বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

কলারোয়ায় কৃষি ব্যাংকের ঋণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, ভোগান্তিতে কৃষক-ব্যবসায়ীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় কৃষি ব্যাংকের ঋণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, ভোগান্তিতে কৃষক-ব্যবসায়ীরা

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার কলারোয়া বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক শাখায় কৃষি ঋণ বিতরণে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও অনেক যোগ্য আবেদনকারী ঋণ পাচ্ছেন না। অন্যদিকে প্রভাবশালী একটি চক্রের মাধ্যমে কিছু ব্যক্তি সহজেই বড় অঙ্কের ঋণ পাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, শাখার কয়েকজন কর্মকর্তা ও তাদের ঘনিষ্ঠদের মাধ্যমে ঋণ বিতরণে প্রভাব বিস্তার করা হচ্ছে। এতে প্রকৃত কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অনেকেই প্রয়োজনীয় ঋণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
জয়নগর এলাকার কৃষক মুজিবার রহমান বলেন, প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দিয়েও দীর্ঘদিন ধরে ঋণের জন্য ঘুরছেন। এখনো তিনি ঋণ পাননি।

কলারোয়া পৌরসভার ব্যবসায়ী গোলাম রসুলের অভিযোগ, প্রকৃত প্রয়োজন থাকা অনেক আবেদনকারীকে নানা অজুহাতে অপেক্ষা করানো হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
লাঙ্গলঝাড়া এলাকার মাহবাবুর রহমান বলেন, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেক কৃষক সময়মতো ঋণ পাচ্ছেন না। এর প্রভাব কৃষি উৎপাদনের ওপরও পড়ছে।

জালাবাদের হাবিবুর রহমানের ভাষ্য, নিয়ম মেনেই আবেদন করলেও ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে বলে তাঁর মনে হয়েছে।
হেলাতলার আব্দুল্লাহ আল মামুন অভিযোগ করেন, কৃষকদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণের কারণে অনেকেই হতাশ হয়ে পড়ছেন।

কুশোডাঙ্গার বাবলু ইসলাম বলেন, অনেক প্রকৃত কৃষক ও ব্যবসায়ী ঋণ না পেলেও তুলনামূলক কম সম্পদ দেখিয়ে কিছু ব্যক্তি বড় অঙ্কের ঋণ পাচ্ছেন বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত হওয়া উচিত।

ভুক্তভোগীদের দাবি, শতাধিক কৃষক ও ব্যবসায়ী তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী ঋণ পাচ্ছেন না। কয়েকজন কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে ঋণ নবায়ন ও বিতরণের অভিযোগ করেছেন তারা। অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘুষ ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে ঋণ অনুমোদন করা হয় না। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকার পরও বিভিন্ন অজুহাতে আবেদনকারীদের মাসের পর মাস ঘোরানো হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কলারোয়া বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক শাখার মুখ্য কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দীন। তিনি বলেন, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। যারা ঋণের জন্য আবেদন করেছেন, তাদের কাগজপত্র ঠিক থাকলে নিয়ম অনুযায়ী ঋণ দেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে কাউকে ঋণ দেওয়া হয় না।

 

 

Ads small one

শতবর্ষী আব্দুল কাদেরের জীবন চলে নাতনির ভিক্ষার টাকায়, মেলেনি সরকারি ঘর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
শতবর্ষী আব্দুল কাদেরের জীবন চলে নাতনির ভিক্ষার টাকায়, মেলেনি সরকারি ঘর

0-4064x3074-0-0#

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের ফয়জুল্যাপুর গ্রামে এক জরাজীর্ণ ঝুপড়ি ঘরে চরম অভাব আর অনাহারে দিন কাটছে শতবর্ষী বৃদ্ধ আব্দুল কাদের সরদারের। কোনো পুত্রসন্তান না থাকায় প্রতিবন্ধী নাতনির ভিক্ষার টাকা এবং সামান্য সরকারি ভাতায় চলছে তিন সদস্যের এই পরিবারের জীবনসংগ্রাম।
ফয়জুল্যাপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কাদেরের বয়স একশ বছর পেরিয়ে গেছে। ১৫-১৬ বছর আগে তার স্ত্রী মারা যান। তিন কন্যাসন্তান থাকলেও তারা সবাই দরিদ্র এবং স্বামীর সংসারে থাকেন। বর্তমানে বিদ্যুৎহীন একটি ছোট্ট পলিথিনের ছাউনি দেওয়া ঘরে কাদেরের সঙ্গে থাকেন তার প্রতিবন্ধী নাতনি আহ্লাদী ও নাতনির দুই বছরের এক কন্যাসন্তান। ভাঙা ঘরে রোদ-বৃষ্টির মধ্যেই তাদের বাস করতে হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল কাদেরের নামে মাসে ৬০০ টাকার বয়স্ক ভাতা এবং তার নাতনির নামে ৮৩৩ টাকার প্রতিবন্ধী ভাতা রয়েছে। এই সামান্য টাকায় চাল, ডাল, ওষুধ ও শিশুর খাবার কেনা সম্ভব হয় না। ফলে প্রতিবেশীদের দেওয়া খাবার এবং নাতনি আহ্লাদীর ভিক্ষার আয়ের ওপরই তাদের টিকে থাকতে হচ্ছে। টাকার অভাবে এই ঘরে আজ পর্যন্ত বিদ্যুতের কোনো সংযোগও নেওয়া সম্ভব হয়নি।
সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত আব্দুল কাদেরের কপালে কোনো ঘর জোটেনি। জীবনের শেষ সময়ে এসে একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই, দুমুঠো অন্ন আর ঘরের আলোর আকুতি জানিয়েছেন এই বৃদ্ধ।
ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান জানান, আব্দুল কাদেরকে ইতিমধ্যে বয়স্ক ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। সরকারি ঘরের তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চলছে। তবে বরাদ্দ কম থাকায় কিছুটা সময় লাগছে। মানবিক দিক বিবেচনা করে তার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভোটের সময় জনপ্রতিনিধিদের নানা প্রতিশ্রুতি দেখা গেলেও এই অসহায় পরিবারের পাশে টেকসই সহায়তায় কেউ এগিয়ে আসেনি। বৃদ্ধ আব্দুল কাদেরের শেষ জীবনটা একটু শান্তিতে কাটানোর জন্য একটি নিরাপদ বাসস্থান ও সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে বিত্তবান ও প্রশাসনের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। তাকে ‎সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: ‎নাম: আব্দুল কাদের সরদার, ‎গ্রাম: ফয়জুল্যাপুর, ডাক: ব্রহ্মরাজপুর, ‎উপজেলা: সাতক্ষীরা সদর, জেলা: সাতক্ষীরা, ‎মোবাইল: ০১৩১১০৫৪৮৩৫ (নগদ)।

আশাশুনিতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের প্রস্তুতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের প্রস্তুতি সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে এই সভা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) আশাশুনির যৌথ আয়োজনে সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (আরডিও) আবুল কালাম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার দাশ, খাদ্য নিয়ন্ত্রক সঞ্জয় কুমার রায়, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা পলাশ কান্তি রায়, বিআরডিবি চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান প্রমুখ।
সভায় আগামী ৬ জুলাই জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা সভা, সমবায়ীদের পুরস্কার বিতরণ এবং সুফলভোগী সদস্যদের মাঝে গাছের চারা বিতরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

দেবহাটায় পুওর ওয়েলফেয়ার ফোরামের প্রস্তুতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় পুওর ওয়েলফেয়ার ফোরামের প্রস্তুতি সভা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটায় ‘পুওর ওয়েলফেয়ার ফোরাম’ (পফ)-এর নতুন কমিটি গঠন উপলক্ষে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার উপজেলার কামটাস্থ সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এই সভা হয়।
সংগঠনের সাবেক সভাপতি সাইফুল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম। সাবেক সাধারণ সম্পাদক আহছান হাবীবের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেন, বেসরকারি সংস্থা ‘আইডিয়াল’-এর নির্বাহী পরিচালক নজরুল ইসলাম, সাবেক কোষাধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান প্রমুখ। উল্লেখ্য, এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি স্থানীয় এলাকায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দুর্যোগকালীন ত্রাণ বিতরণ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে আসছে।