মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

জেলা পরিষদের প্রশাসককে সারসা বাহারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার শুভেচ্ছা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
জেলা পরিষদের প্রশাসককে সারসা বাহারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার শুভেচ্ছা

 

সারসা বাহারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উপস্থিত হয়ে এ শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সারসা বাহারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক আবু বক্কর, মাদ্রাসার সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবু সেলিম, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সেক্রেটারি আফসার আলীসহ অন্যরা। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

Ads small one

রোনালদো বিশ্বকাপ জিতলে কে হবেন ‘বিশ্বসেরা’?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১০:০৫ পূর্বাহ্ণ
রোনালদো বিশ্বকাপ জিতলে কে হবেন ‘বিশ্বসেরা’?

২০০০ সালের আগের ফুটবল বিশ্ব বিভক্ত ছিল দুটো নামে—পেলে নাকি ম্যারাডোনা? যুগ যুগ ধরে ধরে চলা সেই চিরন্তন বিতর্ককে পাশ কাটিয়ে ফুটবল মাঠে আবির্ভাব ঘটেছিল দুই ভিন গ্রহের ফুটবলারের- লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। বিগত দেড় দশক ধরে এই দুই জন মিলে পেলে-ম্যারাডোনা যুগের সেই পুরোনো বিতর্ককে ইতিহাস বানিয়ে ফুটবল বিশ্বকে এক আধুনিক দ্বৈরথ উপহার দিয়েছেন।

২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি সোনালি ট্রফিটা উঁচিয়ে ধরার পর ফুটবল দুনিয়ার একটা বড় অংশ রায় দিয়ে দিয়েছিল—”The GOAT debate is over!” অর্থাৎ, সর্বকালের সেরার বিতর্ক শেষ। কিন্তু আসলেই কি শেষ? ২০২৬ বিশ্বকাপে পর্তুগালের বর্তমান ‘গোল্ডেন জেনারেশন’ স্কোয়াড এবং ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ‘শেষ সুযোগের’ দিকে তাকালে নতুন একটা সমীকরণ সামনে আসে।

ধরে নেওয়া যাক, ২০২৬ সালে পর্তুগাল বিশ্বজয় করলো এবং রোনালদো তার অধরা বিশ্বকাপটি পেয়ে গেলেন। তাহলে কি রোনালদো এককভাবে মেসির চেয়ে এগিয়ে ‘গোট’ হতে পারবেন? ফুটবলীয় বিশ্লেষণ এবং যুক্তি বলছে—না, তাও ক্রিস্টিয়ানো এককভাবে সর্বকালের সেরা হতে পারবেন না। এর পেছনে রয়েছে কিছু কারণ-

‘ওয়ান-ম্যান আর্মি’ বনাম ‘টিম এফোর্ট’

২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা দল কিন্তু কাগজে-কলমে সেরা ছিল না। মেসি প্রায় একাই (৭টি গোল ও ৩টি অ্যাসিস্ট করে) পুরো দলকে টেনে ফাইনালে নিয়ে গেছেন এবং চ্যাম্পিয়ন করেছেন।

অন্যদিকে, বর্তমান পর্তুগাল দল ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সবচেয়ে শক্তিশালী এবং তারকাবহুল দল। ব্রুনো ফার্নান্দেজ, বার্নার্দো সিলভা, ভিতিনহা, হোয়াও নেভেস, রুবেন দিয়াজ কিংবা রাফায়েল লিয়াওদের নিয়ে গড়া এই দল যেকোনও পজিশনেই বিশ্বসেরা। এই দলে রোনালদোর ভূমিকা হয়তো হবে একজন দুর্দান্ত ফিনিশারের, কিন্তু মেসির মতো পুরো দলকে মাঝমাঠ থেকে তৈরি করে টেনে নেওয়ার মতো ভূমিকা এই বয়সে রোনালদোর পক্ষে অসম্ভব।

প্লে-মেকিং ও ফুটবলের নান্দনিকতা

ফুটবল শুধু সংখ্যার খেলা নয়, ফুটবল একটি শিল্প। রোনালদো ফুটবলের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা গোল স্কোরার এবং বক্স স্ট্রাইকার। তার গোল করার ক্ষমতা প্রশ্নাতীত।

মেসি একই সঙ্গে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের একজন। পাশাপাশি ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোল সহায়তাকারী। আবার ফুটবলের ইতিহাসের সেরা প্লে-মেকার ও ড্রিবলারদের একজন।

রোনালদো ট্রফি জিতলে তার ভূমিকা থাকবে গোলে, কিন্তু মেসি ট্রফি জিতেছেন ফুটবলকে ডিফাইন করে। মাঝমাঠ থেকে খেলা নিয়ন্ত্রণ করা, ড্রিবলিংয়ে প্রতিপক্ষকে বোকা বানানো এবং নিখুঁত পাসিংয়ের যে জাদু মেসির আছে, তা রোনালদোর ট্রফি ক্যাবিনেটে বিশ্বকাপ যোগ হলেও এগুলো অধরা।

ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের ব্যবধান

ফুটবলে ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের সবচেয়ে বড় মাপকাঠি ধরা হয় ব্যালন ডি’অর-কে। মেসির ঝুলিতে আছে রেকর্ড ৮টি ব্যালন ডি’অর। রোনালদোর সংগ্রহে আছে ৫টি।

পর্তুগাল বিশ্বকাপ জিতলেও ব্যক্তিগত এই অর্জনের বিশাল ব্যবধান (৩টি ব্যালন ডি’অর) ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যাবে না, যা মেসিকে সবসময়ই এককভাবে কিছুটা এগিয়ে রাখবে।

টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়

মেসি ২০২২ সালে শুধু বিশ্বকাপ জেতেননি, তিনি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন। এর আগে ২০১৪ সালেও একই গৌরব অর্জন করেছিলেন। বিশ্বকাপে মেসির এই একক আধিপত্য ফুটবলের ইতিহাসে বিরল। পর্তুগাল যদি বিশ্বকাপ জেতেও বর্তমান দলের শক্তির গভীরতার কারণে রোনালদোর এককভাবে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হওয়া বা গোল্ডেন বল জেতার সম্ভাবনা বেশ কম।

পর্তুগাল যদি এবার বিশ্বকাপ জেতে, তবে ২০০০ সালের আগের পেলে-ম্যারাডোনার বিতর্ক যেমন স্থবির হয়ে গিয়েছিল, তেমনি মেসি-রোনালদোর আধুনিক বিতর্কটি এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। রোনালদোর ফুটবলের সাফল্যের মুকুটে নতুন পালক যুক্ত হবে। অনেকে মেসির পাশে বসাবেন কিংবা এগিয়েও রাখতে চাইবেন।

তারপরও যদি প্রশ্ন করা হয়—‘কে এককভাবে ইতিহাসের একমাত্র সেরা’- তাহলে ফুটবল রোমান্টিক, বিশ্লেষক এবং বোদ্ধাদের ভোটটি মেসির নান্দনিকতা, প্লে-মেকিং এবং ফুটবলীয় জাদুর কারণে আর্জেন্টাইন ১০ নম্বরের দিকেই বেশি ঝুঁকে থাকবে।

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কারা, কেমন তাদের অতীত ইতিহাস?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কারা, কেমন তাদের অতীত ইতিহাস?

গ্রুপ সি-তে কাগজে-কলমে সবচেয়ে এগিয়ে ব্রাজিল ও মরক্কো। তবে বিশ্বকাপের ইতিহাস বলছে, প্রত্যাবর্তনের গল্পও অনেক সময় বড় চমক উপহার দেয়। স্কটল্যান্ড ও হাইতি সেই স্বপ্ন নিয়েই মাঠে নামবে। তবে ব্রাজিল চাইবে দুই দশকের বেশি সময়ের শিরোপা খরা কাটানোর পথে প্রথম পদক্ষেপটি দৃঢ়ভাবে রাখতে। মরক্কোও প্রমাণ করতে চাইবে কাতারের সাফল্য বিচ্ছিন্ন কোনও ঘটনা ছিল না।

এবার দেখে নেওয়া যাক তাদের অতীত ইতিহাস-

ব্রাজিল

বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে সফল দল ব্রাজিল সর্বশেষ শিরোপা জিতেছিল ২০০২ সালে। এরপর থেকে বারবার শিরোপার স্বপ্ন নিয়ে মঞ্চে এলেও শেষ পর্যন্ত হতাশাই সঙ্গী হয়েছে সেলেসাওদের।

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা ২০১৪ সালে স্বাগতিক হিসেবে সেমিফাইনালে উঠলেও জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের লজ্জাজনক হার এখনও ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের দুঃস্বপ্ন। চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের।

এবার দলের নেতৃত্বে থাকবেন রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও বার্সেলোনার উইঙ্গার রাফিনহা। তবে হাঁটুর চোটে বিশ্বকাপ মিস করছেন রিয়াল মাদ্রিদের আরেক গুরুত্বপূর্ণ ফরোয়ার্ড রদ্রিগো।

ব্রাজিল এমনিতেই বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে পারেনি। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার কাছে হতাশাজনক হারসহ একাধিক ব্যর্থতার পর ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন রিয়াল মাদ্রিদ থেকে অভিজ্ঞ কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে দায়িত্ব দিয়েছে।

আনচেলত্তি দলকে বিশ্বকাপে তুলতে সক্ষম হলেও দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাই পর্বে ব্রাজিল শেষ করেছে পঞ্চম স্থানে। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগজয়ী এই কোচের বিশ্বকাপ অভিজ্ঞতা অবশ্য সীমিত। ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে ইতালির সহকারী কোচ ছিলেন তিনি। সেবার ফাইনালে ব্রাজিলের কাছেই হেরেছিল ইতালি।

মরক্কো
গত বিশ্বকাপে চতুর্থ স্থান অর্জন করে ইতিহাস গড়েছিল মরক্কো।
মরক্কো

গত বিশ্বকাপে চতুর্থ স্থান অর্জন করে ইতিহাস গড়েছিল মরক্কো। বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনও আফ্রিকান দলের সেরা সাফল্য সেটিই।

কাতারে শেষ ষোলোতে স্পেন এবং কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে হারিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল দলটি। শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালে ফ্রান্সের কাছে হেরে থামতে হয় তাদের।

তবে বিশ্বকাপের আগে দলটি এসেছে এক অস্থির সময় পার করে। নিজেদের মাটিতে অনুষ্ঠিত আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের ফাইনালে সেনেগালের কাছে হারলেও পরে সেই ফল বাতিল করে আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন (সিএএফ)। রেফারির অনুমতি ছাড়া মাঠ ছাড়ায় সেনেগালের কাছ থেকে কাপ ছিনিয়ে মরক্কোকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়।

ফাইনালের পর দায়িত্ব ছাড়েন কোচ ওয়ালিদ রেগরাগুই। ফলে বিশ্বকাপে নতুন কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবির অধীনে খেলবে মরক্কো। যুব বিশ্বকাপে মরক্কোর অনূর্ধ্ব-২০ দলকে শিরোপা জেতানোর কৃতিত্ব রয়েছে তার।

হাইতি
১৯৭৪ সালের পর বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছে হাইতি।
হাইতি

ক্যারিবীয় দেশ হাইতির জন্য এবারের বিশ্বকাপ এক ঐতিহাসিক উপলক্ষ। ১৯৭৪ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলতে যাচ্ছে দলটি।

কনকাকাফ অঞ্চলের বাছাই পর্বে নিজেদের গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে টিকিট নিশ্চিত করেছে হাইতি। তবে ১৯৭৪ সালের অভিজ্ঞতা সুখকর ছিল না। ইতালি, পোল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার কাছে টানা তিন ম্যাচ হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। এবারও কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে তারা। ফরাসি কোচ সেবাস্তিয়ান মিনের অধীনে থাকা দলটি বর্তমানে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের ৮৩তম দল। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮ দলের মধ্যে কেবল নিউজিল্যান্ডই তাদের নিচে অবস্থান করছে।

দলের সবচেয়ে বড় ভরসা ৩২ বছর বয়সী স্ট্রাইকার ডুকেন্স নাজো। বাছাই পর্বে ছয় গোল করে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় ছিলেন তিনি। কোস্টারিকার বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে হ্যাটট্রিক করাও ছিল তার অন্যতম স্মরণীয় অর্জন।

১৯৯৮ সালের পর বিশ্বকাপে ফিরেছে স্কটল্যান্ড।
১৯৯৮ সালের পর বিশ্বকাপে ফিরেছে স্কটল্যান্ড।
স্কটল্যান্ড

প্রায় তিন দশকের অপেক্ষার পর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরছে স্কটল্যান্ড। ১৯৯৮ সালের পর এবারই প্রথম তারা বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে। গত বছরের শেষ বাছাই ম্যাচে ডেনমার্ককে নাটকীয়ভাবে ৪-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে স্কটিশরা। সেই ম্যাচে গোল করেছিলেন দলের অন্যতম তারকা স্কট ম্যাকটোমিনে।

২০১৯ সাল থেকে দায়িত্বে থাকা স্টিভ ক্লার্ক স্কটল্যান্ডকে টানা তিনটি বড় টুর্নামেন্টে নেতৃত্ব দেওয়া প্রথম কোচ হতে যাচ্ছেন। এর আগে ২০২০ ও ২০২৪ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল দলটিকে।

বিশ্বকাপে আগের আটবারের অংশগ্রহণে কখনও গ্রুপ পর্বের বাধা পেরোতে পারেনি স্কটল্যান্ড। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপেও তাদের প্রতিপক্ষ ছিল ব্রাজিল। সেবার শিরোপাধারী ব্রাজিলের কাছে ২-১ গোলে হেরে যাত্রা শুরু হয়েছিল স্কটিশদের।

শিল্পকলা একাডেমির বিশেষ সম্মাননায় সৈয়দ আব্দুল হাদী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ
শিল্পকলা একাডেমির বিশেষ সম্মাননায় সৈয়দ আব্দুল হাদী

বাংলা সংগীতের জীবন্ত কিংবদন্তী ও কালজয়ী কণ্ঠশিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদীকে বিশেষ সম্মাননা জানাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। সম্প্রতি শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

আগামী ১২ জুন সন্ধ্যা ৬টায় একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে এই সম্মাননা প্রদান ও শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় পুরো অনুষ্ঠানটি আয়োজন করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অর্ধশতাব্দীরও অধিক সময় ধরে বাংলা গানকে নিজস্ব কণ্ঠমাধুর্য, শিল্পনিষ্ঠা ও অনবদ্য পরিবেশনার মাধ্যমে সমৃদ্ধ করে জাতির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ঋদ্ধ করার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশের সংগীতভুবনের এই জীবন্ত কিংবদন্তীকে এই বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের আধুনিক গানের স্বর্ণযুগকে যারা সমৃদ্ধ করেছেন, সৈয়দ আব্দুল হাদী তাদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর কণ্ঠের ব্যাপ্তি, তন্ময়তা আর বিদগ্ধ-গম্ভীর সুরআবেগ সাধারণ শ্রোতা থেকে শুরু করে গুণীজন—সবার হৃদয়কে স্পর্শ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সৈয়দ আব্দুল হাদী এমন একজন মাপের শিল্পী, যিনি খ্যাতির শিখরে থেকেও চিরকাল প্রচারবিমুখ ও অনাড়ম্বর জীবনযাপন করেছেন। তিনি প্রমাণ করেছেন, প্রকৃত শিল্পী হতে গেলে আত্মপ্রচারের চেয়ে আত্মনিবেদন বড়। শুধু তাঁর গানের গুণগত মানের জন্য নয়, বরং একজন মানুষ হিসেবে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ও জীবনবোধের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

১২ জুনের এই আয়োজনে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও বরেণ্য শিল্পীরা উপস্থিত থাকবেন বলে নিশ্চিত করেছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।