শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণ: সাতক্ষীরার প্রাণের গুড়পুকুর মেলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২৮ অপরাহ্ণ
ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণ: সাতক্ষীরার প্রাণের গুড়পুকুর মেলা

দীপঙ্কর বিশ্বাস

সাতক্ষীরা জেলার ইতিহাস, সামাজিক রূপরেখা আর সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে জড়িয়ে রয়েছে গুড়পুকুরের মেলা। তিন শত বছরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এই উৎসব কেবল পণ্য কেনাবেচার কোনো বাণিজ্যিক হাট নয়; এটি এ অঞ্চলের মানুষের আবেগ, সামাজিক সম্প্রীতি এবং শিকড়ের টানের এক অনন্য প্রতিচ্ছবি।

দীর্ঘ কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে ১ অক্টোবর থেকে শুরু বহুল প্রতীক্ষিত এই আয়োজন, যা চলবে আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত। থমকে যাওয়া এই মেলা পুনরায় ফিরে আসায় পুরো সাতক্ষীরা জেলাজুড়ে স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে এক অভূতপূর্ব উৎসব-উদ্দীপনা ও প্রাণের স্পন্দন। গৃহস্থের আঙিনা থেকে শুরু করে শহরের অলিগলি সর্বত্রই এখন আনন্দের গুনগুন সুর।

কালের আবর্তে ও পারিপার্শ্বিক নানা পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এবারের মেলায় হয়তো আগের মতো বিস্তীর্ণ পরিসর কিংবা সার্কাস, যাত্রা, হাউজি, জাদুপদ্যা, মৃত্যুকূপ কিংবা বিচিত্রা অনুষ্ঠানের মতো বিনোদনের সেই গমগমে রূপ দেখতে পাওয়া যাবে না। তবে বিনোদনের অনুষঙ্গে কিছুটা কাটছাঁট হলেও শত বছরের প্রাচীন ঐতিহ্যটি বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা পেয়ে পুনর্জীবিত হতে চলেছে, এতেই অত্যন্ত সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, জাঁকজমকের চেয়ে মেলার আসল সত্তা ও মূল চেতনাকে টিকিয়ে রাখাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্যিক লেনদেনের পাশাপাশি গুড়পুকুর মেলা যুগ যুগ ধরে কাজ করে আসছে সামাজিক মেলবন্ধনের এক অদৃশ্য সুতো হিসেবে।

গুড়পুকুরের মেলার দিনগুলোতে সাতক্ষীরার সামাজিক চিত্রে এক দারুণ রূপান্তর ঘটে। জেলা ও জেলার বাইরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আত্মীয়স্বজনেরা এ সময় সাতক্ষীরায় সমবেত হন। ঘরে ঘরে যেন এক অচেনা অতিথিপরায়ণতার ধুম পড়ে যায়। পরিবারের ছোট-বড় সবাইকে নিয়ে মেলা প্রাঙ্গণে ঘুরে বেড়ানো, নিত্যপ্রয়োজনীয় গৃহস্থালি পণ্য থেকে শুরু করে মাটি ও কাঠের তৈরি লোকশিল্পের কেনাকাটা এবং মেলা থেকে জিলাপি-খাজা কিংবা মন্ডা কিনে নেওয়ার যে আনন্দ, তা আধুনিক ডিজিটাল বিনোদনের যুগেও অতুলনীয়। সবচেয়ে বড় কথা, আধুনিক প্রযুক্তির কৃত্রিম দুনিয়ায় বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের সামনে আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্য, মৃৎশিল্প ও নিজস্ব লোকজ সংস্কৃতিকে প্রত্যক্ষভাবে তুলে ধরার সবচেয়ে চমৎকার ক্ষেত্র তৈরি করে দেয় এই মেলা।

দীর্ঘ বিরতির পর আয়োজিত এই মিলনমেলা যেন কোনোভাবেই যেন বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনায় মলিন না হয়ে যায়, সে বিষয়েও সতর্ক নজর রয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো, চাঁদা আদায়, ইভটিজিং কিংবা মব সৃষ্টির মতো অপচেষ্টা রুখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর ও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মেলা কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে দর্শনার্থী ও ব্যবসায়ীদের জন্য একটি নিরাপদ, স্বাভাবিক ও ভীতিহীন পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সকলের প্রত্যাশা সুরক্ষিত ও আনন্দঘন পরিবেশে এই আয়োজন রূপ নেবে একটি সার্থক সামাজিক উৎসবে, যা আমাদের হারিয়ে যেতে বসা গ্রামীণ সংস্কৃতিকে আবারও স্বমহিমায় পুনরুজ্জীবিত করবে।

Ads small one

সম্পাদকীয়/ সুন্দরবন রক্ষায় স্থানীয় উদ্যোগ ও প্লাস্টিক ব্যবস্থাপনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ সুন্দরবন রক্ষায় স্থানীয় উদ্যোগ ও প্লাস্টিক ব্যবস্থাপনা

বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের কোলঘেঁষে গড়ে ওঠা লোকালয় ও বাজারগুলোতে প্লাস্টিক দূষণ এখন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য এক মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের নীলডুমুর বাজারে ব্যবসায়ীদের মাঝে বেসরকারি সংস্থা সিসিডিবির সহায়তায় ৪০টি ডাস্টবিন বিতরণের উদ্যোগটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ও প্রশংসনীয়। ‘প্লাস্টিক বর্জ্য ডাস্টবিনে ফেলি, সুন্দরবনকে রক্ষা করি’Ñএই মূলনীতিকে সামনে রেখে নেওয়া এ পদক্ষেপ উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ সুরক্ষায় এক ইতিবাচক বার্তা দেয়।

ভৌগোলিক ও পরিবেশগত দিক থেকে নীলডুমুর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা। সুন্দরবন ভ্রমণে আসা পর্যটক এবং স্থানীয় নদীভিত্তিক অর্থনীতির একটি বড় কেন্দ্র এটি। প্রতিদিন এখানকার দোকানপাট ও পর্যটনভিত্তিক ব্যবসাগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ একক ব্যবহারের প্লাস্টিক বোতল, পলিথিন ও মোড়কজাত বর্জ্য তৈরি হয়। এতদিন সুনির্দিষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা না থাকায় এসব ক্ষতিকর প্লাস্টিক বর্জ্য সরাসরি নদী-নালা ও খালের পানিতে গিয়ে পড়ত, যা জোয়ারের তোড়ে ভেসে প্রবেশ করে সুন্দরবনের গহিন জলাভূমিতে। প্লাস্টিক বর্জ্যের এমন অনিয়ন্ত্রিত প্রবাহ ম্যানগ্রোভের শ্বাসমূল ঢেকে দেয়, জলজ প্রাণীর প্রজনন ও খাদ্যশৃঙ্খলে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটায় এবং মাটি ও পানির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিসাধন করে।

এ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের কাছে ডাস্টবিন পৌঁছে দেওয়ার অর্থ শুধু পাত্র দেওয়া নয়, বরং একটি সচেতনতাভিত্তিক অভ্যাসের চর্চা শুরু করা। বাজার সমিতি ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা যদি সততার সঙ্গে ডাস্টবিনগুলো ব্যবহার করেন এবং গৃহীত প্লাস্টিক বর্জ্য নিয়মিত সংগ্রহ ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ নিশ্চিত করা যায়, তবেই এর প্রকৃত সুফল পাওয়া যাবে। বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও দায়িত্ব হবে এই বর্জ্য যেন ডাস্টবিন উপচে আবার নদীতে না পড়ে, তার সঠিক অপসারণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

তবে কেবল একটি বাজারে ডাস্টবিন বিতরণ করেই দায়িত্ব শেষ করা যাবে না। উপকূলীয় অঞ্চলের সার্বিক পরিবেশ সুরক্ষায় এটি হতে পারে সূচনা মাত্র। শ্যামনগরসহ সুন্দরবনসংলগ্ন সব বাজার ও ঘাট এলাকায় সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা জরুরি। পাশাপাশি সিঙ্গেল ইউজ বা একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ ও কার্যকর করা ছাড়া সুন্দরবনকে পলিথিনমুক্ত করা সম্ভব নয়।

পরিবেশ রক্ষায় স্থানীয় জনসম্পৃক্ততার কোনো বিকল্প নেই। নীলডুমুর বাজারের এ উদ্যোগ যেন কেবল একদিনের আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না থাকে; ব্যবসায়ী, পর্যটক এবং সাধারণ মানুষকে নিজ উদ্যোগে সুন্দরবন বাঁচানোর এ লড়াইয়ে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, সুন্দরবন বাঁচলেই উপকূলের অস্তিত্ব টিকবে।

বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন

দেশের অন্যতম শীর্ষ অনলাইন নিউজ পোর্টাল বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন (ইন্না…রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার (বাংলাদেশ সময়) দিকে লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। বিডিনিউজের এক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তার সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, তিনি কিছু দিন আগে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান। সেখানে বৃহস্পতিবার রাতে হোটেল কক্ষে তিনি মাথা ঘুরে পড়ে যান। পরে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বাংলাদেশ সময় ৭টার দিকে সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন চিকিৎসকরা।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী ২০০৬ সাল থেকে নিজ মালিকানাধীন বাংলাদেশি অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সংবাদ সংস্থা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি লন্ডনভিত্তিক গণমাধ্যম বিবিসিতে উপস্থাপক, প্রযোজক এবং সম্পাদক পদে কাজ করেন।

খালিদী ডিসেম্বর ২০১৭ সালে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ উন্নয়নে ‘বিশেষ স্বীকৃতি ও সম্মাননা’ হিসেবে জাতীয় আইসিটি পুরস্কার অর্জন করেন।

 

ফেসবুক-ইউটিউব থেকে দ্রুত আয়ের কার্যকর উপায়, আপনিও পারবেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
ফেসবুক-ইউটিউব থেকে দ্রুত আয়ের কার্যকর উপায়, আপনিও পারবেন

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হলো। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লাখো মানুষ সেটি দেখলেন। এরপর শুরু হলো আয়। এমন গল্প দেখে অনেকেরই মনে হয়, ফেসবুক-ইউটিউবসহ সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বুঝি খুব সহজেই দ্রুত টাকা আয় করা যায়।

বাস্তবতা অবশ্য একটু ভিন্ন। শুধু অনুসারী বেশি হলেই আয় নিশ্চিত নয়। বরং সঠিক কনটেন্ট, দর্শকের আগ্রহ এবং আয়ের একাধিক পথ তৈরি করতে পারাটাই গুরুত্বপূর্ণ।

তাহলে দ্রুত আয় শুরু করতে কোন কৌশলগুলো কাজে লাগতে পারে?

ভাইরাল নয়, দরকার নির্দিষ্ট দর্শক

সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুনরা প্রায়ই সব ধরনের বিষয় নিয়ে পোস্ট করেন। এতে অনুসারী বাড়লেও তাদের আগ্রহ এক জায়গায় থাকে না। বরং শুরুতেই একটি নির্দিষ্ট বিষয় বেছে নেওয়া কাজে দেয়।

যেমন প্রযুক্তি, রান্না, ভ্রমণ, খেলাধুলা, বই কিংবা ঘর সাজানো। নির্দিষ্ট বিষয়ের কনটেন্ট নিয়মিত তৈরি করলে সেই বিষয়ে আগ্রহী দর্শক তৈরি হয়। পরে সেই দর্শকরাই আয়ের সম্ভাবনা বাড়াতে সাহায্য করেন।

ছোট ভিডিও, বড় সুযোগ

দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছাতে ছোট ভিডিও এখন বেশ কার্যকর। তবে শুধু ভিডিও ছোট হলেই হবে না। প্রথম কয়েক সেকেন্ডেই দর্শকের মনোযোগ ধরে রাখতে হবে।

ভিডিওর শুরুতেই মূল তথ্য বা আকর্ষণীয় প্রশ্ন তুলে ধরা যেতে পারে। দীর্ঘ ভূমিকা এড়িয়ে সরাসরি বিষয়বস্তুতে চলে গেলে দর্শক ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখার সম্ভাবনা বাড়ে।

শুধু বিজ্ঞাপনের ওপর নির্ভর নয়

সোশ্যাল মিডিয়া থেকে আয় মানেই বিজ্ঞাপনের টাকা, এ ধারণা অনেকের। আসলে আয়ের পথ আরও কয়েকটি হতে পারে।

কোনও পণ্য বা সেবার প্রচারে ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করা, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ডিজিটাল পণ্য বিক্রি কিংবা নিজের কোনও সেবা প্রচার করেও আয় করা যায়।

বিশেষ করে ছোট কিন্তু নির্দিষ্ট দর্শকগোষ্ঠী থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্র্যান্ডের কাছে সেই পেজ বা প্রোফাইলের মূল্য তৈরি হতে পারে।

একটি কনটেন্ট, একাধিক প্ল্যাটফর্ম

একটি ভিডিও বানিয়ে শুধু একটি প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ না করে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করা যায়। একই মূল ভিডিও থেকে ফেসবুক, ইউটিউব শর্টস, ইনস্টাগ্রাম রিলস বা অন্য প্ল্যাটফর্মের জন্য আলাদা সংস্করণ তৈরি করা সম্ভব।

এতে নতুন কনটেন্ট তৈরির চাপ কমে এবং একই পরিশ্রমে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হয়।

ট্রেন্ড ধরুন, কিন্তু নকল নয়

সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও বিষয় হঠাৎ জনপ্রিয় হলে সেখানে দ্রুত কনটেন্ট তৈরি করলে বাড়তি দর্শক পাওয়া যেতে পারে। তবে অন্যের ভিডিও বা লেখা হুবহু কপি করা ঝুঁকিপূর্ণ।

বরং জনপ্রিয় বিষয়টির সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা, বিশ্লেষণ বা নতুন তথ্য যোগ করা ভালো। এতে কনটেন্টের নিজস্ব পরিচয় তৈরি হয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘হ্যাক’

সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত আয়ের সবচেয়ে কার্যকর কৌশল আসলে কোনও গোপন সূত্র নয়। সেটি হলো, দর্শক কী দেখতে চান, তা বোঝা।

কোন ভিডিওতে বেশি মানুষ থামছেন, কোন বিষয় নিয়ে মন্তব্য করছেন, কোন পোস্ট বেশি শেয়ার হচ্ছে; এসব তথ্য নিয়মিত বিশ্লেষণ করতে হবে। এরপর ভালো ফল পাওয়া কনটেন্টের ধরন আরও তৈরি করা যায়।

আপনার পোস্টে হ্যাশট্যাগ কাজ করছে না কেন, জানেন কি?আপনার পোস্টে হ্যাশট্যাগ কাজ করছে না কেন, জানেন কি?
তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে রাতারাতি বড় অঙ্কের আয় করার নিশ্চয়তা নেই। অনুসারী বা ভিউ কেনা, ভুয়া এনগেজমেন্ট তৈরি করা কিংবা বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট দিয়ে দ্রুত আয় করার চেষ্টা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির কারণ হতে পারে।

দ্রুত শুরু করা সম্ভব। কিন্তু টেকসই আয় তৈরি করতে শেষ পর্যন্ত দরকার ভালো কনটেন্ট, নির্দিষ্ট দর্শক এবং নিয়মিত কাজ। গোপন হ্যাকের চেয়ে এই তিনটিই বেশি কার্যকর।