বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

কালিগঞ্জে পুলিশের পৃথক অভিযানে দু’টি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে পুলিশের পৃথক অভিযানে দু’টি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ২

বিশেষ প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে দেশে তৈরী পিস্তলসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক আতিকুর রহমান ও অন্যান্য অফিসার সম্মিলিতভাবে পৃথক অভিযান চালিয়ে উপজেলার কৃষ্ণনগর এলাকা থেকে ওই দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের শংকরপুর গ্রামের মৃত আবুল বাশারের ছেলে আনিছুর রহমান (৩৪) এবং কৃষ্ণনগর গ্রামের মোসলেম কাগুচির ছেলে মহাসিন কাগুচি (২৮)।

থানা সূত্রে জানা গেছে, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত গহর আলী সরদারের ছেলে আজিবর রহমান (৫৫) এর সাথে পার্শ্ববর্তী শংকরপুর গ্রামের মৃত আবুল বাশারের ছেলে আনিছুর গংদের দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলছে। বিরোধের সূত্রে গত ২১ জুন বিকেল পৌনে ৬টার দিকে কৃষ্ণনগরের বন্ধন হাসপাতালের সম্মুখে আনিছুর রহমান এবং তার সহযোগীরা পিস্তল ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আজিবর রহমানের উপর হামলা চালায়। এ সময় তারা ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে চাঁদা দাবি করে।

 

চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় আজিবুর রহমানকে তারা বেধড়ক মারপিট করতে থাকে। একপর্যায়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এলে আনিছুর রহমান ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা খুন জখমের হুমকি দিয়ে চলে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আজিবর রহমান গত ২২ জুন কালিগঞ্জ থানায় আনিছুর রহমানকে প্রধান আসামি করে মোট ৪ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা ৩ থেকে ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-২৬)।

 

এর পরপরই সহকারী উপ-পরিদর্শক আতিকুর রহমান ও থানার কয়েকজন অফিসারের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান নির্ণয়পূর্বক ঝটিকা অভিযান চালিয়ে সোমবার দিবাগত রাতে বেনাদোনা এলাকা থেকে একটি দেশীয় পিস্তলসহ মামলার প্রধান আসামি আনিছুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেন। পরবর্তীতে মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে পৃথক অভিযান চালিয়ে কৃষ্ণনগর শ্মশানঘাট এলাকা থেকে মামলার ৩ নং আসামি মহাসিন কাগুচিকে আরও একটি দেশীয় পিস্তলসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া আনিছুর রহমান ও মহাসিন কাগুচি কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার ত্রাস দুর্র্ধষ ডাকাত ইয়ার ও বাহার আলীর অন্যতম সহযোগী বলে পুলিশ জানিয়েছে।

কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম দ্রুত বিচার আইন (২০০২) এর ৪/৫ ধারায় দায়ের হওয়া মামলায় দুই আসামিকে পিস্তলসহ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।