রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

জাকারিয়ার রক্তের দায়/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
জাকারিয়ার রক্তের দায়/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

মানুষের বিপদে মানুষ এগিয়ে যাবেÑসভ্য সমাজের এটাই স্বাভাবিক নিয়ম। বিপদে পড়া কাউকে সাহায্য করা, দুই পক্ষের বিবাদ থামানোর চেষ্টা করা কিংবা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক মূল্যবোধেরই অংশ। কিন্তু জাকারিয়ার মৃত্যু সেই স্বাভাবিক মানবিকতার সামনে এক কঠিন প্রশ্ন দাঁড় করিয়েছেÑঅন্যের বিপদে এগিয়ে গিয়ে যদি নিজের জীবনই দিতে হয়, তাহলে আগামী দিনে মানুষ কি আর কারও বিপদে এগিয়ে আসবে? জাকারিয়া এগিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর উদ্দেশ্য কী ছিল-একটি বিবাদ থামানো, বিপদগ্রস্ত কাউকে সহায়তা করা, নাকি পরিস্থিতি শান্ত করা-তা তদন্তেই স্পষ্ট হবে। কিন্তু একটি বিষয় স্পষ্ট: তিনি আর বেঁচে নেই। অন্যের বিপদের মুহূর্তে পাশে দাঁড়ানোর পরিণতিতে তাঁকে প্রাণ হারাতে হয়েছে। একটি পরিবারের স্বজন, একজন মানুষের জীবন এবং একটি পরিবারের ভবিষ্যতের স্বপ্ন-সবকিছুই মুহূর্তে বদলে গেছে।

 

জাকারিয়ার মৃত্যু তাই শুধু একটি হত্যাকা- নয়; এটি আমাদের সামাজিক সম্পর্ক, পারস্পরিক আস্থা এবং মানবিক মূল্যবোধ নিয়েও ভাবতে বাধ্য করে। একসময় পাড়া-মহল্লা বা গ্রামে কারও বিপদ হলে মানুষ ছুটে যেত। কারও বাড়িতে আগুন লাগলে সবাই মিলে আগুন নেভাত, কেউ অসুস্থ হলে কয়েকজন মিলে হাসপাতালে নিয়ে যেত, দুই পক্ষের বিবাদ হলে এলাকার প্রবীণরা এগিয়ে এসে তা থামানোর চেষ্টা করতেন। প্রতিবেশীর বিপদকে নিজের বিপদ মনে করার এই সংস্কৃতিই ছিল আমাদের সামাজিক শক্তি। আজ সেই জায়গায় পরিবর্তন এসেছে। মানুষ ক্রমেই ব্যক্তি কেন্দ্রিক হয়ে পড়ছে। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নিরাপত্তার ভয়। অন্যের সমস্যায় জড়িয়ে গিয়ে নিজেই বিপদে পড়ার আশঙ্কা অনেককে পিছিয়ে দেয়। জাকারিয়ার মতো মানুষের করুণ পরিণতি সেই ভয়কে আরও গভীর করতে পারে। আজ একজন ভাববেন, ‘আমি কেন যাব?’ কাল আরেকজন বলবেন, ‘নিজের জীবন আগে।’

 

এভাবে একসময় বিপদগ্রস্ত মানুষ চারপাশে অনেক মানুষ দেখেও কাউকে পাশে নাও পেতে পারেন। এটাই সবচেয়ে ভয়ংকর দিক। কারণ অপরাধ শুধু একজন মানুষের জীবন কেড়ে নেয় না; কখনো কখনো একটি সমাজের সাহসও কেড়ে নেয়। মানুষ যদি অন্যায়ের সামনে দাঁড়াতে ভয় পায়, বিপদে কাউকে সাহায্য করতে ভয় পায়, তাহলে অপরাধী আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। আর সাধারণ মানুষ ধীরে ধীরে নীরব দর্শকে পরিণত হয়।

 

নীরবতা তখন শুধু ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত থাকে না, তা সামাজিক অভ্যাসে পরিণত হয়।আমরা নিশ্চয়ই এমন সমাজ চাই না। তবে মানবিকতার অর্থ নিজের জীবনকে অযথা ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া নয়। সশস্ত্র বা উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে সরাসরি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া কোনো সমাধান হতে পারে না। এমন অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে খবর দেওয়া, আহত ব্যক্তিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া, চিকিৎসার ব্যবস্থা করা কিংবা প্রয়োজনীয় সহায়তা সংগঠিত করাও মানবিক দায়িত্বের অংশ। কিন্তু এসব কাজ করার নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রধান দায়িত্ব রাষ্ট্রের। সেখানেই জাকারিয়ার মৃত্যুর পর গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন সামনে আসে।

 

একটি বিরোধ কীভাবে প্রাণঘাতী হয়ে উঠল? এর আগে কোনো বিরোধ বা উত্তেজনা ছিল কি? স্থানীয়ভাবে তা মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল কি? সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আগে কোনো তথ্য পেয়েছিল কি না? এমন ঘটনা ঠেকাতে আগে থেকে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করা জরুরি। কারণ শুধু হত্যাকারী শনাক্ত করলেই একটি ঘটনার বিচার সম্পূর্ণ হয় না; ভবিষ্যতে একই ধরনের ঘটনা কীভাবে প্রতিরোধ করা যাবে, সেই শিক্ষাটিও বের করে আনতে হয়। জাকারিয়া হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তদন্ত হতে হবে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য। অপরাধীর পরিচয়, সামাজিক অবস্থান বা প্রভাব যেন তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে না পারে। শুধু গ্রেপ্তার নয়, যথাযথ তদন্ত শেষে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করাও জরুরি। কারণ ন্যায়বিচার এখানে শুধু জাকারিয়ার পরিবারের দাবি নয়; এটি সামাজিক আস্থার প্রশ্ন।

 

মানুষ যখন দেখে অপরাধের দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার হয়, তখন আইনের ওপর আস্থা বাড়ে। বিপরীতে অপরাধী প্রভাব বা সময়ের সুযোগে পার পেয়ে গেলে মানুষের মধ্যে জন্ম নেয় ভয় ও হতাশাÑআইন কি সত্যিই সবার জন্য সমান? এই প্রশ্নের উত্তর রাষ্ট্রকে তার কার্যকর কর্মকা-ের মাধ্যমে দিতে হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ প্রতিরোধের ব্যবস্থাও শক্তিশালী করতে হবে। ছোট বিরোধ বড় সংঘর্ষে রূপ নেওয়ার আগেই তা শনাক্ত করতে হবে। জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় প্রশাসন, সমাজের প্রবীণ ব্যক্তি ও নাগরিক প্রতিনিধিদের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। কোথাও উত্তেজনা তৈরি হলে সেটিকে ‘স্থানীয় ব্যাপার’ বলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ ছোট একটি বিরোধ কখন যে প্রাণঘাতী সংঘাতে পরিণত হবে, তার নিশ্চয়তা নেই।

 

জাকারিয়ার পরিবার আজ যে শূন্যতার মধ্যে পড়েছে, কোনো বিচারই তা পূরণ করতে পারবে না। একজন মানুষের মৃত্যু মানে শুধু একজন স্বজনকে হারানো নয়; একটি পরিবারের দৈনন্দিন জীবন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও নিরাপত্তা বোধও বদলে যায়। তাই তাঁদের প্রতি সহমর্মিতার পাশাপাশি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব। জাকারিয়ার মৃত্যু আমাদের সামনে দুটি পথের প্রশ্ন রেখেছে। আমরা কি এমন সমাজের দিকে যাব, যেখানে মানুষ অন্যের বিপদ দেখেও নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে থাকবে? নাকি এমন ব্যবস্থা গড়ে তুলব, যেখানে মানবিকতার সঙ্গে মানুষের নিরাপত্তারও নিশ্চয়তা থাকবে? উত্তরটি আমাদের সামাজিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

 

মানুষের বিপদে মানুষ এগিয়ে আসবে-এই ন্যূনতম সামাজিক আস্থাটুকু যেন আমরা হারিয়ে না ফেলি। এ জন্য জাকারিয়া হত্যার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে দ্রুত শনাক্ত করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে; স্থানীয় বিরোধ ও সংঘাতের আগাম ঝুঁকি চিহ্নিত করে কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে; এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এমনভাবে সক্রিয় রাখতে হবে, যাতে কোনো বিবাদ সহিংসতায় রূপ নেওয়ার আগেই তা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের জন্যও নিরাপদভাবে সহায়তা করার পথ তৈরি করতে হবে। জাকারিয়ার মৃত্যু যেন মানুষের মানবিকতাকে ভীত করে পিছু হটিয়ে না দেয়; বরং তাঁর হত্যার দ্রুত বিচার, সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রকে প্রমাণ করতে হবেÑঅন্যের পাশে দাঁড়ানো কোনো মানুষের জন্য মৃত্যুফাঁদ হতে পারে না।

লেখক: সংবাদকর্মী

Ads small one

ডেঙ্গুতে একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি, মৃত্যু ৬ জনের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি, মৃত্যু ৬ জনের

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে তাদের মৃত্যু হয়। এ সময় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৮৯ জন।

রবিবার (৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৮১৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩২৪ জন, খুলনা বিভাগে ৩৩০ জন, রংপুর বিভাগে ৮৩ জন, বরিশাল বিভাগে ২০৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ২২৪ জন এবং সিলেট বিভাগে ১০ জন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, চলতি বছরের শুরু থেকে রবিবার পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৮৬ হাজার ৪৫৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮০ হাজার ৩৪৭ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫ হাজার ৮৪৯ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ছাড়া চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট ২৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এশিয়ান গেমসের সমাপনীতে গেলো না হকি দল, ব্যস্ত শপিংয়ে!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
এশিয়ান গেমসের সমাপনীতে গেলো না হকি দল, ব্যস্ত শপিংয়ে!

এশিয়ান গেমসের মতো মহাদেশীয় ক্রীড়া আসরের সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলো না বাংলাদেশ পুরুষ হকি দল। নাগোয়ার পালোমা মিজুহো স্টেডিয়ামে রবিবার বসেছিল ২০তম এশিয়ান গেমসের সমাপনী আয়োজন। সেখানে বাংলাদেশের ৪৫ জন ক্রীড়াবিদের অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও হকি দলের একজন খেলোয়াড়ও উপস্থিত ছিলেন না। সমাপনী অনুষ্ঠানের বদলে শেষ দিনটি শহর ঘুরে কেনাকাটাতেই কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দলটি।

সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি ও এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ দলের শেফ দ্য মিশন মেজর (অব.) ইমরোজ আহমেদ হকি দলের আয়োজকদের আটজন খেলোয়াড় পাঠাতে বলেছিলেন। কিন্তু সেই অনুরোধে সাড়া দেয়নি কেউ।

হকি দলের ম্যানেজার ও বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক আরিফুল হক প্রিন্স অবশ্য এর পেছনে দূরত্বকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। গিফুতে দলের আবাসন থেকে নাগোয়ার অনুষ্ঠানস্থলে যেতে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় লাগে বলে জানান তিনি। সংবাদ মাধ্যমকে প্রিন্স বলেন, ‘বললেই তো এত সহজ নয়। আমরা গিফুতে আছি, আর অনুষ্ঠান হচ্ছে নাগোয়ায়। আমাদের জায়গা থেকে সেখানে যেতে তিন ঘণ্টার পথ।’

শনিবারই এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের হকি অভিযান শেষ হয়েছে। সপ্তম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে সপ্তম হয় বাংলাদেশ। এরপরই দলের ব্যস্ততা কিছুটা কমে আসে।

প্রিন্স বলেন, ‘আমাদের অভিযান গতকাল শেষ হয়েছে। ম্যাচ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম, সময় পাইনি। তাই এখানে আমাদের শেষ দিন হওয়ায় শহর ঘুরে বেড়ানো এবং কিছু কেনাকাটা করার পরিকল্পনা করেছিলাম।’

সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তাদের জানানো হয়েছিল বলে জানান হকি দলের এই কর্মকর্তা। তার দাবি, শনিবার রাতে তাদের বিষয়টি জানানো হয়।

আরিফুল বলেন, শনিবার রাতে তাদের সমাপনী অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। পরে অবশ্য অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের আর্চারি দলের সদস্যদের পাশাপাশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সাইফ হাসান, লিটন দাসসহ অন্য ক্রীড়াবিদরা উপস্থিত ছিলেন। লিটন দাস বাংলাদেশের পতাকা বাহক ছিলেন।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল ২০তম এশিয়ান গেমস। রবিবার নাগোয়ার পালোমা মিজুহো স্টেডিয়ামে সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পর্দা নামে মহাদেশীয় এই ক্রীড়া আসরের।

সাংবাদিক এম শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যু, প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের শোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক এম শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যু, প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের শোক

পত্রদূত ডেস্ক: এসএ টেলিভিশনের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ও সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক এম শাহীন গোলদারের মা নুরজাহান বেগম (৮০) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন।

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব: মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম, সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন, অর্থ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মাসুদুজ্জামান সুমন, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে এড. খায়রুল বদিউজ্জামান, আবু তালেব, কাজী জামালউদ্দিন মামুন, আব্দুস সামাদ, আসাদুজ্জামান সরদার।

সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্র: মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, মায়ের মৃত্যু একজন সন্তানের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। নুরজাহান বেগমের মৃত্যুতে এম শাহীন গোলদার ও তার পরিবারের সদস্যদের যে শোক ও কষ্ট, তা কাটিয়ে ওঠার জন্য মহান আল্লাহ তাদের ধৈর্য ধারণের শক্তি দান করুন।
বিবৃতিদাতারা হলেন, সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি আব্দুস সামাদ, সাধারণ সম্পাদক আহসান রাজীব, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হোসেন আলী, নির্বাহী সদস্য (অর্থ) এসএম বিপ্লব হোসেন, নির্বাহী সদস্য (দপ্তর) এসএম জিন্নাহ, শামীম পারভেজ (বৈশাখী টিভি), মোশারফ হোসেন (কালের কণ্ঠ), কৃষ্ণ ব্যানার্জি (প্রতিদিনের বাংলাদেশ ও নাগরিক টিভি), ইমতিয়াজ উদ্দীন (প্রথম আলো), আসাদুজ্জামান সরদার (বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউন), রাহাত রাজা (গ্লোবাল টিভি), মোজাহিদুল ইসলাম (যুগান্তর), হাবিবুর রহমান সোহাগ (স্বদেশ প্রতিদিন), রিজাউল করিম (দ্য এডিটরস), শহীদুজ্জামান শিমুল (রানার), নাজমুস সাহাদাৎ জাকির (খবরের কাগজ), ইব্রাহিম খলিল (ঢাকা পোস্ট), মিলন রুদ্র (টাইম টুডে/বাংলাদেশ বুলেটিন), মৃত্যুঞ্জয় রায় অপূর্ব (বার্তা২৪), আলী মুক্তাদা হৃদয় (হৃদয় বার্তা) ও তানজির কচি (বাংলানিউজ)।

কপিলমুনি সিটি প্রেসক্লাব: নুরজাহান বেগম (৮০) এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন কপিলমুনি সিটি প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।
সমবেদনা জ্ঞাপনকারীরা হলেন, সভাপতি এম আজাদ হোসেন, কার্যকরী সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম খান, সহ-সভাপতি দীপ্ত বাংলা’র সম্পাদক জি এম এমদাদ, সাধারণ সম্পাদক পলাশ কর্মকার, কোষাধ্যক্ষ জগদীশ দে, সাংগঠনিক সম্পাদক পলাশ মজুমদার, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস খান, প্রচার সম্পাদক জয় খান, নির্বাহী সদস্য অসীম রায়, আসাদুল মালী, জি এম রফিকুল ইসলাম, এম আজিজুর রহমান, আ: মজিদ গাজী প্রমুখ। বিবৃতিদাতারা মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করেছেন।

তালা প্রেসক্লাব: গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী জাহিদুর রহমান, সহ-সভাপতি কাজী আরিফুল হক ভুলু, আছাদুজ্জামান রাজু ও খলিলুর রহমান লিথু, সাধারণ সম্পাদক জোয়ার্দ্দার ফারুক, যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান রেন্টু, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন ও মো. খলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মো. মুতাহিরুল হক শাহিন, দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফি, প্রচার সম্পাদক সেকেন্দার আবু জাফর বাবলু, উপ-প্রচার সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ, সাহিত্য সম্পাদক অর্জুন বিশ্বাস, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আজমল হোসেন জুয়েল, ক্রীড়া সম্পাদক কাজী লিয়াকত হোসেন এবং তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক রিয়াদ হোসেন।
এ ছাড়া তালা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য প্রণব ঘোষ বাবলু, রোকনুজ্জামান টিপু, কে এম শাহিনুর রহমান, এস এম নাহিদ হাছান, শিরিনা সুলতানা, জয়দেব চক্রবর্তী, আজিজুর রহমান ও মো. ইমরান হোসেন এবং সদস্য নূর ইসলাম, তপন চক্রবর্তী, সব্যসাচী মজুমদার বাপ্পী, সরদার মশিয়ার রহমান, আব্দুল্লাহ আল ফারুক (সাগর), মুকুল হোসেন, তাপস সরকার, এস. কে. রায়হান, সুমন রায় গণেশ, মীর ইমরান মাহমুদ হিল্লোল, তাজমুল ইসলাম, সৈয়দ মারুফ হোসেন, সন্তোষ ঘোষ, শেখ বিল্লাল হোসেন, মো. কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল-মামুন (সৈকত), রফিকুল ইসলাম নয়ন, শামীম হোসেন, মোস্তাফিজুল রহমান মোখলেস, খায়রুল আলম, সেলিম হোসেন, শাহিনুর ইসলাম ও হারুন অর রশিদ প্রমুখ।