বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

‘দিদি নাম্বার ওয়ান’ থেকে সরলেন রচনা, স্বস্তিকাকে ছুঁড়ে দিলেন বড় চ্যালেঞ্জ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
‘দিদি নাম্বার ওয়ান’ থেকে সরলেন রচনা, স্বস্তিকাকে ছুঁড়ে দিলেন বড় চ্যালেঞ্জ

দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ‘দিদি নাম্বার ওয়ান’-এর পরিচিত মুখ ছিলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এবার জনপ্রিয় এই অনুষ্ঠান নতুনভাবে সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ফলে নতুন মৌসুমে রচনার জায়গায় দেখা যাবে অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে।

অনুষ্ঠান থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ জানাতে গিয়ে রচনা বলেন, “আমার কাজের চাপ আছে। এটা তো একটা কারণ বটেই। দ্বিতীয়ত, এটা চ্যানেলের সিদ্ধান্ত ছিল। কারণ, ওরা এই অনুষ্ঠানকে নতুনভাবে সাজাতে চেয়েছিল। আর চ্যানেলের সিদ্ধান্তের উপরে তো আমি কিছু বলতে পারি না।”

তবে বিদায়ের পাশাপাশি নতুন টিমের সামনে বড় চ্যালেঞ্জও ছুঁড়ে দিয়েছেন তিনি। রচনার ভাষায়, “এটা ওদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। ওদের প্রমাণ করে দেখাতে হবে, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও পরিবর্ত কেউ হতে পারে। সেটা করে দেখাক ওরা। আমি সেই দিনটাই দেখার অপেক্ষায় আছি।”

তার দাবি, ‘দিদি নাম্বার ওয়ান’ আজ যে অবস্থানে পৌঁছেছে, তার পেছনে তার দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও অবদান রয়েছে। “এই শো আজ যে জায়গায় রয়েছে, সেটা আমি ছিলাম বলে এবং আমার অবদান ছিল বলেই এই পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে,” বলেন তিনি।

তবে নতুন সঞ্চালক স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের প্রতি শুভকামনাও জানিয়েছেন রচনা। তিনি বলেন, “স্বস্তিকা আমার খুব ভালো সহকর্মী। বহু দিনের সম্পর্ক আমাদের। নিশ্চয়ই খুব ভালো কাজ করবে। অনেক শুভেচ্ছা। আশা করছি, মানুষও ওকে খুব ভালোভাবে গ্রহণ করবে।”

অন্যদিকে নতুন দায়িত্ব নিয়ে উচ্ছ্বসিত স্বস্তিকাও। অনুষ্ঠানের ঝলক প্রকাশের পর দর্শকদের প্রতিক্রিয়ার জবাবে তিনি বলেন, “আমি সবসময়ই আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি। আশা করি এই অনুষ্ঠানের সব দর্শক নতুন মৌসুম উপভোগ করবেন। আপনাদের সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।”

একই সঙ্গে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন অনুষ্ঠানটির দীর্ঘ পথচলার কথা। স্বস্তিকার ভাষায়, “অনেকে ১০ বছরের কথা বলছেন, কিন্তু অনুষ্ঠানটি টানা ২০ বছর ধরে চলছে। তাই এটি নিঃসন্দেহে একটি বড় দায়িত্ব।”

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে বাঙালি দর্শকের কাছে ‘দিদি’ হিসেবে পরিচিত রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছাড়াই এবার নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে ‘দিদি নাম্বার ওয়ান’। আর সেই নতুন অধ্যায়ের সাফল্য কতটা দর্শকমনে জায়গা করে নিতে পারে, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।