সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

পাইকগাছায় পাউবোর জায়গায় উচ্ছেদ অভিযান, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ১১ ঘর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ
পাইকগাছায় পাউবোর জায়গায় উচ্ছেদ অভিযান, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ১১ ঘর

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জায়গায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে স্কেভেটর (ভেকু) দিয়ে ১১টি পরিবারের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
পাউবো সূত্রে জানা গেছে, অফিস কলোনির সীমানা প্রাচীরের ভেতর দীর্ঘদিন ধরে বেশ কিছু পরিবার ঘরবাড়ি নির্মাণ করে অবৈধভাবে বসবাস করে আসছিল। জায়গাটি খালি করে দেওয়ার জন্য পাউবোর পক্ষ থেকে বারবার তাগিদ দেওয়া হলেও কেউ কর্ণপাত করেননি। পরবর্তী সময়ে তাঁদের দুই দফা আইনি নোটিশ দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পর উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী মোতালেব হোসেন বলেন, “সরকারি জায়গা খালি করতে তাঁদের বারবার অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা জায়গা না ছাড়ায় জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে।”
উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফজলে রাব্বী এবং পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রিফাত বিন রফিক। এ ছাড়া আরডিসিও আরিফুজ্জামান আরিফ ও পুলিশের একটি দল অভিযানে অংশগ্রহণ করে।
উচ্ছেদের সময় ক্ষতিগ্রস্তদের কয়েকজন দাবি করেন, যে জমিতে তাঁরা বসবাস করছিলেন তা তাঁদের নিজস্ব সম্পত্তি। তবে এ দাবি নাকচ করে দিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফজলে রাব্বী বলেন,
“সব ধরনের নিয়মকানুন মেনেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পাউবোর অফিস কলোনির অভ্যন্তরীণ অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে। সরকারি জমি উদ্ধারে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।” অভিযান শেষে পাউবোর উদ্ধারকৃত জায়গা পুনরায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

Ads small one

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলো পুলিশ সদর দফতর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ণ
‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলো পুলিশ সদর দফতর

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ সদর দফতর। সোমবার (২৬ অক্টোবর) এক স্পষ্টীকরণে সদর দফতর জানিয়েছে, আইজিপি আইন প্রয়োগের কঠোরতা বোঝাতে গিয়ে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি আক্ষরিক অর্থে উল্লেখ করেছেন। তিনি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে শব্দটি ব্যবহার করেননি বলেও দাবি করেছে পুলিশ সদর দফতর।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর চকবাজারে কমিউনিটি ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং শাখা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আইজিপির বক্তব্যে ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ ও শিরোনামের বিষয়ে পুলিশ সদর দফতরের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়। জনমনে বিভ্রান্তি নিরসনে এ স্পষ্টীকরণ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

পুলিশ সদর দফতরের বক্তব্য অনুযায়ী, আইজিপি তার বক্তব্যে মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং জননিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টিকারী অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

স্পষ্টীকরণে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশ রাষ্ট্রের প্রধান আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। অপরাধ দমন, অপরাধী গ্রেফতার, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। এসব দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশ সদস্যদের কখনও অপরাধী, সংঘবদ্ধ হামলাকারী কিংবা আইন অমান্যকারী ব্যক্তিদের সরাসরি প্রতিরোধ ও আক্রমণের মুখোমুখি হতে হয়।

পুলিশ সদর দফতর জানায়, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধী গ্রেফতার, অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং সরকারি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে পুলিশের ওপর ১৭৬টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় চারজন পুলিশ সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৩৭০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

দেশের প্রচলিত আইন, বিশেষ করে দণ্ডবিধি-১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি-১৮৯৮ এবং পুলিশ অ্যাক্ট-১৮৬১-এ পুলিশের আত্মরক্ষার অধিকারের কথা বলা রয়েছে বলেও স্পষ্টীকরণে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে, একই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সম্পর্কে আইজিপির মন্তব্য নিয়েও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দফতর। এ বিষয়ে স্পষ্টীকরণে বলা হয়, ‘প্রকৃত অর্থে তিনি সাংবাদিকদের সম্পর্কে ঢালাও কোনও মন্তব্য করতে চাননি, এটি অসাবধানতাবশত হয়েছে।’

উল্লেখ্য, সোমবার চকবাজারে কমিউনিটি ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং সেবা চালুর অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেছিলেন, ‘আমরা লাঠিপেটা করলে বলবেন ফ্যাসিস্ট পুলিশ। আর আমরা যদি নীরব থাকি তাহলে বলবেন দুর্বল পুলিশ। তাহলে আমাকে তো কাজ করার পরিবেশ দিতে হবে। এমপাওয়ার করতে হবে।’ একই বক্তব্যে তিনি সরকার অনুমোদন দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করার কথাও বলেন।

আইজিপির ওই বক্তব্যের পর হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) উদ্বেগ ও নিন্দা জানায়। সংস্থাটি সরকারের কাছে বক্তব্যের স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করে এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করার আহ্বান জানায়।

অন্যদিকে, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আইজিপির বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে তা প্রত্যাহার, তার জবাবদিহি এবং বিচারবহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত অবস্থানের পরিপন্থি বক্তব্যের বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানায়।

পুলিশ সদর দফতর স্পষ্টীকরণে বলেছে, বাংলাদেশ পুলিশ মানবাধিকার সমুন্নত রেখে জনগণের জানমাল রক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে হাল ফ্যাশন ও এনেক্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৪ অপরাহ্ণ
ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে হাল ফ্যাশন ও এনেক্স

দেশের ফ্যাশন, লাইফস্টাইল ও গণমাধ্যম খাতে সৃজনশীল উদ্যোগ সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক মানের আয়োজনের লক্ষ্যে কৌশলগত অংশীদারত্বে যুক্ত হয়েছে হাল ফ্যাশন ও বিজ্ঞাপনী সংস্থা এনেক্স কমিউনিকেশন্স লিমিটেড। সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে দেশজুড়ে কার্যক্রম ও কনটেন্টের পরিসর বাড়ানো, বৃহত্তর দর্শক-শ্রোতার সঙ্গে সংযোগ তৈরি এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ফ্যাশন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে। ফ্যাশনের পাশাপাশি খাদ্য ও পুষ্টি, স্বাস্থ্য, ত্বকের যত্ন, ব্যক্তিগত পরিচর্যা, গৃহসজ্জা, পোষা প্রাণী এবং জলবায়ু ও উদ্ভিদ পরিচর্যার মতো বিষয়েও কনটেন্ট তৈরি করবে প্রতিষ্ঠান দুটি।

চুক্তির আওতায় আন্তর্জাতিক মানের ফ্যাশন শো, বড় আয়োজন, রিয়েলিটি শো, বিষয়ভিত্তিক পডকাস্ট, বিশেষ অনুষ্ঠান, ডিজিটাল কনটেন্ট ও ম্যাগাজিন প্রকাশনায় যৌথভাবে কাজ করবে তারা। পাশাপাশি নতুন প্রতিভা বিকাশ, তরুণদের সৃজনশীল অংশগ্রহণ এবং দেশি-বিদেশি সৃজনশীল প্রতিষ্ঠান ও পেশাজীবীদের সঙ্গে সহযোগিতার সুযোগ তৈরিতেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

চুক্তিতে এনেক্স কমিউনিকেশন্স লিমিটেডের পক্ষে পরিচালক শরীফ সাব্বির এবং হাল ফ্যাশনের পক্ষে পরামর্শক এস কে সাইফুর রহমান স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্য দেন প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ। এ সময় দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সৃজনশীল যোগাযোগ, আকর্ষণীয় কনটেন্ট ও বড় পরিসরের আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল খাতের বিকাশে এ অংশীদারত্ব ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠান দুটি। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সব কার্যালয় তামাকমুক্ত ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সব কার্যালয় তামাকমুক্ত ঘোষণা

পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাগ্রহীতাদের সুরক্ষায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সব কার্যালয় শতভাগ তামাক ও ধূমপানমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার রাজধানীতে কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাগ্রহীতাদের পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো. শরিফুল ইসলাম। তিনি জানান, তামাকের ধোঁয়ায় প্রায় সাত হাজার রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ২৫০টি মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। তাঁর উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিবছর তামাকের কারণে প্রায় দুই লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। বৈশ্বিক প্রাপ্তবয়স্ক তামাক ব্যবহার জরিপের (গ্যাটস) তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, আচ্ছাদিত কর্মক্ষেত্রে ৪২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং সরকারি কার্যালয়ে ২১ দশমিক ৬ শতাংশ অধূমপায়ী পরোক্ষ ধূমপানের ঝুঁকিতে রয়েছেন।

বক্তারা বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সব জনসমাগমস্থল ও কর্মক্ষেত্র শতভাগ ধূমপানমুক্ত রাখা জরুরি। এ জন্য সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০২৬-এর বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের ওপরও তাঁরা গুরুত্ব দেন। বিধিমালা প্রণয়নে বিলম্ব হলে আইনে অন্তর্ভুক্ত জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার উদ্যোগগুলোর সুফল পেতে দেরি হতে পারে বলে তাঁরা উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আইন কর্মকর্তা ফেরদৌস আরাফাতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কর্তৃপক্ষের সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, অতিরিক্ত পরিচালক কাউছারুল ইসলাম সিকদার এবং ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিভাগের সহকারী পরিচালক ডা. নায়লা পারভিন। এ সময় আহ্ছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িংয়ের সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি