বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

হাসপাতাল প্রাঙ্গণ সবুজ করতে চিকিৎসকদের নিজস্ব অর্থায়নে বৃক্ষরোপণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
হাসপাতাল প্রাঙ্গণ সবুজ করতে চিকিৎসকদের নিজস্ব অর্থায়নে বৃক্ষরোপণ

পত্রদূত রিপোর্ট: পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং একটি সবুজ ও পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। চলমান বর্ষা মৌসুমে নিজস্ব অর্থায়নে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে দেশীয় ফলজ ও বহুবর্ষজীবী ফুলের গাছ রোপণের এ উদ্যোগ নেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম।

গত বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবারÑএই তিন দিনে হাসপাতাল চত্বরে মোট ২৮২টি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৬টি দেশীয় ফলজ এবং ২১৬টি বহুবর্ষজীবী ফুলের গাছ রয়েছে।

সরকারি কোনো বরাদ্দ ছাড়াই সিভিল সার্জন এবং সদর হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকদের নিজস্ব অর্থায়নে এসব গাছের চারা সংগ্রহ ও রোপণ করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ জেলা শহরে বেশ সাড়া ফেলেছে।

তিন দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম, মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. জয়ান্ত সরকার, মেডিকেল অফিসার ডা. ইসমত জাহান সুমনা, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আব্দুর রহমান, শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. রিয়াদ হাসান ও রক্ষণাবেক্ষণকারী আব্দুল মান্নান মিঠুসহ হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম জানান, স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক রাখতে এবং হাসপাতাল প্রাঙ্গণকে পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাসে পরিণত করতে চিকিৎসকেরা নিজেদের অর্থায়নে এ গাছগুলো লাগিয়েছেন। দেশীয় ফলজ ও ফুলের গাছগুলো ভবিষ্যতে হাসপাতালের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

হাসপাতালের আরএমও ডা. আব্দুর রহমান জানান, পরিবেশ সংরক্ষণে নিজেদের দায়বদ্ধতা থেকে তাঁরা এ উদ্যোগ নিয়েছেন। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী, তাঁদের স্বজন এবং কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ও মনোরম পরিবেশ নিশ্চিত করতে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ভূমিকা রাখবে।

 

 

 

 

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় কলেজছাত্রী অপহরণের দুই সপ্তাহ, উদ্ধার ও মামলা নিয়ে অসন্তোষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় কলেজছাত্রী অপহরণের দুই সপ্তাহ, উদ্ধার ও মামলা নিয়ে অসন্তোষ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় একাদশ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে অপহরণের দুই সপ্তাহ পার হলেও তাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এই ঘটনায় থানায় লিখিত এজাহার দেওয়া হলেও পুলিশ এখনো মামলা রেকর্ড করেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে অপহৃত ছাত্রীর পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
নিখোঁজ রিফা তাসফিয়া সদর উপজেলার শ্রীরামপুর মডেল কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। তার বাবা ও ওই কলেজের শিক্ষক ফিরোজ হোসেন জানান, গত ১৭ জুন দুপুর দেড়টার দিকে কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে একটি মাইক্রোবাসে করে রিফাকে অপহরণ করা হয়। এই ঘটনায় তিনি চৌবাড়িয়া গ্রামের অয়েজ কুরুনি, আল আমিন ও আল মামুনুল হকসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে ২৩ জুন থানায় এজাহার দেন। তবে ঘটনার দুই সপ্তাহ কেটে গেলেও মেয়েকে উদ্ধার বা মামলা নথিভুক্ত করা হয়নি। রিফা অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় পরিবারের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
মামলা ও উদ্ধারের অগ্রগতি বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনিছুজ্জামান জানান, ভিকটিমকে উদ্ধারের জন্য সব ধরনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এদিকে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদুর রহমান জানান, অভিযুক্তরা কোনো ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার না করায় তাদের অবস্থান নিশ্চিত করা কঠিন হচ্ছে। অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে অপহরণের পরও মামলা না নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

 

 

সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: কোটি টাকার সড়ক যখন ‘কাদার মহাসড়ক’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: কোটি টাকার সড়ক যখন ‘কাদার মহাসড়ক’

সাতক্ষীরা সদরের কুশখালী ইউনিয়নে সদ্য সমাপ্ত হওয়া কোটি টাকার একটি পিচঢালা সড়কের যে করুণ দশা চিত্রিত হয়েছে, তা এককথায় উদ্বেগজনক ও চরম জনদুর্ভোগের কারণ। গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিপুল সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত একটি সড়ক নির্মাণের কিছুদিন যেতে না যেতেই সামান্য বৃষ্টিতে ‘কাদার মহাসড়কে’ পরিণত হবেÑতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবির মুখে সড়কটির পিচকরণের কাজ শেষ হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে পিচ ও পাথরের আস্তরণ ঢাকা পড়ে পুরো সড়ক জুড়ে এখন ঘন কাদার আস্তরণ জমেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটি দিয়ে মাটিবাহী ট্রলি, হল্লাগাড়ি ও মিনিট্রাকে করে অবাধে মাটি বহন করার কারণেই এই বিপর্যয় ঘটেছে। গাড়ি থেকে পড়ে যাওয়া মাটির বড় বড় দলা যানবাহনের চাকায় পিষ্ট হয়ে শুকনোর সময় ধুলা আর বর্ষায় মরণফাঁদে পরিণত হচ্ছে। এর ফলে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কটির পিচ গলে যাচ্ছে ও পাথর উঠে যাচ্ছে।
এই পিচ্ছিল ও বিপজ্জনক রাস্তার কারণে এলাকায় ইজিবাইক, ভ্যান বা মোটরসাইকেল চলাচল তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের পায়ে হেঁটে চলার উপায়ও নেই। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, অফিসগামী মানুষ এবং কৃষিপণ্য পরিবহনে চরম ভোগান্তির পাশাপাশি জরুরি রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার পথও অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
এমন জনদুর্ভোগ কোনোভাবেই কাম্য নয়। অনতিবিলম্বে এই সড়কটির দুরবস্থার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখতে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। শুধু কুশখালি সড়ক নয়, জনস্বার্থে জেলার সকল সড়কে মাটিবাহী ট্রলি, হল্লাগাড়ি ও মিনিট্রাক বন্ধ হওয়া জরুরী। একই সাথে, সড়ক আইন লঙ্ঘন করে সড়ক নষ্টকারী অবৈধ মাটিবাহী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জনস্বার্থে রাস্তাগুলো দ্রুত সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করার জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

 

কয়রায় গাঁজাসহ আটক দুজনের কারাদন্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
কয়রায় গাঁজাসহ আটক দুজনের কারাদন্ড

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রায় ৬৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক দুই ব্যক্তিকে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদ- দিয়েছেন আদালত। বুধবার কয়রা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সঞ্জয় পাল সংক্ষিপ্ত বিচার (সামারি ট্রায়াল) শেষে এই আদেশ দেন। দ-প্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন—উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের আলামিন হোসেন (৩৫) ও গাজিনগর গ্রামের আব্দুস সালাম (১৯)।
পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার রাতে ইসলামপুর চৌরাস্তা এলাকার একটি চায়ের দোকানে অভিযান চালিয়ে এই দুজনকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে আব্দুস সালামের কাছ থেকে ৩৫ গ্রাম এবং আলামিন হোসেনের চায়ের দোকান থেকে আরও ৩০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে অভিযোগ দাখিলের পর আদালত এই রায় দেন। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।