বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

হজ ফ্লাইট: উড়োজাহাজ সংকটে শিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা বিমানের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
হজ ফ্লাইট: উড়োজাহাজ সংকটে শিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা বিমানের

অনলাইন ডেস্ক: আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে চলতি বছরের পবিত্র হজের প্রথম ফ্লাইট। তবে হাতে মাত্র এক সপ্তাহ সময় থাকলেও হজযাত্রী পরিবহনে বড় ধরনের ফ্লাইট সংকটে পড়ার আশঙ্কা করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বিমানের নিজস্ব বহরে উড়োজাহাজের স্বল্পতা এবং একটি বড় উড়োজাহাজ মেরামতের জন্য দেশের বাইরে থাকায় এই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

উড়োজাহাজ সংকট ও বর্তমান পরিস্থিতি

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক রুটে বিমানের মাত্র ১৪টি উড়োজাহাজ চলাচল করছে। অথচ যাত্রীদের চাপ এবং নতুন রুট সামলাতে প্রয়োজন অন্তত ৩০ থেকে ৩৫টি উড়োজাহাজ। গত পাঁচ বছরে বহরে নতুন কোনও উড়োজাহাজ যুক্ত না হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের রুটগুলোতে ফ্লাইট বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না।

এরই মধ্যে বিমানের একটি বোয়িং উড়োজাহাজ মেরামতের জন্য ইতালির রোমে রয়েছে। গত ৮ এপ্রিল সেটি ফেরার কথা থাকলেও এখনও ফেরেনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা বলছেন, ১১ এপ্রিলের মধ্যে উড়োজাহাজটি না ফিরলে এবং হজের বহরে যুক্ত না হলে ফ্লাইট বাতিলের মতো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। শিডিউল ঠিক রাখাও তখন অসম্ভব হয়ে পড়বে।

কর্মকর্তারা বলেন, প্রশস্ত বিমানের তীব্র ঘাটতি রয়েছে। হজের মত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মেরামতে থাকা ফ্লাইট বহরে যুক্ত না থাকলে ফ্লাইট বাতিল করা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকবে না।

বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ ও বিমানের বক্তব্য

বিমান পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য ও অ্যাভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। নতুন উড়োজাহাজ ছাড়া বিমান স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় সক্ষম হবে না। ফ্লিট (উড়োজাহাজ) সংকটের কারণে বিমান ব্যবসা করতে পারছে না এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে। অবিলম্বে বিমানের বহর বৃদ্ধি না করলে দেশের আন্তর্জাতিক রুটে প্রতিযোগিতায় ছিটকে পড়বে।”

উদ্বেগ থাকলেও আশার কথা শুনিয়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র বোসরা ইসলাম। তিনি বলেন, “ফ্লাইট স্বল্পতার কারণে হাজিদের যেন কোনও সমস্যা না হয়, সে ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ সচেতন। আমরা ধারাবাহিকভাবে মিটিং করছি এবং বিষয়গুলো মাথায় রেখেই কাজ করছি। আশা করি ফ্লাইট সংকট হবে না।”

হজ যাত্রার প্রস্তুতি

২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনে সৌদি আরব যাবেন। ইতোমধ্যে ভিসা ও আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হয়েছে। হজযাত্রীদের বড় অংশকে পরিবহনের দায়িত্ব বিমানের ওপর। তবে প্রশস্ত বিমানের তীব্র ঘাটতি থাকায় শেষ মুহূর্তে রোমে থাকা ফ্লাইটটি বহরে না ফিরলে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে পারেন হজে গমনেচ্ছুরা।

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।