শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে লুকিয়ে থাকা দরকারি ৫ ‘ডেভেলপার সেটিংস’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে লুকিয়ে থাকা দরকারি ৫ ‘ডেভেলপার সেটিংস’

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে থাকা ডেভেলপার অপশনস মূলত অ্যাপ নির্মাতা ও প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি হলেও, এর কিছু সেটিংস সাধারণ ব্যবহারকারীরাও কাজে লাগাতে পারেন। অ্যানিমেশন দ্রুত করা, ইউএসবি সংযোগের ধরন নির্ধারণ বা ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অ্যাপের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের মতো কাজে এসব অপশন ব্যবহার করা যায়। তবে ফোনভেদে সেটিংসের নাম ও অবস্থান কিছুটা আলাদা হতে পারে এবং অজানা অপশন পরিবর্তন করলে ফোনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রভাব পড়তে পারে।

ডেভেলপার অপশনস চালু করবেন যেভাবে

প্রথমে ফোনের সেটিংস > অ্যাবাউট ফোন-এ যেতে হবে। সেখানে বিল্ড নম্বর খুঁজে সেটিতে পরপর সাতবার ট্যাপ করতে হবে। এরপর ‘ইউ আর নাও এ ডেভেলপার!’ লেখা বার্তা দেখালে সিস্টেম > ডেভেলপার অপশনস-এ গিয়ে নতুন মেনুটি পাওয়া যাবে। কিছু ফোনে বিল্ড নম্বরের অবস্থান অ্যাবাউট ফোন > অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন-এর ভেতরেও থাকতে পারে।

ইউএসবি ডিবাগিং চালু রাখুন

ইউএসবি ডিবাগিং চালু করলে অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে কম্পিউটারের সঙ্গে অ্যান্ডয়েড ডিবাগ ব্রিজ (এডিবি)-এর মাধ্যমে সংযুক্ত করে কমান্ড পাঠানো, অ্যাপ পরীক্ষা ও ফোনের বিভিন্ন তথ্য ব্যবস্থাপনার সুযোগ পাওয়া যায়। ফোন কম্পিউটারে সংযুক্ত করার পর ব্যবহারকারীর কাছে ডিবাগিং অনুমোদনের নোটিফিকেশন আসতে পারে। তবে অপরিচিত কম্পিউটারে ইউএসবি ডিবাগিংয়ের অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। কারণ অনুমতি দিলে ওই কম্পিউটার এডিবির মাধ্যমে ফোনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে বিভিন্ন উন্নত কমান্ড চালানোর সুযোগ পেতে পারে।

অ্যানিমেশন কমিয়ে ফোনের গতি বাড়ান

ডেভেলপার অপশনসে উইন্ডো অ্যানিমেশন স্কেল, ট্রানজিশন অ্যানিমেশন স্কেল এবং অ্যানিমেটর ডিউরেশন স্কেল নামে তিনটি সেটিংস থাকে। সাধারণত এগুলোর মান ১x অপশনে থাকে। তিনটিই ০.৫x করলে বিভিন্ন মেনু ও স্ক্রিঅ্যান্ড্রয়েড ফোনে থাকা ডেভেলপার অপশনস মূলত অ্যাপ নির্মাতা ও প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি হলেও, এর কিছু সেটিংস সাধারণ ব্যবহারকারীরাও কাজে লাগাতে পারেন। অ্যানিমেশন দ্রুত করা, ইউএসবি সংযোগের ধরন নির্ধারণ বা ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অ্যাপের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের মতো কাজে এসব অপশন ব্যবহার করা যায়। তবে ফোনভেদে সেটিংসের নাম ও অবস্থান কিছুটা আলাদা হতে পারে এবং অজানা অপশন পরিবর্তন করলে ফোনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রভাব পড়তে পারে।

ডেভেলপার অপশনস চালু করবেন যেভাবে

প্রথমে ফোনের সেটিংস > অ্যাবাউট ফোন-এ যেতে হবে। সেখানে বিল্ড নম্বর খুঁজে সেটিতে পরপর সাতবার ট্যাপ করতে হবে। এরপর ‘ইউ আর নাও এ ডেভেলপার!’ লেখা বার্তা দেখালে সিস্টেম > ডেভেলপার অপশনস-এ গিয়ে নতুন মেনুটি পাওয়া যাবে। কিছু ফোনে বিল্ড নম্বরের অবস্থান অ্যাবাউট ফোন > অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন-এর ভেতরেও থাকতে পারে।

ইউএসবি ডিবাগিং চালু রাখুন

ইউএসবি ডিবাগিং চালু করলে অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে কম্পিউটারের সঙ্গে অ্যান্ডয়েড ডিবাগ ব্রিজ (এডিবি)-এর মাধ্যমে সংযুক্ত করে কমান্ড পাঠানো, অ্যাপ পরীক্ষা ও ফোনের বিভিন্ন তথ্য ব্যবস্থাপনার সুযোগ পাওয়া যায়। ফোন কম্পিউটারে সংযুক্ত করার পর ব্যবহারকারীর কাছে ডিবাগিং অনুমোদনের নোটিফিকেশন আসতে পারে। তবে অপরিচিত কম্পিউটারে ইউএসবি ডিবাগিংয়ের অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। কারণ অনুমতি দিলে ওই কম্পিউটার এডিবির মাধ্যমে ফোনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে বিভিন্ন উন্নত কমান্ড চালানোর সুযোগ পেতে পারে।

অ্যানিমেশন কমিয়ে ফোনের গতি বাড়ান

ডেভেলপার অপশনসে উইন্ডো অ্যানিমেশন স্কেল, ট্রানজিশন অ্যানিমেশন স্কেল এবং অ্যানিমেটর ডিউরেশন স্কেল নামে তিনটি সেটিংস থাকে। সাধারণত এগুলোর মান ১x অপশনে থাকে। তিনটিই ০.৫x করলে বিভিন্ন মেনু ও স্ক্রিন পরিবর্তনের অ্যানিমেশন দ্রুত দেখা যায়। পুরোপুরি অ্যানিমেশন বন্ধ করতে চাইলে ‘অ্যানিমেশন অফ’ অপশনটিও নির্বাচন করা যায়। এতে ফোনের প্রসেসিং ক্ষমতা বাড়ে না, তবে ব্যবহারকারীর কাছে ইন্টারফেস দ্রুত প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে বলে মনে হতে পারে।

ইউএসবি সংযোগের ধরন আগে থেকেই ঠিক করুন

ডিফল্ট ইউএসবি কনফিগারেশন অপশনের মাধ্যমে ফোন কম্পিউটারে সংযুক্ত হলে ডিফল্টভাবে কী ধরনের সংযোগ ব্যবহার হবে, তা নির্ধারণ করা যায়। যেমন শুধু চার্জিং, ফাইল ট্র্যান্সফার বা অন্য সমর্থিত ইউএসবি মোড। নিয়মিত কম্পিউটারে ফাইল আদান-প্রদান করা হলে প্রতিবার নোটিফিকেশন থেকে আলাদা করে মোড নির্বাচন করার প্রয়োজন কমে যাবে।

ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপের সংখ্যা সীমিত করুন

ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস লিমিট সেটিংসের মাধ্যমে ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে একসঙ্গে কতগুলো প্রসেস চালু থাকতে পারবে, তা নির্ধারণ করা যায়। পুরোনো বা কম ক্ষমতাসম্পন্ন ফোনে এই সীমা কমিয়ে দিলে ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অ্যাপের চাপ কমানো সম্ভব। তবে এর ফলে মাল্টিটাস্কিং ব্যাহত হতে পারে এবং ব্যাকগ্রাউন্ডের অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই সাধারণ ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে এই সেটিংস পরিবর্তনের আগে সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনা করা প্রয়োজন।ন পরিবর্তনের অ্যানিমেশন দ্রুত দেখা যায়। পুরোপুরি অ্যানিমেশন বন্ধ করতে চাইলে ‘অ্যানিমেশন অফ’ অপশনটিও নির্বাচন করা যায়। এতে ফোনের প্রসেসিং ক্ষমতা বাড়ে না, তবে ব্যবহারকারীর কাছে ইন্টারফেস দ্রুত প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে বলে মনে হতে পারে।

ইউএসবি সংযোগের ধরন আগে থেকেই ঠিক করুন

ডিফল্ট ইউএসবি কনফিগারেশন অপশনের মাধ্যমে ফোন কম্পিউটারে সংযুক্ত হলে ডিফল্টভাবে কী ধরনের সংযোগ ব্যবহার হবে, তা নির্ধারণ করা যায়। যেমন শুধু চার্জিং, ফাইল ট্র্যান্সফার বা অন্য সমর্থিত ইউএসবি মোড। নিয়মিত কম্পিউটারে ফাইল আদান-প্রদান করা হলে প্রতিবার নোটিফিকেশন থেকে আলাদা করে মোড নির্বাচন করার প্রয়োজন কমে যাবে।

ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপের সংখ্যা সীমিত করুন

ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস লিমিট সেটিংসের মাধ্যমে ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে একসঙ্গে কতগুলো প্রসেস চালু থাকতে পারবে, তা নির্ধারণ করা যায়। পুরোনো বা কম ক্ষমতাসম্পন্ন ফোনে এই সীমা কমিয়ে দিলে ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অ্যাপের চাপ কমানো সম্ভব। তবে এর ফলে মাল্টিটাস্কিং ব্যাহত হতে পারে এবং ব্যাকগ্রাউন্ডের অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই সাধারণ ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে এই সেটিংস পরিবর্তনের আগে সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনা করা প্রয়োজন।

Ads small one

পাইকগাছায় পলিথিনের জীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন সাকাত দম্পতির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় পলিথিনের জীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন সাকাত দম্পতির

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (পাইকগাছা): দারিদ্র্যের সঙ্গে যুদ্ধ যেন থামছেই না। জীবনের পড়ন্ত বেলায় এসে অনেকটাই ক্লান্ত খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের সিলেমানপুর গ্রামের ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধ মো. সাকাত মোড়ল। অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে তিনি বসবাস করছেন জরাজীর্ণ একটি ঘরে। ঘরটির একাংশ ইতোমধ্যে ভেঙে পড়েছে। বাকি অংশও যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ঘরের চালের কোথাও ভাঙা টিন, কোথাও মাটির টালি, আবার কোথাও পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। মাটির দেয়াল জরাজীর্ণ, ভরসা বলতে বাঁশের খুঁটি আর পলিথিনের বেড়া। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, এটি পরিত্যক্ত কোনো ঝুপড়ি। অথচ এই ঘরেই স্ত্রী আনোয়ারা বেগমকে নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন সাকাত মোড়ল।

ছেলেমেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন তিনি। বর্তমানে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত স্ত্রীকে নিয়ে অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটছে তাঁর। স্থায়ী আয়ের কোনো উৎস নেই। বয়স্ক ভাতা ছাড়া সরকারি কোনো সহায়তাও পান না। জমি বলতে আছে মাত্র দুই শতক, যার ওপর দাঁড়িয়ে আছে তাঁদের জীর্ণ ঘরটি।

বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে ঘরের চাল পলিথিন দিয়ে ঢেকে রেখেছেন সাকাত মোড়ল। তারপরও বৃষ্টি বা বন্যা হলে ঘরের ভেতর পানি ঢুকে কাদা হয়ে যায়। তখন সেখানে থাকা সম্ভব হয় না; আশ্রয় নিতে হয় প্রতিবেশীদের ঘরে। এমনকি ঘরে থাকার মতো একটি খাটও নেই। মেঝেতে পলিথিন বিছিয়ে রাত কাটান এই বৃদ্ধ দম্পতি।

এত কষ্টের মধ্যেও সাকাত মোড়লের স্বপ্ন, তাঁদের একটি নিরাপদ ঘর হবে। ঝড়-বৃষ্টি এলেও অন্তত অন্যের কাছে আশ্রয় চাইতে হবে না।

সাকাত মোড়ল বলেন, “সরকারের দেওয়া বয়স্ক ভাতা ছাড়া আর কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাই না। প্রতিবেশীদের কেউ খাবার দেন, কেউ টাকা-পয়সা দিয়ে সাহায্য করেন। বৃষ্টির সময় তাঁদের ঘরেও আশ্রয় নিতে হয়। বলা যায়, তাঁদের দয়াতেই টিকে আছি। মানুষের সাহায্যে দুমুঠো ভাত জোটে। কেউ সাহায্য না করলে না খেয়েও থাকতে হয়। থাকার জায়গাটুকু ছাড়া আর কোনো সম্বল নেই। সরকার অনেককে ঘর দিয়েছে। আমাকেও একটি ঘর দিলে অন্তত মাথা গোঁজার ঠাঁই হতো।”

স্থানীয় বাসিন্দা ফরিদ গাজী বলেন, “স্থানীয় প্রশাসন, মানবিক সংগঠন ও সমাজের বিত্তবানদের কাছে অনুরোধ, তাঁরা যেন এই অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির পাশে দাঁড়ান। তাঁদের একটি নিরাপদ ঘর তৈরি করে দেওয়া গেলে অন্তত শান্তিতে বসবাস করতে পারবেন।”

 

যশোর-বেনাপোল সড়কে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
যশোর-বেনাপোল সড়কে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২

পত্রদূত ডেস্ক:

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের নতুনহাট মোড়ের বড় মেঘলা এলাকায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুজন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে যশোর সদর উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, যশোর সদর উপজেলার মণ্ডলগাতী এলাকার শামিম হোসেনের ছেলে সিয়াম হোসেন এবং শহরের বেজপাড়া পিয়ারী মোহন রোডের শহিদুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম জয়। অপর নিহত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি।

আহত ওমর ফারুক ও রাকিব হাসান রিফাতকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিয়াম, ওমর ও রাকিব একই মোটরসাইকেলে বেনাপোলের দিকে যাচ্ছিলেন। নতুনহাট মোড় পার হয়ে বড় মেঘলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তিনজন নিহত হন।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, নিহতদের একজনের কাছ থেকে আরিফুল ইসলাম জয়ের জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে। অপর নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত ও স্বজনদের সন্ধানে পুলিশ কাজ করছে।

পাইকগাছায় বসতবাড়ির চালে চালে শোভা পাচ্ছে ধবধবে সাদা চালকুমড়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় বসতবাড়ির চালে চালে শোভা পাচ্ছে ধবধবে সাদা চালকুমড়া

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বসতবাড়ির চালে চালে শোভা পাচ্ছে ধবধবে সাদা চালকুমড়া। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবেও চালকুমড়া চাষ করছেন কৃষকেরা। কম খরচে চাষ করে ভালো লাভ হওয়ায় দিন দিন এ সবজির জনপ্রিয়তা বাড়ছে।

উপজেলার মাটি ও আবহাওয়া চালকুমড়া চাষের জন্য বেশ উপযোগী। ফলে এটি গ্রামীণ অর্থনীতিতে অবদান রাখার পাশাপাশি বাড়ির সৌন্দর্যও বাড়াচ্ছে।

চালকুমড়া চাষের জন্য আলাদা জমি চাষ করার প্রয়োজন হয় না। বাড়ির কোণে বা আঙিনার পতিত জায়গায় মাদা তৈরি করে বীজ বপন করা হয়। পরে গাছের লতা বড় হলে তা ঘরের চাল বা বাঁশের মাচায় তুলে দেওয়া হয়। ঘরের চালে বেড়ে ওঠে বলে এ সবজির নাম হয়েছে চালকুমড়া।

সাধারণত জুন-জুলাই মাসে বাড়ির আঙিনা বা ফাঁকা জায়গায় চালকুমড়ার বীজ বপন করা হয়। এ সবজি চাষে খুব বেশি রাসায়নিক সার বা কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না। সামান্য পরিচর্যা ও জৈব সার ব্যবহার করেই ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব। এতে উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন।

চালকুমড়া একটি পুষ্টিকর সবজি। পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি উদ্বৃত্ত চালকুমড়া স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন অনেকেই। পাইকগাছার স্থানীয় বাজারগুলোতে এ সবজির চাহিদা থাকায় কৃষকেরা বিক্রি করে ভালো দাম পাওয়ার আশা করেন। এতে গ্রামীণ পরিবারের সবজির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

চালকুমড়া দিয়ে বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু খাবার তৈরি করা হয়। এ ছাড়া এটি দিয়ে গ্রামীণ ঐতিহ্যের জনপ্রিয় খাবার কুমড়ার বড়ি তৈরি করা হয়। পরিপক্ব চালকুমড়া দীর্ঘদিন ঘরে সংরক্ষণ করেও খাওয়া যায়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. একরামুল হোসেন বলেন, “বিনা চাষে ও কম খরচে বাড়ির চালে চালকুমড়া উৎপাদন করা যায়। সবজি হিসেবে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। চালকুমড়া চাষ করে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন। বাড়ির কোণে বা আঙিনার পতিত জমি ফেলে না রেখে সেখানে চালকুমড়া কিংবা মিষ্টিকুমড়া চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, উন্নত ও হাইব্রিড জাতের বীজ ব্যবহারের ফলে প্রতিটি গাছ থেকে প্রচুর চালকুমড়া পাওয়া যাচ্ছে। এসব চালকুমড়া স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে কৃষকেরা ভালো আয় করতে পারছেন।