শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

মহালয়া, শুভশক্তির আগমনী ধ্বনি/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
মহালয়া, শুভশক্তির আগমনী ধ্বনি/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

শনিবার ভোরে মহালয়া। অমাবস্যার অন্ধকার পেরিয়ে শুরু হবে দেবীপক্ষ। পিতৃপক্ষের অবসানে মহালয়ার ভোরে শঙ্খধ্বনি, চ-ীপাঠ ও আগমনী সুরে বাঙালির মনে জেগে ওঠে দেবীর আগমনের প্রত্যাশা। মহালয়া তাই নিছক একটি ধর্মীয় তিথি নয়; এটি স্মৃতি, বিশ্বাস ও শুভশক্তির প্রত্যাবর্তনের এক তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত। ‘মহ’ অর্থ পূজা বা উৎসব, ‘আলয়’ অর্থ আশ্রয়। আবার সনাতন বিশ্বাসে মহালয় পিতৃলোকের প্রতীক-যেখানে প্রয়াত পূর্বপুরুষদের অবস্থান। ফলে মহালয়ার সঙ্গে জড়িয়ে আছে দুটি গভীর অনুষঙ্গ: পূর্বপুরুষের স্মরণ এবং দেবীপক্ষের সূচনা।

 

পিতৃপক্ষের শেষ দিনে প্রয়াত পিতা-মাতা ও পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে তর্পণ ও অঞ্জলি নিবেদনের রীতি রয়েছে। এর ধর্মীয় তাৎপর্যের পাশাপাশি রয়েছে গভীর মানবিক মূল্যবোধ। মানুষ যত আধুনিকই হোক, তার অস্তিত্বের পেছনে থাকে পূর্বসূরিদের শ্রম, ত্যাগ ও উত্তরাধিকার। মহালয়া সেই ঋণের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। দুর্গাপূজার সূচনালগ্ন হিসেবেও মহালয়ার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। পুরাণকথা অনুযায়ী, রাবণের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ার আগে শ্রী রামচন্দ্র শরৎকালে দেবী দুর্গার আরাধনা করেন। প্রচলিত পূজার সময়ের বাইরে এই আরাধনাই ‘অকালবোধন’ নামে পরিচিত।

 

সেই ঐতিহ্যই আজকের শারদীয় দুর্গোৎসবের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। চ-ীপাঠের মন্ত্রে মহালয়ার ভোরে যে দেবীকে আহ্বান করা হয়, তিনি শুধু পৌরাণিক অসুরবিনাশিনী ননÑতিনি শুভবোধের প্রতীক। মহিষাসুরের বিরুদ্ধে দেবীর সংগ্রাম তাই আজও প্রতীকী অর্থে প্রাসঙ্গিক। অন্যায়, অহংকার, হিংসা, লোভ ও অমানবিকতার বিরুদ্ধে ন্যায়, সংযম ও মানবিকতার লড়াই কখনো শেষ হয় না। এ কারণেই মহালয়ার আলোকবার্তা আজও সমান জরুরি। সমাজে বিভাজন বাড়লে, সহনশীলতা কমলে, স্বার্থ যখন বিবেককে ঢেকে ফেলেÑতখন দেবীর আগমন আমাদের মনে করিয়ে দেয়, অশুভকে মেনে নেওয়া নয়, তার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোই মানুষের ধর্ম।

 

শরতের প্রকৃতিও যেন এই আবাহনের সঙ্গে একাত্ম হয়ে ওঠে। নীল আকাশ, সাদা মেঘ, কাশফুল ও শিউলির সুবাসের সঙ্গে ম-পে ম-পে চলে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রতিমাশিল্পী, কারিগর, ঢাকি, আলোক সজ্জা কর্মী ও আয়োজকদের শ্রমে পূর্ণতা পায় উৎসবের আয়োজন। এই সম্মিলিত শ্রমই দুর্গোৎসবকে কেবল পূজার আনুষ্ঠানিকতা থেকে বৃহত্তর সামাজিক উৎসবে পরিণত করেছে। বাংলার দুর্গোৎসবের সবচেয়ে বড় শক্তি তার মিলনের চরিত্র। ধর্মীয় আচার এক সম্প্রদায়ের হলেও উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে সমাজের সর্বস্তরে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহাবস্থান ও সম্প্রীতির যে ঐতিহ্য বাংলাকে সমৃদ্ধ করেছে, মহালয়া সেই মূল্যবোধকেও নতুন করে স্মরণ করার সুযোগ দেয়।

 

মহালয়ার প্রকৃত তাৎপর্য তাই কেবল ‘মা আসছেন’-এই আনন্দে সীমাবদ্ধ নয়। এর গভীরে রয়েছে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে উত্তরণের দর্শন। পূর্বপুরুষের স্মৃতি আমাদের শিকড়ের কাছে ফিরিয়ে নেয়, আর দেবীর আবাহন সামনে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি জোগায়। অমাবস্যার রাত শেষে যেমন সূর্য ওঠে, তেমনি অশুভের দীর্ঘ ছায়ার পরও শুভবোধের সম্ভাবনা কখনো নিঃশেষ হয় না। মহালয়া সেই সম্ভাবনারই নাম। মহালয়ার এই ভোরে তাই প্রার্থনা একটাইÑঅশুভের বিনাশ হোক, বিবেক জাগুক, মানবিকতা শক্তিশালী হোক। দেবীর আগমন হোক মানুষের অন্তরে। শুভ মহালয়া।

সচ্চিদানন্দ দে সদয়, সাংবাদিক, আশাশুনি, সাতক্ষীরা

Ads small one

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস: শুনতে হবে মনের কথা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০৯ অপরাহ্ণ
বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস: শুনতে হবে মনের কথা

সাকিবুর রহমান বাবলা
মানুষের সুস্থতার কথা উঠলেই আমরা সাধারণত শরীরের যতœ, রোগ-ব্যাধি ও চিকিৎসার কথা ভাবি। অথচ সুস্থ জীবনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো মানসিক স্বাস্থ্য। মন ভালো না থাকলে শরীর, পরিবার, শিক্ষা, কর্মজীবন ও সামাজিক সম্পর্কÑকোনোটিই স্বাভাবিক গতিতে এগোয় না। তাই মানসিক স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দেওয়া এখন আর ব্যক্তিগত বিষয় নয়; এটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রেরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

১০ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, মানসিক অসুস্থতাকে ঘিরে থাকা ভয় ও সামাজিক কলঙ্ক দূর করা এবং প্রয়োজনীয় সেবা ও সহায়তা নিশ্চিত করাই এ দিবসের প্রধান উদ্দেশ্য। ১৯৯২ সালে ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর মেন্টাল হেলথ-এর উদ্যোগে দিবসটি প্রথম পালিত হয়।

২০২৬ সালের প্রতিপাদ্যÑ’বাস্তব অভিজ্ঞতা শোনা হোক: প্রকৃত কণ্ঠস্বর, প্রকৃত পরিবর্তন।’ এবারের বার্তার কেন্দ্রে রয়েছে যাঁরা নিজের জীবনে মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যার অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন, তাঁদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং তাঁদের অভিজ্ঞতাকে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও নীতিনির্ধারণে গুরুত্ব দেওয়া। শুধু তাঁদের গল্প শোনা নয়, তাঁদের মতামত যেন সেবা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও প্রতিফলিত হয়Ñএটাই এবারের আহ্বান।

মানসিক স্বাস্থ্য কোনো নির্দিষ্ট বয়সের বিষয় নয়। এর যতœ শুরু হওয়া উচিত জীবনের শুরু থেকেই। গর্ভকালীন সময়ে মায়ের অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও উদ্বেগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। জন্মের পর শিশুর নিরাপদ পরিবেশ, স্নেহ, ভালোবাসা ও পারিবারিক বন্ধন তার আবেগীয় বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কৈশোরে পড়াশোনা, পারিবারিক প্রত্যাশা, সামাজিক চাপ, বুলিং ও সম্পর্কের নানা পরিবর্তন মানসিক সুস্থতায় প্রভাব ফেলতে পারে। আবার প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে কর্মক্ষেত্রের চাপ, আর্থিক সমস্যা, পারিবারিক দায়িত্ব কিংবা একাকিত্ব মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। বার্ধক্যে একাকিত্ব, স্মৃতির পরিবর্তন ও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার সঙ্গেও মানসিক সুস্থতার বিষয়টি জড়িয়ে থাকে।

তাই শিশুর আচরণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন, কৈশোরে হঠাৎ নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া, পড়াশোনায় আগ্রহ কমে যাওয়া, দীর্ঘদিনের মন খারাপ, ঘুম ও খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন কিংবা কর্মজীবনে দীর্ঘস্থায়ী অস্বস্তিকে অবহেলা করা উচিত নয়। এসব ক্ষেত্রে ধমক বা উপহাস নয়, প্রয়োজন সহমর্মিতা, মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং প্রয়োজন হলে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী বা মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীর সহায়তা নেওয়া।

পরিবার মানসিক স্বাস্থ্যের প্রথম আশ্রয়স্থল। সন্তানকে অন্যের সঙ্গে তুলনা না করা, পারিবারিক কলহ থেকে শিশুদের রক্ষা করা, বয়স্ক সদস্যদের কথা শোনা এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত গুণগত সময় কাটানো জরুরি। একইভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও অতিরিক্ত শিক্ষাচাপ কমিয়ে শিক্ষার্থীদের কথা বলার নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

কর্মক্ষেত্রেও মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যতœশীল হওয়া জরুরি। অতিরিক্ত কাজের চাপ, বৈষম্য, হয়রানি, চাকরির অনিশ্চয়তা ও অসম্মানজনক পরিবেশ মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিপরীতে নিরাপদ ও সহায়ক কর্মপরিবেশ মানুষের আত্মবিশ্বাস ও কর্মক্ষমতা বাড়াতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিষণ্ণতা ও উদ্বেগের কারণে বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ১২ বিলিয়ন কর্মদিবস হারিয়ে যায়।

ডিজিটাল যুগেও প্রয়োজন সচেতনতা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখে নিজের জীবনকে ছোট করে দেখা, অতিরিক্ত স্ক্রিনে ডুবে থাকা কিংবা নেতিবাচক ও ভুয়া তথ্যের প্রভাবে মানসিক অস্থিরতা বাড়তে পারে। তাই প্রযুক্তির ব্যবহার হতে হবে পরিমিত ও দায়িত্বশীল।
মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে আত্মসচেতনতা, আবেগকে বুঝতে শেখা, চাপ সামলানোর স্বাস্থ্যকর উপায়, সময় ব্যবস্থাপনা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, সুস্থ ব্যক্তিগত সীমারেখা এবং প্রয়োজনের সময় সাহায্য চাওয়ার মানসিকতা গড়ে তোলা প্রয়োজন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো-কষ্টকে লুকিয়ে না রেখে বিশ্বাসযোগ্য মানুষ ও প্রয়োজনীয় পেশাজীবীর সঙ্গে কথা বলা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য, অধিকারভিত্তিক ও মানুষকেন্দ্রিক করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশ্বব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় আক্রান্ত মানুষের নিজের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁদের সেবা পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের অংশীদার করার বিষয়টিও এখন বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।

বাংলাদেশেও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আইন, নীতি, চিকিৎসা ও সচেতনতা কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা ক্রমেই গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে দক্ষ জনবল বৃদ্ধি, জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সেবা সম্প্রসারণ এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক কলঙ্ক কমানো এখনও গুরুত্বপূর্ণ কাজ। পরিবার, শিক্ষক, চিকিৎসক, ধর্মীয় ও সামাজিক নেতা, জনপ্রতিনিধি এবং গণমাধ্যম-সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের লক্ষ্য হোক-মানুষের মনের কথা শোনা, কষ্টকে অবহেলা না করা এবং মানসিক অসুস্থতাকে লজ্জার বিষয় হিসেবে না দেখে সব জড়তা দূর করা। একজন মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা তার জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সেই অভিজ্ঞতা থেকে সমাজও শিখতে পারে। আসুন, আমরা শুধু মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা না বলে মানুষের কথা শুনি, সহমর্মী হই এবং এমন একটি সমাজ গড়ে তুলি, যেখানে মানসিক সুস্থতাও শারীরিক সুস্থতার মতোই মর্যাদা পায়।

সাতক্ষীরায় জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা

Oplus_131072

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা জেলা জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের নবগঠিত কমিটির মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় সাতক্ষীরা রয়েল প্লাস কনভেনশন সেন্টারের মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন নবগঠিত সাতক্ষীরা জেলা জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের সভাপতি শামীম হোসেন কোরাইশি লাল্টু। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ মোস্তফা সোহেল।

সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের খুলনা মহানগর সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নিয়াজ আহমেদ তুহিন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল হাসান, খুলনা মহানগর জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের সহ-সভাপতি ফখরুল ইসলাম পিপলু, যুগ্ম সম্পাদক শফিকুল হোসেন শান্ত, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও ৯০ দশক ছাত্র ফোরামের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ও ৯০ দশক ছাত্র ফোরামের সভাপতি আহসান হাবিব টুটুল, সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজু, জেলা কৃষকদলের সাবেক সভাপতি আহছানুল কাদির স্বপন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল কুদ্দুস এবং জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক দুদায়েব মাসুদ খান অর্ঘ্য।

এছাড়া সভায় জেলা বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং নবগঠিত জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দর্শন শিশু-কিশোরদের মধ্যে তুলে ধরে তাদের দেশপ্রেম, নৈতিকতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সাতক্ষীরা আলিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়া গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা আলিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়া গ্রেপ্তার

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল ইসলাম জিয়াকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ। শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) বেলা অনুমান ১১টার সময় সাতক্ষীরা সদর থানার এএসআই নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে সর্ঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা সদরের আলিপুর চেকপোষ্ট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

 

এব্যাপারে সদর থানার এএসআই নাসির উদ্দিন জানান, আটককৃত ব্যক্তি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের আলিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল ইসলাম জিয়া। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আলিপুর চেকপোষ্ট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।