বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

৪২ দিনের ব্যবধানে ব্লিস হাসপাতালে ফের অগ্নিকাণ্ড, কারণ কি?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ
৪২ দিনের ব্যবধানে ব্লিস হাসপাতালে ফের অগ্নিকাণ্ড, কারণ কি?
ইব্রাহিম খলিল : ৪২ দিনের ব্যবধানে সাতক্ষীরার চৌরঙ্গী মোড়ে অবস্থিত বেসরকারি ব্লিস হাসপাতালে ফের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে হাসপাতালের অক্সিজেন সিলিন্ডার রাখার স্থান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। আগুনের চেয়ে ধোঁয়ায় বেশি আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে। দ্রুত হাসপাতাল থেকে বের হয়ে কেউ ছুটেছেন সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে, কেউ রাস্তার পাশে ভ্যানের ওপর শুয়ে ছিলেন, আবার কেউ অসুস্থ অবস্থায় হেঁটেই বেরিয়ে আসেন।
আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর হাসপাতালের বিভিন্ন তলায় থাকা রোগী ও স্বজনরা দ্রুত নিচে নামতে শুরু করেন। নার্সরা রোগীদের দ্রুত বের হওয়ার নির্দেশ দেন। এ সময় স্বজনরা অসুস্থ রোগীদের ধরে, কোলে করে কিংবা একাধিকজন মিলে নিচে নামিয়ে আনেন।
রোগীর স্বজন মতিয়ার রহমান বলেন, আমরা রাতে খেয়ে রোগীকে ওষুধ খাওয়ানোর পর বসে ছিলাম। এরই মধ্যে নার্স এসে বলল, জিনিসপত্র থাক, মোবাইলটা নেন, দ্রুত বের হয়ে আসেন। ছয়তলায় সমস্যা হয়েছে। আমরা আস্তে আস্তে রোগী নিয়ে বের হয়ে আসলাম। বলল আগুন লেগেছে। নিচে এসে দেখলাম শুধু ধোঁয়া। আমরা খুব আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম।
আরেক রোগীর স্বজন জানান, হাসপাতালে আগের দিনই একজনের সিজার হয়েছিল। রাতে হঠাৎ আগুনের খবর পেয়ে নার্সরা সবাইকে দ্রুত নিচে নেমে আসতে বলেন। তিনি বলেন, যে যেভাবে আছো নেমে এসো এমন কথা বলা হচ্ছিল। ৮-১০ জন ধরে রোগী নিচে নিয়ে আসতে আসতে আমাদের জীবন শেষ। সবাই বলছে আগুন লাগছে, চিল্লাচিল্লি করছে, নার্সরাও আতঙ্কিত। আমাদের রোগীকে পরে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
হাসপাতালের পাশের বাসিন্দা মো. ইদ্রিস আলী ময়না বলেন, রাত ১১টার দিকে তিনি এক বন্ধুর সঙ্গে বাসার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। হঠাৎ জোরে শব্দ শুনে হাসপাতালের দিকে তাকিয়ে দেখেন, নিচের দিকে ধোঁয়ায় ভরে গেছে।
তিনি বলেন, আমার বাসা পাশে। কয়েকদিন আগে এখান থেকে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে। আমরা তো পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় আছি। এটা কীভাবে সমাধান হয়, সমাধানের পথ বের করতে হবে, যাতে আমরা ছেলেমেয়ে নিয়ে নিরাপদে বসবাস করতে পারি। এখানে কয়েকদিন পরপর এই পরিস্থিতি হচ্ছে। এটা নিয়ে আমরা আতঙ্কিত।
সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর মো. নুরুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, আগে যেখানে অক্সিজেন সিলিন্ডার রাখা ছিল, সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ওই স্থানেই আগের অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা সংবাদ পাই ব্লিস হাসপাতালে আবারও আগুন লেগেছে। সংবাদ পাওয়ার মাত্রই এখানে আসি। উপস্থিত হয়ে দেখি, যেখানটায় অক্সিজেন সিলিন্ডার ছিল, ওই জায়গা থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গতদিন যেখানে সূত্রপাত ছিল, আজকেও একই জায়গায়। প্রথমে আমরা নিচে ঢুকে দেখি ধোঁয়ায় ভরা। পরে ভেতরে গিয়ে দেখি আগুন ছিল। আগুনটা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হয়েছে।
তিনি বলেন, ধোঁয়ার কারণে রোগী ও স্বজনরা ভীত হয়ে তাড়াহুড়া করে নিচে নামছিলেন। আগুনের ঝুঁকি না থাকায় পরে তাদের শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। একসঙ্গে অনেক রোগী নামতে গেলে হুড়োহুড়িতে আহত হওয়ার আশঙ্কাও ছিল।
একই হাসপাতালে বারবার অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা বলেন, হাসপাতালটি বড় এবং প্রতিটি ফ্লোরে অক্সিজেনের লাইন রয়েছে। ভবনের নিচে থাকা সিলিন্ডার থেকেই পুরো ব্যবস্থাটি নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
তার ধারণা, কারিগরি ত্রুটির কারণে অক্সিজেনের চাপ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হয়ে পাইপ ফেটে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের প্রথমে ভেতরে প্রবেশে বাধা দেন।
এর আগে গত ৪ আগস্ট একই হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় নারী, শিশু ও বয়স্ক রোগীসহ বেশ কয়েকজন আহত হন এবং ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে ও উদ্ধারকাজে অংশ নেয়।
মাত্র ৪২ দিনের ব্যবধানে একই হাসপাতালে একই স্থানে ফের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রোগী-স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। একই স্থানে বারবার আগুন লাগার কারণ, হাসপাতালের অক্সিজেন ব্যবস্থাপনা এবং অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা।

Ads small one

শ্যামনগরের নওয়াবেকী আটুলিয়া ও বুড়িগোয়ালিনীতে পরিবেশ বিষয়ক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরের নওয়াবেকী আটুলিয়া ও বুড়িগোয়ালিনীতে পরিবেশ বিষয়ক সভা

সংবাদদাতা: শ্যামনগরের নওয়াবেকী মহাবিদ্যালয়, আটুলিয়া ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে পরিবেশ বিষয়ক সচেতনতা সেমিনার এবং প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা-ইসিএ কমিটির সাথে পৃথক পৃথক মতবিনিময় সভা ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা, ১২টা ও বেলা দেড়টায় এসব সভা সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক পরিবেশের অতীত ও বর্তমান পরিস্থিতি, প্রতিবেশ সংকটাপন্ন (ইসিএ) এলাকার তথ্যচিত্র ও বর্তমান অবস্থা, ইসিএ এলাকার মানুষের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, পরিবেশ সচেতনতা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে করণীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশ রক্ষায় শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

মতবিনিময় সভায় সুন্দরবন কেন্দ্রীক ও ইসিএ এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশের অতীত ও বর্তমান অবস্থা, প্রতিবেশ সংকটাপন্ন (ইসিএ) স্থল ১০ কিলোমিটার এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান, বিকল্প কর্মসংস্থান, বাজার ব্যবস্থাপনা, পর্যটকদের সচেতন, পরিবেশ বান্ধব কর্মপরিকল্পনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, অবৈধ বালু উত্তোলন, সুন্দরবন ধ্বংস করে এমন কার্যক্রম এবং পরিবেশ সংরক্ষণে করণীয় বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

নওয়াবেকী মহাবিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ মো. জুলফিকার আল মেহেদী। আটুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করেন চেয়ারম্যান মো. আবু সালেহ বাবু এবং বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করেন চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম।

এসব সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সৌমেন মিত্র। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) অসীম কুমার মন্ডল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসিএ জেলা কমিটির সদস্য শেখ আফজাল হোসেন, ওসিসি প্রোগ্রাম অফিসার আব্দুল হাই সিদ্দিক, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের ডিস্ট্রিক্ট ইনচার্জ মো. শরিফুল ইসলাম, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য জিএম নাজমুল আরিফ। এসব অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইসিএ জেলা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ সাকিবুর রহমান।

নওয়াবেকির সেমিনারে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য দেন দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আন্তন হাসান, সুমাইয়া সুলতানা ও সিরাজুম মুনিরা ঐশী এবং মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক ও শিক্ষার্থীরা।
আটুলিয়ার সভায় ওয়ার্ড সদস্য মো. মোশাররফ হোসেন ও মো. আক্তারুজ্জামান লিটিলসহ অন্যান্য ইসিএ সদস্য, সুধী, ইউপি দফাদার ও গ্রামপুলিশ।

বুড়িগোয়ালিনির সভায়ও ইউপি ইসিএ কমিটির সদস্য, সুধীজন, ইউপি দফাদার ও গ্রামপুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

শ্যামনগরে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় অভিযোজন কৌশল নির্ধারণে কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় অভিযোজন কৌশল নির্ধারণে কর্মশালা

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয় বাংলাদেশের উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ক্রমশ জটিল ও আন্তঃসম্পর্কিত ঝুঁকি তৈরি করছে। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, জলাবদ্ধতা, লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ, নদী ও উপকূল ভাঙন, তাপপ্রবাহ, পানির সংকট, বাস্তুতন্ত্রের অবক্ষয় এবং কৃষি ও মৎস্য খাতের পরিবর্তন-এসব ঝুঁকি জীবিকা, খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, পানি সম্পদ, অবকাঠামো এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এসব আন্তঃসম্পর্কিত ঝুঁকি মোকাবেলায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও স্থানীয় অংশীজনদের সম্মিলিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজনীয়তা থেকেই শ্যামনগরে অনুষ্ঠিত হলো কর্মশালা।

বেসরকারি সংস্থা লিডার্স এর বাস্তবায়নাধীন প্রো-অ্যাক্ট প্রকল্পের আওতায় “জলবায়ু, পরিবেশগত ও সামাজিক বাস্তুতান্ত্রিক ঝুঁকি মূল্যায়ন” শীর্ষক কর্মশালাটি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরসমূহের সমন্বয়ে আয়োজিত এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল বর্তমান ও উদীয়মান জলবায়ু ঝুঁকি, তার আন্তঃসম্পর্ক, ঝুঁকিপূর্ণ খাত ও জনগোষ্ঠী এবং ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা সম্পর্কে অংশীজনদের মধ্যে অভিন্ন ধারণা তৈরি করা, যা ভবিষ্যতে অগ্রিম প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম ও স্থানীয় অভিযোজন পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়ক হবে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুজ্জাহান কনক। সভায় সভাপতিত্ব করেন লিডার্সের সভাপতি মাস্টার নজরুল ইসলাম।

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এস এম দেলোয়ার হোসেন,উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারিদ বিন শফিক, বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, কৈখালী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল আযম মনির, এনজিও সমন্বয় পরিষদ সম্পাদক গাজী ইমরান, বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ প্রমুখ।

তালায় বাগানের মধ্যে নকল সার ও কীটনাশক কারখানায় র‌্যাবের অভিযান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০৭ অপরাহ্ণ
তালায় বাগানের মধ্যে নকল সার ও কীটনাশক কারখানায় র‌্যাবের অভিযান

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার লাউতাড়া গ্রামে নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক উৎপাদন এবং বাজারজাত করার দায়ে মশিয়ার রহমান নামে এক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও এক মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন। বুধবার তালায় অজপাড়াগায়ে বাগানের মধ্যে গোপন কারখানায় র‌্যাবের আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে কৃষি কাজে ব্যবহৃত নকল পন্য জব্দ করে। এসময় ওই বাড়ি থেকে নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক বস্তা এবং লেবেল ও প্যাকেট জব্দ করা হয়।

অভিযানকালে প্রায় ৫ লাখ টাকা মূল্যের ভেজাল সার, কীটনাশক ও উৎপাদনসামগ্রী জব্দের পর এসব ভেজাল পণ্য ধ্বংসের নির্দেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা বলেন, তালা উপজেলার লাউতাড়া গ্রামে নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশক উৎপাদন এবং বাজারজাত করার দায়ে মশিয়ার রহমান নামে এ ব্যক্তিকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও এক মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। জনস্বার্থে ভেজাল সার ও কীটনাশকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে র‌্যাবের পাশাপাশি কৃষি বিভাগ ও তালা থানার পুলিশ সদস্যরা অংশ গ্রহণ করেন।