বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

রাজনৈতিক সৌহার্দ্যে জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে জামায়াতের দুই এমপির মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
রাজনৈতিক সৌহার্দ্যে জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে জামায়াতের দুই এমপির মতবিনিময়

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর দুই সংসদ সদস্য মুহা. ইজ্জতউল্লাহ ও মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের এক সৌহার্দ্যপূর্ণ সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এতে রাজনৈতিক মতপার্থক্যের বাইরে গিয়ে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার একটি ইতিবাচক বার্তা ফুটে ওঠে। বৈঠকে জেলার সার্বিক উন্নয়ন ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
সাতক্ষীরার রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন দল ও মতের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা রয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থা ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্ব উঠে সম্মিলিত উদ্যোগকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে জামায়াতের দুই এমপির এই সাক্ষাৎকে রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তারা মনে করছেন, রাজনৈতিক পরিচয় ও আদর্শ ভিন্ন হলেও জনস্বার্থে একসাথে কাজ করার মানসিকতা থাকলে জেলার সার্বিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুল ইসলাম হাবিব ও জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ ইজ্জতউল্লাহ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে জামায়াত প্রার্থী ১৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। সম্প্রতি কলারোয়ায় একটি সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের কর্মসূচির মুখোমুখি অবস্থানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এরই প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা থেকেই সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের নেতৃত্বে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সভায় তালা-কলারোয়ার সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জতউল্লাহ এবং জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম মাহফুজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

Ads small one

রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ করার নির্দেশনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ করার নির্দেশনা

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ এবং আলোকসজ্জা পুরোপুরি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। এর আগে ১১ জুন থেকে শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর ছিল।

বিদ্যুৎ বিভাগের উপসচিব মো. মামুন ভূঁইয়ার সই করা চিঠিতে বলা হয়, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ আগস্ট থেকে শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান ও অনুষ্ঠিতব্য মেলা, বাণিজ্য মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও রাত ৮টার মধ্যে শেষ করতে হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে সব ধরনের আলোকসজ্জা বন্ধ রাখতে হবে। তবে খাবারের দোকান, হাসপাতাল ও ওষুধের দোকান এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে।

এর আগে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের কারণে চলতি বছরের ২ এপ্রিল মন্ত্রিসভা দেশের সব দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তা পরে ৭টা পর্যন্ত করা হয়।

পরের মাসে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ব্যবসায়ীরা দোকান খোলা রাখার দাবি তুললে ১২ মে থেকে দেশের শপিং মল, বিপণি বিতান ও দোকানপাট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দেয় সরকার। ঈদের পর ১২ জুন আবার ১ ঘণ্টা কমিয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

লোডশেডিং ঘিরে হামলার শঙ্কা, নিরাপত্তা চায় পল্লী বিদ্যুতের ৮০ সমিতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ
লোডশেডিং ঘিরে হামলার শঙ্কা, নিরাপত্তা চায় পল্লী বিদ্যুতের ৮০ সমিতি

জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় দেশজুড়ে লোডশেডিং বেড়েছে। এতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির স্থাপনা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন।

বুধবার (১২ আগস্ট) পুলিশ প্রশাসনকে একটি চিঠি দিয়েছে সংগঠনটি। সংগঠনের দফতর সম্পাদক মাহমুদ রহমানের সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, দেশের প্রায় ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি প্রায় ৪ কোটি গ্রাহককে বিদ্যুৎ সেবা দিচ্ছে। উৎপাদিত বিদ্যুতের বড় একটি অংশ এসব সমিতির মাধ্যমে গ্রাহকদের সরবরাহ করা হয়। কিন্তু চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কম থাকায় সমিতিগুলোকে বাধ্য হয়ে দীর্ঘ সময় লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

চিঠিতে বলা হয়, অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে কোথাও কোথাও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির স্থাপনায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটছে। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।

এ অবস্থায় দেশের প্রতিটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন গ্রিড, উপকেন্দ্র ও অফিসসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন। একই সঙ্গে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মাহমুদকাটীতে বৃক্ষরোপণ ও ‘গাছের গল্প বলা’ অভিযান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
মাহমুদকাটীতে বৃক্ষরোপণ ও ‘গাছের গল্প বলা’ অভিযান

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (খুলনা): জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় কপিলমুনির পার্শ্ববর্তী মাহমুদকাটীতে শুরু হয়েছে বৃক্ষরোপণ ও ‘গাছের গল্প বলা’ অভিযান।
বুধবার পাইকগাছা উপজেলার মাহমুদকাটীতে অনির্বাণ লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে অনির্বাণ লাইব্রেরি, ড্রিম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন এবং সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন। অনির্বাণ লাইব্রেরির সহসভাপতি বাসুদেব রায়ের সভাপতিত্বে ও সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্রের সঞ্চালনায় কর্মসূচি উদ্বোধন করেন সহযোগী অধ্যাপক সফিয়ার রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী প্রতিটি গাছের দেখভালের ওপর জোর দিয়ে শিক্ষার্থীদের ‘গার্ডিয়ানশিপ’ দেওয়ার প্রস্তাব করেন। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ বেশি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।