সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩

জরাজীর্ণ ভবনেই চলছে শ্যামনগরের কৈখালী ভূমি অফিসের কার্যক্রম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
জরাজীর্ণ ভবনেই চলছে শ্যামনগরের কৈখালী ভূমি অফিসের কার্যক্রম

0-4480x2016-0-0-{}-0-12#

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ভূমি অফিসের ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ও বেহাল দশায় পড়ে রয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকলেও এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের ভেতরেই প্রতিদিন চলছে গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কার্যক্রম। ফলে কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ প্রতিদিন সেবা নিতে আসা শত শত সেবাগ্রহীতাকে চরম আতঙ্কের মধ্যে এখানে সময় কাটাতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনটির দেয়ালের অংশের প্লাস্টার খসে পড়ছে। বর্ষাকালে ভবনের চাল চুইয়ে পানি পড়ার কারণে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, বালাম বই এবং কম্পিউটারসহ বিভিন্ন সরকারি সরঞ্জাম নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং দরজা-জানলাগুলোর ও বেহাল দশা।

 

সামান্য বৃষ্টি হলেই অফিসের আশপাশে পানি জমে একাকার হয়ে যায়, তখন চলাচল অসম্ভব হয়ে পড়ে। অনিরাপদ পরিবেশ এবং চাল থেকে পানি পড়ার উপক্রম হওয়ায় বহু বছরের পুরোনো গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও বালাম বই নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এগুলো একবার নষ্ট হলে এলাকার সাধারণ মানুষ স্থায়ীভাবে ব্যাপক ভূমি বিরোধের সম্মুখীন হবেন বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে। ভূমি অফিসে এসে সারাক্ষণ ভয়ে থাকতে হয়, কখন দেওয়াল ভেঙে পড়ে। আর একটু বৃষ্টি হলেই নাজুক অবস্থা।

এ বিষয়ে ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো: আব্দুল হামিদ লাল্টু বলেন, কৈখালী ভূমি অফিসের জরাজীর্ণ অবস্থা। বহু বছর ধরে ভবনটি অবহেলিত। এ ভবনে কৈখালী ও রমজাননগর ইউনিয়নের সর্ব সাধারণের গুরুত্বপুর্ণ নথিপত্র সংরক্ষিত থাকে। ভবনটির বেহাল দশার কারনে আমরা সব সময় দু:চিন্তায় থাকি। দ্রুত ভবন নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

এ বিষয়ে শ্যামনগর আতরজান মহিলা কলেজেরে প্রভাষক মো: ওমর ফারুক বলেন, কৈখালী ভূমি অফিসে রমজাননগর ও কৈখালী ইউনিয়নের সর্ব সাধারণের ভূমি সংক্রান্ত কাগজ পত্র সংরক্ষণ থাকে। অফিসটির জরাজীর্ণ অবস্থা। দেওয়াল ধসে পড়ছে। আমাদের ঝুঁকির মধ্যে সেবা গ্রহণ করতে হয়। অতি দ্রুত একটি নতুন ভবন নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ বিষয়ে কৈখালী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো: রেজাউল ইসলাম বলেন, অফিসের জরাজীর্ণ ভবনেই চলছে আমাদের কার্যক্রম। ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে কিছু টিন পেয়েছিলাম। যেটা দিয়ে অফিস আংশিকভাবে সংস্কার করা হয়েছে। যতটুকু জানি খুব দ্রুত একটি নতুন ভবনের কাজ শুরু হবে।

এ বিষয়ে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক এবং উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) এম, আব্দুস সামাদ বলেন, কৈখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নতুন ভবন নির্মাণের অনুমোদন হয়েছে। খুব দ্রুত ভবনের কাজ শুরু হবে।

 

Ads small one

তালায় ‎দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
তালায় ‎দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

‎তালা প্রতিনিধি: ‎সাতক্ষীরার তালায় দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি, আগাম সতর্কবার্তা এবং কার্যকর সাড়াদান বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেসরকারি সংস্থা ওয়ার্ল্ড কনসার্ন (বাংলাদেশ) এর ওভিটি প্রকল্পের আয়োজনে সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে তালা উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসের সভা কক্ষে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

‎প্রশিক্ষণে তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এজাহার আলী এবং ইউপি সদস্যা রেবেকা মকবুল, ফারহানা ইয়াসমিন, ওয়ার্ল্ড কনর্সান’র প্রজেক্ট অফিসার রনজিৎ দাশ, সুদীপ রায়, সল্ট সুপারভাইজার লিসা হালদার, সুভাষ সরদার ও মনি শংকর দাসসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কমিউনিটি প্রতিনিধি ও দূর্যোগ প্রবণ সংশ্লিষ্ট এলাকার নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

‎প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করেন মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন অফিসার বিধান বিশ্বাস। তিনি দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয় সহজ ও ব্যবহারিকভাবে তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, অতিবৃষ্টি, জলাবদ্ধতা, বজ্রপাত, নদীভাঙনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি রয়েছে। এসব দুর্যোগে নারী, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই দুর্যোগের আগে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী চিহ্নিত করে তাদের জন্য বিশেষ প্রস্তুতি ও সহায়তার ব্যবস্থা করা জরুরি।

‎এজন্য তিনি স্থানীয় পর্যায়ে দুর্যোগের ঝুঁকি ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী চিহ্নিতকরণ, দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি, আগাম সতর্কবার্তা প্রচার, উদ্ধার ও নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর এবং দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের বিস্তারিত ধারণা প্রদান করেন।

কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল আটক

পত্রদূত ডেস্ক: রবিবার ও সোমবার (১৬ ও ১৭ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর ব্যাটালিয়ন সদর এবং অধীনস্থ কাকডাঙ্গা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় শাড়ি, বিস্কুট, চকলেট, দুধ, ফুসকা, সোনপাপড়ি, চা পাতা, কিসমিস, হরলিক্স, জুস, পলিথিন এবং কসমেটিকস সামগ্রী আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ৮৭ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় শাড়ি আটক করে।

এছাড়াও, ব্যাটালিয়ন সদর এর আভিযানে সোনাবাড়িয়া বেলেপাড়া প্রাইমারি স্কুল নামক স্থান হতে ৫০ হাজার ৫৬০ টাকার ভারতীয় বিস্কুট, চকলেট, দুধ, ফুসকা, সোনপাপড়ি, চা পাতা, কিসমিস, হরলিক্স, জুস, পলিথিন এবং কসমেটিকস সামগ্রী আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

মণিরামপুরে নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
মণিরামপুরে নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ভোজগাতী ইউনিয়নের ছোট দোনারে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া একটি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কার করেছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. শামীম হোসেন। তাঁর উদ্যোগে রাস্তাটি সংস্কার হওয়ায় এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কিছুটা কমেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ৩ নম্বর ভোজগাতী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট দোনারের রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে বেহাল অবস্থায় ছিল। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় পানি ও কাদা জমে যেত। এতে বয়স্ক মানুষ, শিশু এবং স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হতো। জরুরি প্রয়োজনে রোগী ও যানবাহন চলাচলেও সমস্যার সৃষ্টি হতো।
স্থানীয় কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি রাস্তার দুরবস্থার বিষয়টি শামীম হোসেনকে জানালে তিনি এলাকাবাসীর দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বরাদ্দের অপেক্ষা না করে নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কারের উদ্যোগ নেন।
সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল। শামীম হোসেনের উদ্যোগে সংস্কার হওয়ায় এখন চলাচলে আগের তুলনায় অনেক সুবিধা হচ্ছে।
শামীম হোসেন বলেন, “মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করা আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে মনে করি। মানুষের ছোট্ট একটি উপকার করতেও আমি আনন্দ পাই। এলাকার মানুষের সমস্যা জানতে পারলে সাধ্য অনুযায়ী তা সমাধানে এগিয়ে আসব।”
তিনি আরও বলেন, জনপ্রতিনিধিত্বের মূল উদ্দেশ্য মানুষের সেবা করা। তাই এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত রাখার চেষ্টা করবেন তিনি।