মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩

কক্সবাজারে ভারী বৃষ্টিতে চার জায়গায় পাহাড়ধস, ৯ জনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ণ
কক্সবাজারে ভারী বৃষ্টিতে চার জায়গায় পাহাড়ধস, ৯ জনের মৃত্যু

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভারীবর্ষণের ফলে পৃথক তিনটি পাহাড়ধসের ঘটনায় নারী-শিশুসহ আটজন এবং কক্সবাজার শহরে একজনসহ মোট ৯ জন নিহত হয়েছেন। রবিবার (৫ জুলাই) দিবাগত রাতে এসব ঘটনা ঘটে।

সোমবার (৬ জুলাই) ভোরের দিকে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ১৫নং জামতলী ক্যাম্পের ডি/৬ ব্লকে আশ্রিত রোহিঙ্গা মোহাম্মদ কামাল হোসাইন (৪৪) এর বসতঘরের ওপর মাটি এসে পড়ে। এ ঘটনায় কামাল হোসাইন ও তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম (৩৯) এবং পুত্র মোহাম্মদ আনাসের (৪) মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

উখিয়া ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা চালায়, তিনজনকে মৃত ও দুজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।’

 

এর কিছুক্ষণ আগে উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালং ৭নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি/৭ ব্লকে রাত পৌনে ২টার দিকে পাহাড়ি ঢলে আসা মাটি চাপায় একরাম নামে ৭ বছর বয়সী এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু হয়। নিহত একরাম ওই ক্যাম্পের মোহাম্মদ রশিদের ছেলে।

ক্যাম্পের মাঝি এনায়েত উল্লাহ জানান, খবর পেয়ে রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবকরা শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।

সবশেষ রাত ৩টার দিকে ক্যাম্প প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সূত্রে উপজেলার বালুখালী ১১ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি/১১ ব্লকে পাহাড়ধসে নারী ও শিশুসহ চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, এছাড়াও আহত হয়েছেন একজন।

এ ঘটনায় নিহতরা হলেন, ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে উম্মে হাবিবা (২৭) ও তার বোন তানজিনা আক্তার (১৩), মোহাম্মদ রশিদের ছেলে মোহাম্মদ রিহান (৫) ও তার ভাই হারুনুর রশিদ (৩)।

উখিয়া উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে।

 

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার বলেন, ‘ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড়ধসের আশঙ্কা রয়েছে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থানকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে। সবাইকে প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হচ্ছে।’

অন্যদিকে কক্সবাজার শহরের ১২ নং ওয়ার্ডের ছাত্তার ঘোনা এলাকায় পাহাড়ধসে আলী আকবর নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ভোর ৪টার কিছু পর ছাত্তার ঘোনায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। এসময় পাহাড় ধসে চাপা পড়েন একই পরিবারের ৩ জন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে। এসময় আলী আকবরের অবস্থান আশঙ্কাজন হলে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

কক্সবাজারে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়া অধিদফতর কক্সবাজারের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান জানান, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এই বৃষ্টিপাত হচ্ছে এবং আরও দুদিন ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে।

Ads small one

বেনাপোল ইনসপেকসন অব হেল্পওয়ে হোম শীর্ষক কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
বেনাপোল ইনসপেকসন অব হেল্পওয়ে হোম শীর্ষক কর্মশালা

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: মানব পাচার প্রতিরোধ পুনঃবাসনসহ জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে মঙ্গলবার দুপুরে বেনাপোল একটি হোটেলে ইনসপেকসন অব হেল্পওয়ে হোম শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্টিত হয়েছে।

সভায় শেল্টার হোমসহ পাচার প্রতিরোধের উপর বিভিন্ন ধরনের আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় আরো উল্লেখ করা হয়, শেল্টার হোমে পৃথকভবে নারী শিশু পুরুষদের নিরাপত্তা খাদ্য চিকিৎসাসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা করা হয়। আইনি সহায়তা দেওয়া হয় পাচারের শিকার নাগরিকদের। প্রশিক্ষণ পরামর্শ বা আর্থিক সহায়তার কথা উল্লেখ করেন মানবধিকার কর্মার্তারা।

কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ। ইউনাইটেড নেশনের ঢাকা কো অডিনেটর তাসনিম বিনতে করিম, রাইট যশোরের নির্বাহী পরিচালক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক, সাংবাদিক মহাসিন মিলন ও বকুল মাহবুব ছাড়াও বিজিবি পুলিশ ও পৌর প্রশাসনের কর্মকর্তারাসহ গণমাধ্যম কর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

কেশবপুর থানা পুলিশের অভিযানে নারীসহ ওয়ারেন্টভুক্ত ১১ আসামি গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
কেশবপুর থানা পুলিশের অভিযানে নারীসহ ওয়ারেন্টভুক্ত ১১ আসামি গ্রেপ্তার

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে আদালতের ওয়ারেন্টভূক্ত ২ নারীসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গত সোমবার (৬ জুলাই) রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

থানা সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুনের দিক-নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ উপ-পরিদর্শক মোকলেছুর রহমান এর নেতৃত্বে একদল চৌকস অফিসার নিয়ে ৬ জুলাই সোমবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।

 

অভিযানকালে আদালতের ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি মজিদপুর গ্রামের মৃত আয়ন উদ্দিন শেখ এর ছেলে আদিল উদ্দিন (২৭), মুলগ্রামের মৃত কেরামত সানার ছেলে লিটন হোসেন (২৫), রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত আরশাদ আলীর ছেলে মজিবর রহমান (৩০), কন্দর্পপুর গ্রামের কওসার গাজীর ছেলে জাহিদুল ইসলাম মিন্টু (৩৫), মাদারডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল কাদের মোড়লের ছেলে আমিনুর রহমান (৩১), সাগরদত্তকাঠি গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে আজহারুল ইসলাম (২৫), একই গ্রামের জাহা মোড়লের ছেলে নুর ইসলাম (৩৫), জাহানপুর গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলী খার ছেলে আব্দুল হান্নান খা (৪৫), খোপদহি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক মোড়লের ছেলে মিন্টু রহমান (৩০), বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের হযরত আলীর স্ত্রী প্রিয়া আক্তার তমা (২২), পরচক্রা গ্রামের শাহাদাৎ হোসেনের স্ত্রী রুপা খাতুন (২৪) কে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ।

এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোছা: রোকসানা খাতুন বলেন, বিজ্ঞ আদালতের ওয়ারেন্টভূক্ত ২ নারীসহ ১১ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের যশোর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

সাতক্ষীরা শহরের যানজট নিরসনে উপ-কমিটির সভা, গুরুত্ব পেল দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা শহরের যানজট নিরসনে উপ-কমিটির সভা, গুরুত্ব পেল দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা জেলা শহরের যানজট নিরসনকল্পে গঠিত উপ-কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় যানজটের তাৎক্ষণিক সমাধানের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা এবং শহরের বাইরে বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের বিষয়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় শহরের যানজটের কারণ, বর্তমান পরিস্থিতি এবং তা নিরসনে করণীয় নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। প্রশাসন, পুলিশ, পৌরসভা, বিআরটিএ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতারা এতে অংশ নেন।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, অবৈধ ভ্যান ও ইজিবাইকের চলাচল নিয়ন্ত্রণে অভিযান জোরদার করা হবে। বড় বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। যেখানে-সেখানে যানবাহন পার্কিং ও যাত্রী ওঠানামা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করা হবে। চলমান সড়ক সংস্কারকাজ দ্রুত শেষ করার জন্যও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সভায় সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, শহরের বিভিন্ন স্থানে বাস থামানো ও যাত্রী ওঠানামার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলেও অনেক পরিবহন তা মানছে না। নির্ধারিত স্থানের পরিবর্তে সড়কের ওপর বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো এবং দীর্ঘ সময় বাস রেখে দেওয়ার কারণে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এসব নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে যানজট অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে বলে তিনি মত দেন।

সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস বলেন, সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করতে পারলে সাতক্ষীরা শহরের যানজট অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, কিছু সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলেও বাস টার্মিনাল স্থানান্তর, সড়ক সম্প্রসারণ, গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে গোলচত্বর উন্নয়ন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের মতো বিষয়গুলো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, পার্সেল ও কুরিয়ার সার্ভিসের বড় যানবাহনের শহরে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, রুট পারমিটবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, শহরের প্রবেশপথে চেকপোস্ট আরও কার্যকর করা এবং অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। তবে জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিও অনুসরণ করা হবে।

রিপন বিশ্বাস বলেন, যানজট নিরসনে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। প্রশাসন, পুলিশ, পৌরসভা, বিআরটিএ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই এ সমস্যার টেকসই সমাধান সম্ভব। তাই সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আমিনুর রহমান, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, বিআরটিএ সাতক্ষীরা অফিসের মোটরযান পরিদর্শক মো. ওমর ফারুক, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমতউল্লাহ পলাশ, বিএনপি নেতা আলহাজ্ব মো. আব্দুর রউফ, জেলা জামায়াতের আমির শহিদুল ইসলাম মুকুল ও শহর জামায়াতের সেক্রেটারী খোরশেদ আলম, সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ মাসুম বিল্লাহ শাহীন, সাতক্ষীরা জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাধুসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও উপ-কমিটির সদস্যরা।