বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

খোলপেটুয়ার গ্রাসে ৩০০ ফুট বেড়িবাঁধ, প্লাবনের আতঙ্কে উপকূলবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ণ
খোলপেটুয়ার গ্রাসে ৩০০ ফুট বেড়িবাঁধ, প্লাবনের আতঙ্কে উপকূলবাসী

মিলন বিশ্বাস: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের বন্যতলা এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর ভয়াবহ ভাঙনে প্রায় ৩০০ ফুট বেড়িবাঁধ ধসে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঝোড়ো হাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের আঘাতে সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বিভাগ-২-এর আওতাধীন ৭/১ পোল্ডারের বাঁধে এ ভাঙন দেখা দেয়। এতে বন্যতলা গ্রামসহ পার্শ্ববর্তী প্রতাপনগর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আতঙ্কে রয়েছেন উপকূলের বাসিন্দারা।

ভাঙনের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় মসজিদের মাইকে এলাকাবাসীকে সতর্ক করা হয়। বসতভিটা ও জনপদ রক্ষায় রাতেই বাঁধের কাছে ছুটে আসেন বন্যতলা ও পার্শ্ববর্তী প্রতাপনগর ইউনিয়নের সহস্রাধিক মানুষ। তাঁরা স্বেচ্ছাশ্রমে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা শুরু করেন। বুধবারও ভাঙন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ অব্যাহত ছিল।

পদ্মপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঝোড়ো হাওয়া ও খোলপেটুয়া নদীর প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে ভাঙন দেখা দেয়। এতে প্রায় ৩০০ ফুট বাঁধ ধসে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। কোনো কোনো স্থানে বাঁধের মাত্র এক থেকে দেড় ফুট অংশ অবশিষ্ট রয়েছে। পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় স্থানীয়দের সতর্ক করা হয়। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আগে থেকে প্রস্তুত রাখা বালুভর্তি জিও ব্যাগ দিয়ে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ শুরু হয়। ভাঙনস্থলের কিছু অংশে ইতিমধ্যে জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। বুধবারের মধ্যে বাকি অংশেও জিও ব্যাগ ফেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী আবু দাউদ ঢালি বলেন, ভাঙনস্থলটি পদ্মপুকুর ইউনিয়নের বন্যতলা এলাকায় হলেও এর পাশেই প্রতাপনগর ইউনিয়ন। ওই স্থান দিয়ে নদীর পানি লোকালয়ে ঢুকলে প্রতাপনগরের বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে খবর পেয়েই তিনি লোকজন নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। রাতেই জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হয়। বুধবারও পাউবো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাঁর লোকজন ভাঙন প্রতিরোধে কাজ করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ৭/১ পোল্ডারের বন্যতলা এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধ দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ। বাঁধ সংস্কারের জন্য আগেই খুলনার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স বাবুল এন্টারপ্রাইজকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবহারের জন্য বালুভর্তি হাজার হাজার জিও ব্যাগও প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। তবে সেগুলো সময়মতো ঝুঁকিপূর্ণ অংশে ফেলা হয়নি। আগে থেকেই জিও ব্যাগ ফেলা হলে এমন পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হতো বলে মনে করছেন তাঁরা।

স্থানীয় ঘেরমালিক রবিউল ইসলাম বলেন, বাঁধ সংস্কারের জন্য বিপুলসংখ্যক জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা হলেও সেগুলো সময়মতো ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে ব্যবহার করা হয়নি। ফলে নদীর প্রবল স্রোতে বাঁধ ধসে পড়েছে। দ্রুত ভাঙন ঠেকানো না গেলে বন্যতলা গ্রামসহ প্রতাপনগরের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে। এতে ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও মৎস্যঘেরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। আগেভাগে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে পরিস্থিতি এতটা নাজুক হতো না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ভাঙন পরিস্থিতি সম্পর্কে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও অবহিত করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা স্বেচ্ছাশ্রমে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা করছেন।

সাতক্ষীরা পাউবো বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রহমান তাযকিয়া বলেন, ভাঙনের খবর পাওয়ার পর রাতেই সেখানে লোক পাঠানো হয়। আগে থেকে প্রস্তুত রাখা বালুভর্তি জিও ব্যাগ স্থানীয়দের সহযোগিতায় ভাঙনস্থলে ফেলা হচ্ছে। বুধবার বিকেলের মধ্যে এ কাজ শেষ করা গেলে ভাঙন প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

জিও ব্যাগ ফেলতে দেরির বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, বন্যতলার ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ মেরামতের জন্য আগেই ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছিল। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিও ব্যাগে বালু ভরে সেগুলো প্রস্তুতও রেখেছিল। তবে টাস্কফোর্সের মাধ্যমে ব্যাগ গণনা ও চিহ্নিত করার পর সেগুলো ভাঙনস্থলে ফেলার নিয়ম রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে গিয়ে জিও ব্যাগ ফেলতে কিছুটা দেরি হয়েছে।

এদিকে খোলপেটুয়া নদীর ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের আশঙ্কা, সময়মতো বাঁধ রক্ষা করা না গেলে নদীর পানি লোকালয়ে ঢুকে বিস্তীর্ণ জনপদ প্লাবিত হতে পারে। এতে ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও মৎস্যঘেরের ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জীবিকাও মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।

Ads small one

পাইকগাছায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

কপিলমুনি (পাইকগাছা) প্রতিনিধি: ‘হাত ধোয়ার নায়ক হোন’ প্রতিপাদ্যে খুলনার পাইকগাছায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০২৬ উপলক্ষে র‌্যালি ও হাত ধোয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে র‌্যালি বের করা হয়। পরে হাত ধোয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী প্রশান্ত কুমার পাল স্বাগত বক্তব্য দেন। এ সময় জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা এস এম আমিনুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজসহ সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

দেবহাটায় জেন্ডারভিত্তিক বৈষম্য দূরীকরণে অ্যাডভোকেসি সংলাপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় জেন্ডারভিত্তিক বৈষম্য দূরীকরণে অ্যাডভোকেসি সংলাপ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সমাজে প্রচলিত নেতিবাচক জেন্ডারভিত্তিক ধারণা ও বৈষম্য দূরীকরণ এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কিশোরীদের নিরাপদ ও ইতিবাচক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে সাতক্ষীরার দেবহাটায় অ্যাডভোকেসি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দেবহাটা উপজেলা পরিষদ হলরুমে ‘সমতায় তারুণ্য’ প্রকল্পের আওতায় এ সংলাপের আয়োজন করে আমাদের যুব টিম। নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের অর্থায়নে জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহায়তায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

সংলাপে জেন্ডারভিত্তিক নেতিবাচক ধারণার প্রভাব, নারী ও কিশোরীদের সমান সুযোগ ও অংশগ্রহণ, অনলাইন হয়রানি ও সাইবার বুলিং প্রতিরোধ এবং দায়িত্বশীল গণমাধ্যম ব্যবহারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণদের ভূমিকা এবং সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, কমিউনিটি নেতা ও যুব সংগঠনগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আয়োজকরা জানান, সংলাপের আগে প্রকল্পের ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দুই দিনে পৃথক দুটি যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠনের ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশন অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি সেশনে ১৫ জন নারী ও ১৫ জন পুরুষসহ ৩০ জন করে তরুণ-তরুণী অংশ নেন। দুই সেশনে মোট ৬০ জন অংশগ্রহণকারী জেন্ডারভিত্তিক প্রচলিত ধারণা, নারী ও কিশোরীদের অধিকার, সুরক্ষা, ডিজিটাল নিরাপত্তা, গণমাধ্যম বিষয়ে সচেতনতা এবং সামাজিক পরিবর্তনে তরুণদের নেতৃত্ব ও অ্যাডভোকেসি নিয়ে আলোচনা করেন।

পূর্ববর্তী সেশনগুলোর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আয়োজিত সংলাপে তরুণদের মতামত ও সুপারিশ স্থানীয় পর্যায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। অংশগ্রহণকারীরা নেতিবাচক সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন এবং নারী ও কিশোরীদের নিরাপদ ও সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন মারুফ সাহা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার মো. মিজানুর রহমান, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কবির হোসেন, দেবহাটা সদর ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী সদস্য রেহেনা পারভীন, টাউনশ্রীপুর শরৎচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মো. আমিরুল ইসলামসহ ধর্মীয় নেতা, স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, তরুণ ও নারী নেতারা। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ‘সমতায় তারুণ্য’ প্রকল্পের কর্মী মো. মনিরুল ইসলাম।

আয়োজকরা বলেন, জেন্ডারভিত্তিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু ব্যক্তিগত সচেতনতা যথেষ্ট নয়; পরিবার, সমাজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন অংশীজনের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও কার্যকর সংলাপের মাধ্যমে ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তন আনা সম্ভব। এ ধরনের উদ্যোগ জেন্ডারভিত্তিক বৈষম্য, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম ব্যবহার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের পথ সুগম করবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।

সাতক্ষীরায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে প্রদর্শনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে প্রদর্শনী

সংবাদদাতা: ‘হাত ধোয়ার নায়ক হোন’ প্রতিপাদ্যে সাতক্ষীরায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০২৬ উপলক্ষে হাত ধোয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক কাওছার আজিজ। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সাতক্ষীরার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহিদ পারভেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রিপন বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম টুকু, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের একাংশের সভাপতি জি এম মনিরুল ইসলাম মনি, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান মনির, এস্টিমেটর মো. মফিজুর রহমান, প্রধান সহকারী মো. ইব্রাহিম হোসেন রিপন ও ক্যাশিয়ার শংকর কুমার বিশ্বাস। এ ছাড়া উন্নয়ন সংস্থা সুশীলনের উপপরিচালক মনিরুজ্জামান মনি, নবদিগন্ত সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মো. বজলুর রহমান এবং হাই সোয়া সংস্থার জেলা প্রতিনিধি মো. মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা সুস্থ ও নিরাময়ী জীবনযাপনে সঠিক নিয়মে হাত ধোয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের হাত ধোয়ার সঠিক পদ্ধতি প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও বিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।