শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রবীণদের সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করা সমাজের মৌলিক দায়িত্ব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২৩ অপরাহ্ণ
প্রবীণদের সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করা সমাজের মৌলিক দায়িত্ব

প্রকাশ ঘোষ বিধান

প্রবীণদের সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করা যেকোনো সভ্য সমাজের জন্য একটি মৌলিক দায়িত্ব। যা তাদের শেষ বয়সে একটি মর্যাদাপূর্ণ ও নিরাপদ জীবনযাপনের নিশ্চয়তা দেয়। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে প্রবীণ ব্যক্তিরা প্রায়ই পরিবার ও সমাজে অবহেলা বা নির্যাতনের শিকার হন। তাদের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র, সমাজ ও পরিবার সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

সমাজে প্রবীণরা প্রায়শই মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, আর্থিক শোষণ এবং চরম অবহেলার শিকার হন। দেশের প্রবীণরা প্রধানত চার ধরনের নির্যাতনের মুখোমুখি হন। মানসিক নির্যাতন : তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা, হেয় প্রতিপন্ন করা এবং অবজ্ঞার চোখে দেখা। অবহেলার শিকার : সঠিক যতœ, পুষ্টি এবং পারিবারিক সাহচর্যের অভাব। আর্থিক নির্যাতন : সম্পত্তি জোরপূর্বক লিখে নেওয়া বা তাদের জমানো অর্থের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা। শারীরিক নির্যাতন : বয়োবৃদ্ধ বয়সেও শারীরিক আঘাত বা নির্যাতনের শিকার হওয়া।

প্রবীণদের সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করা কোনো করুণা বা দাক্ষিণ্য নয়, বরং এটি সমাজের একটি মৌলিক এবং নৈতিক দায়িত্ব। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে প্রবীণরা যেন অবহেলা, নিপিড়ন বা বৈষম্যের শিকার না হন এবং মর্যাদার সাথে বেঁচে থাকতে পারেন, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজ উভয়েরই কর্তব্য। বাংলাদেশের সংবিধানে এবং জাতীয় নীতিমালায় প্রবীণদের এই অধিকার ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে এবং বাংলাদেশে প্রবীণদের মৌলিক অধিকার রক্ষা ও সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন আইন, নীতিমালা এবং আন্তর্জাতিক নীতিমালা রয়েছে। প্রবীণদের সুরক্ষিত রাখা কোনো দয়া বা করুণা নয়, এটি তাদের মৌলিক মানবাধিকার। আজকের তরুণরাই আগামী দিনের প্রবীণ, এই সত্যটি মাথায় রেখে এখনই সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।

প্রবীণদের জন্য আয়ের বয়সসীমা দিয়ে মর্যাদা নির্ধারণ না করে সার্বজনীন সামাজিক পেনশন চালু করা। বয়স্ক ভাতার পরিমাণ ও পরিধি আরও বৃদ্ধি করা। হাসপাতালগুলোতে প্রবীণদের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসাব্যবস্থা নিশ্চিত করা। সরকারিভাবে বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে জরুরি ওষুধ ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার সুবিধা দেওয়া।

প্রতি বছর ১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত হয়। ১৯৯০ সালের ১৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৯১ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। প্রবীণদের সুরক্ষা, অধিকার নিশ্চিত করা এবং বার্ধক্যের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রতিকার নিয়ে গণসচেতনতা তৈরি করা।

প্রবীণদের আইনি সুরক্ষা দিতে বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা আরও কঠোরভাবে কার্যকর করা এবং যেকোনো ধরণের সহিংসতা বা নির্যাতনের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি প্রতিকারের ব্যবস্থা করা। পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ এবং ২০২৩ সালের বিধিমালার যথাযথ প্রয়োগ এবং সময়ের প্রয়োজনে এর সংশোধন নিশ্চিত করা। সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রবীণদের আজীবন ভোগদখলের অধিকার নিশ্চিত করা।

প্রবীণদের প্রধান চাহিদা হলো মানসিকভাবে ভালো থাকা। পরিবারে তাদের অবহেলা বা হেয় না করে নিয়মিত সময় দেওয়া ও সম্মান প্রদর্শন করা উচিত। পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবীণদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের চর্চা বাড়ানো। তাঁদের ঘরের বোঝা না ভেবে অভিজ্ঞতার পথপ্রদর্শক হিসেবে মূল্যায়ন করা। টেলিভিশন, রেডিও ও সংবাদপত্রে প্রবীণদের অধিকার রক্ষা এবং তাদের অবহেলার কুফল নিয়ে নিয়মিত প্রচারণা চালানো।

প্রবীণদের সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করা প্রতিটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের নৈতিক ও মৌলিক দায়িত্ব। সমাজে বয়সের বৈষম্য রোধ করতে এবং প্রবীণদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়াতে হবে। প্রবীণদের সুরক্ষিত রাখা মানে আমাদের নিজেদের ভবিষ্যৎকেই সুরক্ষিত করা। কারণ আজকের নবীনই আগামী দিনের প্রবীণ।

প্রবীণদের সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করতে আইন ও নীতিমালার পাশাপাশি ব্যাপক সামাজিক সচেতনতা ও গণসচেতনতা তৈরি করতে হবে। প্রবীণদের অধিকার পুরোপুরি নিশ্চিত করতে কেবল আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়, বরং সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এবং প্রতিটি পরিবারে প্রবীণদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও ভালোবাসার পরিবেশ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

ব্র্যাকের পর নতুন যাত্রায় মিথিলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ
ব্র্যাকের পর নতুন যাত্রায় মিথিলা

অভিনয়ের পাশাপাশি একজন উন্নয়নকর্মী হিসেবেও দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। দীর্ঘ দুই দশক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের সঙ্গে কাজ করার পর এবার তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক হিসেবে যোগ দিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের এক পোস্টে পেশাগত জীবনের এই সুখবরের কথা জানিয়েছেন তিনি।

পোস্টে মিথিলা বলেন, ‘আমার পেশাগত জীবনে এক নতুন অধ্যায়ে পা দিচ্ছি। ব্র্যাকের সাথে দুই দশকের অভিজ্ঞতা অর্জনের পর—যার মধ্যে ১৫ বছরই কেটেছে ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের হয়ে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন খাতে—এবার একটা নতুন প্রফেশনাল জার্নি শুরু করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির ‘আর্ভিং ইনস্টিটিউট ফর ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড ট্রান্সলেশনাল রিসার্চ’-এ অ্যাসোসিয়েট রিসার্চ সায়েন্টিস্ট বা সহযোগী ‘গবেষণা বিজ্ঞানী’ হিসেবে জয়েন করছি আজ (১ অক্টোবর) থেকে।’

এই গবেষণায় মিথিলা কী কাজ করবেন পোস্টে সেটিও জানান। তার ভাষ্য, ‘এখানে আমার কাজ হবে নিউইয়র্ক এ অবস্থিত ‘আর্লি চাইল্ডহুড অ্যান্ড ফ্যামিলি হাব’ প্রজেক্টের ডিজাইন এবং মূল্যায়নে নেতৃত্ব দেওয়া। এই উদ্যোগটি, প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশ, পারিবারিক সম্পৃক্ততা এবং কমিউনিটি স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে; যেখানে একদম ছোট বাচ্চাদের (জন্ম থেকে পাঁচ বছর বয়স) পরিবারগুলোকে তাদের বেড়ে ওঠার জন্য দরকারি সব সুযোগ-সুবিধা আর পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।’

অভিনেত্রী পোস্টে লেখেন, ‘স্থানীয় মানুষের চাহিদার সাথে গবেষণার লক্ষ্যগুলোর মেলবন্ধন ঘটাতে এবং ডেটা ও প্রমাণ তৈরির মাধ্যমে এই কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে আমার গ্লোবাল এক্সপেরিয়েন্সকে কলাম্বিয়ায় কাজে লাগাতে পারবো বলে আশা করছি।’

গবেষণার পাশাপাশি সেখানে শিক্ষকতাও করবেন জানিয়ে মিথিলা বলেন, ‘আমি সিটি ইউনিভার্সিটি অফ নিউ ইয়র্ক-এ ‘অ্যাডজাংন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর’ হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেছি। আমি সেখানে ‘ননপ্রফিট ম্যানেজমেন্ট’ পড়াচ্ছি, যেখানে আমি শিক্ষার্থীদের বাস্তব জগতের ননপ্রফিট সংস্থাগুলোর কাজের ধারণার সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি।’

জন্মদিনে জেমস: জীবনকে জটিলভাবে ভাবার দরকার নেইজন্মদিনে জেমস: জীবনকে জটিলভাবে ভাবার দরকার নেই
দীর্ঘদিনের কর্মস্থল ব্র্যাকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মিথিলা বলেন, ‘আমার এই প্রফেশনাল জার্নির জন্য আমি ব্র্যাকের কাছে মনেপ্রাণে কৃতজ্ঞ। কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির মতো বিশ্বের অন্যতম সেরা রিসার্চ ইনফাস্ট্রাকচার ও মেধাবী গবেষকদের টিমের সাথে কাজ করতে পারা আশা করি আমার কর্ম অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।’

ভারতে সৈকতে ডুবে ৮ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ
ভারতে সৈকতে ডুবে ৮ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ভারতের মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র দিবেগার সমুদ্রসৈকতে সাগরে ডুবে পুণের আট শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের সবার বয়স ১৬ বছর। পুলিশ জানিয়েছে, সাগর থেকে আট জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

নিহতরা পুণে জেলার আলান্দির একটি বেসরকারি কোচিং সেন্টার উইনার্স অ্যাকাডেমির শিক্ষার্থী ছিলেন। ভ্রমণের জন্য তারা প্রায় ১৭০ কিলোমিটার দূরে দিবেগারে গিয়েছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ২৫ ছেলে, ১৭ মেয়ে ও ছয় শিক্ষকসহ মোট ৪৮ জনের একটি দল বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে সমুদ্রসৈকতে পিকনিকে যায়। একপর্যায়ে আট শিক্ষার্থী সাগরে নামেন। পানির গভীরতা ও স্রোতের তীব্রতা বুঝতে না পারায় তারা স্রোতে ভেসে যান।

খবর পেয়ে দিবেগারে ভাউ মারুতি সালুনখে মহাকালী ওয়াটার স্পোর্টস-এর মালিক ভাউ সালুনখে ও তার দল দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। নিজেদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে ওয়াটার স্পোর্টস দলের সদস্যরা সাগর থেকে আট শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে দিঘি সাগরি বোরলি পঞ্চতান থানার সহকারী পুলিশ পরিদর্শক সন্তোষ আওয়াতি একটি দল নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় পুলিশ মরদেহগুলো নিজেদের হেফাজতে নেয়। পরে ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়ার জন্য মরদেহগুলো বোরলি পঞ্চতানের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়।

নিহত শিক্ষার্থীরা হলেন, তন্ময় দত্তাত্রেয় ভাহিলে, সুমিত ভারত আহিরে, প্রণব রামদাস বানসোদে, কৈবল্য সতীশ ওয়াসানকার, রাজবীর যুবরাজ ভাহিলে, যশ কিরণ ওয়াংখেড়ে, সোহম তুকারাম ভান্ধওয়ালকর এবং কৌস্তুভ সন্দীপ দৌন্ড।

ঘটনায় শোক প্রকাশ করে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাদনাভিস এক্সে দেওয়া পোস্টে ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক’ বলে উল্লেখ করেছেন। নিহতদের মরদেহ আলান্দিতে ফিরিয়ে নিতে স্থানীয় প্রশাসন সমন্বয় করছে বলেও জানান তিনি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী গিরিশ মহাজন এ ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। কোচিং অ্যাকাডেমিকে এ ঘটনার জন্য জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। স্কুলের শিক্ষা সফরের জন্য রাজ্য সরকার শিগগিরই নতুন নিরাপত্তা নির্দেশিকা জারি করবে বলেও জানান তিনি।

পবিত্র মদিনায় মসজিদে নববিতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কেন্দ্রে ড্রোন হামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
পবিত্র মদিনায় মসজিদে নববিতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কেন্দ্রে ড্রোন হামলা

সৌদি আরবের মদিনা শহরের একটি বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রে চলতি সপ্তাহের ড্রোন হামলার জন্য হুথি বিদ্রোহীদের দায়ী করেছে ইয়েমেনে যুদ্ধরত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। বৃহস্পতিবার এই অভিযোগ করা হয়। তুরস্কভিত্তিক বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি এ খবর জানিয়েছে।

জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ১১ মিনিটে (০২১১ জিএমটি) তাইবাহ বিদ্যুৎ বিতরণ স্টেশনটিকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।

অপারেশনাল পর্যালোচনা এবং ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষা করে এই পরিকল্পনা ও হামলার পেছনে হুথিদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করে আল-মালিকি একে একটি ‘কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ বলে আখ্যায়িত করেন।

তিনি জানান, হামলায় একটি ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে গেলেও বিদ্যুৎ গ্রিডে এর কোনও প্রভাব পড়েনি। এই সুবিধাটি মদিনার মসজিদে নববিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে।

আল-মালিকি হুথিদের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করা এবং পবিত্র মক্কা ও মদিনা নগরীকে লক্ষ্য করে মুসলমানদের উসকানি দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, হুথিদের আক্রমণ প্রতিহত করতে এবং দুই পবিত্র মসজিদ ও মক্কা-মদিনার আগত দর্শনার্থীদের সুরক্ষায় জোট তাদের ব্যবস্থা অব্যাহত রাখবে।

এদিকে এই হামলায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছে হুথিরা। হুথি নিয়ন্ত্রিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সামরিক সূত্র সাবা নিউজ এজেন্সিকে জানিয়েছে, মদিনার একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ওই গোষ্ঠী হামলা চালিয়েছে বলে সৌদি আরবের করা অভিযোগটি ‘ভিত্তিহীন’।

এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর মক্কার দক্ষিণে হুথিদের একটি ড্রোন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ধ্বংস করার দাবি করেছিল সৌদি আরব, যা নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই প্রতিহত করা হয়। তবে এই অভিযোগও অস্বীকার করেছিল গোষ্ঠীটি। যদিও এর আগে সৌদি আরামকো ফ্যাসিলিটি ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো সাম্প্রতিক কিছু হামলার দায় স্বীকার করেছে এই হুথি বিদ্রোহীরা।