মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

টালমাটাল বিশ্বে বাংলাদেশের জন্য পর্যটনই হতে পারে রিজার্ভের নতুন ভরসা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
টালমাটাল বিশ্বে বাংলাদেশের জন্য পর্যটনই হতে পারে রিজার্ভের নতুন ভরসা

মো. মামুন হাসান
বিশ্ব অর্থনীতি এক অস্থির মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এবং ডলারের সংকট মিলিয়ে আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য পরিস্থিতি ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের আশঙ্কা এবং গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটে অস্থিরতা বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থাকে ভঙ্গুর করে তুলেছে। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের মতো অর্থনীতি, যা দীর্ঘদিন ধরে তৈরি পোশাক খাত ও প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভরশীল, তার সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এসে দাঁড়িয়েছে, বিকল্প কোথায়? এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে এমন এক খাতে, যাকে আমরা দীর্ঘদিন গুরুত্বহীন ভেবেছি। পর্যটন, যা অর্থনীতির ভাষায় অদৃশ্য রপ্তানি, এখন বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। বৈশ্বিক পরিসংখ্যান বলছে, আগামী দশকে এই খাতের বিস্তার এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে, যা অনেক প্রথাগত শিল্পকেও ছাড়িয়ে যাবে। যেখানে বিশ্ব অর্থনীতির সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি ধীর, সেখানে পর্যটনের ধারাবাহিক উত্থান একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়, অভিজ্ঞতা ও গন্তব্য এখন নতুন অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু।
বাংলাদেশের জন্য এই বাস্তবতা কেবল সম্ভাবনার গল্প নয়, বরং এক অনিবার্য কৌশলগত প্রয়োজন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদীমাতৃক বৈচিত্র্য, সমুদ্র উপকূল, পাহাড়ি অঞ্চল এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সব মিলিয়ে এই দেশ এমন একটি অভিজ্ঞতা দিতে সক্ষম, যা বৈশ্বিক পর্যটকদের জন্য অনন্য। তবুও এই সম্ভাবনা এখনো অব্যবহৃত রয়ে গেছে, যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের একটি বড় সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে। বিশ্বের অনেক ছোট অর্থনীতিই ইতোমধ্যে এই পথ ধরে এগিয়ে গেছে। মালদ্বীপ কিংবা থাইল্যান্ড তাদের পর্যটন নির্ভর মডেলের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিশীল উৎস তৈরি করেছে। এমনকি অর্থনৈতিক সংকটে থাকা দেশও পর্যটনের মাধ্যমে তাদের রিজার্ভ পুনর্গঠনে সক্ষম হয়েছে। এই উদাহরণগুলো স্পষ্ট করে যে, পর্যটন কেবল বিলাসী খাত নয়, বরং এটি একটি কার্যকর অর্থনৈতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
বাংলাদেশ যদি কৌশলগতভাবে এই খাতকে অগ্রাধিকার দেয়, তাহলে তা দ্রুত ফল দিতে পারে। বৈশ্বিক শ্রমবাজারের পরিবর্তনের ফলে এখন অসংখ্য পেশাজীবী নির্দিষ্ট কোনো দেশে আবদ্ধ নয়, তারা কাজের পাশাপাশি ভ্রমণ করে এবং দীর্ঘ সময় একটি দেশে অবস্থান করে। এই নতুন ধারা বাংলাদেশের জন্য সুযোগ তৈরি করেছে, যেখানে উন্নত ডিজিটাল অবকাঠামো ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারলে এই শ্রেণির মানুষের ব্যয় সরাসরি অর্থনীতিতে প্রবাহিত হতে পারে। একইভাবে আন্তর্জাতিক বিমান যাত্রার কেন্দ্র হিসেবে ঢাকাকে কাজে লাগিয়ে স্বল্পমেয়াদি ট্রানজিট পর্যটনের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব। অল্প সময়ের জন্য আসা যাত্রীদের শহরের অভিজ্ঞতার সাথে যুক্ত করা গেলে তা একটি নতুন আয়ের উৎসে পরিণত হতে পারে। আধুনিক বিশ্বে পর্যটনের আরেকটি বড় চালিকা শক্তি হলো ডিজিটাল উপস্থিতি। একটি ভাইরাল ভিডিও বা জনপ্রিয় ভ্রমণ কনটেন্ট কোনো দেশের ভাবমূর্তি বদলে দিতে পারে। তাই ইতিবাচক ব্র্যান্ডিং এখন কেবল প্রচারণা নয়, বরং বিনিয়োগের সমতুল্য।
বাংলাদেশের ভৌগোলিক বৈচিত্র্যও এই খাতকে এগিয়ে নিতে বড় সম্পদ। নদী ও সমুদ্রকে ঘিরে গড়ে উঠতে পারে আধুনিক জলভিত্তিক পর্যটন, যেখানে পরিবেশ সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব। একই সঙ্গে গ্রামীণ জীবনযাপন, কৃষিভিত্তিক অভিজ্ঞতা এবং ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য নতুন আকর্ষণ তৈরি করতে পারে। চিকিৎসা সেবার খরচ তুলনামূলক কম হওয়ায় স্বাস্থ্য পর্যটনও একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র, যা সঠিক নীতিমালার মাধ্যমে দ্রুত বিকশিত হতে পারে।
তবে এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আস্থা। নিরাপত্তা, সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করা ছাড়া কোনো দেশই পর্যটনে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য অর্জন করতে পারে না। এর পাশাপাশি প্রয়োজন সুসংগঠিত পরিকল্পনা, যেখানে অবকাঠামো উন্নয়ন, দক্ষ মানবসম্পদ গঠন এবং কার্যকর নীতিনির্ধারণ একসাথে কাজ করবে।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে একক খাতের ওপর নির্ভরতা একটি ঝুঁকিপূর্ণ কৌশল। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও স্থিতিশীল ও সহনশীল করতে হলে বৈচিত্র্য আনা ছাড়া বিকল্প নেই। এই বাস্তবতায় পর্যটন এমন একটি খাত, যা তুলনামূলক কম আমদানি নির্ভর, দ্রুত ফলদায়ী এবং বহুমাত্রিক প্রভাব সৃষ্টি করতে সক্ষম। অদৃশ্য রপ্তানি হিসেবে পর্যটনের শক্তি এখানেই, এটি কোনো পণ্য নয়, তবুও এটি বৈদেশিক মুদ্রা আনে, এটি কোনো কারখানা নয়, তবুও এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, এটি কোনো প্রচলিত শিল্প নয়, তবুও এটি অর্থনীতিকে গতিশীল করে। সঠিক পরিকল্পনা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে এই খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া গেলে, এটি বাংলাদেশের রিজার্ভের জন্য এক নতুন রক্ষাকবচে পরিণত হতে পারে। সময় এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার, কারণ এই প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে সম্ভাবনা অপেক্ষা করে না, তাকে কাজে লাগাতে হয়।
লেখক: ইনস্ট্রাক্টর (টেক) ও বিভাগীয় প্রধান, ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সাতক্ষীরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।

Ads small one

সাতক্ষীরায় এলবিডব্লিউএফ-এর ব্যবসায়ী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় এলবিডব্লিউএফ-এর ব্যবসায়ী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: সুদমুক্ত ও ইসলামী নীতিমালা অনুসরণ করে ব্যবসা পরিচালনায় ব্যবসায়ীদের উদ্বুদ্ধ করতে সাতক্ষীরায় ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস অ্যান্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন (এলবিডব্লিউএফ)-এর ব্যবসায়ী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় সাতক্ষীরার আল কুরআন একাডেমি অডিটোরিয়ামে জেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আইবিডব্লুউএফ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি মো. মহিউদ্দীন মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং আবুল কাশেমের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহম্মদ শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সহকারী জেনারেল সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার কাজী আবিদ হাসান। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ব্লিস হাসপাতালের এমডি মো. আবু হাসান, আইবিডব্লুউএফের জেলা সেক্রেটারী কামাল হোসেন, ব্যবসায়ি মনিরুজ্জামান মনির, ইকরামুল কবির, সাইফুল্লাহ, আব্দুর হামিদ, কাজী সালাউদ্দিন, আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

সমাবেশে ব্যবসার ক্ষেত্রে ইসলামী মূল্যবোধ, সততা, আমানতদারি ও সুদমুক্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। আয়োজকরা ব্যবসায়ীদের হালাল উপায়ে ব্যবসা পরিচালনা এবং সমাজ ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ‘মাত্র ১০ হাজার টাকায় ব্যবসার দ্বার খুলবে’ শীর্ষক উদ্যোগের কথাও তুলে ধরা হয়।

 

 

সাতক্ষীরায় ইসলামী ব্যাংকের সচেতন গ্রাহক সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ইসলামী ব্যাংকের সচেতন গ্রাহক সমাবেশ

সংবাদদাতা: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর বর্তমান সংকট নিরসন, একচ্ছত্র সিদ্ধান্ত ও ব্যর্থতার বিরুদ্ধে এবং সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দাবিতে সাতক্ষীরায় সচেতন গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় সাতক্ষীরায় ইসলামী ব্যাংকের মূল শাখার সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে ব্যাংককে অনিয়ম ও দুর্নীতির হাত থেকে রক্ষা, গ্রাহকদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং ব্যাংকের সুষ্ঠু পরিচালনার দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন অ্যাডভোকেট আবু তালেব। বক্তব্য রাখেন গ্রাহক জযনাল আবেদিন, এসকে মুনছুর আলী, বেলাল হোসেন ও সেলিম হোসেন।

বক্তারা ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। একই সঙ্গে যোগ্য, সৎ ও দক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের আহ্বান জানান তারা।

সমাবেশ থেকে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের পক্ষ থেকে ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ১. বর্তমান চেয়ারম্যান জহির হোসেনকে পদত্যাগ বা অপসারণ করতে হবে। ২. ইসলামী অর্থনীতি ও ব্যাংকিংয়ে দক্ষ, যোগ্য, সৎ ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে। ৩. এস আলমের অবৈধভাবে অর্জিত ৮২ শতাংশ শেয়ার ও পাচারকৃত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ব্যাংকের দায় শোধ এবং মূল উদ্যোক্তা ও আদি মালিকদের কাছে মালিকানা হস্তান্তরের ব্যবস্থা করতে হবে। ৪. ব্যাংকের পরিচালনায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আগামী দুই বছর কোনো ঊর্ধ্বতন নির্বাহীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি না দেওয়া এবং অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ নবায়ন করতে হবে। ৫. ব্যাংকের অভ্যন্তরে সক্রিয় এস আলমের চিহ্নিত দালাল ও সুবিধাভোগী কর্মকর্তাদের শনাক্ত করে বহিষ্কার করতে হবে। ৬. ব্যাংক লুটেরাদের বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

পূবালী ব্যাংক পিএলসির ক্যাশলেস ও কার্ড ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
পূবালী ব্যাংক পিএলসির ক্যাশলেস ও কার্ড ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পূবালী ব্যাংক পিএলসি, কার্ড বিজনেস ডিভিশন (প্রধান কার্যালয়, ঢাকা)-এর উদ্যোগে “ক্রেডিট কার্ড, ক্যাশলেস ও অন্যান্য ব্যাংকিং প্রডাক্টস ক্যাম্পেইন-২০২৬” অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পূবালী ব্যাংক খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও অঞ্চল প্রধান শেখ মো. শামসুদ্দোহা।

এসময় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের মূল ফটক এবং হাসপাতাল প্রবেশদ্বারে ফিতা কেটে পূবালী ব্যাংকের দুটি বিশেষ বুথ ও স্টল উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. কাজী আরিফ আহমেদ।

 

বিশেষ অতিথি ছিলেন পূবালী ব্যাংক কার্ড বিজনেস বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও বিভাগীয় প্রধান এন. এম. ফিরোজ কামাল এবং সম্মানীয় অতিথি ছিলেন হাসপাতালের উপ-পরিচালক ড. এস. এম. মনিরুজ্জামান। এছাড়া মঞ্চে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আসন গ্রহণ করেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কোঅর্ডিনেটর ড. হরষিত চক্রবর্তী এবং পূবালী ব্যাংক সাতক্ষীরা শাখার ব্যবস্থাপক ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. ইকবাল হোসেন। পরবর্তীতে কলেজের শিক্ষার্থীরা অতিথিদের ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কলেজ ও হাসপাতাল কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম আব্দুস সালাম এবং পবিত্র শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা থেকে পাঠ করেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি., সাতক্ষীরা শাখার সিনিয়র অফিসার (সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার) সুমন সাহা। প্রেসবিজ্ঞপ্তি