বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩

শুক্রবারের চিকিৎসা, ওষুধের অনিশ্চয়তা: সাতক্ষীরার স্বাস্থ্যব্যবস্থার অদৃশ্য সংকট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩৮ অপরাহ্ণ
শুক্রবারের চিকিৎসা, ওষুধের অনিশ্চয়তা: সাতক্ষীরার স্বাস্থ্যব্যবস্থার অদৃশ্য সংকট

সচ্চিদানন্দ দে সদয়
সকাল আটটা। সাতক্ষীরা শহরের প্রধান সড়কগুলো তখনই ব্যস্ত হয়ে উঠতে শুরু করেছে। আশাশুনি, শ্যামনগর, কালিগঞ্জ, দেবহাটা, তালা, কলারোয়া-জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ আসছেন। কারও হাতে পরীক্ষার রিপোর্ট, কারও চোখে উদ্বেগ, কারও সঙ্গে অসুস্থ বাবা-মা বা শিশু সন্তান। কারণ একটাই-আজ শুক্রবার। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখানোর দিন। কিন্তু এই আশার দিনের ভেতরেই লুকিয়ে আছে আরেকটি বাস্তবতা-চিকিৎসা পাওয়ার পরও চিকিৎসা সম্পূর্ণ না হওয়ার এক নীরব সংকট। প্রেসক্রিপশন হাতে নিয়েও অনেক রোগী ফিরছেন অনিশ্চয়তা নিয়ে, কারণ প্রয়োজনীয় ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না, বা পেতে হচ্ছে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা।

 

এই দৃশ্য কোনো ব্যতিক্রম নয়। বরং এটি এখন একটি নিয়মিত চিত্র, যা সাতক্ষীরার স্বাস্থ্যব্যবস্থার একটি গভীর কাঠামোগত দুর্বলতার দিকে ইঙ্গিত করে। স্বাভাবিক অর্থনীতির ভাষায়, কোনো পণ্য বা সেবার চাহিদা বাড়লে সরবরাহও বাড়ার কথা। কিন্তু সাতক্ষীরার বাস্তবতা যেন সেই সূত্রের উল্টো। শুক্রবার-যেদিন রোগীর চাপ সবচেয়ে বেশি-সেই দিনেই শহরের অর্ধেক অংশের ফার্মেসি বন্ধ থাকে। ওষুধ ব্যবসায়ীদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পালাক্রমে দোকান বন্ধ রাখা হয়। ফলে কার্যত অর্ধেকের বেশি দোকান সেবা থেকে বাইরে থাকে।

 

এতে দুটি বড় সমস্যা তৈরি হয়-খোলা থাকা দোকানগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ, রোগীদের জন্য সময় ও সেবার সংকট ফলে বাজারে একটি কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়, যা স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে হওয়ার কথা নয়। এই সংকটকে বুঝতে হলে মাঠের অভিজ্ঞতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একজন রোগী ভোরে বাড়ি থেকে বের হয়েছেন। তিন-চার ঘণ্টা পথ পাড়ি দিয়ে শহরে পৌঁছেছেন। চিকিৎসকের চেম্বারে অপেক্ষা করেছেন আরও কয়েক ঘণ্টা। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করে যখন প্রেসক্রিপশন হাতে পেয়েছেন, তখন শরীর-মন দুটোই ক্লান্ত।

এই অবস্থায় যদি তাঁকে আরও দুই-তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, তাহলে সেটি কেবল প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়-এটি একটি মানবিক ব্যর্থতা। বিশেষ করে-বয়স্ক রোগী, গর্ভবতী নারী, শিশুরা এই দীর্ঘ অপেক্ষার কষ্ট আরও তীব্রভাবে অনুভব করেন। সংকটের ভেতর আরও একটি উদ্বেগজনক দিক উঠে এসেছে-সব রোগী সমান সেবা পাচ্ছেন না। অভিযোগ রয়েছে, কিছু ফার্মেসি বড় অংকের প্রেসক্রিপশনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ছোট অংকের ওষুধ নিতে আসা রোগীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে দীর্ঘ সময়, কখনো বা ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

 

যদি এই অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে এটি শুধু ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা নয়-এটি নৈতিক সংকট। স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্য মানে-দরিদ্র মানুষ আরও বঞ্চিত হওয়া, জরুরি রোগী ঝুঁকিতে পড়া, সামাজিক অসাম্য আরও গভীর হওয়া। ওষুধ ব্যবসায়ীদের বক্তব্যও একেবারে অযৌক্তিক নয়। তারা বলছেন-কর্মচারীদের নির্দিষ্ট শিফট নেই, দীর্ঘ সময় কাজ করতে হয়, বিশ্রামের সুযোগ প্রয়োজন। এই বাস্তবতা অস্বীকার করা যায় না। কিন্তু প্রশ্ন হলো-সমাধান কি এই? স্বাস্থ্যসেবা খাতে সমাধান হতে হবে এমন, যাতে-কর্মীদের অধিকার নিশ্চিত হয়, রোগীদের সেবাও ব্যাহত না হয়, কিন্তু বর্তমান পদ্ধতিতে দেখা যাচ্ছে, ভারসাম্য তৈরি হয়নি।

 

স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ পণ্য নয়। এটি একটি “রহবষধংঃরপ ফবসধহফ বা অনমনীয় চাহিদার ক্ষেত্র। অর্থাৎ-রোগী তার চাহিদা স্থগিত করতে পারে না, বিকল্প খুঁজে নেওয়ার সুযোগ সীমিতসময়ই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই কারণে স্বাস্থ্যসেবাকে পুরোপুরি বাজারের নিয়মে পরিচালনা করা যায় না। ফার্মেসিগুলো যদি শুধুই ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে পরিচালিত হয়, তাহলে এই ধরনের সংকট তৈরি হবেই। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-প্রশাসন কী করছে? বাংলাদেশে চিকিৎসাসেবা একটি জরুরি সেবা।

 

এই সেবার অংশ হিসেবে ওষুধ সরবরাহও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে-সাপ্তাহিক ছুটিতে ফার্মেসি বন্ধ রাখার নীতিমালা কী? কোনো তদারকি আছে কি? অভিযোগের তদন্ত হয় কি? এই প্রশ্নগুলোর সুস্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায় না। শুক্রবারের এই ভিড় আসলে একটি বড় সমস্যার লক্ষণ। কারণ-উপজেলা পর্যায়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব, মানসম্মত ডায়াগনস্টিক সুবিধার সীমাবদ্ধতা, চিকিৎসা ব্যবস্থার কেন্দ্রীভবন ফলে মানুষ বাধ্য হয়ে শহরে আসে। এটি একটি “পবহঃৎধষরুবফ যবধষঃযপধৎব সড়ফবষ-এর ফলাফল।

 

সাতক্ষীরার এই চিত্র পুরো দেশের একটি প্রতিফলন। সমস্যাগুলো হলো-শহর বনাম গ্রামের বৈষম্য, সরকারি ও বেসরকারি সেবার অসমতা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার দুর্বলতা এই কারণে ছোট একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তও বড় সংকটে পরিণত হয়। সমস্যার সমাধান আছে, তবে তা হতে হবে বাস্তবসম্মত। সব দোকান খোলা রেখে কর্মীদের পালাক্রমে ছুটি দেওয়া। প্রতিটি এলাকায় নির্দিষ্ট সংখ্যক ফার্মেসি খোলা রাখা বাধ্যতামূলক করা। লাইফ-সেভিং ওষুধ সবসময় নিশ্চিত রাখা। টোকেন বা সিরিয়াল সিস্টেম চালু করা।

 

সেবায় বৈষম্য হলে ব্যবস্থা নেওয়া। বর্তমানে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনেক সমস্যা কমানো সম্ভব-অনলাইন প্রেসক্রিপশন, ওষুধের স্টক তথ্য, মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বুকিং এসব উদ্যোগ নেওয়া গেলে ভিড় কমানো সম্ভব। সবশেষে বিষয়টি মানবিক। একজন রোগী যখন-দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন, অসুস্থ শরীরে অপেক্ষা করেন, ওষুধ না পেয়ে ফিরে যান তখন সেটি কেবল একটি সিস্টেমের ব্যর্থতা নয়, এটি একটি সমাজের ব্যর্থতা। এই সংকটকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই।

 

কারণ-এটি জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত, এটি সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রশ্ন, এটি প্রশাসনিক সক্ষমতার পরীক্ষাসাতক্ষীরার শুক্রবার আমাদের সামনে একটি সহজ কিন্তু গভীর প্রশ্ন তুলে ধরে-চিকিৎসা কি শুধু প্রেসক্রিপশন, নাকি পূর্ণাঙ্গ সেবা? যদি উত্তর হয় পূর্ণাঙ্গ সেবা, তাহলে ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতেই হবে। সমস্যাটি দৃশ্যমান, সমাধানও সম্ভব। প্রয়োজন-সমন্বয়, সদিচ্ছা, কার্যকর নীতি-শুক্রবারের শহর যেন আর কষ্টের প্রতীক না হয়ে ওঠে-এই প্রত্যাশাই থাকল।

লেখক: সংবাদকর্মী

 

 

 

Ads small one

দেবহাটায় র‌্যাবের অভিযানে ১ হাজার ৫৬৬ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার, দুই ব্যক্তি আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৭ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় র‌্যাবের অভিযানে ১ হাজার ৫৬৬ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার, দুই ব্যক্তি আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সুশীলগাতি এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরা ক্যাম্পের সদস্যরা। এসময় দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে ।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আটককৃতরা হলেন-দেবহাটা উপজেলার সুশীলগাতি এলাকার বাসিন্দা মৃত ইলিয়াস খানের ছেলে মোঃ ইয়াকুব খান (২৯), এবং একই এলাকার আব্দুল কাদেরের ছেলে মোঃ নাজিম উদ্দীন (৪১)।

র‌্যাব জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে নিয়মিত অভিযানের ধারাবাহিকতায় বুধবার ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবহাটা থানার সুশীলগাতি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ১ হাজার ৫৬৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজনকে আটক করা হয়।

র‌্যাব-৬, সিপিসি-১ সাতক্ষীরার কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জায়েন উদ্দীন মুহাম্মদ যিয়াদ জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধারকৃত ফেন্সিডিলসহ তাদের দেবহাটা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অবৈধ অস্ত্র, মাদকদ্রব্য ও চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে র‌্যাবের চলমান অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

কলারোয়ায় অবৈধভাবে সরকারি জমির উপর বিল্ডিং করার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় অবৈধভাবে সরকারি জমির উপর বিল্ডিং করার অভিযোগ

‎সংবাদদাতা: কলারোয়ায় অবৈধভাবে জবর দখল করে সরকারি জমির (রাস্তার) উপর বিল্ডিং (পাকা ঘর) করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কলারোয়া উপজেলার ১০ নম্বর কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড উত্তর রায়টা বিশ্বাস পাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। একই গ্রামের মৃত এ কে এম আনসার উদ্দিন এর ছেলে মোঃ জহির উদদীন ( খোকা) বাদী হয়ে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

 

লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, একই গ্রামের বিবাদী মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম মোঃ ইব্রাহিম হোসেন জবর দখল করে পাকা ঘর নির্মাণ করছে। এ সময় এলাকার সচেতন লোকেরা তাদের বাধা দিলে বাধা উপেক্ষা করে ঘর করতে থাকে। এ পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে তিনি বাদী হয়ে অভিযোগ দাযের করেন।

 

সরকারি রাস্তার উপর বিল্ডিং করার খবর জানাজানি হলে ঘটনাস্থলে যেয়ে জানা যায় রাইটা মাদ্রাসা হতে বিএম নজরুল ইসলামের বাড়ি পর্যন্ত দীর্ঘ রাস্তাটি প্রস্ত ৪০ থেকে ৪৫ ফুট রাস্তা সরকারি। সেখানে বর্তমানে ১২ থেকে ১৪ ফুট রাস্তা বাদে বাকি জমি দখল করে বাড়ি বা প্রাচীর করে দখল করে ফেলেছে। যা এলাকার লোক স্বীকার করেছে। এ রাস্তাটি রাইটা যুগিখালী ইউনিয়নবাসির যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা।

 

এই রাস্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‎এলাকাবাসীর দাবি দখলমুক্ত করে রাস্তাটি প্রশস্ত করে দেওয়ার জোর দাবি করেন এবং নতুন করে যেন কোন বিল্ডিং না করতে পারে তার জন্য সরকার এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার প্রতি জোর দাবী করেন।

‎এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাঈদ গাজীকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি জানি এবং বিল্ডিং ভেঙ্গে নেওযার কথা বলেছি।

কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ অরিফুল ইসলাম অভিযোগের বিষয় স্বীকার করে তিনি বলেন আমি লোক পাঠিয়েছি বিষয়টি দেখছি। সংবাদদাতা: জুলফিকার আলী

পাইকগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আহসানারা বিনতে আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। ডাঃ অর্ণব ঘোষের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ সুজন কুমার সরকার, ডাঃ সঞ্জয় কুমার মন্ডল, ডাঃ জহিরুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজাহান আলী শেখ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার, প্রেসক্লাব পাইকগাছার সভাপতি প্রকাশ ঘোষ বিধান, রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি জি এম মিজানুর রহমান, প্রেসক্লাব পাইকগাছার সাধারণ সম্পাদক এম জালাল উদ্দীন, সাংবাদিক আব্দুল আজিজ, ক্যাশিয়ার দেবব্রত সরকার, পরিসংখ্যানবিদ মোঃ জাহাঙ্গীর আলমসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

 

অনুষ্ঠানে শিশুদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত কুইজ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এছাড়াও পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং শিশু-কিশোরদের সুস্থ বিকাশে সুষম খাদ্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।