মণিরামপুরে নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী
তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালায় দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি, আগাম সতর্কবার্তা এবং কার্যকর সাড়াদান বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেসরকারি সংস্থা ওয়ার্ল্ড কনসার্ন (বাংলাদেশ) এর ওভিটি প্রকল্পের আয়োজনে সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে তালা উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসের সভা কক্ষে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশিক্ষণে তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এজাহার আলী এবং ইউপি সদস্যা রেবেকা মকবুল, ফারহানা ইয়াসমিন, ওয়ার্ল্ড কনর্সান’র প্রজেক্ট অফিসার রনজিৎ দাশ, সুদীপ রায়, সল্ট সুপারভাইজার লিসা হালদার, সুভাষ সরদার ও মনি শংকর দাসসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কমিউনিটি প্রতিনিধি ও দূর্যোগ প্রবণ সংশ্লিষ্ট এলাকার নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করেন মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন অফিসার বিধান বিশ্বাস। তিনি দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয় সহজ ও ব্যবহারিকভাবে তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, অতিবৃষ্টি, জলাবদ্ধতা, বজ্রপাত, নদীভাঙনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি রয়েছে। এসব দুর্যোগে নারী, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই দুর্যোগের আগে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী চিহ্নিত করে তাদের জন্য বিশেষ প্রস্তুতি ও সহায়তার ব্যবস্থা করা জরুরি।
এজন্য তিনি স্থানীয় পর্যায়ে দুর্যোগের ঝুঁকি ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী চিহ্নিতকরণ, দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি, আগাম সতর্কবার্তা প্রচার, উদ্ধার ও নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর এবং দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের বিস্তারিত ধারণা প্রদান করেন।
পত্রদূত ডেস্ক: রবিবার ও সোমবার (১৬ ও ১৭ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর ব্যাটালিয়ন সদর এবং অধীনস্থ কাকডাঙ্গা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় শাড়ি, বিস্কুট, চকলেট, দুধ, ফুসকা, সোনপাপড়ি, চা পাতা, কিসমিস, হরলিক্স, জুস, পলিথিন এবং কসমেটিকস সামগ্রী আটক করে।
সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ৮৭ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় শাড়ি আটক করে।
এছাড়াও, ব্যাটালিয়ন সদর এর আভিযানে সোনাবাড়িয়া বেলেপাড়া প্রাইমারি স্কুল নামক স্থান হতে ৫০ হাজার ৫৬০ টাকার ভারতীয় বিস্কুট, চকলেট, দুধ, ফুসকা, সোনপাপড়ি, চা পাতা, কিসমিস, হরলিক্স, জুস, পলিথিন এবং কসমেটিকস সামগ্রী আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬০ টাকা।
বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।
দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।
ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালী এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে অন্যের দেয়া চা পান করে রমেচা খাতুন (২৬) এবং ছেলে আব্দুল কারিম (৮) অসুস্থ হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধিন অবস্থায় রয়েছে।
ভুক্তভোগী রমেচা খাতুন ও তার স্বজনরা জানান, গত চার মাস ধরে ছেলেকে নিয়ে রমেচা খাতুন তার দ্বিতীয় স্বামী রাজু ভূইয়ার কাটাখালী এলাকায় ভাড়া নেয়া বাসায় বসবাস করে আসছেন।
গত শনিবার (১৫ আগষ্ট) দুপুরে জনৈক্য এক যুবক তিন কাপ চা নিয়ে ওই বাসায় গিয়ে রমেচা ও তার ছেলে আব্দুল কারিমকে ফুসলিয়ে সু-কৌশলে চা দেয়। ওই যুবকও নিজে একটা চা পান করেন। কিন্তু রমেচা ও তার ছেলে সেই চা পান করলে তারা দুজই অসুস্থ এবং কিছুটা অচেতন হয়ে পড়েন।
চায়ের ভেতর কিছু একটা মিশানো আছে এমন সন্দেহে দ্রুত ওই নারী ঘর থেকে বের হয়ে অন্যদের ডেকে নিয়ে আসেন। ততক্ষনে ওই যুবক ঘটনাস্থল থেকে সরে যায়। পরে মা -ছেলেকে উদ্ধার করে ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। এখনো পর্যন্ত তারা দুজনই হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় আছেন।
ভূক্তভোগী রমেচা খাতুন জানান, ওই যুবকের সাথে আরও এক যুবক ছিল। তাদের উদ্দেশ্য ভাল ছিলনা। ঘটনার সময় ঘর থেকে তার ৩০ হাজার টাকা উধাও হয়ে গেছে বলে জানান। ঘটনার সময় তার স্বামী বাসায় ছিলেনা বলে জানান। এ ঘটনায় তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন বলে জানান।
রমেচা খাতুনের বড় বোন নিলুফা বেগম জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দুইজনেক অসুস্থ অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।
ফকিরহাট মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সাইফুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ লিখিত অভিযোগ করলে তা তদন্ত পূর্বক পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।