বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

ঐতিহ্যগত উপকরণ আটং বা চাই আশাশুনি থেকে হারাতে বসেছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
ঐতিহ্যগত উপকরণ আটং বা চাই আশাশুনি থেকে হারাতে বসেছে

আশাশুনি সংবাদদাতা: আর কয়েক দিনের মধ্যে বর্ষা শুরু হবে। এ সময়ে প্লাবিত খাল-বিল, নদ-নদী, পুকুর-জলাশয়গুলো পানিতে ভরে উঠবে। সেই পানি উজান দেওয়ার সময় খাল বিলগুলোতে মাছ-ভাতের বাঙালিরা মেতে উঠে মাছ শিকারে। মাছ শিকারের উপকরণ হিসেবে এদেশে হাজার বছর ধরে হরেক রকমের জাল, পলো, বড়শা, বড়শি, ফালা, ফাঁদসহ নানান কৌশল ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে এসব উপকরণের সাথে লোকজ বাঙ্গালি জীবনে মাছ ধরার ‘চাই’ ‘আঠং’এখনো জনপ্রিয়। এটি বাঁশের তৈরি মাছ ধরার এক ধরণের ফাঁদ।আর এই ‘চাই’ বা আটং জন্য বিখ্যাত আশাশুনির বুধহাটা ও বড়দল হাট।

 

আশাশুনি অঞ্চলের তৈরি ‘চাই’ বা আটং ও বেশ জনপ্রিয় এবং শৈল্পিক। তবে বর্তমান সময়ে এই ঐতিহ্যগত উপকরণটি আশাশুনির হাতে গোণা কয়েকটি জায়গায় ও পরিবার তৈরি হয় মাত্র। কালের বিবর্তনে ঘর গেরস্তের মাছ শিকার ও উপার্জনের এই বস্তুটি বলা যায় জাদুঘরে চলে যাচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আশাশুনির বুধহাটা, বড়দল, কাদাকাটি, কচুয়া, পরোহিতপুর, খজরা, দরগাপুর খরিয়াটি, প্রতাপনগর অঞ্চলে এখনো তৈরি করা হয় মাছ ধরার ‘চাই’ বা আটং।

 

এসব অঞ্চলের কৃষি ও মৎসজীবীদের অনেকেই বংশ পরম্পরার এই সংস্কৃতি ধরে রেখেছেন। মৌসুমে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের হাট-বাজারে বিক্রি করা হয় ‘চাই’। আশাশুনির বুধহাটা হাটে আটং বা ‘চাই’ বিক্রি করতে আসা শুকদেব দাস বলেন, আমার বাড়ি কালিবাড়ী। সংসারের অন্য কাজ কর্মের ফাঁকে অবসরে আমি বাঁশের কাজ করি। কুলা, চালন, চাই, আটং ডুলাসহ নানা জিনিসপত্র আমি বানাতে পারি। চাই’য়ের মধ্যে কয়েক ধরণের স্টাইল আছে। বিভিন্ন নামের বা বিভিন্ন ধরনের।

 

কোনটার নাম ঘরচাই (এটা দেখতে ঘরের কামড়ার মত চতুস্কোণ আকার)। একটা চাই বানাতে সপ্তাহ খানেক লাগে। তবে সময় দিলে তিনচারদিনের মধ্যেও বানানো যায়। মাছের সাইজ ছোট মাঝারি বা বড় বিবেচনা করে একেক স্টাইলের চাই বানানো হয়। একটা চাইয়ের দাম ৫০০ টাকা/৭০০ টাকার মধ্যে। বাঁশের দাম বেশি। এখন আগের মত চাই কেনার লোক নেই।

 

জানা গেছে, আশাশুনি এলাকায় বর্ষার শুরুতে, ঘেরে বা বিলের ব্যবহার করার জন্য মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরণ বিক্রির মৌসুম শুরু হয়। কারণ পানি কমার সঙ্গে-সঙ্গে নি¤œাঞ্চল থেকে পানি নামতে শুরু করে। ওই সময় চাই গুলো পানি প্রবাহের মুখ- যেমন জমির আল, খানা-খন্দের পাড় কেটে তৈরি করা পানির রাস্তায় বা ঘেরের নালায় বিশেষ কাদায় পুঁতে রাখতে হয়। তখন পুঁতে রাখা চাইয়ে ছোট, মাঝারি বিভিন্ন আকারের মাছ আটকে যায়। ৩ ঘন্টা থেকে ৫ ঘন্টা পর চাই পর্যবেক্ষণ করতে হয়।

Ads small one

আমরা আর ডুবতে চাই না, এখনই সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিন’  

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১:৫৯ অপরাহ্ণ
আমরা আর ডুবতে চাই না, এখনই সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নিন’  

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘আমরা আর জলাবদ্ধতায় ডুবতে চাই না। এখনই উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে আমাদের আবার ডুবতে হবে। তাই জলাবদ্ধতা সৃষ্টির আগেই পানি নিষ্কাশনের জন্য সমগ্র জেলার খাল-বিল-নদী-নালা দখলমুক্ত করে নেটপাটা ও অবৈধ বাঁধ অপসারণ করতে হবে। মৎস্য ঘের করার ক্ষেত্রে অবশ্যই পানি নিষ্কাশনের জন্য আউট ড্রেন রাখা বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং সাতক্ষীরা পৌর এলাকার সব ড্রেন পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রাণসায়ের খালের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।  কারণ পৌরসভার অধিকাংশ ড্রেনে পানি জমে থাকে, উপচে রাস্তায় ওঠে, কিন্তু পানি নিষ্কাশিত হয় না।’

বুধবার (১৭ জুন) সাতক্ষীরা শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক) আয়োজিত ‘বর্ষা মৌসুমে সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনে করণীয়’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে এসব কথা বলেন।

সংলাপে গ্রীন কোয়ালিশন (সবুজ সংহতি) সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবু আফফান রোজ বাবুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত।

সংলাপে ধারণা পত্র পাঠ করেন বারসিকের প্রোগ্রাম অফিসার গাজী মাহিদা মিজান।

বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত বছর জলাবদ্ধতা শুরু হওয়ার দীর্ঘ ৩ মাস পর যখন মানুষের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল, তখন প্রশাসন ঘেরের বাঁধ কেটে পানি সরানোর ব্যবস্থা করেছিল। আমরা এবার সেই ‘দেরিতে ঘুম ভাঙা’ উদ্যোগ দেখতে চাই না। নদী ও খাল খননের মতো মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন যেহেতু সময়সাপেক্ষ, তাই এখনই জরুরি ভিত্তিতে সাতক্ষীরা পৌর এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার আন্তঃসংযোগগুলো পরিষ্কার করা, প্রাণসায়ের খালের দুই মুখ উন্মুক্ত করা এবং বেতনা পাড়ের ১০টি বিলের অপরিকল্পিত ঘেরের বেড়িবাঁধ এখনই কেটে দিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ উন্মুক্ত করতে হবে। ঘের মালিকদের আউট ড্রেন রাখতে বাধ্য করতে হবে।

সংলাপে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নাগরিক নেতা ও সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, নাগরিক নেতা আলী নুর খান বাবুল, বারসিকের নগরবিদ জাহাঙ্গীর আলম, নাগরিক নেতা ও সাংবাদিক এম কামরুজ্জামান, সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল, ফরিদ হোসেন ময়না, আহসানুর রহমান রাজীব, গ্রীন কোয়ালিশনের যুগ্ম সম্পাদক এম. বেলাল হোসাইন ও অ্যাড. এসএম বিপ্লব হোসেন, আসাদুজ্জামান সরদার, সাতক্ষীরা যুব পানি কমিটির সভাপতি মো. হোসেন আলী, ইয়ুথ অ্যাডাপটেশন ফোরামের সভাপতি ইব্রাহিম খলিল, শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের হৃদয় মন্ডল, ইফতি জামিল, বদ্দীপুর ক‌লোনীর বাসিন্দা জাহানারা খাতুন, কাজীপাড়ার এরশাদ আলী প্রমুখ।

সংলাপে বক্তারা জেলার সব অকেজো স্লুইসগেট দ্রুত সচল করাসহ পানি নিষ্কাশনের সব পূর্ব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা, বেতনা ও মরিচ্চাপ নদীতে স্লুইসগেটের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে জোয়ার-ভাটার চিরায়ত ও স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা, ইছামতি, মরিচ্চাপ, খোলপেটুয়া, বেতনা, শালিখা ও কপোতাক্ষ নদীর মধ্যকার আন্তঃসংযোগগুলো পুনরায় খনন করে পানিপ্রবাহ সচল করা এবং সরকারিভাবে গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প অবশ্যই স্থানীয় পরিবেশবান্ধব এবং জলবায়ু সহনশীল করাসহ ৭ দফা সুপারিশ করেন।

সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সদর ইউএনও অর্ণব দত্ত জলাবদ্ধতার বিপর্যয় এড়াতে এবং পৌর এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচলসহ পানি নিষ্কাশনের সমস্ত প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পৌর কর্তৃপক্ষকে সাথে নিয়ে সমন্বিত ক্রাশ প্রোগ্রাম গ্রহণ করার আশ্বাস দেন।

মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে উড়িয়ে বিশ্বকাপ শুরু আর্জেন্টিনার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ
মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে উড়িয়ে বিশ্বকাপ শুরু আর্জেন্টিনার

বিশ্বকাপের শুরুতেই আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া ম্যাচে দেখা মিলেছিল রোমাঞ্চের ঝড়। জে গ্রুপের উদ্বোধনী ম্যাচের একেবারে প্রথম দিকে দুই দল গোলের স্বাদ পেলেও অফসাইডের ফাঁদে পড়ে তা বাতিল হয়ে যায়। তবে অপেক্ষা দীর্ঘ হয়নি। ১৭ মিনিটেই জ্বলে ওঠেন লিওনেল মেসি, আর সেখান থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এককভাবে নিজেদের হাতে নেয় আর্জেন্টিনা। তার হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।

 

কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে শিরোপা রক্ষার অভিযানে আর্জেন্টিনার ম্যাচের শুরুটা ছিল দ্রুতগতির ও আক্রমণাত্মক। ষষ্ঠ মিনিটেই দুর্দান্ত এক আক্রমণে গোলের চেষ্টা করেন মেসি। কিন্তু বিল্ডআপে সামান্য অফসাইড ধরা পড়ায় গোল বাতিল হয়ে যায়।

 

 

এর ঠিক দুই মিনিট পরই উল্লাসে মেতে ওঠে আলজেরিয়া। শাইবি প্রথম স্পর্শেই দারুণ এক ফিনিশে বল জালে পাঠালেও কিছুক্ষণ পর সেটিও বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। তবে ১৭ মিনিটে আর কোনো ভুল করেননি আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। ফ্রি-কিকের পর মাঝমাঠ থেকে রদ্রিগো দে পল দারুণ এক পাসে ডিফেন্স ভেদ করে বল পৌঁছে দেন মেসির পায়ে। এরপর নিজের স্বভাবসুলভ ড্রিবলিংয়ে বক্সের কিনারায় পৌঁছে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে গোলরক্ষক লুকা জিদানকে পরাস্ত করেন তিনি। আর্জেন্টিনা এগিয়ে যায় ১-০ ব্যবধানে।

 

 

একেবারে শুরুর দিকে লাউতারো মার্তিনেজের হেডে সুযোগ তৈরি হলেও গোলরক্ষকের হাতে সহজেই ধরা পড়ে সেই চেষ্টা। এরপর বল দখলে রেখে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রাখে আর্জেন্টিনা। বিপরীতে আলজেরিয়া পাল্টা আক্রমণের অপেক্ষায় ছিল।

 

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে এসে আরও বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন মেসি। ৬০ মিনিটে আসে দ্বিতীয় গোল। অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের দূরপাল্লার শট ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি গোলরক্ষক লুকা জিদান। বল ফসকে পড়তেই সুযোগ কাজে লাগান মেসি। দ্রুত বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি। আর ম্যাচের ৭৬ মিনিটে আসে তার হ্যাটট্রিক। নিকো গঞ্জালেসের সঙ্গে ছোট ছোট পাসে ডিফেন্স ভেঙে ঢুকে পড়েন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। এরপর বাঁ পায়ে দারুণ এক কার্লিং শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। যা তার বিশ্বকাপের প্রথম হ্যাটট্রিক। তার পরই অবশ্য ৮০ মিনিটে উঠে যান তিনি।

 

হ্যাটট্রিকে জয়ের নায়ক ছিলেন মেসি-ই। আবাও মুগ্ধতা ছড়ালেন। তিন গোল করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় এখন মিরোস্লাভ ক্লোসার সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষেও পৌঁছে গেছেন। মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬। ক্লোসারও ১৬। তবে জার্মান কিংবদন্তি চারটি বিশ্বকাপে ২৪ ম্যাচে এই কীর্তি গড়লেও মেসি নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে ২৮তম ম্যাচ খেলেই সেই রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন। আগামী সোমবার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে তিনি এককভাবে শীর্ষে ওঠার সুযোগ পাবেন।

মৌলভীবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ
মৌলভীবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী

একদিনের সফরে মৌলভীবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

বুধবার (১৭ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

 

 

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

 

 

প্রেস উইং জানিয়েছে, সকাল সোয়া ১০টায় তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। সেখান থেকে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার উদ্দেশে রওনা হবেন।

 

দুপুর ১টায় শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দুপুর আড়াইটায় মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আরও একটি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে যোগ দেবেন।

 

সর্বশেষ বিকাল পৌনে ৫টায় দুসাই রিসোর্টে আয়োজিত একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। অনুষ্ঠান শেষে রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।