শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

পাটকেলঘাটার মেলেকবাড়ি দারুস সালাম আলিম মাদ্রাসার সভাপতি অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৬ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটার মেলেকবাড়ি দারুস সালাম আলিম মাদ্রাসার সভাপতি অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটার মেলেকবাড়ি দারুস সালাম আলিম মাদ্রাসার অ্যাডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কুমিরা মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি এর আগে তালা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। একই সঙ্গে তালা উপজেলা কলেজ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান মাদ্রাসাটির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন তালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণালকান্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম এবং কুমিরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও তালা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. গোলাম মোস্তফা।

এদিকে, গতকাল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ নবনির্বাচিত অ্যাডহক কমিটির সভাপতিকে সংবর্ধনা দিয়েছে। অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান।

Ads small one

বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা দেন ডা. বলরাম বিশ্বাস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা দেন ডা. বলরাম বিশ্বাস

জি এম আমিনুল হক: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার শ্বেতপুর গ্রামে জন্ম নেওয়া চিকিৎসক ডা. বলরাম বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন। নিজের খরচে ওষুধ সরবরাহসহ বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে তিনি এলাকায় মানবিক চিকিৎসক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। তাঁর দাবি, এ পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ দিয়েছেন।

ডা. বলরাম বিশ্বাস জানান, তিনি সাধারণ রোগীদের কাছ থেকে প্রথমে ৩০০ টাকা এবং পরে ২০০ টাকা ফি নেন। তবে ৭০ বছরের বেশি বয়সী, হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের কাছ থেকে কোনো ফি নেন না। শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে যেসব রোগী চেম্বারে আসতে পারেন না, তাঁদের জন্য প্রতি রোববার বাড়ি বাড়ি গিয়ে চিকিৎসাসেবা দেন। তাঁর চেম্বারে রোগী দেখার সময় সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা এবং বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা।

বিধবা, দরিদ্র, বয়স্ক ও এতিম ব্যক্তিদের পাশাপাশি এলাকার দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদেরও বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা দেন তিনি। প্রায় ২০ বছর ধরে দ্বিতীয় থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন। সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের জরুরি চিকিৎসাসেবা এবং জন্মগত প্রতিবন্ধী শিশুদের বাড়িতে গিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। জরুরি রোগীদের জন্য অ্যাম্বুলেন্সে বিনা মূল্যে অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থাও করেন।

চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি এলাকার তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে প্রায় ১৮ থেকে ২০ বছর ধরে প্রতিবছর ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজন করে আসছেন। এসব আয়োজনে বড় অঙ্কের অর্থও ব্যয় করেন তিনি।

২০০২ সালে ঢাকায় চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন ডা. বলরাম বিশ্বাস। ২০০৫ সাল থেকে সাত বছর গণস্বাস্থ্য সেবা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে মেডিকেল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৩ সাল থেকে প্রতি ইংরেজি মাসের প্রথম সপ্তাহে নিজ এলাকায় রোগী দেখতেন। পরে মায়ের অসুস্থতার কারণে চাকরি ছেড়ে বাড়িতে অবস্থান শুরু করেন। বর্তমানে প্রতি মাসের শেষ পাঁচ দিন ঢাকায় নিজের চেম্বারে রোগী দেখেন।

চিকিৎসাসেবার বাইরেও সামাজিক সচেতনতামূলক কাজে যুক্ত ছিলেন তিনি। ১৯৯৮-৯৯ সালে ঢাকার সিটিং সার্ভিস বাসের পেছনে ‘একটি ভুল সারা জীবনের কান্না’—এই স্লোগানটি প্রায় এক হাজার বাসে নিজ হাতে লিখে দেন। গাবতলী, সায়েদাবাদ, ডেমরা, গুলিস্তান, মতিঝিল ও ফার্মগেটসহ বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী বাসগুলোতে লেখাটি দেখা যেত।

ছাত্রজীবনে সাংবাদিকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন ডা. বলরাম বিশ্বাস। তিনি আশাশুনি ও বুধহাটা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। চিকিৎসাসেবা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকার মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছেন তিনি।

পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে ভোগান্তির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে ভোগান্তির অভিযোগ

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ পেতে ভোগান্তির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন গদাইপুর ইউনিয়নের পুরাইকাটি গ্রামের এক ব্যক্তি। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের দুই ইউপি সদস্য সুপারিশ করার পরও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সনদ দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ আবেদনকারী নবজান সরদারের।

নবজান সরদারের দাবি, তাঁর বাবা চাঁদ আলী সরদারের মৃত্যুর পর ওয়ারিশ হিসেবে পাঁচ ছেলে, তিন মেয়ে ও এক স্ত্রী রয়েছেন। গত ১৭ সেপ্টেম্বর তিনি গদাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর ওয়ারিশ সনদের জন্য আবেদন করেন। অন্যদিকে, তাঁর বাবার দ্বিতীয় স্ত্রী সখিনা বেগমের আগের পক্ষের ছেলে আয়ুব আলীও গত ১২ জুন একই বিষয়ে আবেদন করেন।

নবজানের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম ও খুকুমণি তাঁর আবেদনের পক্ষে প্রতিবেদন দিয়েছেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও তাঁর পক্ষে সুপারিশ করেছেন। এরপরও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সনদ না দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে হয়রানি করছেন। এ বিষয়ে গত ১৫ অক্টোবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর কাছে আবেদন করলে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন বলে জানান নবজান।

নবজান আরও অভিযোগ করেন, আয়ুব আলীর পিতার নাম মুনতাজ মোড়ল। আয়ুবের বয়স যখন সাত বছর, তখন তাঁর মা সখিনা বেগমকে চাঁদ আলী সরদার বিয়ে করেন। বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তির অংশ পেতে আয়ুব মিথ্যা তথ্য দিয়ে ওয়ারিশ সনদ নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে দাবি করেন তিনি।

এদিকে, গত মঙ্গলবার ফজরের নামাজের আগে কে বা কারা আয়ুব আলীর রান্নাঘরের চালে আগুন দিয়েছে। এ ঘটনায় তাঁদের ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে পরিবারের সদস্যদের জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন নবজান। তবে এ বিষয়ে আয়ুব আলীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান শেখ খোরশেদুজ্জামান বলেন, ওয়ারিশ সনদের বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে সনদ দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

পাইকগাছায় মেডিকেল ক্যাম্পে বিনা মূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৬০০ রোগী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় মেডিকেল ক্যাম্পে বিনা মূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৬০০ রোগী

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় দিনব্যাপী বিনা মূল্যের মেডিকেল ক্যাম্পে প্রায় ৬০০ দুস্থ রোগীকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) উপজেলার গড়ইখালীর বগুলার চক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জিএম আব্দুর রবের উদ্যোগ ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের খুলনা শাখা পরিচালিত বিনোদিনী হাসপাতাল এ ক্যাম্পের আয়োজন করে। এতে মেডিসিন, অর্থোপেডিকস ও গাইনি বিভাগসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।

ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. মো. হারুনর রশীদ, সাবেক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম গোলাম আজম, স ম রেজাউল করিম, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুবদল নেতা ওবায়দুল্লাহ সরদার, নজরুল ইসলাম, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনুপ কুমার মণ্ডল, সাবেক শিক্ষক গাজী আব্দুস সাত্তার ও শিক্ষক হাফিজুর রহমান।

ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা দেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. শেখ বাহারুল আলম, অধ্যাপক ডা. পরিতোষ কুমার চৌধুরী, ডা. রুবাইয়া ইয়াসমিন, ডা. ইতি রাণী ঘোষ, ডা. প্রমা সাহা ও ডা. চুমকি মহান্ত।