বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

৭৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস: নির্দেশনামূলক বিশ্ব প্রেক্ষিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
৭৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস: নির্দেশনামূলক বিশ্ব প্রেক্ষিত

মো. হুমায়ুন খালিদ

বাংলাদেশের বিজ্ঞজনদের ভাষ্য দেশের প্রবীনরা ভালো নেই। পাড়া প্রতিবেশি আত্মীয় স্বজনকে বয়োজষ্ঠদের ব্যাপারে উদাসীন থাকতে দেখাযায়। যথাযথ মানবিক দৃষ্টিতে তারা প্রবীনদের আদর করে না। অবজ্ঞা বিংবা লঞ্ছনা যেন প্রবীনদের ভাগ্যলিপি। বাংলাদেশে বিরজমান এ প্রেক্ষাপটেই ৬ই অক্টোবর ২০২৬ তারিখে উদযাপিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক ৭৬তম প্রবীণ দিবস। নিজস্ব নীতি আদর্শ বজায় রেখে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর প্রায় সকল দেশ দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে পালন করে আসছে। সরকারি-বেসরকারি নির্বিশেষে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান দিবসটি পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

দিবসটির গুরুত্ব, তাৎপর্য, সময়কাল এবং অধিক্ষেত্র বিবেচনা বিবেচনা করে একটি সময়োপযোগী প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়ে থাকে। ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসটির জন্য একটি যথোপযুক্ত প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে। প্রতিপাদ্যটি হচ্ছে :“এইজ অফ লঞ্জিভিটি: রি থিঙ্কিং সিস্টেমস ফর লংগার লাইভস”। বাংলায় এ প্রতিবাদ্যটির মর্মার্থ দাঁড়ায়-দীর্ঘায়ু প্রাপ্তির এ যুগেও আয়ুষ্কাল আরো দীর্ঘতর করার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সিস্টেমগুলো সম্পর্কে আরো চিন্তাভাবনা করা প্রয়োজন।

বিশ্বের মানুষের গড় আয়ু ইতোমধ্যে আগের তুলনায় তাৎপর্যপূর্ণভাবেই বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অগ্রগতির ক্ষেত্রে জীবন যাপনের সাথে অবিচ্ছেদ্য কিছু সিস্টেম সামগ্রিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। এতদসত্বেও সিস্টেমগুলোর কার্যকারিতা এ বছরের জন্য নির্ধারিত প্রতিপাদ্য ও বিশ্বের অন্যান্য নির্দেশনার আলোকে আরো বৃদ্ধি ও জোরদার করার জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে আন্তর্জাতিক এবং রিজিওনাল সংগঠনসহ অনেকের পক্ষ থেকে। এ নির্দেশনার সাথে জড়িয়ে আছে বয়োবৃদ্ধদের স্বাস্থ্যসম্মত, উৎপাদনশীল, মর্যাদাপূর্ণ ও বৈষম্যহীন জীবন ব্যবস্থা। উল্লেখ্য, এ বিষয়গুলো শুধু বয়স্কদের বা বয়োবৃদ্ধদের সঙ্গেই সম্পৃক্ত নয়; বরং স্থান-কাল- পাত্র-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণী ও পেশার মানুষের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। দিবসটি পালন উপলক্ষে বয়স্কদের বা বৃদ্ধদের স্বার্থের জন্য প্রয়োজনীয় সিস্টেমগুলোকে চারটি এরিয়াতে ভাগ করা যেতে পারে । যেমন- (১) সামাজিক সুরক্ষা; (২) স্বাস্থ্য ও যতœাদি; (৩) শোভনীয় কাজ ও জীবনব্যাপী শিক্ষা; এবং (৪) সহায়ক পরিবেশ পরিস্থিতি ।

উপরোক্ত ক্ষেত্রসমূহভিত্তিক কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- বৃদ্ধ ব্যক্তিগণ যাতে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ,সুস্বাস্থ্য ও উপযুক্ত ক্ষেত্রে সক্রিয় অংশগ্রহণসহ অবদান রেখে বাঁচতে পারে।
এ প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট কমিটি উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় বয়স বৃদ্ধদের গুরুত্ব দেওয়ার লক্ষ্যে চারটি ক্ষেত্রকে চিহ্নিত করেছে। যথা- (১) সকল প্রকার ও সকল মাত্রার দরিদ্রতা দূরীভূত করার কার্যকর পন্থা গ্রহণ; (২) অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিস্তৃত পরিসরের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা; (৩) বয়োবৃদ্ধ কালের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল প্রক্রিয়ার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রবণতাকে আরো জোরদার এবং স্বাস্থ্যসম্মত করা; (৪) বয়স্কদের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা যতœ কাজটিকে একটি পেশার মর্যাদায় নিয়ে আসা এবং এ সেবাকে অর্থনীতির সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করা,এবং এ সেবা খাতকে আর্থিক বিনিয়োগের অন্যতম খাত হিসেবে গড়ে তোলা।

জাতিসংঘের আঞ্চলিক সংস্থাগুলো আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে বিবেচনাপ্রসূত বিভিন্ন আয়োজন করে থাকে। যেমন, এসকাপ এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য দিবসের প্রতিপাদ্য ভিত্তিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ কনফারেন্সের আয়োজন করছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মধ্যে আছেÑ (১) টেকনোলজি, (২) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এবং (৩) বয়োবৃদ্ধ জনসমাজ। এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে এসডিজি অর্জনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি থাকলেও বাধা হিসেবে দাড়িয়েছে দরিদ্রতা দূরীকরণ এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জসমূহ।

 

চ্যালেঞ্জগুলো হচ্ছে বহুমাত্রিক দরিদ্রতা,বৈষম্যতা, ডেমোগ্রাফিক পরিবর্তন,এবং শিক্ষা,স্বাস্থ্য সেবা, এবং সামাজিক সুরক্ষা খাতে অনধিগম্ম্যতা ও বৈষম্যতা। এসবের জন্য দরকার রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার বিস্তৃতি। মনে রাখতে হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবারিত উত্থান ও দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তর সরকারি সেবা পাওয়া এবং প্রদান উভয় ক্ষেত্রেই নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ ও ঝুঁকির সৃষ্টি করছে। আবার এর মধ্য দিয়ে নতুন নতুন সুযোগও সৃষ্টি হচ্ছে। টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য এ সকল চ্যালেঞ্জ ও ঝুঁকি মোকাবেলা করা খুবই জরুরী।

প্রসঙ্গত চলতি বছর দৈনিক যুগান্তরের ১লা অক্টোবর তারিখে প্রকাশিত সংবাদেসূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে বর্তমানে ষাটোর্ধ জনগণের হার প্রায় ১০ শতাংশ। ২০২২ রালে ছিল ৯.২৮ শতাংশ। ২০২৬ সাল শেষে এ সংখ্যা ২ কোটিতে পৌছাবে। ২০৪১ সালে প্রবীনদের সংখ্যা ৩ কোটির বেশি এবং ২০৬১ সালে প্রায় ৬ কোটিতে দাড়াবে। অর্থ্যাৎ চার দশক পর দেশের প্রায় এক চতুর্থাংশের বেশি মানুষ প্রবীন হয়ে পড়বে।

ইএসসিএপি কর্তৃক উল্লেখিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে বৃদ্ধ মানুষের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে এ রিজিয়নে ৬০ এবং ৬০ উর্ধ লোকের সংখ্যা ২০২০ সালে ছিল মোট জনসংখ্যার শতকরা ১৩.৬ ভাগ। এই হিসাবে আগামী ২০৫০ সালে এ হার দাঁড়াবে শতকরা ২৪ দশমিক ৯ ভাগ। একই সাথে এসডিজি বা ২০৩০ সালের উন্নয়ন এজেন্ডা প্রসঙ্গে বলা যায় যে এজেন্ডা যদি হয় প্ল্যান ফর পিপল, প্লানেট এন্ড প্রসকারিটি জন্য। তাহলে এজেন্ডার কোনোটাতেই বৃদ্ধদের প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত না হওয়ার কোনো অবকাশই নেই। এছাড়া, এ জেন্ডার আদর্শের বাণীতে রয়েছে, “লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড।” সূতরাং দীর্ঘ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ও দক্ষতা সম্পন্ন বয়োবৃদ্ধগণ একই সাথে এ উন্নয়ন এজেন্ডা বাস্তবায়নের উপকারভোগী এবং অবদান রাখার যোগ্যতম ব্যক্তিবর্গ।

বায়োবৃদ্ধদের সুস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এতটাই উদগ্রীব যে বৃদ্ধদের জীবন ব্যবস্থার তাৎপর্যপূর্ণ উন্নয়নের নিমিত্ত বিশ্বব্যাপী বিরাজমান সরকার, সিভিল সোসাইটি, আন্তর্জাতিক এজেন্সি, পেশাদার, একাডেমিক এবং প্রাইভেট সেক্টর কে এক কাতারে নিয়ে আসতে ২০২০ সালে “দি ডিকেড অব হেলদি এবং শিরোনামে একটি কর্মসূচিরও সূত্রপাত করে। এ সূত্র ধরেই খোদ জাতিসংঘ ২০২০ সালের সাধারণ পরিষদের ৭৫ /১৩১ নম্বর রেজুলেশনের মাধ্যমে সকল সদস্য রাষ্ট্রকে সম্পৃক্ত করে ঘোষণা দেয় যে ‘২০২০২১- ২০৩০’ হবে: the decade of healthy aging”. জাতিসংঘ এই ডিকেভ বাস্তবায়নে নেতৃত্বের দায়িত্ব দেয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে। সুতরাং ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসটি জাতিসংঘ ঘোষিত ডিকেডের সঙ্গে একাকার হয়ে গেছে। আবার জাতিসংঘ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জাতিসংঘের রিজিওনাল সংগঠনগুলো সম্মিলিত হয়েই রিজিয়ন ভেদে কাস্টমাইজড সাপেক্ষে সাতটি কৌশলেরও ঘোষণা দেয়।

উল্লেখ, বয়োবৃদ্ধ সংক্রান্ত বিশ্ব নির্দেশনা কে উদ্দেশ্যভিত্তিক সুনির্দিষ্ট ভাবে তিনটি ক্যাটাগরিতে ফেলা যেতে পারে। যেমন- (১)এনেবল ইন সোশ্যাল রিটার্ন; (২) সাপোর্ট; এবং, (৩) রিসার্চ, মনিটরিং এন্ড ইভালুয়েশন। এক্ষেত্রে কয়েকটি শর্তপূরণ অপরিহার্য । শর্তগুলো হচ্ছে: (১) সুদৃঢ় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি; (২) সক্ষমতা তৈরি ও যোগ্য নেতৃত্ব; (৩) স্বাস্থ্য সুরক্ষা সেবা নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য; কিন্তু সুবিন্যাসিত নীতি-পরিকল্পনা; (৪) বিভিন্ন সেক্টর ও স্টকহোল্ডার ভিত্তিক পরিকল্পনা; (৫) সাধারণ জনগণের ইতিবাচক ধারণা; এবং (৬) কার্যকর সকল পদ্ধতি এবং (৭) উপযুক্ত পরিমাণ আর্থিক ও মানবসম্পদদের সংস্থান।

এ অবস্থায় বাংলাদেশসহ জাতিসংঘের প্রতিটি সদস্য দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠান,বেসরকারি সংগঠন, সিভিলসোসাইটির উচিত বিশ্ব গাইডগুলোর আলোকে নিজস্ব নীতি, নির্দেশনা, আদর্শ দর্শন ও সক্ষমতার ভিত্তিতে উপযুক্ত পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা। উল্লেখ্য, বয়স্কদের জন্য যা কিছু করা প্রয়োজন তা যদি কেবলমাত্র বয়স্কদের উপরে ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে ঠিক হবে না; বরং বৃদ্ধদের নিয়েই বৃদ্ধদের জন্য যা করার তা করতে হবে। মনে রাখতে হবে আজকে যারা বৃদ্ধ একসময় দেশ ও জাতির জন্য তারাই মেধা ও শ্রম দিয়েছেন এবং সুযোগ পেলে এখনো তারা তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারেন। এ লক্ষ্যে অন্তত বয়োবৃদ্ধদের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য বয়োবৃদ্ধদেরকে কাজে লাগাতে হবে।

লেখক: মো. হুমায়ুন খালিদ, সাবেক সচিব

 

Ads small one

আশাশুনিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বৈঠক ও লিফলেট বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বৈঠক ও লিফলেট বিতরণ

আশাশুনি প্রতিনিধি: সাংগঠনিক কর্মকা- গতিশীল করা এবং দায়িত্বশীলদের ভূমিকা জোরদারের লক্ষ্যে আশাশুনিতে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠক শেষে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সর্বসাধারণের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

বুধবার বিকেলে আশাশুনি সদর ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে স্থানীয় আল-আমিন ট্রাস্ট মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সদর ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মো. মোবারক হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপজেলা উপদেষ্টা ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা নুরুল আবছার মুর্তজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক শাহজাহান হোসেন ও সহসভাপতি মাসুম বিল্লাহ খান।

সভায় ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা অংশ নেন। এতে সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম বেগবান করা এবং নিজ নিজ এলাকায় সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজ জোরদার করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পথচারী ও স্থানীয়দের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন নেতৃবৃন্দ।

সাতক্ষীরায় গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের উদ্যোগে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের উদ্যোগে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘আপনার চোখকে ভালোবাসুন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বিশ্ব দৃষ্টি দিবস ২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতাল সাতক্ষীরার উদ্যোগে এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা অরবিস ইন্টারন্যাশরালের সহযোগিতায় একটি বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতাল সাতক্ষীরার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোর্ত্তজা আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফরহাদ জামিল (টিটো)।

আলোচনা সভায় বক্তারা চোখের সঠিক যতœ, নিয়মিত চক্ষু পরীক্ষা এবং দৃষ্টিজনিত নানা সমস্যা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতাল সাতক্ষীরার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. জিএম আজহারুল ইসলাম, ডা. ফাতেমা তুস জোহরা, ডা. মনিরুজ্জামান ও ডা. অতীশ কুমার বাছারসহ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

কেশবপুর এমএম গোবিন্দপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
কেশবপুর এমএম গোবিন্দপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নের মেহেরপুর, মির্জাপুর ও গোবিন্দপুর (এম এম) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক সমাবেশ হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিদ্যালয় মিলনায়তনে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি এম এম ইলিয়াস উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান শিক্ষক বাবলুজ্জামানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমি সুপারভাইজার তোরাবুল ইসলাম, সাংবাদিক এম এ রহমান, আক্তার হোসেন, চিংড়া বাজার ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ শামিম হোসাইন এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. সিদ্দিকুর রহমান।
শিক্ষক মো. জামাল উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বিদ্যালয়ের জমিদাতা সৈয়দ জাফর হাসান লাভলু, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ও যুবনেতা শাহিনুর রহমান শাহীন উপস্থিত ছিলেন। তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।