরে প্রবেশ করলে বমি, পেটব্যথা ও ডায়রিয়া হতে পারে। শিশুদের পাশাপাশি কুকুর-বিড়ালের জন্যও এই গাছের বীজ বিপজ্জনক।

 

অ্যাঞ্জেলস ট্রাম্পেট: নামের মতোই দেখতে যেন স্বর্গীয়। বড় আকারের ঘণ্টার মতো ফুলগুলো গাছ থেকে নিচের দিকে ঝুলে থাকে। কিন্তু এই সৌন্দর্যের আড়ালে রয়েছে ভয়ংকর বিষ। গাছটির বিভিন্ন অংশে থাকা বিষাক্ত উপাদান শরীরে প্রবেশ করলে বিভ্রান্তি, হ্যালুসিনেশন, চোখের মণি বড় হয়ে যাওয়া, হৃদস্পন্দনের পরিবর্তন এবং গুরুতর স্নায়বিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। বেশি মাত্রায় বিষক্রিয়া প্রাণঘাতীও হতে পারে।

 

ফক্সগ্লোভ: লম্বা কাণ্ডে ঘণ্টার মতো সাজানো বেগুনি, গোলাপি বা সাদা ফুল দেখতে বেশ আকর্ষণীয়। কিন্তু এই গাছের সব অংশেই বিষাক্ত উপাদান রয়েছে। বিশেষ করে এর পাতায় থাকা কার্ডিয়াক গ্লাইকোসাইড হৃদযন্ত্রের কাজ ব্যাহত করতে পারে। ভুল করে খেয়ে ফেললে বমি, মাথা ঘোরা, দৃষ্টির সমস্যা এবং হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা দেখা দিতে পারে।

 

আজালিয়া: উজ্জ্বল রঙের ফুলের জন্য বাগান সাজাতে অনেকেই আজালিয়া পছন্দ করেন। কিন্তু এই ফুল ও গাছের বিভিন্ন অংশে রয়েছে গ্রায়ানোটক্সিন নামের বিষাক্ত উপাদান। তা শরীরে প্রবেশ করলে বমি, দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, হৃদস্পন্দন কমে যাওয়া এবং গুরুতর ক্ষেত্রে অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। মানুষ ছাড়াও কুকুর, বিড়াল ও ঘোড়ার জন্য আজালিয়া বিষাক্ত।

 

বেলাডোনা: ডেডলি নাইটশেড নামেও পরিচিত এই গাছের ফুল ও ফল দেখতে আকর্ষণীয় হলেও গোটা গাছটিই বিষাক্ত। এর ফল বা অন্য অংশ খেয়ে ফেললে মুখ শুকিয়ে যাওয়া, তীব্র তৃষ্ণা, চোখের মণি বড় হয়ে যাওয়া, ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, বিভ্রান্তি এবং অজ্ঞান হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। ইতালীয় শব্দ ‘বেলাডোনা’র অর্থ ‘সুন্দরী নারী’। একসময় চোখের মণি বড় দেখানোর জন্য নারীরা এই গাছের নির্যাস ব্যবহার করতেন বলেও প্রচলিত রয়েছে। তবে সেই ব্যবহার ছিল অত্যন্ত বিপজ্জনক।

 

পয়জন হেমলক ও ওয়াটার হেমলক: নামেই বিষের ইঙ্গিত। পয়জন হেমলক অত্যন্ত বিষাক্ত একটি উদ্ভিদ। এর বিষ স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে পেশির নিয়ন্ত্রণ ও শ্বাসপ্রশ্বাসে গুরুতর সমস্যা তৈরি করতে পারে। প্রাচীন গ্রিসের দার্শনিক সক্রেটিসের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হেমলকের বিষ ব্যবহার করা হয়েছিল বলে ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে। অন্যদিকে, ওয়াটার হেমলকও অত্যন্ত বিষাক্ত; এর বিষক্রিয়ায় খিঁচুনি ও প্রাণঘাতী জটিলতা দেখা দিতে পারে।

দেখতে সুন্দর হলেও এসব ফুল বা গাছের কোনও অংশই মুখে দেওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে শিশু ও পোষ্য প্রাণীদের নাগালের বাইরে রাখা জরুরি। ভুল করে কোনও বিষাক্ত গাছের অংশ খেয়ে ফেললে উপসর্গের অপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।

Ads small one

সোমবার শুরু হচ্ছে সংসদের চতুর্থ অধিবেশন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
সোমবার শুরু হচ্ছে সংসদের চতুর্থ অধিবেশন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন সোমবার (৯ নভেম্বর) শুরু হচ্ছে। এ অধিবেশন আগামী ১৮ নভেম্বর শেষ হবে। সরকারি ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন বিকাল ৪টা ২০ মিনিটে সংসদের বৈঠক বসবে। অধিবেশনের প্রথম দিন তিনটি অধ্যাদেশ উপস্থাপন করা হবে। এছাড়া ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপনের জন্য অনুমতি চাইবেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের।

রবিবার (৮ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত কার্য উপদেষ্টা কমিটির পঞ্চম বৈঠকে অধিবেশনের সময়সূচি ও কার্যক্রম নিয়ে এসব সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ কমিটির সদস্যরা বৈঠকে অংশ নেন।

সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ সাপোর্ট উইংয়ের আইন প্রণয়ন শাখা-১ থেকে প্রকাশিত সোমবারের কার্যসূচি অনুযায়ী, বিকাল সাড়ে ৩টায় সংসদের বৈঠক শুরু হবে। বৈঠকের শুরুতে সভাপতিমণ্ডলী মনোনয়ন ও শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করা হবে। এরপর স্থানীয় সরকার বিভাগ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এবং রাষ্ট্রপতির কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে। এছাড়া বিধি-৭১-এর আওতায় জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ নিষ্পত্তি করা হবে।

বৈঠকে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুযায়ী তিনটি অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন করবেন। এগুলো হলো— পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬; মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ এবং বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬।

এদিকে বগুড়া ও এর সন্নিহিত এলাকায় পরিকল্পিত আধুনিক নগর প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট এলাকার ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ রোধ, দুর্যোগসহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, তথ্যপ্রযুক্তি ও পর্যটনশিল্পের বিকাশ এবং উন্নত নাগরিক জীবন নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বিলটি উত্থাপনের অনুমতি চাইবেন। অনুমতি পেলে তিনি সংসদে বিলটি উত্থাপন করবেন এবং পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করবেন।

এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ১৭৪টি এবং অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৩ হাজার ৫৭৭টি প্রশ্নসহ মোট ৩ হাজার ৭৫১টি প্রশ্ন পাওয়া গেছে। এছাড়া বিধি-৭১-এ মনোযোগ আকর্ষণের ৯২টি এবং বিধি-১৩১-এ সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের ২৮১টি নোটিশ পাওয়া গেছে।

অধিবেশনের প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদ চত্বরকে ধূমপানমুক্ত এলাকা ঘোষণার প্রস্তাব করেন। কমিটির সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন।

জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেমের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী জানতে চাইলে সংসদ সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া জানান, সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টায় গণপূর্ত অধিদফতরের তত্ত্বাবধানে সাউন্ড সিস্টেম উদ্বোধন করা হবে।

সংসদ ভবনে সৌরবিদ্যুতের প্যানেল স্থাপনের অগ্রগতি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট উপকমিটির আহ্বায়ক ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানান, সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে ৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। অধিবেশন চলাকালে সংসদ ভবনে প্রায় ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। অন্য সময়ে চাহিদা আরও কম থাকে। ফলে প্রয়োজন মেটানোর পর অবশিষ্ট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ সংরক্ষণাগারের সুবিধা রেখেই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের নির্দেশনা দেন।

বৈঠকে ডেপুটি স্পিকার জাতীয় সংসদে ই-পার্লামেন্ট চালু এবং শূন্য পদে জনবল নিয়োগের সর্বশেষ অগ্রগতি কমিটিকে অবহিত করেন।

বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, এ টি এম আজহারুল ইসলাম এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

সম্পাদকীয়/ মাদক রোধে তারুণ্যের জাগরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ মাদক রোধে তারুণ্যের জাগরণ

Oplus_131072

মাদক আমাদের সামাজিক কাঠামোর শেকড়ে আঘাত হানছে। তরুণ সমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করা কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর একার দায়িত্ব নয়, বরং এটি একটি সামগ্রিক জাতীয় লড়াই। সম্প্রতি সাতক্ষীরার দেবহাটায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ফেয়ার মিশন’-এর উদ্যোগে আয়োজিত মাদকবিরোধী সাইকেল র‌্যালি ও আলোচনা সভা এই লড়াইয়ে এক নতুন আশার আলো জ্বেলেছে। সপ্তমবারের মতো আয়োজিত এই কর্মসূচিতে প্রায় ছয় শতাধিক তরুণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে সচেতনতার বার্তাটি আজ মাঠপর্যায়ে সফলভাবে পৌঁছে যাচ্ছে।

মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টিতে এ ধরনের যুবকেন্দ্রীক ও সৃজনশীল কর্মসূচি অত্যন্ত কার্যকর। দীর্ঘ সাইকেল র‌্যালিটি দেবহাটার বিভিন্ন জনপদ প্রদক্ষিণ করার সময় সাধারণ মানুষের নজর কেড়েছে এবং পথে পথে অনুষ্ঠিত পথসভার মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধের বার্তাটি জোরালোভাবে উচ্চারিত হয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় তরুণদের সাইকেলে চড়ে মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর এই দৃশ্য সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়ায়। শুধু প্রশাসনিক তৎপরতা দিয়ে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন পারিবারিক সচেতনতা, সামাজিক আন্দোলন এবং তরুণদের জন্য সুস্থ বিনোদন ও খেলাধুলার সুযোগ নিশ্চিত করা।

ফেয়ার মিশনের এই উদ্যোগ সমাজ গঠনের ক্ষেত্রে তারুণ্যের শক্তির সঠিক ব্যবহারের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই আন্দোলন কেবল দেবহাটা উপজেলাতেই সীমাবদ্ধ না রেখে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চায় সম্পৃক্ত করতে পারলে তবেই মাদককে দেশ থেকে চিরতরে দূর করা সম্ভব। দেবহাটার এই সাইকেল র‌্যালির অনুপ্রেরণায় দেশের প্রতিটি অঞ্চলে যুবসমাজকে একত্রিত করে মাদকবিরোধী আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে হবে। মাদকমুক্ত একটি সুস্থ ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে এই ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকুক—এটাই প্রত্যাশা।

আশাশুনিতে জাতীয় সমবায় দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে জাতীয় সমবায় দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রোববার উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা সমবায় কার্যালয় ও সমবায়ীদের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

‘করব সমবায়, গড়ব দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা মডেল মসজিদের মিলনায়তনে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুণ্ডুর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের প্রতিনিধি ও উপজেলা জামায়াতের আমির আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার। আইসিটি কর্মকর্তা আক্তার ফারুক বিল্লাহর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আশরাফ আলী।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব জাকির হোসেন বাবু, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম ও আরডিও আবুল কালাম। সমবায়ীদের মধ্যে বক্তব্য দেন আব্দুর রাজ্জাক, মিনতি সরকার, তারক চন্দ্র মণ্ডল, তাপসী রানী অধিকারী ও মনীন্দ্রনাথ মণ্ডল।