বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ‘হাইজ্যাক’ না করার আহ্বান সালমান খানের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৫ অপরাহ্ণ
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ‘হাইজ্যাক’ না করার আহ্বান সালমান খানের

 

ভারতে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে রাজপথে নামা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাহসী ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রশংসা করার পাশাপাশি এ প্রতিবাদকে কোনো রাজনৈতিক দল যাতে ‘হাইজ্যাক’ বা রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করে, সে বিষয়ে সতর্ক করেছেন এই তারকা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র বরাত দিয়ে জানা যায়, বুধবার (২২ জুলাই) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শৈশব ও স্কুলজীবনের একটি পুরোনো সাদাকালো ছবি শেয়ার করেন ৬০ বছর বয়সী এই অভিনেতা। ছবির সাথে দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি প্রশ্নফাঁসকে একটি অত্যন্ত মারাত্মক সংকট হিসেবে উল্লেখ করেন।

 

 

সালমান খান লেখেন, “প্রশ্নফাঁস একটি অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা, যা সরাসরি শিক্ষার্থী ও সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যতের সাথে জড়িত। তাই এই আন্দোলনকে কোনোভাবেই রাজনৈতিক রঙ দেওয়া বা স্বার্থ হাসিলে ব্যবহার করা ঠিক হবে না। এর সব কৃতিত্ব কেবল রাজপথে থাকা শিক্ষার্থীদেরই প্রাপ্য।”

প্রখ্যাত এই অভিনেতা আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকার অতি দ্রুত এই শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াবে এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করতে কঠোর পদক্ষেপ নেবে। এটিকে সবার জয় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “আমি একটি ইতিবাচক সমাধানের অপেক্ষা করছি। যারা সত্যের সাথে শিক্ষিত হতে চায়, তাদের সবার জন্য রইল নিরন্তর শুভকামনা।”

পোস্টের শেষাংশে ভারতে বিশ্বমানের শিক্ষ পরিবেশ গড়ে তোলার আশাবাদ ব্যক্ত করে সালমান লেখেন, তিনি এমন একটি ভারত দেখতে চান যেখানে শিক্ষা একটি ইতিবাচক ‘ট্রেন্ডে’ পরিণত হবে এবং বিশ্বজুড়ে শিক্ষার্থীরা ভারতে পড়াশোনা করতে আসবে।

উল্লেখ্য, ভারতের এই প্রশ্নফাঁসবিরোধী আন্দোলনের পক্ষে এর আগেও আওয়াজ তুলেছেন ওমি বৈদ্য, জিনাত আমান, নাসিরউদ্দিন শাহ, রত্না পাঠক শাহ, অভয় দেওল, সোনাক্ষী সিনহা এবং রিতেশ দেশমুখের মতো প্রখ্যাত বলিউড তারকারা। তারা সবাই অহিংস ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ের পক্ষে অবস্থান জানিয়েছেন।

 

Ads small one

মিস্টিতে তেলাপোকাসহ নানা অভিযোগ, রাজ-পানসি-সোনারগাঁও রেস্তোরায় ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
মিস্টিতে তেলাপোকাসহ নানা অভিযোগ, রাজ-পানসি-সোনারগাঁও রেস্তোরায় ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা শহরের ৩টি রেস্তোরায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়েছে। এসময় ফ্রিজে কাঁচা মাছ-মাংসের সাথে রান্না করা খাবার একসাথে রাখা, মাথায় হেডনেট ব্যবহার না করা, বাসি খাবার ফ্রিজে রাখা, মিষ্টিতে তেলাপোকা পাওয়া এবং কিডনি ডায়ালাইসিস করার ক্যামিকেল কেওড়া জল খাবারে ব্যবহারের অভিযোগে প্রতিষ্ঠান ৩টি থেকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয় জানায়, শহরের পলাশপোল এলাকায় অবস্থিত পানসী রেস্তোরার ফ্রিজে কাঁচা মাছ-মাংসের সাথে রান্না করা খাবার একসাথে রাখা, মাথায় হেডনেট ব্যবহার না করাসহ কিছু বাসি খাবার ফ্রিজে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করার অভিযোগে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এছাড়া শহরের মুনজিতপুর এলাকায় অবস্থিত হোটেল রাজ এর ফ্রিজে বাসি গ্রিল রাখা, ফ্রিজ অপরিস্কার অপরিচ্ছন্ন থাকা, খাবার ঢেকে না রাখা, মিষ্টিতে ছোট একটি তেলাপোকা পাওয়া, দই-ফিরনিতে লেবেল না দেয়া, মাথায় হেডনেট ব্যবহার না করার অভিযোগে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অপরদিকে শহরের লাবনী মোড় এলাকায় অবস্থিত সোনারগাঁও রেস্তোরায় দই-ফিরনিতে লেবেল না দেয়া, মাথায় হেডনেট ব্যবহার না করা, ঝুল পরিস্কার না করা, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিষিদ্ধ কেওড়া জল (যা কিডনি ডায়ালাইসিস করার ক্যামিকেল) খাবারে ব্যবহার করার অভিযোগে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। তিনটি রেস্তোরাকে সর্বমোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়েছে।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয় আরো জানায়, সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ এর একটি চৌকশ টিমের সহায়তায় উক্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ মেহেদী হাসান তানভীর উক্ত অভিযানের নেতৃত্ব দেন। এসময় জেলা কার্যালয়ের নিরাপদ খাদ্য অফিসার দীপংকর দত্ত এবং কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), সাতক্ষীরা এর নির্বাহী সদস্য জি এম ইশতিয়াক জামিল সহায়তা করেন।

অভিযান পরিচালনাকালের শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তদারকি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

গাজী নজরুল ইসলামের শাস্তি ও পদত্যাগের দাবিতে শ্যামনগরের এলাকায় এলাকায় বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
গাজী নজরুল ইসলামের শাস্তি ও পদত্যাগের দাবিতে শ্যামনগরের এলাকায় এলাকায় বিক্ষোভ

পত্রদূত রিপোর্ট: তরুণীর সাথে ভিডিও কান্ডে গাজী নজরুল ইসলামের শাস্তি ও এমপি পদ থেকে পদত্যাগের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে সাতক্ষীরা-৪ আসনের বিভিন্নস্তরের মানুষ। এতে উত্তাল হয়ে পড়ে পুরো সংসদীয় আসন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উপজেলার কাশিমাড়ী, নুরনগর, কৈখালী এবং শ্যামনগর সদরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন তারা।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিস চত্তরে শ্যামনগরের সর্বস্তরের ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদী জনতার আয়োজনে মানববন্ধনে ফরিদুজ্জামানের সঞ্চলনায় বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম।

উপজেলার নুরনগর ইউনিয়নের নুরনগর বাজারে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে ব্যাবসায়ী মিজানুর রহমান এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন গোলাম আলমগীর সাবেক চেয়ারম্যান নুরনগর ইউনিয়ন পরিষদ।

উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের বংশীপুর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও গ্রাম ডাঃ আব্দুল হালিম এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর উপজেলা ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি আছাদুল্লাহ বাহার আছু, অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম খলিল, ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাদেকুর রহমান। এছাড়া উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়নের কাশিমাড়ী বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এসব বিক্ষোভ মিছিল থেকে গাজী নজরুল ইসলামকে অবিলম্বে এমপি থেকে পদত্যাগের জন্য দাবি জানানো হয়। তা নাহলে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। এছাড়া তার শাস্তির দাবিও উঠে আসে বিক্ষোভ মিছিল থেকে।

এদিকে, আজ সকালে আরো একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায় একজন নারীকে নিয়ে গাজী নজরুল একটি ভবনে প্রবেশ করেছেন। এবং তার সাথে অন্তরঙ্গ মুহুর্তে জড়িয়ে পড়েন।

জ্বালানি সংকট সংক্রান্ত গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬, ৪:২৮ অপরাহ্ণ
জ্বালানি সংকট সংক্রান্ত গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের

পত্রদূত ডেস্ক: জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদ্মা, মেঘনা এবং যমুনা পেট্রোলিয়াম কোম্পানির খুলনা ডিপো কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে যে জ্বালানি তেলের মজুদ ও সরবরাহে কোন সংকট নেই। সাতক্ষীরার ফুয়েল স্টেশনগুলো পূর্বে যেমন জ্বালানি বরাদ্দ পেত বর্তমানেও বরাদ্দের হার একই আছে।

কাজেই জ্বালানি সংকট সংক্রান্ত গুজবে আপনাদের বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন।